উদ্ভিদ সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় বায়ুমণ্ডল থেকে কার্বনকে কার্বন ডাইঅক্সাইড হিসেবে গ্রহণ করে; এ কার্বনের বিভিন্ন মাধ্যমে স্থানান্তরের পর শ্বসন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে পুনরায় বায়ুমণ্ডলে ফিরে আসাকে কার্বন চক্র বলে।
প্রধানত শোষিত হয় গাছপালা দ্বারা। সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় খাদ্য তৈরির সময় গাছপালা গ্রহণ করে। তাছাড়া বায়ুমণ্ডলের এর একটি অংশ নদ-নদী, খাল-বিল ও সমুদ্রের পানিতে দ্রবীভূত হচ্ছে প্রাকৃতিকভাবে। এভাবে কিছু পরিমাণ পানি দ্বারা শোষিত হয়।
ম্যাগনেসিয়ামের রিবনটি স্পিরিট ল্যাম্পে ধরার সাথে সাথে তা প্রজ্জ্বলিত হয়।
কারণ: ম্যাগনেসিয়াম সাধারণ তাপমাত্রায় বাতাসে জ্বলে উঠার না কারণ, ম্যাগনেসিয়াম খুব সক্রিয় ধাতু নয়। তাছাড়া স্বাভাবিক তাপমাত্রায় এর উপর ম্যাগনেসিয়াম অক্সাইডের একটি সূক্ষ্ম আস্তরণ সৃষ্টি হয়, যা ম্যাগনেসিয়ামকে বাতাস থেকে রক্ষা করে। কিন্তু স্পিরিট ল্যাম্পে বেশ উচ্চ তাপমাত্রা সৃষ্টি হয়। তাই এতে ম্যাগনেসিয়ামের রিবনটিকে উত্তপ্ত করলে সেটি খুব উজ্জ্বল চোখ ঝলসানো আলোসহ জ্বলে এবং ম্যাগনেসিয়াম অক্সাইডে রূপান্তরিত হয়। মূলত স্পিরিট ল্যাম্পের উচ্চ তাপমাত্রার জন্য রিবনটি সাথে সাথে প্রজ্জ্বলিত হয়েছিল।
উপরোক্ত ঘটনায় রাসায়নিক পরিবর্তন ঘটেছে।
বিশ্লেষণ: ম্যাগনেসিয়ামের রিবনটি স্পিরিট ল্যাম্পে ধরায় প্রজ্জ্বলিত শিখাসহ তা জ্বলছিল এবং তখন ম্যাগনেসিয়াম অক্সাইড তৈরি হচ্ছিল।
বিক্রিয়াটি নিম্নরূপ-
ম্যাগনেসিয়াম + অক্সিজেন ম্যাগনেসিয়াম অক্সাইড
ম্যাগনেসিয়ামের রিবনটি পুড়ে শেষ হওয়ায় স্পিরিট ল্যাম্পটি তার নিজস্ব শিখায় জ্বলতে থাকে। তখন শিখার নিচে ছাই এর মতো পদার্থ পড়ে থাকতে দেখা যায়। এ ছাই এর মতো পদার্থগুলোই হচ্ছে ম্যাগনেসিয়াম অক্সাইড। এক্ষেত্রে ম্যাগনেসিয়ামের রিবনটি শুধুমাত্র পুড়ে ছাই হয়নি, বরং পুড়ে নতুন যৌগ ম্যাগনেসিয়াম অক্সাইডে পরিণত হয়েছে। উৎপন্ন ম্যাগনেসিয়াম অক্সাইডের ধর্ম ম্যাগনেসিয়াম ও অক্সিজেন থেকে সম্পূর্ণ ভিন্নধর্মী।
অর্থাৎ, উদ্দীপকের ঘটনাটিতে ম্যাগনেসিয়ামের রিবনটির রাসায়নিক পরিবর্তন ঘটেছে।
Related Question
View Allইলেকট্রোপ্লেটিং হলো তড়িৎ বিশ্লেষণের সাহায্যে একটি ধাতুর উপর আরেকটি ধাতুর পাতলা আবরণ তৈরির প্রক্রিয়া। এ প্রক্রিয়ায় সাধারণত নিকেল, ক্রোমিয়াম, টিন, সিলভার ও সোনা দিয়ে আবরণ তৈরি করা হয়। এতে একদিকে যেমন ধাতুর ক্ষয়রোধ করা যায়, অন্যদিকে তেমনি আকর্ষণীয় ও চকচকে হয়। খাবারের কৌটা, সাইকেল এগুলোর ক্ষেত্রে লোহার উপর টিনের ইলেকট্রোপ্লেটিং করা হয়।
উদ্দীপক প্রদত্ত বিক্রিয়াটির সম্পূর্ণরূপ হচ্ছে-
সুতরাং, A ও B হচ্ছে যথাক্রমে গ্লুকোজ ও অক্সিজেন।
উল্লেখিত বিক্রিয়াটি হচ্ছে সালোকসংশ্লেষণ বিক্রিয়া। সালোকসংশ্লেষণে গাছপালা আলোর সাহায্যে বাতাসে থাকা কার্বন ডাইঅক্সাইড ও পানির (জলীয়বাষ্প) মধ্যে বিক্রিয়া ঘটিয়ে গ্লুকোজ ও অক্সিজেন তৈরি করে। উৎপন্ন গ্লুকোজ গাছপালার বেড়ে উঠার কাজে লাগে আর অক্সিজেন আমাদের নিঃশ্বাসের কাজে লাগে। সালোকসংশ্লেষণে উৎপন্ন পদার্থ অর্থাৎ, গ্লুকোজ ও অক্সিজেন, বিক্রিয়ক পদার্থ কার্বন ডাইঅক্সাইড ও পানি থেকে সম্পূর্ণ আলাদা ও ভিন্নধর্মী। সে কারণে এটি একটি রাসায়নিক পরিবর্তন।
অতএব, উদ্দীপকে উল্লেখিত বিক্রিয়াটিতে রাসায়নিক পরিবর্তন ঘটে।..
উদ্দীপকের বিক্রিয়াটিতে A হচ্ছে গ্লুকোজ এবং B হচ্ছে অক্সিজেন। গ্লুকোজ এবং অক্সিজেনের মধ্যে অক্সিজেন পরিবেশে চক্রাকারে আবর্তিত হয়। নিচে তা বিশ্লেষণ করা হলো-
গাছপালা সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় সূর্যালোকের উপস্থিতিতে ক্লোরোফিলের সাহায্যে বায়ুর কার্বন ডাইঅক্সাইড ও জলীয়বাষ্পের মধ্যে বিক্রিয়া ঘটিয়ে গ্লুকোজ ও অক্সিজেন তৈরি করে। উৎপন্ন গ্লুকোজ উদ্ভিদ নিজের জন্য সঞ্চয় করে রাখে এবং উপজাত হিসেবে অক্সিজেন বাতাসে ছেড়ে দেয়। আবার অন্যদিকে মানুষসহ অন্য প্রাণীরা গাছের ছেড়ে দেওয়া অক্সিজেন গ্রহণ করে এবং গাছপালা বা অন্য উৎস থেকে গৃহীত খাদ্য ঐ অক্সিজেনের সাহায্যে দহন করে শক্তি উৎপন্ন করে ও কার্বন ডাইঅক্সাইড ছেড়ে দেয় যা আবার গাছপালা সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় ব্যবহার করে নিজেদের খাদ্য তৈরির কাজে। এভাবেই গাছপালা বাতাসের কার্বন ডাইঅক্সাইড গ্রহণ করে এবং উপজাত হিসেবে বাতাসে অক্সিজেন ছাড়ে, মানুষসহ অন্য প্রাণীরা অক্সিজেন গ্রহণ করে এবং কার্বন ডাইঅক্সাইড বাতাসে ছেড়ে দেয় তা আবার গাছপালা গ্রহণ করে। এভাবেই A ও B তথা গ্লুকোজ ও অক্সিজেনের মধ্যে অক্সিজেন পরিবেশে চক্রাকারে আবর্তিত হয়।
জলবায়ুজনিত পরিবর্তনের ফলে বাতাস, পানি, তুষার ও হিমবাহ, সমুদ্রস্রোত, ঝড়, জলোচ্ছ্বাস ইত্যাদির প্রভাবে আগ্নেয় শিলা ক্ষয়প্রাপ্ত হয়। ফলে চূর্ণবিচূর্ণ হয়ে তা ছোট ছোট কণায় পরিণত হয়। এ ছোট ছোট কণাগুলো পানি বা বায়ু দ্বারা প্রবাহিত হয়ে নদ-নদীর মাধ্যমে সাগরে গিয়ে পড়ে এবং তলদেশে আস্তে আস্তে পলিরূপে জমা হয়। এ সময় এর সাথে জীবজন্তু বা গাছপালার দেহাবশেষ ও পলিস্তরের মাঝে আটকা পড়ে। পানির চাপ ও তাপে নানারকম রাসায়নিক বিক্রিয়ার ফলে জমাকৃত পলি ধীরে ধীরে কঠিন শিলা তথা পাললিক শিলায় পরিণত হয়।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
