পলির বসবাসকৃত অঞ্চল দেশের উত্তর পূর্বাঞ্চল। দেশের উত্তর পূর্বাঞ্চলে সার শিল্প প্রসার লাভ করেছে।
ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার খাদ্য চাহিদা মেটানোর জন্য প্রয়োজন অতিরিক্ত ফসল। সার দেশের খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। বর্তমানে বাংলাদেশে ১৭টি সার কারখানা থেকে সার উৎপাদিত হচ্ছে।
বাংলাদেশের বৃহৎ শিল্পের মধ্যে সার অন্যতম। প্রাকৃতিক গ্যাসের সহজলভ্যতার জন্য সার শিল্পের প্রচুর সম্ভাবনা রয়েছে। হরিপুরের প্রাকৃতিক গ্যাস ফেঞ্চুগঞ্জ সার কারখানায় ব্যবহৃত হয়। ঘোড়াশাল সার কারখানায় তিতাস গ্যাস কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহৃত হয়। বাংলাদেশে আবিষ্কৃত গ্যাসক্ষেত্র ২৫টি। বর্তমানে দেশে ২৭.০৪ ট্রিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস মজুদ আছে। বর্তমানে দেশের ১৯টি গ্যাসক্ষেত্রে ৮৩টি কূপ থেকে গ্যাস উৎপাদিত হচ্ছে (অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০১৩)। তাই প্রাকৃতিক গ্যাস নির্ভর সার শিল্পের ভবিষ্যৎ সম্ভাবনাময়।
সুতরাং বলা যায়, সার শিল্পের কাঁচামাল প্রাকৃতিক
Related Question
View Allমৌলভীবাজার জেলার বরমচালে বাংলাদেশের দ্বিতীয় তেলক্ষেত্রটি অবস্থিত।
সাধারণত গম চাষের জন্য ১৬০ থেকে ২২° সেলসিয়াস তাপমাত্রা
এবং ৫০ থেকে ৭৫ সেন্টিমিটার বৃষ্টিপাতের প্রয়োজন। বাংলাদেশে
বৃষ্টিহীন শীত মৌসুমে পানিসেচের মাধ্যমে গম চাষ ভালো হয়।
উত্তরাঞ্চলের জেলাগুলা যেমন- দিনাজপুর, রংপুর, পাবনা ইত্যাদি গম
চাষের জন্য বিশেষ উপযোগী।
মৌলভীবাজার জেলার বরমচালে বাংলাদেশের দ্বিতীয় তেলক্ষেত্রটি অবস্থিত
সাধারণত গম চাষের জন্য ১৬০ থেকে ২২° সেলসিয়াস তাপমাত্রা এবং ৫০ থেকে ৭৫ সেন্টিমিটার বৃষ্টিপাতের প্রয়োজন। বাংলাদেশে বৃষ্টিহীন শীত মৌসুমে পানিসেচের মাধ্যমে গম চাষ ভালো হয়। উত্তরাঞ্চলের জেলাগুলা যেমন- দিনাজপুর, রংপুর, পাবনা ইত্যাদি গম চাষের জন্য বিশেষ উপযোগী।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!