পরিমাপের ক্ষেত্রে বিভিন্ন 'দেশে বিভিন্ন পদ্ধতির একক প্রচলিত আছে। কোনো দেশে এফ. পি. এস পদ্ধতি, কোনো দেশে সি. জি. এস পদ্ধতি আবার কোনো দেশে এম. কে. এস পদ্ধতি। পরিমাপের ক্ষেত্রে এ বৈষম্য দূর করে অভিন্ন পদ্ধতি ব্যবহারের উদ্দেশ্যে আন্তর্জাতিক একক ব্যবহার করা হয়। আন্তর্জাতিক পদ্ধতি বা এস. আই পদ্ধতিতে দৈর্ঘ্যের একক মিটার, ভরের একক কিলোগ্রাম এবং সময়ের একক সেকেন্ড। অর্থাৎ পরিমাপের ক্ষেত্রে বিভিন্ন দেশের মধ্যে বৈষম্য দূর করে সঠিক লেনদেনের উদ্দেশ্যেই পরিমাপের আন্তর্জাতিক একক ব্যবহার করা হয়।
Related Question
View Allআমাদের দৈনন্দিন জীবনে পরিমাপের প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম। কারণ জীবনধারণের জন্য প্রতিনিয়তই আমাদেরকে বিভিন্ন জিনিসের আদান-প্রদান করতে হয়। যেমন- কেনাকাটা, কোনো কিছুর পরিমাণ নির্ণয় করা, এমনকি বৈদেশিক বাণিজ্যের ক্ষেত্রেও পরিমাপের প্রয়োজন। কারণ পরিমাপ ব্যতীত এ কাজগুলো কোনোভাবেই সম্পন্ন করা সম্ভব নয়। অর্থাৎ দৈনন্দিন জীবনে বিভিন্ন কাজ যথাযথভাবে সম্পন্ন করতে পরিমাপের প্রয়োজন হয়।
উদ্দীপক থেকে পাই,
ফারহানের পড়ার ঘরের ক্ষেত্রফল = ৪০ বর্গমিটার
এবং দৈর্ঘ্য = ১০ মিটার
আমরা জানি,
ক্ষেত্রফল = দৈর্ঘ্য প্রস্থ
প্রস্থ= ক্ষেত্রফল/দৈর্ঘ্য
= ৪০ বর্গমিটার/১০ মিটার== ৪ মিটার
অতএব, ফারহানের পড়ার ঘরের প্রস্থ ৪ মিটার।
উদ্দীপক থেকে পাই,
ফারহানের পড়ার ঘরের ক্ষেত্রফল = ৪০ বর্গমিটার
পড়ার টেবিলের দৈর্ঘ্য = ১ মিটার
পড়ার টেবিলের প্রশ্ন = ৫০ সে. মি.
মি. [ ১০০ সে. মি. = ১ মি.]
= ০.৫ মি
পড়ার টেবিলের ক্ষেত্রফল = (দৈর্ঘ্য প্রস্থ) বর্গএকক
= (১ ০ ০.৫) বর্গমিটার
= ০.৫ বর্গমিটার
অতএব, একটি টেবিলের ক্ষেত্রফল = ০.৫ বর্গমিটার
ঘরের ফাঁকা জায়গার ক্ষেত্রফল = (৪০ ১) বর্গমিটার
= ৩৯ বর্গমিটার
অতএব, টেবিল দুটি রাখার পর ঘরে ৩৯ বর্গমিটার ফাঁকা জায়গা থাকবে
ক্যান্ডেলা হলো দীপন ক্ষমতা অর্থাৎ আলোক ঔজ্জ্বল্য পরিমাপের একক।
যেসব একক একাধিক মৌলিক এককের সমন্বয়ে গঠিত - তাদেরকে যৌগিক একক বলে। যেমন, আয়তনের একক ঘনমিটার, যা তিনটি মৌলিক দৈর্ঘ্য, প্রস্থ ও উচ্চতার একক মিটার এর গুণফল। -তাই আয়তনের একক একটি যৌগিক একক।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
