ভূপৃষ্ঠের বিস্তৃত এলাকা জুড়ে সুউচ্চ শিলাস্তূপকে পর্বত বলে।
পলি স্তরে স্তরে সঞ্চিত হয়ে পাললিক শিলা গঠিত হয়।
সমুদ্র তলদেশে পাললিক শিলা গঠনের সময় নানা প্রকার উদ্ভিদ ও জীবজন্তুর দেহাবশেষ জমাট বাঁধে। ফলে এ শিলায় জীবাশ্ম দেখা যায়।
মহাদেশীয় ভূত্বকের প্রায় ৭৫ ভাগ এ শিলায় গঠিত।
B' চিহ্নিত পর্বতটি যুক্তরাষ্ট্রের হেনরি যা ল্যাকোলিথ পর্বতের অন্তর্ভুক্ত
পৃথিবীর অভ্যন্তর থেকে গলিত শিলা বা ম্যাগমা দ্বারা স্থানান্তরিত হয়ে ভূপৃষ্ঠে বের হয়ে আসার চেষ্টা করে। কিন্তু কোনো কোনো সময় বাধা পেয়ে এগুলো ভূপৃষ্ঠের উপরে না এসে ভূত্বকের নিচে একস্থানে জমাট বাঁধে। উর্ধ্বমুখী চাপের কারণে স্ফীত হয়ে ভূত্বকের অংশবিশেষ গম্বুজ আকার ধারণ করে। এভাবে সৃষ্ট পর্বতকে ল্যাকোলিথ পর্বত বলে।
এপর্বতের কোনো শঙ্গ থাকে না। আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের হেনরী অর্থাৎ উদ্দীপকের B চিহ্নিত পর্বতটি একটি ল্যাকোলিথ পর্বত।
বাংলাদেশের অধিকাংশ পর্বত 'A' ধরনের-উক্তিটি আমি সমর্থন করি না। উদ্দীপকের 'A' চিহ্নিত পর্বতটি জাপানের ফুজিয়ামা, যা আগ্নেয় পর্বতের উদাহরণ।
আগ্নেয়গিরি থেকে উদ্গিরিত পদার্থ সঞ্চিত ও জমাট বেঁধে জাপানের ফুজিয়ামা পর্বতটি সৃষ্টি হয়েছে। অন্যদিকে বাংলাদেশের অধিকাংশ পর্বত কোমল পাললিক শিলায় ভাঁজ পড়ে গঠিত হয়েছে। এগুলো সাধারণত ভঙ্গিল পর্বত শ্রেণির। সমুদ্র তলদেশের অবনমিত স্থানে দীর্ঘকাল ধরে বিপুল পরিমাণ পলি জমা হয়ে এর চাপে অবনমিত স্থান আরো নিচে নেমে যায়। পরবর্তী পর্যায়ে ভূআলোড়ন বা ভূমিকম্পের ফলে ও প্রবল পার্শ্বচাপের কারণে উর্ধ্বভাঁজ ও অধঃভাঁজের সৃষ্টি হয়। এভাবে ভঙ্গিল পর্বত গঠিত হয়। বাংলাদেশের পাহাড়গুলোও গিরিজনি আলোড়নের প্রভাবে সৃষ্টি হয়েছে বলে এগুলো ভঙ্গিল পর্বত শ্রেণির অন্তর্গত।
সুতরাং বলা যায় উদ্দীপকের এ ধরনের পর্বত বাংলাদেশের পর্বতের মতো নয়। কারণ বাংলাদেশের অধিকাংশ পর্বত ভঙ্গিল পর্বত শ্রেণির।
Related Question
View Allযে খাতের মধ্য দিয়ে নদী প্রবাহিত হয় সে খাতকে নদী উপত্যকা বলে।
উর্ধ্বগতি অবস্থায় নদীর স্রোতের বেগ প্রবল হওয়ার কারণে নদী বড় বড় শিলাখন্ডকে বহন করে নিচের দিকে অগ্রসর হয়। পর্বতগুলো কঠিন শিলা দ্বারা গঠিত হলেও মাঝে মাঝে নরম শিলাও থাকে। নদীখাতে পার্শ্ব অপেক্ষা নিম্নদিকের শিলা বেশি কোমল বলে পার্শ্বক্ষয় অপেক্ষা নিম্নক্ষয় বেশি হয়। এভাবে ক্রমশ ক্ষয়ের ফলে নদী উপত্যকা অনেকটা ইংরেজি 'V' আকৃতির হয়।তাই একে 'V' উপত্যকা বলা হয়।
প্রবাহিত নদী খাতকে উক্ত নদীর উপত্যকা বলে।
ঊর্ধ্বগতিতে নদীর পার্শ্বক্ষয় অপেক্ষা নিম্নক্ষয় বেশি হয় বলে উপত্যকা 'V' আকৃতির হয়।
ঊর্ধ্বগতি অবস্থায় নদীর স্রোতের বেগ প্রবল হওয়ায় তা বড় বড় শিলাখণ্ডকে বহন করে নিচের দিকে অগ্রসর হয়। পর্বতগুলো কঠিন শিলা দ্বারা গঠিত হলেও মাঝে মাঝে নরম শিলাও থাকে। নদীখাতে নিচের শিলা বেশি কোমল বলে পার্শ্ব অপেক্ষা নিম্নক্ষয় বেশি হয়। এভাবে ক্রমশ ক্ষয়ের ফলে নদী উপত্যকা অনেকটা ইংরেজি 'V' আকৃতির হয়।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!