উৎপাদক ও পাইকারগণ যখন বিভিন্ন বাজারে প্রতিনিধি নিয়োগ করে পণ্য বিক্রয় করে তাদেরকে ফড়িয়া বলে।
সামগ্রিক বাজারকে ছোট ছোট বিভিন্ন অংশে ভাগ করে একটি বৈশিষ্ট্যের কতিপয় উপবাজারে পরিণত করাকে বাজার বিভক্তিকরণ বলে।
সাধারণত বাজারের ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার জন্য বাজার বিভক্তিকরণ করা হয়। বাজার বিভক্তিকরণের অনেকগুলো ভিত্তি রয়েছে; এগুলো হলো- ভৌগোলিক বিভক্তিকরণ, জনসংখ্যাভিত্তিক বিভক্তিকরণ, মনস্তাত্ত্বিক বিভক্তিকরণ, আচরণভিত্তিক বিভক্তিকরণ ইত্যাদি। বাজার বিভক্তকরণের ক্ষেত্রে সমগ্র বাজারকে কতিপয় ছোট ছোট ভাগে বিভক্ত করা এবং সমজাতীয় বৈশিষ্ট্য তথা ক্রেতাদের পছন্দ, রুচি, ক্রয় অভ্যাস ইত্যাদি বিবেচনা করা হয়।
উৎপাদিত মোবাইল ফোনটি বর্তমানে পতন স্তরে অবস্থান করছে।
পণ্যের জীবনচক্রের যে স্বরে পণ্যের বিক্রয় এবং মুনাফা উভয়ই দ্রুতগতিতে হ্রাস পায় তাকে পণ্যের পতন স্তর বলে।
উদ্দীপকে পলাশ ইলেক্ট্রনিক্স 2G প্রযুক্তির মোবাইল সেট উৎপাদন এবং বিক্রয় করে সফলতা অর্জন করেছে। সাম্প্রতিককালে 3G ও 4G প্রযুক্তির স্মার্ট ফোন বাজারে উৎপাদিত ও বিক্রয় হওয়ায় 2G প্রযুক্তির মোবাইলের চাহিদা ক্রমাগত হ্রাস পাচ্ছে। সাধারণত পণ্যের পতন স্তরে এসে বিক্রয়ের পরিমাণ কমতে থাকে। পণ্য অবিক্রীত থাকে এবং মূল্য কমানোর প্রবণতা শুরু হয়। এক সময় বিকল্প পণ্য এসে এর পতন ত্বরান্বিত করে। যেহেতু 3G এবং 4G প্রযুক্তি 2G প্রযুক্তির তুলনায় উন্নততর, তাই প্রতিষ্ঠানের *2G প্রযুক্তির মোবাইল সেট দ্রুত বাজার থেকে হারিয়ে যাবে। এ অর্থে বলা যায়, পলাশ ইলেকট্রনিক্সের 20 প্রযুক্তির মোবাইল সেট পণ্যের জীবনচক্রের পতন স্তরে অবস্থান করছে।
পলাশ ইলেক্ট্রনিক্স এর ব্যবসায় পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত যৌক্তিক বলে আমি মনে করি।
সাধারণত পণ্যের উদ্ভাবন থেকে শুরু করে এর বিভিন্ন পর্যায় অতিক্রমের মধ্য দিয়ে এক পর্যায়ে তা পতন বা সমাপ্তি পর্যায়ে এসে পৌছে। তাই পতন পর্যায়ের শুরুতেই বিজ্ঞ ব্যবসায়িগণ অবিক্রীত পণ্যের ওপর বড় ধরনের ছাড় দেন এবং ব্যবসায়ের বিনিয়োগ অন্যত্র পরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা চালান।
উদ্দীপকে পলাশ ইলেক্ট্রনিক্স 2G প্রযুক্তির মোবাইল সেট উৎপাদন করে এবং বিক্রয় করে সফলতা অর্জন করেছে। বর্তমানে 3G ও 4G প্রযুক্তির স্মার্ট ফোন বাজারে উৎপাদিত ও বিক্রি হওয়ায় 2G প্রযুক্তির মোবাইল সেটের চাহিদা ক্রমাগত হ্রাস পাচ্ছে। তাই পলাশ ইলেকট্রনিক্স ভবিষ্যৎ ক্ষতির হাত থেকে বাঁচার জন্য উৎপাদিত 2G মোবাইল সেটের ওপর ২০% ডিসকাউন্ট দিয়ে বিক্রয় বাড়ানোর চেষ্টা করছে এবং ভবিষ্যতে ব্যবসার ধরন পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
সুতরাং বলা যায়, পলাশ ইলেট্রনিক্স এর ব্যবসায় পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত যৌক্তিক।
Related Question
View Allভোক্তা ও ক্রেতাদের প্রয়োজন, অভাব ও চাহিদা মেটাতে সক্ষম এমন কিছু যা বিক্রয়ের জন্য উপস্থাপন করা হয় তাই পণ্য।
পণ্যের জীবনচক্রের পূর্ণতা স্তরে বিক্রয় সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছায়।
পণ্যের জীবনচক্রের যে স্তরে বিক্রয়ের পরিমাণ সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছায় এবং একপর্যায়ে বিক্রয় ও মুনাফার পরিমাণ উভয়ই কমতে থাকে তাকে পূর্ণতা স্তর বলে। এ স্তরে পণ্যের পরিচিতি এবং সুনাম বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে বিক্রয়ের পরিমাণ স্বাভাবিক কারণেই অধিক হারে বৃদ্ধি পায়। কিন্তু পূর্ণতা স্তরে পৌঁছানোর একপর্যায়ে বাজার থেকে পণ্যের চাহিদা ধীরে ধীরে কমে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। পণ্যের চাহিদা ও বিক্রয়ের হার ধরে রাখার জন্য এ স্তরে পণ্যের বৈশিষ্ট্য ও ব্যবহারের ভিন্নতা আনয়নের চেষ্টা করা হয়।
উদ্দীপকে উল্লিখিত পণ্যটি শপিং পণ্য।
ক্রেতারা যেসব পণ্য বা সেবা পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী পণ্যের ২০ মূল্য, গুণাগুণ ইত্যাদি বিবেচনা করে ক্রয় করে তাকে শপিং বা আসবাবপত্র, ফ্রিজ, গাড়ি, টেলিভিশন ইত্যাদি শপিং পণ্যের উনহফ উদ্দীপকের মিতু পূর্বনির্ধারিত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী একটি ডিপফ্রিজ ক্লার জন্য ঢাকা নিউমার্কেটে গেলেন। তিনি বিভিন্ন দোকান ঘুরে ও বিউ ব্র্যান্ডের ডিপফ্রিজ দেখে 'ট্রাইস্টার' ব্র্যান্ডের একটি ডিপফ্রিজ কিনলে সুতরাং মিতুর ডিপফ্রিজ কেনার সিদ্ধান্ত এবং অন্যান্য বৈশিষ্টা ে স্পষ্ট প্রতীয়মান হয় যে, উল্লিখিত ডিপফ্রিজটি একটি শপিং পণ্য
উদ্দীপকের স্কাই শপের ব্যবস্থাপক কর্তৃক গৃহীত মূল্য নির্ধান পদ্ধতিটি হলো ব্যয়-যোগ মূল্য নির্ধারণ পদ্ধতি।
পণ্যের মোট ব্যয়ের সাথে নির্দিষ্ট পরিমাণ বা পরিমিত পরিমাণ মুনাজ যোগ করে মূল্য নির্ধারণ করাকে ব্যয় যোগ পদ্ধতিতে মূল্য নির্ধদ বলে। ব্যয় যোগ করে মূল্য নির্ধারণ করা প্রতিষ্ঠানের জন্য অি প্রচলিত ও সহজ একটি পদ্ধতি। সাধারণত খুচরা বিক্রেতা এবং ছো প্রতিষ্ঠানগুলোর ক্ষেত্রে এ ধরনের মূল্যনীতি বেশি অনুসৃত হয়।
উদ্দীপকের স্কাই শপের ব্যবস্থাপক ক্রয়মূল্যের ওপর ১৫% লাতেও মিতুর কাছে একটি ডিপফ্রিজ বিক্রয় করলেন। অর্থাৎ ভাই শাগ ব্যবস্থাপক পণ্যটির ক্রয়মূল্য বা মোট খরচের ওপর ১৫% সা করতে চান। এজন্য তিনি মোট ব্যয় যোগ করে তার ওপর একা নির্দিষ্ট পরিমাণ মুনাফা যোগ করেছেন; যেখানে ব্যয় যোগ পচ্ছায়া। মূল্য নির্ধারণের সাদৃশ্যতা রয়েছে।
সুতরাং বলা যায়, ট্রাইস্টার ডিপফ্রিজ অন্যান্য ফ্রিজের তুলনায় স্থায়িত বেশি এবং ১০ বছরের ওয়ারেন্টি যুক্ত হওয়ায় ব্যয় যোগ পদ্ধতিতে অর্থাৎ ১৫% লাভে ফ্রিজ বিক্রয়ের সিদ্ধান্তটি মঠিত। সময়োপযোগী হয়েছে।
মানুষের দৈনন্দিন জীবনে যে সকল পণ্যগুলো অপরিহার্য হিসেবে বিবেচিত হয় তাকে প্রধান পণ্য বলে। যেমন- চাল, ডাল, লবণ, তেল ইত্যাদি হলো প্রধান পণ্য।
ক্রেতা পণ্যকে কীভাবে গ্রহণ করে তার ওপর ভিত্তি করে ভ্যালুভিত্তিক মূল্য নির্ধারণ করা হয়।
প্রতিষ্ঠানের পণ্য সম্পর্কে ক্রেতাদের ধারণা বা গ্রহণযোগ্যতা ভ্যালুভিত্তিক মূল্য নির্ধারণের ক্ষেত্রে বিবেচনা করা হয়। যেমন কোনো শার্ট গুলিস্তানে ২০০ টাকায় বিক্রয় করা হলেও এলিফ্যান্ট রোডে সুসজ্জিত দোকানে ১০০০ টাকা বিক্রয় করা হয়। আবার, একই শার্ট বসুন্ধরা শপিং কমপ্লেক্সে ২০০০ টাকায় বিক্রয় করা হয়।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!