পল্লি এলাকার মানুষের জনপ্রিয় নেতা কলিমুল্লাহ নানাবিধ সমস্যায় জর্জরিত কৃষকদের মুক্তির উপায় খুঁজতে থাকেন। জনগণের ভোটে প্রতিনিধি নির্বাচিত হয়ে তিনি সুদখোর মহাজনদের কবল থেকে কৃষকদেরকে মুক্ত করার জন্য একটি আইন প্রণয়ন করেন। তাছাড়া ভূস্বামীদের কবল থেকে জমি ফিরে পাওয়ার জন্য অপর একটি আইন তিনি প্রণয়ন করেন।

Updated: 2 months ago
উত্তরঃ

বঙ্গভঙ্গপূর্ব অবিভক্ত প্রদেশটির নাম ছিল বাংলা।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
উত্তরঃ

প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন বলতে প্রদেশের পূর্ণ কর্তৃত্বকে বুঝায়।
প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন ব্যবস্থায় দেশরক্ষা, পররাষ্ট্র সংক্রান্ত এবং অর্থ এ ত্রিবিধ বিষয়ের কর্তৃত্ব কেন্দ্রীয় সরকারের হাতে ন্যস্ত থাকে। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, বিচার, পুলিশ এবং আইনশৃঙ্খলা ইত্যাদি বিষয়ের কর্তৃত্ব প্রাদেশিক সরকারের হাতে ন্যস্ত থাকে। যুক্তরাষ্ট্রীয় পদ্ধতির সরকার ব্যবস্থায় কেন্দ্রীয় সরকার ও প্রাদেশিক সরকারের মধ্যে এভাবেই ক্ষমতা বণ্টন করে দেওয়া হয়। মূলত এটিই হলো প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে স্বাধীনতাপূর্ব বাংলাদেশের অন্যতম রাজনৈতিক নেতা শেরে বাংলা এ. কে. ফজলুল হকের অবদান প্রতিফলিত হয়েছে।
উদ্দীপকে দেখা যায়, পল্লি এলাকার মানুষের জনপ্রিয় নেতা কলিমুল্লাহ নানাবিধ সমস্যায় জর্জরিত কৃষকদের মুক্তির উপায় খুঁজতে থাকেন। জনগণের ভোটে প্রতিনিধি নির্বাচিত হয়ে তিনি সুদখোর মহাজনদের কবল থেকে কৃষকদেরকে মুক্ত করার জন্য একটি আইন প্রণয়ন করেন।
তাছাড়া ভূস্বামীদের কবল থেকে জমি ফিরে পাওয়ার জন্য অপর একটি আইন তিনি প্রণয়ন করেন। পাঠ্যবইয়ের বর্ণনায় দেখা যায় যে, শেরে বাংলা এ. কে. ফজলুল হক ছিলেন কৃষক দরদী নেতা। তিনি ১৯৩৭সালে মুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব নেয়ার পর ঋণ সালিশি বোর্ড গঠন করে জমিদার ও গ্রাম্য মহাজনদের দ্বারা কৃষকের অধিকার আদায়ে বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখেন। ১৯৩৮ সালে তিনি কৃষকদের সুবিধার্থে প্রজাস্বত্ব আইন পাস করেন। ১৯৪০ সালে তিনি মহাজনি আইন পাস করেন। মোটকথা বাংলার অবহেলিত কৃষককুলের ভাগ্যাকাশে তিনি ছিলেন এক উজ্জল নক্ষত্র যা বাংলার কৃষকদের মুক্তির পথের সন্ধান দেয়।
শেরে বাংলা এ. কে. ফজলুল হক দরিদ্র ও কৃষক প্রজাদের সুদখোর মহাজন ও জমিদারদের কবল থেকে রক্ষা করেন। আর তাই বাঙালি জনগণের হৃদয়ে তিনি স্থায়ী আসন করে নিয়েছেন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
উত্তরঃ

উত্ত নেতা তথা এ কে ফজলুল হকের সকল অবদান উদ্দীপকে প্রতিফলিত হয়নি, আমি এ বক্তব্যের সাথে একমত।
উদ্দীপকের বর্ণনায় শেরে বাংলা এ. কে. ফজলুল হকের শুধুমাত্র কৃষিক্ষেত্রে অবদানের কথা বলা হয়েছে। তিনি কৃষিক্ষেত্র ছাড়াও আরো নানা দিকে অবদান রেখেছেন। যেমন- ১৯০৬ সালে ঢাকায় অনুষ্ঠিত সর্বভারতীয় শিক্ষা সম্মেলনের অন্যতম উদ্যোগী ব্যক্তি ছিলেন শেরে বাংলা এ. কে. ফজলুল হক। এ সম্মেলনে তিনি আধুনিক পাশ্চাত্য শিক্ষার উপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি ১৯১২ সালে কলকাতায় মুসলিম শিক্ষা সমিতি গঠন করেন এবং ১৯১৩ সালে শিক্ষাকে গণমুখী করার লক্ষ্যে বঙ্গীয় আইন পরিষদে শিক্ষা পরিকল্পনা পেশ করেন। এছাড়াও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা, নারীশিক্ষা ও বিভিন্ন কলেজ প্রতিষ্ঠার পিছনে জড়িত ছিলেন শেরে বাংলা এ. কে. ফজলুল হক।
এ কে ফজলুল হক সবসময় বাঙালির দাবি-দাওয়া আদায়ে এবং সাহিত্য-সংস্কৃতির বিকাশে সোচ্চার ছিলেন। রাজনৈতিক ক্ষেত্রেও ফজলুল হকের অবদান খুবই তাৎপর্যমণ্ডিত। তিনি ছিলেন একজন অসাম্প্রদায়িক নেতা। তাইতো ১৯১৬ সালের হিন্দু-মুসলিমদের স্বার্থে 'লক্ষ্ণৌ চুক্তি' সম্পাদনে ভূমিকা রাখেন। অবিভক্ত বাংলার মুখ্যমন্ত্রী শেরে বাংলা এ. কে. ফজলুল হক ভারতের উত্তর-পশ্চিম ও পূর্বাঞ্চলে সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলমান এলাকা নিয়ে স্বাধীন রাষ্ট্রের কথা ১৯৪০ সালে লাহোর প্রস্তাবের মাধ্যমে উপস্থাপন করেন।
উপরের আলোচনা শেষে বলা যায় যে, উদ্দীপকে বর্ণিত কর্মকাণ্ড ছাড়াও উক্ত রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব তথা শেরে বাংলা এ. কে. ফজলুল হক আরো অনেক জনহিতকর কাজ করেছেন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
26
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
উত্তরঃ

বেজাল প্যাক্ট হলো বাংলার হিন্দু ও মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যে বিদ্যমান সাম্প্রদায়িক বিভেদ সমাধানের লক্ষ্যে সম্পাদিত চুক্তি।
দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশ অনুভব করেছিলেন যে, বাংলার সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলমানদের দাবি অগ্রাহ্য করে স্বাধীনতা আন্দোলন চালিয়ে যাওয়া সম্ভব নয়। এ দিক বিবেচনা করে চিত্তরঞ্জন দাশ মুসলমানদের সমর্থন ও হিন্দু-মুসলমানদের মধ্যে ঐক্য প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করেন। বাংলার মুসলিম নেতারাও তাঁর সাথে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন। এদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন এ.কে. ফজলুল হক, মৌলবি আবদুল করিম এবং হোসেন শহীদ সোহ্রাওয়ার্দী। তাদের উদ্যোগে ১৯২৩ সালে 'বেঙ্গল প্যাক্ট' স্বাক্ষরিত হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
99
উত্তরঃ

উদ্দীপকের শামসুল হুদার সাথে আমার পঠিত মহান নেতা শহিদ তিতুমীরের সাদৃশ্য রয়েছে।

ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের অগ্রসৈনিক শহিদ তিতুমীরের আসল নাম সৈয়দ মীর নিসার আলী। তিনি দেশের মানুষকে ইংরেজ, জমিদার এবং নীলকরদের অত্যাচার ও শোষণের হাত থেকে রক্ষার প্রচেষ্টা চালান। তিনি কৃষকদেরকে তাদের অধিকার সম্পর্কে সচেতন করে তোলেন এবং তাদেরকে সংঘবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান। শোষকদের বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য তিনি কৃষকদেরকে সামরিক প্রশিক্ষণ দিতে শুরু করেন। এ লক্ষ্যে তিনি কলকাতার নিকটবর্তী নারিকেলবাড়িয়া নামক স্থানে একটি বাঁশের কেল্লা বা দুর্গ নির্মাণ করেন।
উদ্দীপকের শামসুল হুদার ক্ষেত্রে লক্ষ করা যায়, তিনি একজন সৎ ও সাহসী ব্যক্তি। অন্যায়ের বিরুদ্ধে তিনি সব সময় সোচ্চার। অত্যাচারী জমিদার ও সুদখোর মহাজনদের হাত থেকে জনগণকে রক্ষায় তিনি একটি বাহিনী গড়ে তোলেন এবং তাদের প্রশিক্ষণের জন্য একটি দুর্গ প্রতিষ্ঠা করেন। তার এ লক্ষ্য ও কার্যক্রমের সাথে আমার পঠিত শহিদ তিতুমীরের সাদৃশ্য রয়েছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
69
উত্তরঃ

উদ্দীপকের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ ব্যক্তিত্বের অর্থাৎ তিতুমীরের আন্দোলনের কারণে ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলন গতি লাভ করেছিল।
তিতুমীরের কৃষক আন্দোলন ও বারাসাত বিদ্রোহ ছিল ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির বিরুদ্ধে শক্তিশালী বিদ্রোহ। এর মাধ্যমে তিনি প্রমাণ করেন যে, রক্তদান ব্যতীত স্বাধীনতা অর্জন সম্ভব নয়। তাঁর পরিচালিত এ বিদ্রোহ ছিল জমিদার ও নীলকরদের অত্যাচারের বিরুদ্ধে। তিনি নারিকেলবাড়িয়ার আশপাশের জমিদারদের পরাজিত করে চব্বিশ পরগনা, নদীয়া এবং ফরিদপুর জেলার কিছু অংশ নিয়ে একটি স্বাধীন রাজ্য গঠন করেন এবং কোম্পানি সরকারের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করেন। তিনি ইংরেজ সরকারের আক্রমণ মোকাবিলার জন্য নারিকেলবাড়িয়ায় একটি বাঁশের কেল্লা নির্মাণ করেন। ১৮৩১ সালে ইংরেজ বাহিনীর সাথে যুদ্ধে তিতুমীরও শহিদ হন।
ইংরেজদের গোলাবারুদ এবং নীলকর ও জমিদারদের ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধের মুখে তিতুমীরের বাঁশের কেল্লা ছিল সাহস আর দেশপ্রেমের প্রতীক। যা যুগে যুগে বাঙালিকে অন্যায়-অত্যাচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদমুখর হতে সাহস যুগিয়েছে। প্রেরণা যুগিয়েছে স্বাধীনতার পথে এগিয়ে যেতে। উপরের আলোচনা থেকে এটাই প্রমাণিত হয় যে তিতুমীরের আন্দোলনের কারণেই পরবর্তী সময়ের ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনগুলো গতি লাভ করেছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
82
উত্তরঃ

ফরায়েজি আন্দোলন বলতে হাজী শরীয়তউল্লাহ কর্তৃক পরিচালিত ফরজভিত্তিক আন্দোলনকে বোঝায়।
১৮১৮ সালে হাজী শরীয়তউল্লাহ মক্কা থেকে দেশে ফিরে আসেন। দেশে ফিরে তিনি দেখলেন মুসলমানরা নানা প্রকার কুসংস্কারে লিপ্ত। তারা কবরপূজা, পীরপূজা, ওরস ও মানত করে পরিত্রাণ পাবে বলে মনে করত। এ অবস্থা দেখে হাজী শরীয়তউল্লাহ ধর্মীয় সংস্কার আন্দোলনের ডাক দেন। এতে ইসলাম ধর্মের পাঁচটি ফরজ পালনের ওপর সর্বাধিক গুরুত্বারোপ করা হয়। এই আন্দোলনই ইতিহাসে ফরায়েজি আন্দোলন নামে পরিচিত।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
70
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews