পরিচয়ে আমি বাঙালি, আমার আছে ইতিহাস গর্বের-
কখনোই ভয় করিনিকো আমি উদ্যত কোনো খড়গের।

শত্রুর সাথে লড়াই করেছি, স্বপ্নের সাথে বাস;

অস্ত্রেও শান দিয়েছি যেমন শস্য করেছি চাষ;

একই হাসি মুখে বাজিয়েছি বাঁশি, গলায় পরেছি ফাঁস;

আপস করিনি কখনোই আমি- এই হলো ইতিহাস।

Updated: 4 months ago
উত্তরঃ

ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতায় কৃষ্ণচূড়া ফুলের উল্লেখ রয়েছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

বাঙালির বেঁচে থাকা এবং দাবিদাওয়ার স্বাভাবিক পরিবেশের অভাবের কথা ব্যক্ত করতে আলোচ্য উক্তিটি করা হয়েছে।
পাকিস্তানিরা বাঙালিদের সর্বদা অত্যাচার, শোষণ ও নির্যাতন করেছে। তাদের কাছ থেকে যেকোনো দাবিদাওয়া আদায় করতে গিয়ে নির্বিচারে মরতে হয়েছে বাঙালিদের। ভাষার দাবিতে যেমন ১৯৫২ সালে মায়ের ছেলেদের প্রাণ দিতে হয়েছে, তেমনি ছয় দফা এবং অন্যান্য দাবি আদায় করতে গিয়ে ১৯৬৯ সালেও প্রাণ দিতে হয়েছে। প্রশ্নোক্ত কথাটি, দ্বারা পাকিস্তানি শাসনামলে বাঙালির বৈরী সময়ের কথাই বোঝানো হয়েছে

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকের বাঙালির সংগ্রামী ইতিহাস চেতনা এবং 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতার ঐতিহ্য চেতনা পরস্পর সাদৃশ্যপূর্ণ।
'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতাটি বাঙালির চেতনাগত উৎকর্ষের পটভূমিতে রচিত। বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনের ক্রমধারায় ছাত্র অসন্তোষকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা আন্দোলন ১৯৬৯ সালে ব্যাপক গণ আন্দোলনে রূপ নেয়। বিষয়টিকে উপজীব্য করে কবি শামসুর রাহমান তাঁর কবিতায় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সংগ্রামী ঐতিহ্য চেতনার অসাধারণ এক শিল্পভাষ্য নির্মাণ করেছেন।
উদ্দীপকে বাঙালির সংগ্রামী ইতিহাস গর্বের সাথে স্মরণ করা হয়েছে। বাঙালি ভীরুর জাতি নয়। যখন খড়গ হাতে শত্রুর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর সময় এসেছে, বাঙালি তখন বীর বেশেই শত্রুর মোকাবিলা করেছে। আবার স্বাধীনতা অর্জনের পর যখন দেশ পুনর্গঠনের জন্য কাজ করতে হয়েছে, তখন বাঙালি একযোগে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করেছে। সুতরাং উদ্দীপকে বাঙালির সক্রিয় ইতিহাস ফুটে উঠেছে, যা আলোচ্য কবিতায় ফুটে ওঠা বাঙালির ভাষা আন্দোলন এবং ১৯৬৯ সালের গণ অভ্যুত্থানের গৌরবোজ্জ্বল ঐতিহ্যের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপক এবং 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতা বাঙালির স্বতঃস্ফূর্ত সংগ্রামী চেতনার এক অসাধারণ শিল্পভাষ্য"- মন্তব্যটি যথার্থ।
'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতা একই সঙ্গে সংগ্রামী চেতনা, দেশপ্রেম ও গণজাগরণের কবিতা। এর প্রেক্ষাপটে আছে সর্বস্তরের মানুষের অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে ভাষা আন্দোলন এবং এই চেতনার নিরিখে পরে উনসত্তরের সংঘটিত হওয়া গণ অভ্যুত্থানের প্রসঙ্গ। এ কবিতায় শোষণ ও বঞ্চনার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো ও আত্মাহুতি দেওয়া বীর জনতাকে তিনি প্রতীকায়িত করেছেন।
উদ্দীপকে বাঙালির সংগ্রামী চেতনা প্রকাশ পেয়েছে। শত অত্যাচার ও নিপীড়নের মুখেও বাঙালি জাতি নতি স্বীকার করেনি। শত অত্যাচার সহ্য করেও তারা মাথা নত করেনি। স্বাধীনতাবিরোধী শক্তির বিরুদ্ধে তারা বারবার অস্ত্র হাতে প্রতিবাদী রূপ নিয়ে দাঁড়িয়েছে এবং জয় লাভ করেছে।
'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতায় কবি পাকিস্তানি শাসনামলে স্বতন্ত্র জাতিসত্তা হিসেবে বাঙালির আত্মজাগরণ এবং এই পরিপ্রেক্ষিতে ১৯৫২ সালের ভাষা-আন্দোলন, ১৯৬৯ সালের গণ-আন্দোলনের প্রসজা উপস্থাপন করেছেন। কবিতায় কবি দেখিয়েছেন যে, অন্যায়-অত্যাচারের বিরুদ্ধে বাঙালি জাতি সবসময় সোচ্চার থেকেছে। আলোচ্য কবিতায় বিধৃত এই সংগ্রামী চেতনার বিষয়টি উদ্দীপকের কবিতাংশেও গুরুত্বের সঙ্গে উপস্থাপন করা হয়েছে। বিদেশি শত্রুর সীমাহীন অন্যায়ের মুখেও বাঙালি মাথা নত না করে প্রতিরোধ গড়ে তোলে। তাই বলা যায়; উদ্দীপকের সংগ্রামী চেতনা 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতার ভাবসত্যের সংহত রূপ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
36

আবার ফুটেছে দ্যাখো কৃষ্ণচূড়া থরে থরে শহরের পথে 

কেমন নিবিড় হয়ে । কখনো মিছিলে কখনো-বা

 একা হেঁটে যেতে যেতে মনে হয়-ফুল নয়, 

ওরা শহিদের ঝলকিত রক্তের বুদ্বুদ, স্মৃতিগন্ধে ভরপুর । 

একুশের কৃষ্ণচূড়া আমাদের চেতনারই রংকে

এ-রঙের বিপরীত আছে অন্য রং, 

যে-রং লাগে না ভালো চোখে, যে-রং সন্ত্রাস আনে 

প্রাত্যহিকতায় আমাদের মনে সকাল-সন্ধ্যায়- 

এখন সে রঙে ছেয়ে গেছে পথ-ঘাট, সারা দেশ 

ঘাতকের অশুভ আস্তানা ।

আমি আর আমার মতোই বহু লোক

রাত্রি-দিন ভূলুণ্ঠিত ঘাতকের আস্তানায়, কেউ মরা, আধমরা কেউ, 

কেউ বা ভীষণ জেদি, দারুণ বিপ্লবে ফেটে পড়া । চতুর্দিকে

মানবিক বাগান, কমলবন হচ্ছে তছনছ

বুঝি তাই উনিশশো উনসত্তরেও

আবার সালাম নামে রাজপথে, শূন্যে তোলে ফ্ল্যাগ,

বরকত বুক পাতে ঘাতকের থাবার সম্মুখে।

সালামের চোখ আজ আলোচিত ঢাকা,

সালামের মুখ আজ তরুণ শ্যামল পূর্ব বাংলা ।

দেখলাম রাজপথে, দেখলাম আমরা সবাই

জনসাধারণ

দেখলাম সালামের হাত থেকে নক্ষত্রের মতো মতো *

ঝরে অবিরত অবিনাশী বর্ণমালা |

আর বরকত বলে গাঢ় উচ্চারণে

এখনো বীরের রক্তে দুঃখিনী মাতার অশ্রুজলে

ফোটে ফুল বাস্তবের বিশাল চত্বরে

হৃদয়ের হরিৎ উপত্যকায় । সেই ফুল আমাদেরই প্রাণ,

 শিহরিত ক্ষণে ক্ষণে আনন্দের রৌদ্রে আর দুঃখের ছায়ায় । [সংক্ষেপিত]

Related Question

View All
185
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র

Related Question

মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews