পাকিস্তানের ২৪ বছরের ইতিহাস শোষণ, বঞ্চনা ও নিপীড়নের ইতিহাস এবং বৈষম্যের ইতিহাস। এ শোষণ, বঞ্চনা ও নিপীড়নের হাত থেকে বাঙালি জাতিকে মুক্ত করতে উত্থাপিত হয় ছয়দফা দাবি। এ ছয়দফা দাবি বাঙালি জাতির মুক্তির সনদে পরিণত হয়। পরবর্তীতে ৬ দফাকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা আন্দোলন এক পর্যায়ে গণআন্দোলনে রূপ নেয়। এ গণআন্দোলন গণঅভ্যুত্থানে রূপ নিলে আইয়ুব খান ক্ষমতা থেকে সরে যেতে বাধ্য হন।

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

আগরতলা মামলার প্রধান আসামি ছিলেন বাজারুকু শেখ মুজিবুর

উত্তরঃ

১৯৭০ সালের নির্বাচনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ নিরজকুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে।
নির্বাচনের ফলাফলে দেখা যায়, পূর্ব পাকিস্তানের জন্য বরাদ্দ ১৬৯টি আসনের মধ্যে আওয়ামী লীগ ১৬৭টি আসনে (সংরক্ষিত ৭টি মহিলা আসনসহ) জয়লাভ করে। দলটি ৩৯.২% ভোট পেয়ে সংখ্যাগরিষ্ঠতা আর্জনি করে। অপরদিকে, পাকিস্তান পিপলস পার্টি ৮৮টি আসনে জয়ী হয়। নির্বাচনে আওয়ামী লীগ যেমন পশ্চিম পাকিস্তানে একটিও আসন পায়নি, তেমনি পাকিস্তান পিপলস পার্টিও পূর্ব পাকিস্তানে কেনো আসন পায়নি

উত্তরঃ

উদ্দীপকের প্রথম আশে ১৯৬৬ সালের হয়না দাবি সম্পর্কে আলোকপাত করা হয়েছে।
পাকিস্তানি ঔপনিবেশিক শাসন ও শোষণ থেকে মুক্তি করার জন্য বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রাঙ্গামান ১৯৬৬ সালে হায়াদল কর্মসূচি ঘোলা কলে বাঙ্গাবন্ধুর উদ্দেশ্য ছিল, হরদকা দাবি আদায়ের মাধ্যমে পূর্ব পাকিস্তানকে বৈষম্যের হাত থেকে রক্ষা করা। মূলত ভারত-পাকিস্তান বুদ্ধ অবসাদের পর পূর্ব পাকিস্তানের নিরাপত্তার প্রতি পশ্চিম পাকিস্ত্রনি সরকারের চরম অবহেলা, পাশাপাশি রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, প্রশাসনিক, সামরিক, শিক্ষা প্রস্তুতি ক্ষেত্রে পূর্ব পাকিস্তানের প্রতি সীমাহীন বৈষম্যের বিরুদ্ধে বঙ্গবন্ধু সোচ্চার হন। ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি লাসেরে বিরোধীদলীয় নেতারা একটি সম্মেলনের আহবান করেন। আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গো নিয়ে বঙ্গবন্ধু লাহোরে পৌঁছান। সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু ঐতিহাসিক 'ছয়দফা প্রশ্নক পেশ করলে সম্মেলনের নেতৃবৃন্দ তা প্রত্যাখান করেন। বঙ্গবন্ধু সম্মেলন। বর্জন করেন এবং হয়াদদা সাংবাদিকদের সামনে প্রকাশ করেন।
উদ্দীপকে বলা হয়েছে, পাকিস্তানের ২৪ বছরের শোষণ বঞ্চনা ও নিপীড়নের হাত থেকে বাঙলি জাতিকে মুক্ত করতে ১৯৬৯ সালে কিছু দাবি সম্মিলিত একটি প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়। উত্থাপিত এ দাবি বা প্রস্তাব ১৯৬৬ সালের হয়দফা দাবিকেই নির্দেশ করে, বা উপরের আলোচনার সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ। তাই বলা যায়, উদ্দীপকের প্রথমাংশে হয়াদতা দাবি সম্পর্কেই আলোকপাত করা হয়েছে।

উত্তরঃ

উদ্দীপকের শেষাংশে ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানের বিষয়ে অবতারণা করা হয়েছে।
আইয়ুব খান সরকারের দমননীতি, শোষণ, নিপীড়ন ও নির্যাতন পূর্ব পাকিস্তানিদের বিক্ষুব্ধ করে তুলেছিল। সেজন্য বাঙালিদের অন্যতম দাবি ছিল স্বায়ত্তশাসন। ছয়াদকার মধ্যে বাঙালি তাদের এ দাবির পূর্ণরূপ দেখতে পায়। কিন্তু আইয়ুব খান অস্ত্রের ভাষায় হরদকা মোকাবিলা করার ঘোষণা দেন এবং এ আন্দোলন দমন করার জন্য আগরতলা মামলা দায়ের করে হয়দকার রূপকার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে গ্রেফতার করেনা। ফলে পূর্ব পাকিস্তানে প্রবল গণবিক্ষোভের সৃষ্টি হয়। এসময় বাংলার অকুতোভয় ছাত্রসমাজ ১১ দফা দিয়ে এগিয়ে এলে গণবিক্ষোভ গণবিস্ফোরণে রূপান্তরিত হয়। আন্দোলনের গতিবেগ বুঝে মওলানা আবদুল হামিদ খানা ভাসানী তার এতদিনকার নীরবতা ভেঙে রাস্তায় বেরিয়ে আসেন। এর ফলে আন্দোলনে নতুন জোয়ার আসে। পূর্ব পাকিস্তানের সকল গণতান্ত্রিক শক্তি এক কাতারে শামিল হয়ে বঙ্গাবন্ধুর মুক্তি দাবি করে। আইয়ুব খান সরকারের পতন ঘটে।
উদ্দীপকে বলা হয়েছে, হয়দফাকে কেন্দ্র গড়ে ওঠা আন্দোলন এক পর্যায়ে গণআন্দোলনে রূপ নিলে আইয়ুব খান ক্ষমতা থেকে সরে যেতে বাধ্য হন।
উদ্দীপকের এ তথ্য ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
তাই বলা যায়, উদ্দীপকের শেষাংশে গণঅভ্যুত্থানের কথা বলা হয়েছে।

174
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
উত্তরঃ

ভাষা আন্দোলনকে রাজনৈতিক রূপদানের লক্ষ্যে তমদ্দুন মজলিশের উদ্যোগে ১৯৪৭ সালের অক্টোবর মাসে গঠিত হয় 'রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ'।
১৯৪৭ সালে পাকিস্তান স্বাধীন হওয়ার আগেই এর রাষ্ট্রভাষা কী হবে এ নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। সে সময় মুসলিম লীগের প্রভাবশালী নেতা ও বুদ্ধিজীবীরা পাকিস্তান সৃষ্টি হলে উর্দু হবে এর রাষ্ট্রভাষা-এ মর্মে মতামত দেন। তখনই ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহসহ বাঙালি বুদ্ধিজীবীরা এর প্রতিবাদ করেন। এমন প্রেক্ষাপটে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞানের অধ্যাপক আবুল কাশেমের নেতৃত্বে সাংস্কৃতিক সংগঠন 'তমদ্দুন মজলিশ' গঠিত হয়। এ সংগঠনটি ভাষা আন্দোলনকে রাজনৈতিক রূপ দেওয়ার জন্য গঠন করে 'রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ'। এ পরিষদ বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করার প্রস্তাব দেয়।

700
উত্তরঃ

উদ্দীপকে ইন্দোনেশীয় সরকারের মতো পূর্ব পাকিস্তানের প্রতি পশ্চিম পাকিস্তানি সরকারের শিক্ষা ও অবকাঠামোগত খাতে বৈষম্যমূলক আচরণের চিত্র ফুটে উঠেছে।
পূর্ব পাকিস্তান দীর্ঘ ২৩ বছর পশ্চিম পাকিস্তানের অবাঙালি শাসকদের বৈষম্য ও শোষণমূলক শাসনের শিকার হয়েছিল। এ বৈষম্য সবচেয়ে বেশি প্রকট ছিল অর্থনৈতিক ক্ষেক্রে। পূর্ব পাকিস্তান থেকে অর্জিত আয়ে পশ্চিম পাকিস্তানের নগরগুলোর অবকাঠামোগত উন্নয়ন হতো। তাদের শোষণের মাত্রা ছিল ভয়াবহ। ফলে পূর্ব পাকিস্তান কখনও অর্থনৈতিকভাবে স্বয়ংসম্পূর্ণ হতে পারেনি। প্রাদেশিক সরকারের হাতে মুদ্রাব্যবস্থা বা অর্থনৈতিক কোনো নিয়ন্ত্রণ ছিল না। কেন্দ্রীয় ব্যাংকসহ সকল ব্যাংক, বিমা, বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের সদর দপ্তর ছিল পশ্চিম পাকিস্তানে। ফলে সহজেই পশ্চিম পাকিস্তানে অর্থপাচার হতো। উদ্বৃত্ত আর্থিক সঞ্চয় পশ্চিম পাকিস্তানে জমা থাকতো বলে পূর্ব পাকিস্তানে কখনও শিল্পের মূলধন গড়ে ওঠেনি।
শিক্ষাক্ষেত্রেও পূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তানের মধ্যে বৈষম্য ছিল অনেক। পাকিস্তান সরকার পূর্ব পাকিস্তানের তুলনায় পশ্চিম পাকিস্তানের শিক্ষা বিস্তারে ব্যাপক পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করে। এছাড়া বাংলা ভাষার পরিবর্তে উর্দুকে শিক্ষার মাধ্যম করার মধ্য দিয়ে পূর্ব পাকিস্তানের শিক্ষাব্যবস্থায় আঘাত হানতে চেয়েছিল তারা। শিক্ষা খাতে বরাদ্দের ক্ষেত্রে পূর্ব পাকিস্তানের প্রতি চরম বৈষম্য দেখানো হয়। ১৯৫৫ থেকে ১৯৬৭সালের মধ্যে শিক্ষাখাতে মোট বরাদ্দের মধ্যে পশ্চিম পাকিস্তানের জন্য বরাদ্দ ছিল '২০৮৪ মিলিয়ন রুপি এবং পূর্ব পাকিস্তানের জন্য ছিল ৭৯৭ মিলিয়ন রূপি। অথচ দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণ বাস করতো পূর্ব পাকিস্তানে।

229
উত্তরঃ

পূর্ব তিমুরের স্বাধীনতাপ্রাপ্তির প্রক্রিয়া বাংলাদেশের স্বাধীনতা লাভের প্রক্রিয়ার অনুরূপ- এ বিষয়ে আমি একমত পোষণ করি।
উদ্দীপকে দেখা যায়, পূর্ব তিমুরের সম্পদ থেকে প্রাপ্ত আয়ের বড় অংশ ইন্দোনেশিয়ার অবকাঠামোগত উন্নয়ন কাজে ব্যয় হতো। ফলে পূর্ব তিমুরের লোক একসময় তাদের অধিকার আদায়ের জন্য ঐক্যবদ্ধ হয়। পরবর্তী সময়ে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মাধ্যমে পূর্ব তিমুর স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। এ ঘটনা বাংলাদেশের স্বাধীনতা লাভের প্রক্রিয়ার অনুরূপ।

১৯৪৭ সালে স্বাধীনতা লাভের পর থেকেই পশ্চিম পাকিস্তানের শাসকগোষ্ঠী পূর্ব পাকিস্তানের প্রতি বৈষম্যমূলক আচরণ করে আসছিল। ১৯৬২-৬৫ সালের দিকে এসে এ বৈষম্যের মাত্রা চরম আকার ধারণ করে। অর্থনৈতিক, প্রশাসনিক, রাজনৈতিক, সামাজিক, সামরিক ইত্যাদি সব ক্ষেত্রে পূর্ব পাকিস্তান বৈষম্যের শিকার হতে থাকে। এ বৈষম্য থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য পূর্ব পাকিস্তানের জনপ্রিয় নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৬৬ সালে ঐতিহাসিক ছয়দফা দাবি পেশ করেন। পূর্ব পাকিস্তানের স্বায়ত্তশাসন ও অর্থনৈতিক স্বাধিকার ছিল এর মূল বক্তব্য।
ছয়দফার আন্দোলন তুঙ্গে উঠলে আইয়ুব খান বঙ্গবন্ধুকে গ্রেফতারের নির্দেশ দেন। ১৯৬৮ সালে বঙ্গবন্ধুকে ঐতিহাসিক আগরতলা মামলায় অভিযুক্ত করে ট্রাইব্যুনালে তার বিচার শুরু করা হয়। কিন্তু এর বিরুদ্ধে ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানের মুখে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে মুক্তি দিতে সরকার বাধ্য হয়। এমন প্রেক্ষাপটে অনুষ্ঠিত ১৯৭০ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়। তবে পাকিস্তানি শাসকচক্র ক্ষমতা হস্তান্তর করতে অনীহা প্রকাশ করে। এরপর ১৯৭১ সালের ৭ মার্চের ভাষণে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতা আন্দোলনের ডাক দেন। এর জবাবে পাকিস্তানি শাসকরা সেনাবাহিনী নামিয়ে ২৫ মার্চ নির্মম গণহত্যা চালায়। তখন বঙ্গবন্ধুর ডাকে শুরু হয়ে যায় বাঙালির মুক্তিযুদ্ধ। দীর্ঘ ৯ মাস রক্তক্ষয়ী লড়াইয়ের মাধ্যমে অর্জিত হয় বাংলাদেশের স্বাধীনতা। উদ্দীপকের পূর্ব তিমুরের মানুষও বৈষম্য আর শোষণের অবসান ঘটাতে স্বাধীনতার আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল। তাই পূর্ব তিমুরের স্বাধীনতা প্রাপ্তির প্রক্রিয়া বাংলাদেশের স্বাধীনতা লাভের প্রক্রিয়ার অনুরূপ- এ কথা বলা যৌক্তিক।

239
উত্তরঃ

অর্থনৈতিক বৈষম্য ছিল বাঙালিদের দুর্দশার অন্যতম কারণ।
মুদ্রা ও অর্থনীতি কেন্দ্রীয় সরকারের হাতে থাকায় অতি সহজে পূর্ব পাকিস্তানের আয় পশ্চিম পাকিস্তানে চলে যেত। শিল্প, বাণিজ্য, সরকারি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, স্টেট ব্যাংক, ন্যাশনাল ব্যাংকসহ সকল ব্যাংকের হেড অফিস ছিল পশ্চিম পাকিস্তানে এবং অর্থ পাচারের কাজ চলত অবাধে। এ কারণে বাংলাদেশে মূলধন গড়ে উঠতে পারেনি। শিল্পের কাঁচামাল পূর্ব পাকিস্তানে উৎপাদিত হলেও শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠে পশ্চিম পাকিস্তানে। অর্জিত বৈদেশিক মুদ্রা, বিদেশি ঋণ ও সাহায্যের বেশিরভাগ ব্যবহৃত হতো পশ্চিম পাকিস্তানের উন্নয়নে। এভাবে পশ্চিম পাকিস্তান বৈষম্য বজায় রেখে পূর্ব পাকিস্তানকে করে নিঃস্ব ও নিজেদের সমৃদ্ধ করে।

356
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews