যেসব পণ্য ক্রেতারা মুহূর্তের দেখায় বিশেষ চিন্তাভাবনা না করে ভাবাবেগের বশবর্তী হয়ে ক্রয় করে তাকে লোভনীয় পণ্য বলে।
যে পদ্ধতিতে পণ্যের উৎপাদন ব্যয়ের সাথে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ মুনাফা যোগ করে মূল্য নির্ধারণ করা হয় তাকে মার্ক-আপ পদ্ধতিতে মূল্য নির্ধারণ বলে।
এ পদ্ধতিতে পণ্যের মোট ব্যয়ের সাথে নির্দিষ্ট পরিমাণ মুনাফা যোগ করে মূল্য নির্ধারণ করা হয়। যেমন- একটি সাবানের উৎপাদন ব্যয় ১০ টাকা এবং বিপণন ব্যয় ৩ টাকা। এখন প্রতিষ্ঠানটি প্রতিটি সাবাদ থেকে ২ টাকা মুনাফা অর্জন করতে চাইলে মূল্য হবে (১০+৩+২)= ১৫ টাকা। সাধারণত খুচরা বিক্রেতা এবং ছোট প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে এ ধরনের মূল্যনীতি অনুসৃত হয়।
পাওয়ার গ্রিড এর ভারসাম্য বিন্দু নির্ণয় :
দেওয়া আছে
পাওয়ার গ্রিড এর এককপ্রতি পরিবর্তনশীল ব্যয় = ৮ টাকা
মোট স্থায়ী ব্যয় = ৫,০০,০০,০০০ টাকা
এককপ্রতি বিক্রয়মূল্য = ১২ টাকা
মোট বিক্রয়ের পরিমাণ = ২০,০০০ ইউনিট
ভারসাম্য বিন্দু = মোট স্থায়ী ব্যয়
এককপ্রতি বিক্রয়মূল্য- এককপ্রতি পরিবর্তনশীল বায়
= একক
=
= ১,২৫,০০,০০০ একক
দেখা যাচ্ছে, কোম্পানির মোট উৎপাদন ২০,০০০ ইউনিট কিন্তু ভারসাম্য বিন্দু ১,২৫,০০,০০০ ইউনিট। সুতরাং প্রতিষ্ঠানটি এখনও ভারসাম্য বিন্দুতে পৌছাতে পারেনি। তাই প্রতিষ্ঠানটির ভারসাম্য বিশ্বতে আয়ের পরিমাণ এখন শূন্য।
xyz এর ভারসাধ্য বিন্দু নির্ণয়।
বেওয়া আছে,
XYZ এর এককপ্রতি পরিবর্তনশীল ব্যয় ৩ টাকা
ছোট স্থায়ী বায়- ৪,০০,০০,০০০ টাকা
এককপ্রতি বিক্রয়মূল্য ৭ টাকা
ভারসাধ্য বিন্দু= ঘোট স্থায়ী ব্যয়
এককপ্রতি বিক্রয়মূল্য -এককপ্রতি পরিবর্তনশীল ব্যয়
= একক
= একক
=১.০০.০০.০০০একক
XYZ এর ভারসাম্য বিন্দু = ১,০০,০০,০০০ একক
পাওয়ার গ্রিড এর ভারসাম্য বিন্দু ১,২৫,০০,০০০ একর্ক (গ হতে প্রাপ্ত) দেখা যাচ্ছে XYZ এর ভারসাম্য বিন্দু ১,০০,০০,০০০ একক। যা পাওয়ার গ্রিডের হতে ২৫,০০,০০০ ইউনিট কম। অর্থাৎ XYZ এর ভারসাম্য বিন্দু পৌছাতে পাওয়ার গ্রিড হতে অনেক কম সময়ের প্রয়োজন হবে। তাই বলা যায় XYZ কোম্পানিটি অধিক লাভজনক হবে।
Related Question
View Allভোক্তা ও ক্রেতাদের প্রয়োজন, অভাব ও চাহিদা মেটাতে সক্ষম এমন কিছু যা বিক্রয়ের জন্য উপস্থাপন করা হয় তাই পণ্য।
পণ্যের জীবনচক্রের পূর্ণতা স্তরে বিক্রয় সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছায়।
পণ্যের জীবনচক্রের যে স্তরে বিক্রয়ের পরিমাণ সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছায় এবং একপর্যায়ে বিক্রয় ও মুনাফার পরিমাণ উভয়ই কমতে থাকে তাকে পূর্ণতা স্তর বলে। এ স্তরে পণ্যের পরিচিতি এবং সুনাম বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে বিক্রয়ের পরিমাণ স্বাভাবিক কারণেই অধিক হারে বৃদ্ধি পায়। কিন্তু পূর্ণতা স্তরে পৌঁছানোর একপর্যায়ে বাজার থেকে পণ্যের চাহিদা ধীরে ধীরে কমে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। পণ্যের চাহিদা ও বিক্রয়ের হার ধরে রাখার জন্য এ স্তরে পণ্যের বৈশিষ্ট্য ও ব্যবহারের ভিন্নতা আনয়নের চেষ্টা করা হয়।
উদ্দীপকে উল্লিখিত পণ্যটি শপিং পণ্য।
ক্রেতারা যেসব পণ্য বা সেবা পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী পণ্যের ২০ মূল্য, গুণাগুণ ইত্যাদি বিবেচনা করে ক্রয় করে তাকে শপিং বা আসবাবপত্র, ফ্রিজ, গাড়ি, টেলিভিশন ইত্যাদি শপিং পণ্যের উনহফ উদ্দীপকের মিতু পূর্বনির্ধারিত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী একটি ডিপফ্রিজ ক্লার জন্য ঢাকা নিউমার্কেটে গেলেন। তিনি বিভিন্ন দোকান ঘুরে ও বিউ ব্র্যান্ডের ডিপফ্রিজ দেখে 'ট্রাইস্টার' ব্র্যান্ডের একটি ডিপফ্রিজ কিনলে সুতরাং মিতুর ডিপফ্রিজ কেনার সিদ্ধান্ত এবং অন্যান্য বৈশিষ্টা ে স্পষ্ট প্রতীয়মান হয় যে, উল্লিখিত ডিপফ্রিজটি একটি শপিং পণ্য
উদ্দীপকের স্কাই শপের ব্যবস্থাপক কর্তৃক গৃহীত মূল্য নির্ধান পদ্ধতিটি হলো ব্যয়-যোগ মূল্য নির্ধারণ পদ্ধতি।
পণ্যের মোট ব্যয়ের সাথে নির্দিষ্ট পরিমাণ বা পরিমিত পরিমাণ মুনাজ যোগ করে মূল্য নির্ধারণ করাকে ব্যয় যোগ পদ্ধতিতে মূল্য নির্ধদ বলে। ব্যয় যোগ করে মূল্য নির্ধারণ করা প্রতিষ্ঠানের জন্য অি প্রচলিত ও সহজ একটি পদ্ধতি। সাধারণত খুচরা বিক্রেতা এবং ছো প্রতিষ্ঠানগুলোর ক্ষেত্রে এ ধরনের মূল্যনীতি বেশি অনুসৃত হয়।
উদ্দীপকের স্কাই শপের ব্যবস্থাপক ক্রয়মূল্যের ওপর ১৫% লাতেও মিতুর কাছে একটি ডিপফ্রিজ বিক্রয় করলেন। অর্থাৎ ভাই শাগ ব্যবস্থাপক পণ্যটির ক্রয়মূল্য বা মোট খরচের ওপর ১৫% সা করতে চান। এজন্য তিনি মোট ব্যয় যোগ করে তার ওপর একা নির্দিষ্ট পরিমাণ মুনাফা যোগ করেছেন; যেখানে ব্যয় যোগ পচ্ছায়া। মূল্য নির্ধারণের সাদৃশ্যতা রয়েছে।
সুতরাং বলা যায়, ট্রাইস্টার ডিপফ্রিজ অন্যান্য ফ্রিজের তুলনায় স্থায়িত বেশি এবং ১০ বছরের ওয়ারেন্টি যুক্ত হওয়ায় ব্যয় যোগ পদ্ধতিতে অর্থাৎ ১৫% লাভে ফ্রিজ বিক্রয়ের সিদ্ধান্তটি মঠিত। সময়োপযোগী হয়েছে।
মানুষের দৈনন্দিন জীবনে যে সকল পণ্যগুলো অপরিহার্য হিসেবে বিবেচিত হয় তাকে প্রধান পণ্য বলে। যেমন- চাল, ডাল, লবণ, তেল ইত্যাদি হলো প্রধান পণ্য।
ক্রেতা পণ্যকে কীভাবে গ্রহণ করে তার ওপর ভিত্তি করে ভ্যালুভিত্তিক মূল্য নির্ধারণ করা হয়।
প্রতিষ্ঠানের পণ্য সম্পর্কে ক্রেতাদের ধারণা বা গ্রহণযোগ্যতা ভ্যালুভিত্তিক মূল্য নির্ধারণের ক্ষেত্রে বিবেচনা করা হয়। যেমন কোনো শার্ট গুলিস্তানে ২০০ টাকায় বিক্রয় করা হলেও এলিফ্যান্ট রোডে সুসজ্জিত দোকানে ১০০০ টাকা বিক্রয় করা হয়। আবার, একই শার্ট বসুন্ধরা শপিং কমপ্লেক্সে ২০০০ টাকায় বিক্রয় করা হয়।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!