পরোপকারী রহমান সাহেব এক বিপদগ্রস্ত ব্যবসায়ীকে তার বাড়িতে আশ্রয় দেন এবং ব্যবসায় করার জন্য বাড়ির এককোণে একটা দোকানঘর বানিয়ে দেন। ব্যবসার পাশাপাশি- সে আরও 'বিভিন্ন কর্মকান্ড শুরু করে। রহমান সাহেবের সরলতার সুযোগ নিয়ে ব্যবসায়ী বাড়িটি দখল করে নেয়। একইভাবে এলাকাব্যাপী তার কর্মকাণ্ড 'বিস্তার করে এবং একক ক্ষমতা প্রতিষ্ঠা করে। ফলে এলাকাব্যাপী তার বিরুদ্ধে আন্দোলন শুরু হয়।

Updated: 8 months ago
উত্তরঃ

ঢাকার প্রাচীন নাম জাহাঙ্গীরনগর।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

১৭৬৫ সালে লর্ড ক্লাইভ আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যার দেওয়ানি লাভ করলে এ বিস্তীর্ণ অঞ্চলের রাজস্বের দায়িত্ব পেয়ে ইংরেজরা প্রজাদের ওপর অতিরিক্ত করের বোঝা চাপিয়ে তা আদায়ে ব্যাপক চাপ সৃষ্টি করে। এর ওপর ইংরেজি ১৭৬৮ সাল থেকে তিন বছরের অনাবৃষ্টির ফলে দেশে খাদ্যের অভাব বা দুর্ভিক্ষ দেখা দেয়। মূলত ব্রিটিশদের অতিরিক্ত করের বোঝা এবং তিন বছরের অনাবৃষ্টির কারণে ছিয়াত্তরের মন্বন্তর হয়েছিল।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে ব্যবসায়ীর কর্মকান্ড পাঠ্যবইয়ের ইংরেজ কোম্পানির শাসনক্ষমতা দখলের কর্মকান্ডের সাথে সম্পৃক্ত।

ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি' বা ইংরেজ কোম্পানি সম্রাট জাহাঙ্গীরের কাছ থেকে এ অঞ্চলে ব্যবসার অনুমতি নেয়। পরবর্তীতে তারা পর্তুগিজ, ফরাসি, ওলন্দাজ ও দিনেমারদের ছাড়িয়ে প্রধান ব্যবসায়ী গোষ্ঠীতে রূপান্তরিত হয়। ধীরে ধীরে তারা এদেশে তাদের প্রতিপত্তি বাড়িয়ে নবাবের দরবারে প্রভাব বিস্তার করতে শুরু করে। ব্যবসায়ের পাশাপাশি তারা সৈন্য রাখার অধিকার পায়। নবাব আলিবর্দী খানের মৃত্যুর পর তার নাতি সিরাজউদ্দৌলা ক্ষমতায় আরোহণ করলে অন্য উত্তরাধিকাররা মনোক্ষুণ্ণ হন। ধূর্ত ইংরেজ গোষ্ঠী এ সুযোগটি গ্রহণ করে। নবাবের প্রধান সেনাপতি মীর জাফরও অন্যদের সাথে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হন। ফলে ১৭৫৭ সালের ২৩শে জুন পলাশীর যুদ্ধে সিরাজউদ্দৌলার পরাজয় ঘটে। বাংলার মূল ক্ষমতা চলে যায় রবার্ট ক্লাইভের হাতে। নতুন ও অনভিজ্ঞ নবাবকে হত্যা করে বাংলায় শাসন শুরু করে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি। পরবর্তীতে ইংরেজ কোম্পানির বিরুদ্ধে সিপাহি যুদ্ধে জনগণ ঝাঁপিয়ে পড়ে।

সুতরাং বলা যায়, উদ্দীপকের ব্যবসায়ীর কর্মকান্ড ইংরেজ কোম্পানির শাসন ক্ষমতা দখলের কর্মকান্ডের সাথে সম্পৃক্ত।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে উল্লিখিত আন্দোলনটি হলো সিপাহি বিদ্রোহ, যা ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামকে বেগবান করে।

ইংরেজ কোম্পানি শাসন ক্ষমতায় আসার পর থেকে মানুষের ওপর অতিরিক্ত করের বোঝা মাথায় চাপতে থাকে। তাদের এই শোষণের ফলে ছিয়াত্তরের মন্বন্তর সৃষ্টি হয়। এছাড়াও ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যার দখল নিয়েই ক্ষান্ত ছিল না। মোগল রাজাদের দুর্বলতায় কোম্পানির সেনাবাহিনী নানা দিকে আধিপত্য বিস্তার করতে শুরু করে। ফলে ১৮৫৭ সালে ইংরেজ কোম্পানি শাসনের প্রায় একশ বছর পর ইংরেজ অধ্যুষিত ভারতের বিভিন্ন ব্যারাকে সিপাহিদের মধ্যে বিদ্রোহ ছড়িয়ে পড়ে। বাংলায় সিপাহি মঙ্গল পান্ডে এ বিদ্রোহে নেতৃত্ব দেন। সিপাহিদের এই বিদ্রোহে ভারতবর্ষের অন্যান্য অঞ্চলের স্বাধীনচেতা শাসকরাও যোগ দেন। দিল্লির বাদশাহ বাহাদুর শাহ জাফরও এদের সমর্থন জানিয়েছিলেন। কিন্তু উন্নত অস্ত্র ও দক্ষ সেনাবাহিনীর সাথে চাতুর্য ও নিষ্ঠুরতায় যোগ ঘটিয়ে ইংরেজরা এ বিদ্রোহ দমন করে। বিদ্রোহ দমন করলেও মানুষের মধ্যে স্বাধীনতার জন্য যে আকাঙ্ক্ষা ও সচেতনতা তৈরি হয়েছিল, তা বাংলায় ব্রিটিশ শাসনের অবসান ঘটাতে নানা আন্দোলন-সংগ্রামে গতি দিয়েছিল। ফলে কোম্পানি শাসনের অবসানের মধ্য দিয়ে স্বাধীনতা সংগ্রাম শুরু হয়ে ১৯৪৭ সালে ইংরেজ শাসনের অবসানের পরিসমাপ্তি ঘটে।
তাই বলা যায়, উদ্দীপকে উল্লিখিত সিপাহি আন্দোলন ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামকে বেগবান করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
116

বাংলায় ইউরোপীয় বণিকদের আগমন ব্যবসা-বাণিজ্যের উদ্দেশ্যে হলেও পরে তারা আমাদের রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করে নেয়। এদের মধ্যে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি প্রতিযোগিতায় এগিয়ে যায়। ১৭৫৭ সালে বাংলা-বিহার ও উড়িষ্যার নবাব সিরাজউদ্দৌলাকে পরাজিত করে তারা ক্ষমতা দখল করে নেয়। বাংলায় ইংরেজদের শাসন চলে ১৯৪৭ সাল পর্যন্ত। এভাবে ১৭৫৭ সালের পরে বাংলায় যে শাসন প্রতিষ্ঠিত হয় সাধারণত আমরা তাকে ঔপনিবেশিক শাসন বলি। আর ১৭৫৭ সাল থেকে ১৯৪৭ সাল পর্যন্ত ইংরেজ শাসনামলকে ঔপনিবেশিক যুগ বলি ।

এই অধ্যায় পাঠ শেষে আমরা-
উপনিবেশ কী তা ব্যাখ্যা করতে পারব;
উপনিবেশ প্রতিষ্ঠার বিস্তার ও অবসানের গুরুত্ব ব্যাখ্যা করতে পারব;
বাংলায় ইউরোপীয় ঔপনিবেশিকদের আগমন ও বাণিজ্য বিস্তার সম্পর্কে বর্ণনা করতে পারব;
বাংলায় ইংরেজ শাসন প্রতিষ্ঠার কারণ ব্যাখ্যা করতে পারব; বাংলায় ইংরেজ শাসনের কার্যক্রম ব্যাখ্যা ও মূল্যায়ন করতে পারব;
ইংরেজ কোম্পানি শাসনের বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা করতে পারব;
ইংরেজ কোম্পানি শাসনকালে বাংলার আর্থ-সামাজিক অবস্থা বর্ণনা করতে পারব; ইংরেজ কোম্পানি শাসনের প্রভাব ব্যাখ্যা করতে পারব;
ব্রিটিশ শাসনের বৈশিষ্ট্যসমূহ ব্যাখ্যা করতে পারব;
তৎকালীন বাংলার আর্থ-সামাজিক অবস্থা বর্ণনা করতে
ব্রিটিশ শাসনের প্রভাব মূল্যায়ন করতে পারব,; বাংলার জাগরণের ধারণা ব্যাখ্যা করতে পারব।

Related Question

View All
উত্তরঃ

উপনিবেশিকরণ হলো একটি প্রক্রিয়া, যেখানে একটি দেশ অন্য দেশকে অর্থনৈতিক শোষণ এবং লাভের উদ্দেশ্যে নিজের দখলে আনে। দখলকৃত দেশটি দখলকারী দেশের উপনিবেশে পরিণত হয়। বাংলাও প্রায় দুইশ বছর ইংরেজদের অধীনে উপনিবেশ ছিল।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
400
উত্তরঃ

বাংলায় মানব বসতি প্রাচীনকাল থেকেই শুরু হয়। এই অঞ্চল ধনসম্পদে ভরপুর থাকায় বাইরের বিভিন্ন স্থান থেকে মানুষ এখানে এসে বসতি গড়ে তোলে। বাংলার অর্থনৈতিক সমৃদ্ধিই ছিল বহিরাগতদের আকর্ষণের প্রধান কারণ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
318
উত্তরঃ

শশাঙ্কের মৃত্যুর পর বাংলায় দীর্ঘ সময় ধরে কোনো শক্তিশালী শাসক না থাকায় অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়। এই সময়কে মাৎস্যন্যায় যুগ বলা হয়। এটি সংস্কৃত ভাষায় 'বড় মাছ ছোট মাছকে খেয়ে ফেলে' এমন অরাজকতার সময় নির্দেশ করে। এ সময়ে বাংলা বহু রাজ্য বিভক্ত হয়ে পড়েছিল।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
375
উত্তরঃ

বাংলার স্বাধীন সুলতানি শাসনের সূচনা হয় ১৩৩৮ সালে। সোনারগাঁওয়ের শাসনকর্তা ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ দিল্লির সুলতানদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করে বাংলার স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। পরে শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ বাংলার প্রকৃত স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠা করেন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
229
উত্তরঃ

সুলতানি আমলে বাংলার প্রকৃত স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠা করেন সুলতান - শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ। তিনি বাংলার বৃহদাংশ অধিকার করে 'শাহ-ই-বাঙ্গালিয়ান' উপাধি গ্রহণ করেন। তার শাসনকালে বাংলার ঐক্য, 'স্থিতিশীলতা এবং অর্থনৈতিক উন্নয়ন সম্ভব হয়

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
211
উত্তরঃ

সুলতান আলাউদ্দিন হুসেন শাহ বাংলার ধর্মীয় সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। তিনি বাংলার শিল্প-সাহিত্য এবং সংস্কৃতির উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। তাঁর শাসনকালে বাংলার অর্থনীতি ও সংস্কৃতি সমৃদ্ধি লাভ করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
256
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews