পরিবারের বড় ছেলে শফিকের বিয়ে ঠিক হওয়ায় ছোট ভাইবোনেরা খুব খুশি। তার বাবা বিয়ের কার্ড ছাপিয়ে আনলে সবার পছন্দ হলেও শফিকের হলো না। কার্ডটি সুন্দর হলেও ইংরেজিতে ছাপানো হয়। তাই সে এ প্রসঙ্গে তার পূর্বপুরুষের আত্মত্যাগের কথা স্মরণ করিয়ে বাবাকে বাংলায় কার্ডটি ছাপানোর জন্য অনুরোধ করে।

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

যুক্তফ্রন্ট ১৯৫৪ সালে গঠন করা হয়েছিল।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
10 months ago
উত্তরঃ

মুসলিম লীগের দুঃশাসন, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, শোষণ, দলের মধ্যে অন্তর্দ্বন্দ্ব, দুর্নীতি, পাকিস্তানের দুই অংশে বৈষম্য ইত্যাদি মুসলিম লীগের জনপ্রিয়তা অনেক হ্রাস করে। এ দলের ওপর জনগণ আস্থা হারিয়ে ফেলে। পক্ষান্তরে যুক্তফ্রন্টের ওপর মানুষের আস্থা জন্মাতে শুরু হয়। এ দলের কর্মসূচিতে জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটে। ফলে যুক্তফ্রন্টের জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি পায় এবং মুসলিম লীগের পরাজয় ঘটে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
10 months ago
উত্তরঃ

ভাষা আন্দোলনের প্রেরণা শফিককে বিয়ের কার্ড পরিবর্তনে প্রভাবিত করেছিল।

ভাষা আন্দোলন বাঙালি জাতির ইতিহাসে এক অবিস্মরণীয় ঘটনা। বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনের পটভূমিতে এটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। ভাষা আন্দোলনের মধ্য দিয়েই প্রতিটি গণআন্দোলনে বাঙালি জাতি ঐক্যবদ্ধ ও সচেতন হয়ে ওঠে; যা পাকিস্তানি শাসকদের বিরুদ্ধে প্রবলভাবে তাদেরকে সংঘবদ্ধ করে। ভাষা আন্দোলনই বাঙালি জাতির চরম ত্যাগ, অসীম সাহসিকতা ও পরম প্রাপ্তির ইতিহাস। আর এ প্রাপ্তির পিছনে রয়েছে সালাম, বরকত, রফিক, শফিক, জব্বারসহ নাম না জানা অনেকের বুকের তাজা রক্ত। বর্তমানে আমাদের মাতৃভাষা বাংলা পেয়েছে বিশ্ব স্বীকৃতি। যাদের রক্তে গড়া ইতিহাসে ভাষার মর্যাদা পেয়েছে সেসব শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো এবং তাদের স্বপ্নকে বাস্তবায়ন করার জন্য বাংলা ভাষার চর্চা একান্ত জরুরি। আর এ প্রেক্ষাপটেই উদ্দীপকে শফিক তার বাবাকে বিয়ের কার্ডটি বাংলায় ছাপানোর জন্য অনুরোধ করেছিল।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
10 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে বর্ণিত শফিকের মধ্যে ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের যে চেতনা জাগ্রত হয়েছিল তা বাঙালির জীবনে অসাধারণ প্রেরণা ও অফুরন্ত শক্তি যুগিয়েছিল। বাঙালির রক্তে গড়া ইতিহাস বিনির্মাণে ভাষা আন্দোলনই ছিল বাংলাদেশের অধিকার বঞ্চিত মানুষের গণচেতনার বহিঃপ্রকাশ। ১৯৫৪ সালের সাধারণ নির্বাচনে যুক্তফ্রন্টের বিজয়, ১৯৬২-এর শিক্ষা আন্দোলন, ১৯৬৬-এর ছয় দফা দাবি উত্থাপন, ১৯৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান, ১৯৭০-এর সাধারণ নির্বাচন এবং ১৯৭১-এর স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধ মূলত বাংলা ভাষা আন্দোলনের প্রত্যক্ষ প্রভাবের ফল। বাংলা ভাষা আন্দোলনের মধ্য দিয়েই তখন বাঙালি জাতি ঐক্যবদ্ধ ও সচেতন হয়ে ওঠে যা তাদেরকে শোষণের বিরুদ্ধে প্রবলভাবে একতাবদ্ধ করেছিল।

সুতরাং বলা যায়, ভাষা আন্দোলনের চেতনাই পরবর্তী প্রতিটি গণআন্দোলনের প্রেরণা যুগিয়েছিল এবং জনগণের রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক এবং অর্থনৈতিক মুক্তির পথকে সুগম করে স্বাধীনতা অর্জনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছিল।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
10 months ago
142

১৯৪৭ সালে ভারত ও পাকিস্তান নামের দুটি স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হয়। এর মধ্যে পাকিস্তান ছিল পশ্চিম ও পূর্ব এই দুই ভাগে বিভক্ত, যা একে অপরের থেকে বহুদূরে অবস্থিত ছিল। পূর্ব পাকিস্তান ছিল মূলত বাঙালি মুসলমান ও হিন্দুদের আবাস। পাকিস্তান রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পর থেকেই বাঙালিরা শোষণ, অত্যাচার ও বৈষম্যের শিকার হয়। এর বিরুদ্ধে তাঁরা ধারাবাহিকভাবে সংগ্রাম ও আন্দোলন শুরু করে। এর মধ্যে বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন, পূর্বপাকিস্তান প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচন, সামরিক শাসনবিরোধী আন্দোলন, শিক্ষা আন্দোলন অন্যতম। এছাড়া ১৯৬৬ সালের ৬ দফা আন্দোলন, ঐতিহাসিক আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা, সাংস্কৃতিক স্বাধিকার আন্দোলন, ১১ দফা আন্দোলন, উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান এবং ১৯৭০ সালের নির্বাচন বাঙালির জাতীয় জাগরণের ক্ষেত্রে ব্যাপক ভূমিকা রাখে। এসব আন্দোলন ও ঘটনার মধ্য দিয়েই পাকিস্তানবিরোধী চেতনা বেগবান হয়েছে, স্বাধীন বাংলাদেশের আকাঙ্ক্ষায় উদ্বুদ্ধ হয়েছে মানুষ। ফলে ১৯৭১ সালে জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধ শুরু হয়। এই রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে বাংলাদেশ স্বাধীনতা লাভ করে। এ অধ্যায়ে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে পরিচালিত আন্দোলন ও সংগ্রামের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা বর্ণনা করা হলো।

এ অধ্যায় শেষে আমরা-

১. রাষ্ট্রভাষা আন্দোলনের কারণ ও ঘটনাপ্রবাহ বর্ণনা করতে পারব;
২. ভাষা আন্দোলনের তাৎপর্য বিশ্লেষণ করতে পারব;
৩. যুক্তফ্রন্টের মাধ্যমে বাঙালির অর্জনসমূহ বর্ণনা করতে পারব;
৪. ছয় দফা আন্দোলন সম্পর্কে বর্ণনা করতে পারব;
৫. ঐতিহাসিক আগরতলা মামলার বিষয়টি ব্যাখ্যা করতে পারব;
৬. উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের ঘটনা ও গুরুত্ব বর্ণনা করতে পারব;
৭. ১৯৭০ সালের নির্বাচনে বাঙালির নিরঙ্কুশ বিজয় সম্পর্কে জানতে পারব;
৮. পূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তানের মধ্যে বিভিন্ন ক্ষেত্রে যে বৈষম্য ছিল তা ব্যাখ্যা করতে পারব।

Related Question

View All
উত্তরঃ

১৯৫৪ সালের প্রাদেশিক নির্বাচনে মুসলিম লীগ রাজনৈতিক দুর্বলতা ও দুঃশাসনের কারণে পরাজিত হন। এছাড়া মুসলিম লীগের অপশাসন, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, শোষণ, দলের মধ্যে অন্তর্দ্বন্দ্ব, দুর্নীতি, পাকিস্তানের দুই অংশে বৈষম্য ইত্যাদি মুসলিম লীগের জনপ্রিয়তা অনেক হ্রাস করে। ফলে যুক্তফ্রন্টের জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি পায় এবং মুসলিম লীগের পরাজয় ঘটে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
10 months ago
2.5k
উত্তরঃ

কাশিমপুরের মানুষের আন্দোলনে পূর্ব পাকিস্তানের ১৯৬৯ সালের গণআন্দোলনের বৈশিষ্ট্য ফুটে উঠেছে।

১৯৪৭ সালে দেশবিভাগের পর পশ্চিম পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী বিভিন্ন উপায়ে তাদের ক্ষমতা আঁকড়ে থাকে এবং স্বৈরাচারী হয়ে ওঠে। তাদের কার্যকলাপে অতিষ্ঠ হয়ে বাঙালি জনগোষ্ঠী বারবার রাজপথে নেমেছে। যার প্রতিফলন আমরা দেখতে পাই ১৯৬৬ সালের ৬ দফা দাবি ঘোষণার পর থেকে। সরকার এ আন্দোলনকে দমন করার জন্য পুলিশি নির্যাতন শুরু করে। এ সময় ঢাকায় ছাত্র-জনতার মিছিলে পুলিশ নির্বিচারে গুলি চালালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের ছাত্র আসাদুজ্জামান (আসাদ) নিহত হয়। আসাদ নিহত হওয়ার পর এ আন্দোলন পূর্ব পাকিস্তানের মানুষের মনে ক্ষোভের আগুন জ্বলে ওঠে। জনগণের ঐক্য, জাগরণ যে স্বৈরাচারী শাসকদের বুলেটের চেয়ে শক্তিশালী তা উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে প্রমাণিত হয়। ১৯৬৯ সালের গণআন্দোলনের উল্লিখিত তথ্যসমূহের সাথে কাশিমপুরের মানুষের আন্দোলনের মিল পাওয়া যায়।

তাই বলা যায়, কাশিমপুর অঞ্চলের মানুষের আন্দোলনে পূর্ব পাকিস্তানের ১৯৬৯ সালের গণআন্দোলনের বৈশিষ্ট্য ফুটে উঠেছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
10 months ago
301
উত্তরঃ

কাশিমপুরের চেয়ারম্যানের পরিণতি যেন পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আইয়ুব খানের পরিণতিরই প্রতিচ্ছবি- উক্তিটি যথার্থ।

তদানীন্তন পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট জেনারেল আইয়ুব খানের ক্ষেত্রে দেখা যায়, তার স্বৈরাচারী মনোভাব ও কার্যকলাপে অতিষ্ঠ হয়ে পূর্ব-পাকিস্তানের সুবিধাবঞ্চিত জনগণ দুর্বার গণআন্দোলন শুরু করে। জেনারেল আইয়ুব খান এ আন্দোলন দমন করার জন্য পুলিশি নির্যাতন শুরু করেন। পুলিশের গুলিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আসাদ শহিদ হওয়ার পর এ আন্দোলন গণঅভ্যুত্থানে পরিণত হয়। আন্দোলনের তীব্রতায় ভীত হয়ে ক্ষমতায় টিকে থাকার কোনো উপায় খুঁজে না পেয়ে ১৯৬৯ সালের ২৫শে মার্চ জেনারেল আইয়ুব খান পদত্যাগ করতে বাধ্য হন। একইভাবে কাশিমপুর অঞ্চলের মানুষ তাদের চেয়ারম্যানের স্বৈরাচারী মনোভাব ও কার্যকলাপে অতিষ্ট হয়ে আন্দোলন ও বিক্ষোভ প্রদর্শন করে। চেয়ারম্যান পেশিশক্তি ও রক্তপাত ঘটিয়েও এ আন্দোলন স্তিমিত করতে পারেনি। এক পর্যায়ে উক্ত 'চেয়ারম্যান পদত্যাগ করতে বাধ্য হন, যেমনটি পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আইয়ুব খানের ক্ষেত্রে ঘটেছে।

সুতরাং বলা যায়, কাশিমপুরের চেয়ারম্যানের পরিণতি তৎকালীন পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আইয়ুব খানের পরিণতিরই প্রতিচ্ছবি।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
10 months ago
301
উত্তরঃ

শেখ মুজিবুর রহমানসহ মোট ৩৫ জনের বিরুদ্ধে ঐতিহাসিক আগরতলা মামলা (রাষ্ট্র বনাম শেখ মুজিবুর রহমান এবং অন্যান্য) দায়ের করা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
10 months ago
171
উত্তরঃ

৬ দফা পূর্ব বাংলার জনগণের অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক, সামরিকসহ সকল অধিকারের কথা তুলে ধরে। এতে প্রত্যক্ষভাবে স্বাধীনতার কথা বলা না হলেও এ কর্মসূচি বাঙালিদের স্বাধীনতার মন্ত্রে উজ্জীবিত করে। এ ছয় দফার পথ ধরে আমরা স্বাধীনতা অর্জন করি। তাই ছয় দফাকে বাংলার মানুষের মুক্তির দলিল বলা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
10 months ago
272
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র

Related Question

মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews