পাওনাদার মানেই এমন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান যা আমাদের সুবিধা দিয়েছে এবং সে আমাদের কাছে টাকা পাবে। যেমন সোহাগের নিকট থেকে ৪০,০০০ টাকার পণ্য ধারে ক্রয় করা হলো। এক্ষেত্রে সোহাগ আমাদের পণ্যের সুবিধা দিয়েছে এবং আমরা তার কাছে ৪০,০০০ টাকা ঋণী। সুতরাং সোহাগ আমাদের পাওনাদার।
লেনদেন ব্যবসায়ের আর্থিক অবস্থার পরিবর্তন ঘটায়। লেনদেনের ফলে অর্থের প্রাপ্তি যেমন ঘটতে পারে, তেমনি প্রদানও ঘটতে পারে; আবার কোনো কোনো লেনদেনের ফলে আয় বা ব্যয়ের হ্রাস-বৃদ্ধি ঘটতে পারে, একইভাবে সম্পদ বা দায়ের হ্রাস-বৃদ্ধি ঘটতে পারে। বিভিন্ন প্রকৃতির অসংখ্য আয়, ব্যয়, সম্পদ ও দায় ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানে বিদ্যমান। লেনদেনের ফলে যে সকল আয়, ব্যয়, সম্পদ বা দায় প্রভাবিত হবে, তা নির্দিষ্ট ছকে দুতরফা দাখিলা পদ্ধতির নিয়মানুযায়ী লিপিবদ্ধ করা হয় এবং প্রত্যেকটি খাতের মোট ও নিট পরিমাণ নির্ণয় করা হয়। লেনদেনের ফলে প্রতিটি খাতের ক্রমাগত পরিবর্তন ও নিট পরিমাণ জানার জন্য হিসাব প্রস্তুত করা হয়।

এই অধ্যায় শেষে আমরা-
- হিসাবের ধারণা ও বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা করতে পারব।
- হিসাবের বিভিন্ন প্রকার ছক (‘T’–ছক ও ‘চলমান জের' ছক) প্রস্তুত করতে পারব ।
- হিসাব সমীকরণ অনুযায়ী হিসাবের শ্রেণিবিভাগ করতে পারব।
- দুতরফা দাখিলা পদ্ধতি অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট হিসাবে ডেবিট-ক্রেডিট লিপিবদ্ধ করতে পারব।
Related Question
View All১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!