পাক বাহিনীর এক রাতের হত্যাকাণ্ড এখনো বিশ্বব্যাপী নিন্দিত। এ রাতে তারা নির্বিচারে একের পর এক মানুষ হত্যা করে। প্রথমে ঢাকা এবং পরে সারাদেশে এই হত্যাকাণ্ড পরিচালিত হয়। ইতিহাসে এই রাতকে একটি বিশেষ নামে অভিহিত করা হয়।

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

আইয়ুব খান মৌলিক গণতন্ত্রে নাগরিকদের প্রত্যক্ষ ভোটের অধিকার থেকে বঞ্চিত করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক উপস্থাপিত ৬ দফা কর্মসূচি ছিল বাঙালির জাতীয় মুক্তির সনদ বা 'ম্যাগনাকার্টা'। ১৮-২০শে মার্চ, ১৯৬৬ সালে আওয়ামী লীগের ওয়ার্কিং কমিটিতে ছয় দফা গৃহীত হওয়ার পর বঙ্গবন্ধু ছয় দফার পক্ষে জনমত গড়ে তোলার জন্য বিভিন্ন স্থানে ২০ মার্চ থেকে ৮ মে পর্যন্ত ৩২টি জনসভায় বক্তব্য দেন। কার্যত এই ৬ দফার মধ্য দিয়ে পাকিস্তানি ধাঁচের বৈষম্যমূলক রাষ্ট্রব্যবস্থাকে ভেঙে বাঙালির জাতীয়-মুক্তি বা স্বাধীনতা অর্জনের লক্ষ্য স্থির হয়। জেনারেল আইয়ুব খান ৬ দফাকে বিচ্ছিন্নতাবাদী, 'বৃহত্তর বাংলা প্রতিষ্ঠার কর্মসূচি' হিসেবে আখ্যায়িত করেন এবং তা নস্যাৎ করতে যেকোনো ধরনের শক্তি প্রয়োগের হুমকি দেন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে ১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ রাতের কথা বলা হয়েছে।
১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ রাতে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী এদেশের নিরস্ত্র বাঙালিকে নির্বিচারে হত্যা করে। স্বাধীনতাকামী মানুষের ওপর এমন নিষ্ঠুর হত্যাযজ্ঞ ইতিহাসে এক কালো অধ্যায়ের সংযোজন করে। পাক- হানাদার বাহিনী সুপরিকল্পিতভাবে এ হত্যাকান্ড পরিচালনা করে, উদ্দীপকেও যার ইঙ্গিত রয়েছে। উদ্দীপকে পাকবাহিনীর এক রাতের নারকীয় হত্যাকাণ্ডের বর্ণনা দেওয়া হয়েছে। এ বর্ণনা ১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ রাতে সংঘটিত নৃশংস হত্যাকান্ডকেই নির্দেশ করে।
১৯৭১ সালের ৭ই মার্চ বঙ্গবন্ধুর ঘোষিত কর্মসূচি ও আহ্বানের প্রতি সাড়া দিয়ে সব স্তরের মানুষ ঐক্যবদ্ধ হয়। পূর্ব বাংলার সকল অফিস আদালত, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, কলকারখানা বন্ধ হয়ে যায়। পূর্ব পাকিস্তানের অবস্থা বেগতিক দেখে ইয়াহিয়া খান বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সাথে আলোচনার নামে কালক্ষেপণ করেন। এ সুযোগে তারা পশ্চিম পাকিস্তান থেকে সৈন্য, গোলাবারুদ এনে পূর্ব পাকিস্তানে সামরিক হামলার প্রস্তুতি গ্রহণ করে। ১৭ই মার্চ টিক্কা খান, রাও ফরমান আলী 'অপারেশন সার্চলাইট' বা বাঙালির ওপর নৃশংস হত্যাকাণ্ড পরিচালনার নীলনকশা তৈরি করেন। এ পরিকল্পনা অনুযায়ী ২৫শে মার্চ রাতে পৃথিবীর ইতিহাসে অন্যতম বর্বরতম গণহত্যা 'অপারেশন সার্চলাইট' শুরু হয়, যা আজও বিশ্বব্যাপী নিন্দিত। এ নৃশংস হত্যাকাণ্ড বাংলাদেশের ইতিহাসে '২৫শে মার্চের কালরাত্রি' নামে পরিচিত। তাই বলা যায়, উদ্দীপকে ১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ রাতের কথাই বলা হয়েছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ রাতে সংঘটিত বর্বরতম হত্যাকাণ্ডের পরিপ্রেক্ষিতে বাঙালি মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে।
অপারেশন সার্চলাইট অনুযায়ী ২৫শে মার্চ রাতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে গ্রেফতার করে গোপনে পশ্চিম পাকিস্তানে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা হয়। তবে গ্রেফতার হওয়ার আগে ২৫শে মার্চ রাত ১২টার পরে অর্থাৎ ২৬শে মার্চ প্রথম প্রহরে তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা দেন। এ ঘোষণার মাধ্যমে তিনি বাংলাদেশের জনগণকে সর্বশক্তি দিয়ে পাক-হানাদারদের প্রতিরোধ করার এবং বাংলাদেশের চূড়ান্ত বিজয় অর্জিত না হওয়া পর্যন্ত সংগ্রাম চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান। বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতা ঘোষণায় বাঙালি সামরিক, আধা সামরিক বাহিনী ও স্বাধীনতাকামী সাধারণ জনগণ মুক্তিযুদ্ধের প্রস্তুতি নেয়। তারা গোপনে সংঘবদ্ধ হয়ে প্রশিক্ষণ গ্রহণ শুরু করে।
মুক্তিযুদ্ধের প্রাথমিক পর্যায়ে পাকিস্তানিদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ আন্দোলন চলছিল অপরিকল্পিত ও অবিন্যস্তভাবে। 'মুজিবনগর সরকার' গঠিত হওয়ার পর সুষ্ঠু ও পরিকল্পিতভাবে মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার জন্য সমগ্র বাংলাদেশকে এগারোটি সেক্টরে বিভক্ত করা হয়। নিয়মিত ও অনিয়মিত বাহিনীর সমন্বয়ে মুক্তিবাহিনী গঠিত হয়। সবার সম্মিলিত আক্রমণে জনবিচ্ছিন্ন পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ক্রমশ দুর্বল ও হতাশ হয়ে পড়ে। মুক্তিযুদ্ধকে সফল করার জন্য পরবর্তী সময়ে মুক্তিবাহিনী ও ভারতের নিয়মিত সেনাবাহিনীর সমন্বয়ে একটি যৌথ কমান্ড গঠন করা হয়। এ যৌথ কমান্ডের প্রবল আক্রমণের ফলে মাত্র কয়েক দিনের যুদ্ধে পাকবাহিনী সম্পূর্ণ বিধ্বস্ত ও পরাজিত হয়। অবশেষে ১৯৭১ সালের ১৬ই ডিসেম্বর মুক্তিযুদ্ধে চূড়ান্ত বিজয় লাভের মাধ্যমে বিশ্বের মানচিত্রে রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশের অভ্যুদয় ঘটে।
পরিশেষে বলা যায়, ১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ রাতের গণহত্যার পরিপ্রেক্ষিতে বাঙালি জাতি যে প্রতিরোধ ও আন্দোলন গড়ে তোলে তারই ফলশ্রুতিতে বাংলাদেশ স্বাধীনতা লাভ করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
115

পূর্বের অধ্যায়গুলোতে আমরা সমাজ, সরকার ও রাষ্ট্র, নাগরিকের অধিকার ও কর্তব্য এবং নাগরিক জীবনের বিভিন্ন সমস্যা ও তার সমাধান সম্পর্কে জেনেছি । এ অধ্যায়ে আমরা ইতিহাস থেকে স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ে দেশের নাগরিকদের ভূমিকা সম্পর্কে জানব ।

এ অধ্যায় পাঠের মাধ্যমে আমরা-

♦ ভাষা আন্দোলন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও আদর্শ এবং অসাম্প্রদায়িক মূল্যবোধ জানতে ও ব্যাখ্যা করতে পারব

♦  দেশপ্রেমের গুরুত্ব ব্যাখ্যা ও উপলব্ধি করতে পারব ।

Related Question

View All
উত্তরঃ

দ্বিজাতি তত্ত্ব ব্রিটিশ ভারতকে রাজনৈতিকভাবে বিভক্ত করার একটি রাজনৈতিক মতবাদ। এর ভিত্তিতেই ১৯৪৭ সালে ভারত ও পাকিস্তান নামে দুটি স্বাধীন রাষ্ট্র গঠিত হয়েছিল।

ভারতীয় উপমহাদেশের হিন্দু ও মুসলমান অধিবাসীরা দুটি আলাদা জাতি- এটাই দ্বিজাতি তত্ত্বের মূল কথা। ১৯৪০ সালের ২৩শে মার্চ পাকিস্তানের লাহোরে অনুষ্ঠিত মুসলিম লীগের অধিবেশনে সভাপতির ভাষণে তৎকালীন মুসলিম লীগ নেতা মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ দ্বিজাতি তত্ত্বের ব্যাখ্যা প্রদান করেন। তিনি বলেন, "ভারতের হিন্দু ও মুসলমানরা দুটি আলাদা জাতি। তাদের জীবন দর্শন, ধর্মীয় আদর্শ ও সামাজিক রীতিনীতি সম্পূর্ণ ভিন্ন।” জিন্নাহ এ যুক্তি দিয়ে ভারতের মুসলমানদের জন্য একটি স্বতন্ত্র আবাসভূমির দাবি করেন। তার এ যুক্তিই উপমহাদেশের ইতিহাসে 'দ্বিজাতি তত্ত্ব' নামে পরিচিত।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
3.4k
উত্তরঃ

উপরের ছবিটি আমাদের ভাষা আন্দোলনের সাথে সম্পৃক্ত।
উপরের ছবিতে একটি মিছিলের একাংশ দেখা যাচ্ছে। ছাত্রজনতা রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবি সংবলিত প্ল্যাকার্ড নিয়ে মিছিল করছে। এ ছবির সাথে ১৯৫২ সালের ঐতিহাসিক ভাষা আন্দোলনের মিছিলের সাদৃশ্য রয়েছে। পাকিস্তানের শতকরা ৫৬ জন অধিবাসীর মাতৃভাষা ছিল বাংলা। অথচ পশ্চিম পাকিস্তানকেন্দ্রিক শাসকগোষ্ঠী সম্পূর্ণ অগণতান্ত্রিকভাবে উর্দুকে একমাত্র রাষ্ট্রভাষা হিসেবে চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে। এর প্রতিবাদে পূর্ব পাকিস্তানের বাঙালিরা যে আন্দোলন শুরু করে, তা-ই ইতিহাসে ভাষা আন্দোলন নামে পরিচিত।
পাকিস্তান রাষ্ট্র সৃষ্টির পর থেকে পশ্চিম পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী রাষ্ট্রভাষার প্রশ্নে পূর্ব বাংলার প্রতি বৈষম্যমূলক আচরণ করতে থাকে। ১৯৪৭ সালের ডিসেম্বর মাসে করাচিতে অনুষ্ঠিত শিক্ষা সম্মেলনে উর্দুকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা করার প্রস্তাব গৃহীত হয়। এর প্রতিবাদে পূর্ব বাংলায় রাজনৈতিক নেতৃত্বে, বুদ্ধিজীবী ও ছাত্র নেতৃত্বের সমন্বয়ে রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয়। শুরু হয় ভাষা আন্দোলন। কয়েক বছর ধরে চলা এ আন্দোলন চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছায় ১৯৫২ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে। ২১শে ফেব্রুয়ারি ঢাকায় ছাত্ররা ১৪৪ ধারা ভেঙে বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে সমাবেশ ও মিছিল করে। পুলিশ মিছিলে গুলি চালালে সালাম, বরকত, জব্বারসহ অনেকে শহিদ হন। অতঃপর পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে মেনে নিতে বাধ্য হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
217
উত্তরঃ

ছবির লোকগুলোর চেতনাই স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের জন্ম দিতে- সক্ষম হয়- এ উক্তিটির পক্ষের যুক্তিগুলো নিচে তুলে ধরা হলো-
ভাষা আন্দোলন তখনকার পূর্ব বাংলা অর্থাৎ পূর্ব পাকিস্তানের মানুষকে প্রথম অধিকার সচেতন করে তোলে। বাঙালি জাতি তার স্বতন্ত্র আত্মপরিচয়ের ব্যাপারে নতুন করে সচেতন হয়ে ওঠে। ধর্মের ভিত্তিতে পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার কিছুদিন পর থেকেই বাঙালিরা বুঝতে পারে তাদের আশা-আকাঙ্ক্ষা এতে পূরণ হচ্ছে না। ১৯৫৪ সালের নির্বাচনে পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়া মুসলিম লীগের ভরাডুবি এবং বিরোধী জোট যুক্তফ্রন্টের বিজয় পূর্ব বাংলার মানুষের রাজনৈতিক চেতনাকে আরও শানিত করে। পাকিস্তানি সাংস্কৃতিক আগ্রাসনের বিরুদ্ধে মাতৃভাষাকেন্দ্রিক ভাষা আন্দোলনের ফলে পূর্ব বাংলার হিন্দু-মুসলমান উভয়ের মধ্যে অসাম্প্রদায়িক চেতনার বিকাশ ঘটে।
ভাষা আন্দোলনের জের ধরেই ধীরে ধীরে পূর্ব বাংলার ছাত্র-জনতা, কৃষক, শ্রমিক, বুদ্ধিজীবী সবাই পাকিস্তানিদের অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিকসহ বিভিন্ন বৈষম্যের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়ে ওঠে। ভাষা আন্দোলনের ফলে বাঙালিদের মধ্যে যে জোরালো অধিকারবোধের সৃষ্টি হয় তা এ ভূখণ্ডের রাজনৈতিক বিবর্তনকে এগিয়ে নেয়। এর ধারাবাহিকতায়ই ধাপে ধাপে আসে পাকিস্তানি বৈষম্যের বিরুদ্ধে ১৯৬৬ সালের ৬ দফা ও '৬৯ এর গণঅভ্যুত্থান। ১৯৭০ সালের নির্বাচনে বিপুল বিজয় পাওয়া আওয়ামী লীগকে ক্ষমতা হস্তান্তর করতে অস্বীকৃতি জানিয়ে পাকিস্তানি শাসকচক্র মুক্তিযুদ্ধকে অনিবার্য করে তোলে। পাকিস্তানের দখলদার বাহিনীর বিরুদ্ধে ৯ মাসের রক্তক্ষয়ী লড়াইয়ের মাধ্যমে ১৯৭১ সালে জন্ম নেয় স্বাধীন বাংলাদেশ।

সুতরাং বলা যায়, ছবির লোকগুলোর চেতনা তথা ভাষা আন্দোলনের চেতনাই কালক্রমে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের জন্ম দিতে সক্ষম হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
221
209
উত্তরঃ

গেরিলা যুদ্ধ একটি বিশেষ রণকৌশল।
গেরিলা যুদ্ধের মূলকথা হচ্ছে বৃহৎ ও নিয়মিত শত্রুবাহিনীর ওপর, ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র বাহিনীর অতর্কিত আক্রমণ, যার উদ্দেশ্য হলো বৃহত্তর বাহিনীকে হয়রানি, নাজেহাল এবং সম্ভব হলে নির্মূল করা। শক্তির পার্থক্যের কারণে গেরিলা যোদ্ধারা যথাসম্ভব সম্মুখযুদ্ধ এড়িয়ে চলে। পেশাদার সেনাদের বদলে সাধারণ জনগণের সমন্বয়ে গেরিলা বাহিনী গঠিত হয়। আমাদের মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীকে আক্রমণের জন্য মুক্তিযোদ্ধারা গেরিলা পদ্ধতিকে বেশি প্রাধান্য দিয়েছিলেন। গেরিলাদের মধ্যে ছাত্র ও কৃষকের সংখ্যা ছিল সবচেয়ে বেশি।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
721
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews