পলাশ কলেজের একজন ভালো ছাত্র। ক্লাসের পড়াশুনার পাশাপাশি সে বেদ অধ্যয়ন করে। হঠাৎ তার মধ্যে পরিবর্তন আসে। তাঁর কাছে মনে হয় পৃথিবীর ভোগবিলাস এগুলো কিছু নয়। মোক্ষলাভই মানুষের জীবনের একমাত্র উদ্দেশ্য। তখন সে মোক্ষলাভের উদ্দেশ্যে সন্ন্যাস গ্রহণ করে।

Updated: 1 year ago
উত্তরঃ

হিন্দুধর্মের অপর নাম সনাতন ধর্ম।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

বেদকে কেন্দ্র করে যে বিশাল সাহিত্যসম্ভার রচিত হয়েছে তাকে বৈদিক সাহিত্য বলে। বেদ অর্থ জ্ঞান। বেদকে কেন্দ্র করে যে সাহিত্য তাকে বৈদিক সাহিত্য বলে। বৈদিক ধর্মগ্রন্থসমূহের রয়েছে চারটি ভাগ; সংহিতা, ব্রাহ্মণ, আরণ্যক এবং উপনিষদ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

পলাশের পঠিত ধর্মগ্রন্থটি হচ্ছে 'বেদ'।

বেদ হিন্দুধর্মের আদি ধর্মগ্রন্থ। এটি অধ্যয়নে জীবনের সকল স্তরের জ্ঞান অর্জিত হয়। অপার্থিব জগৎ সম্পর্কে জানা যায়। ধর্মগ্রন্থ 'বেদ' এর চারটি ভাগ- সংহিতা, ব্রাহ্মণ, আরণ্যক ও উপনিষদ। G সংহিতা ও ব্রাহ্মণভাগ নিয়ে বেদের কর্মকাণ্ড, আবারআরণ্যক ও উপনিষদ ভাগ দুটি নিয়ে বেদের জ্ঞানকাণ্ড। বেদের সংহিতা অংশে ইন্দ্র, অগ্নি, সূর্য, বরুণ, ঊষা, রাত্রি প্রভৃতি দেব-দেবীর স্তবস্তুতি রয়েছে। বেদের মন্ত্র উচ্চারণ করে দেবগণের উদ্দেশ্যে যাগযজ্ঞ করে অভীষ্ট লাভের প্রার্থনা করা হতো। বেদ-মন্ত্রগুলো রহস্যময়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

'বেদ' গ্রন্থটি পাঠে পলাশের জীবনকে সুন্দর করে তুলেছে।

 মোক্ষলাভই জীবনের চরম উদ্দেশ্য। বৈদিক যুগের ধর্মচিন্তা হিন্দুধর্মের চিন্তাজগতে এক অভূতপূর্ব পরিবর্তন এনে দিয়েছে। মানবজীবনের শ্রেষ্ঠ উদ্দেশ্য হচ্ছে ঈশ্বরলাভ বা মোক্ষলাভ। বৈদিক যুগের জ্ঞান প্রধান ও দার্শনিক চিন্তার পর্যায়ে ঋষিগণ উপলব্ধি করেন, মোক্ষলাভই জীবনের একমাত্র উদ্দেশ্য। আর এ উদ্দেশ্য অর্জনের জন্য কাম্যকর্ম পরিত্যাগ করতে হবে। মোক্ষলাভের সহায়ক ধর্ম চিন্তায় সন্ন্যাস ধর্মবাদের আবির্ভাব ঘটে। পলাশ বেদ অধ্যয়ন করে বুঝতে পারল যে বৈদিক যুগের প্রার্থনায় দেখা যায় জীবনের সমৃদ্ধি, জীবের প্রতি স্নেহপ্রীতি এবং জগতের শান্তি কামনা। এ প্রার্থনাগুলোর মধ্য দিয়ে এক পরম শক্তি ঈশ্বরের নিকট প্রার্থনা করা হয়েছে। 'একে ঈশ্বরবাদ বলা যায়। এখানে উল্লেখ্য বৈদিক যুগে ধর্মানুষ্ঠানের রূপ ছিল যজ্ঞক্রিয়া। যজ্ঞকর্মের অনুশীলন করে মানুষ অভীষ্ট কর্মফল লাভ করতে পারতেন। যজ্ঞকর্ম সুষ্ঠুভাবে সম্পাদিত হলে যজ্ঞকারীর অভীষ্ট ফল লাভ হয়। এমনকি স্বর্গপ্রাপ্তিও ঘটে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
165

Related Question

View All
উত্তরঃ

ভগবান স্বয়ং বা তাঁর কোনো দেব-দেবী মনুষ্যাদির মূর্তি ধারণ করে ভগবানের অপ্রাকৃত নিত্যধাম থেকে নেমে আসাকে অবতার বলা হয়। আর অবতার সম্পর্কে যে দার্শনিক চিন্তাভাবনা, তা অবতারবাদ নামে পরিচিত।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
977
উত্তরঃ

বেদ ও উপনিষদে বলা হয়েছে ব্রহ্ম বা ঈশ্বর এক ও অদ্বিতীয়। ব্রহ্ম বা ঈশ্বর একাধিক নয়। এই যে এক ঈশ্বরে বিশ্বাস, তাকে একেশ্বরবাদ বলে। আবার অবতার ও দেব-দেবী একই ঈশ্বরের বিভিন্ন প্রকাশ, ঈশ্বর এক ও অদ্বিতীয় এ বিশ্বাসই একেশ্বরবাদ। সুতরাং একেশ্বরবাদ হিন্দুধর্মের একটি বিশ্বাস।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
812
উত্তরঃ

শংকর স্বামী স্বরূপানন্দের মতাদর্শের দ্বারা প্রভাবিত হয়। ১৮৯৩ খ্রিস্টাব্দে বাংলাদেশের চাঁদপুর শহরে শ্রীশ্রী স্বামী স্বরূপানন্দ পরমহংস বাংলাদেশের চাঁদপুর শহরে আবির্ভূত হন। তিনি 'অযাচক আশ্রম' এর প্রতিষ্ঠাতা। এ আশ্রমে অন্যের কাছ থেকে কোনো চাঁদা নেওয়া হয় না; এরা নিজেদের অর্থের সংস্থান নিজেরাই করেন। ১৯৮৪ খ্রিষ্টাব্দের ১ জানুয়ারি স্বামী স্বরূপানন্দের আদর্শকে রূপদান করার লক্ষ্যে চরিত্র গঠন আন্দোলন শুরু হয়। এর মূল আবেদন, "আমি ভালো মানুষ হব এবং অপরকে ভালো হতে সহায়তা দিব।" শংকর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা শেষে অযাচক আশ্রমের শিক্ষায় উদ্বুদ্ধ হয়ে সমাজের কল্যাণে নিজেকে নিয়োজিত করেন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
567
উত্তরঃ

উদ্দীপকের আলোচিত মহাপুরুষ হচ্ছেন শ্রীশ্রী স্বামী স্বরূপানন্দ পরমহংস। তিনি ১৮৯৩ খ্রিষ্টাব্দে বাংলাদেশের চাঁদপুর শহরে আবির্ভূত হন। তিনি 'অযাচক আশ্রম' এর প্রতিষ্ঠাতা। অযাচক আশ্রমের বৈশিষ্ট্য হল ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সমবেত উপাসনায় চরিত্র, গঠন, সমাজ সংস্কার, ব্রহ্মচর্য স্বাবলম্বন ও জগতের কল্যাণের কাজে নিযুক্ত থাকা। কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের নিকট হতে অর্থ যাচঞা না করা এ সংগঠনের আদর্শ।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশ্বধর্ম ও সংস্কৃতি বিভাগের সহযোগিতায় ১৯১৪ খ্রিষ্টাব্দের ১ জানুয়ারি স্বামী স্বরূপানন্দের আদর্শকে রূপদান করার লক্ষ্যে চরিত্র গঠন আন্দোলন শুরু হয়। এর মূল আবেদন, "আমি ভালো মানুষ হব এবং অপরকে ভালো হতে সহায়তা দিব।" স্বামী স্বরূপানন্দের মতাদর্শ থেকে আমরা এ শিক্ষা পাই যে, সকলকে সমানভাবে ভালোবাসতে হবে। স্বামী স্বরূপানন্দ রচিত গ্রন্থাদি ও সংগীত সমাজের কল্যাণ সাধনে বিশেষ অবদান রাখতে সমর্থ হয়েছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
508
উত্তরঃ

কারও অনিষ্ট কামনা না করে সকলকে মন থেকে ভালোবাসাকেই অহিংসা বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
394
উত্তরঃ

হরিচাঁদ ঠাকুরের ধর্মনীতি থেকে মতুয়া ধর্মের উদ্ভব হলো। হরিচাঁদ ঠাকুর ১৮১২ খ্রিষ্টাব্দে আবির্ভূত হয়ে হিন্দু সমাজে সকল ধর্ম ও বর্ণের মানুষকে এক হরিণামে যেতে থাকার আহ্বান জানান। এ ধর্মের মূলমন্ত্র হচ্ছে ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে হরিণামে মেতে থাকা। হরিণামই জগতে কল্যাণ, শান্তি, সমৃদ্ধি প্রতিষ্ঠা করতে আবশ্যক।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
281
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews