গৃহ ব্যবস্থাপনার প্রথম ধাপ পরিকল্পনা করা। লক্ষ্য অর্জনের ক্ষেত্রে যেসব কর্মপন্থা অবলম্বন করা হয় তার পূর্বে কাজটি কীভাবে করা হবে, কেন করা হবে ইত্যাদি সম্বন্ধে চিন্তাভাবনা করার নাম পরিকল্পনা। পরিকল্পনার ওপর নির্ভর করে সমগ্র গৃহ ব্যবস্থাপনার পর্যায়গুলো পরিচালিত হয়। সঠিকভাবে পরিকল্পনা প্রণয়ন করলে লক্ষ্য অর্জন করা সম্ভব হয়। এ কারণে গৃহ ব্যবস্থাপনায় পরিকল্পনার গুরুত্ব অপরিসীম।
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Related Question
View Allগৃহ ব্যবস্থাপনার মূল চাবিকাঠি হলো লক্ষ্য বা উদ্দেশ্য।
লক্ষ্য বা উদ্দেশ্য হলো গৃহ ব্যবস্থাপনার মূল চাবিকাঠি। কারণ লক্ষ্যকে কেন্দ্র আমাদের সকল কর্মকাণ্ড আবর্তিত হয়। প্রত্যেক মানুষের জীবনেই লক্ষ্য থাকে।
গৃহ ব্যবস্থাপনার মূল চাবিকাঠি হলো লক্ষ্য বা উদ্দেশ্য।
লক্ষ্যকে কেন্দ্র করেই আমাদের সকল কর্মকাণ্ড আবর্তিত হয়। পরিবারে প্রত্যেকেরই নিজস্ব কিছু লক্ষ্য থাকে। যখন সম্মিলিতভাবে কোনো কাজ স্থির করা হয়, তখন দ্বন্দ্ব কম হয়। ফলে লক্ষ্য অর্জনও সহজতর হয়। লক্ষ্য নির্দিষ্ট হলেই তা অর্জনের কার্যাবলিও সঠিকভাবে সম্পাদিত হবে।
সায়হামের কার্যকলাপে তাৎক্ষণিক লক্ষ্যের ঘাটতি রয়েছে।
তাৎক্ষণিক লক্ষ্য হলো ছোট ছোট লক্ষ্য যার মধ্যে খুব বেশি কাজের প্রয়োজন হয় না। অল্প কাজ করলেই অনেক সময় লক্ষ্যটি অর্জন করা যায়। সায়হাম ভবিষ্যতে চিকিৎসক হতে চায়। এটা তার দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য। এই দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য অর্জনের জন্য তার মধ্যবর্তীকালীন লক্ষ্যগুলো হলো- বিজ্ঞান বিভাগে পড়ালেখা করা, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় কৃতিত্বের সাথে উত্তীর্ণ হওয়া এবং মেডিকেল কলেজে ভর্তির জন্য দক্ষতা অর্জন করা। এ সকল লক্ষ্য অর্জনের জন্য সায়হামকে নিয়মিত স্কুলে যাওয়া, মনোযোগ দিয়ে পড়াশোনা করা, শ্রেণির কাজ ঠিকমতো সম্পন্ন করা ইত্যাদির প্রতি মনোনিবেশ করতে হবে। এগুলোই তার তাৎক্ষণিক লক্ষ্যের অন্তর্ভুক্ত। কিন্তু সায়হামের পড়াশোনায় তেমন আগ্রহ নেই। অর্থাৎ তার তাৎক্ষণিক লক্ষ্যের ঘাটতি রয়েছে।
সায়হামের পরিবারের সদস্যরা সঠিক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। প্রতিটি পরিবারকে লক্ষ্য অর্জনের জন্য কাজটি কীভাবে করতে হবে এবং কেন করতে হবে তার পরিকল্পনা করতে হবে। আবার কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে প্রথম পর্যায়ে সমস্যার প্রকৃতি জানতে হবে। সমস্যা সমাধানে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে হবে।
সায়হামের লক্ষ্য চিকিৎসক হওয়া। এ লক্ষ্য অর্জনের জন্য প্রয়োজন বেশি বেশি পড়াশোনা করা। সায়হামের মূল সমস্যা হলো পড়ালেখার প্রতি তার আগ্রহ অনেক কম। এমতাবস্থায় সর্বাপেক্ষা কার্যকরী ব্যবস্থা হলো তার মানসিকতার পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া। তার বর্তমান পরিস্থিতির উন্নতির জন্য এবং লক্ষ্য অর্জনে সহায়তার উদ্দেশ্যে পরিবারের সকল সদস্য আলোচনার মাধ্যমে সায়হামের মাকে তার লেখাপড়ার প্রতি বিশেষ দায়িত্ব পালনের ভার দিয়েছে। যেহেতু মা তার সার্বক্ষণিক সঙ্গী, তাই এ কাজটি তার জন্য সহজতর। তিনিই আদর দিয়ে, বুঝিয়ে এবং প্রয়োজনে শাসন করে সায়হামের মানসিকতার পরিবর্তন করতে পারবেন। এ সকল কারণেই সায়হামের পরিবারের সদস্যদের গৃহীত পদক্ষেপটি অত্যন্ত যথার্থ বলে আমি মনে করি।
খাদিজা খাতুন তার ছোট মেয়ের জন্মদিন পালনে গৃহ ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন ধাপ অনুসরণ করেছেন। কিন্তু তিনি কাজ ও কর্মীর মধ্যে সমন্বয় সাধনে ব্যর্থ হয়েছেন। অর্থাৎ তিনি তার পরিকল্পনাকে সঠিকভাবে সংগঠিত করতে ব্যর্থ হয়েছেন। গৃহের প্রতিটি কাজ সঠিকভাবে সম্পাদনের জন্য গৃহ ব্যবস্থাপনার প্রত্যেকটি ধাপ পর্যায়ক্রমে অনুসরণ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এক্ষেত্রে কোনো একটি ধাপ সঠিক নিয়মে অনুসরণ না করলে কাজে সফলতা অর্জন অসম্ভব হয়ে পড়ে।
খাদিজা খাতুন বাজারের দায়িত্ব দিয়েছেন তার স্কুলপড়ুয়া ছেলেকে। এ বয়সী ছেলের বাজারদর ও প্রয়োজনীয় জিনিস সম্পর্কে ধারণা না থাকাই স্বাভাবিক। ফলে সে অনেক প্রয়োজনীয় জিনিসই বাজার থেকে আনতে ভুলে যাবে। অন্যদিকে অতিথি আপ্যায়নের দায়িত্ব দিয়েছেন ঘরকুনো স্বভাবের বড় মেয়েকে। যে মেয়ে অতিথিদের সামনে যেতেই স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে না, তার কাছে ভালো আপ্যায়ন আশা করা যায় না। সুতরাং, সম্পূর্ণ অনুষ্ঠান পরিচালনার ক্ষেত্রে কর্মী সংগঠনেই খাদিজা খাতুনের ত্রুটি পরিলক্ষিত হয়েছে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!