১৯৯৭ সালের ২রা ডিসেম্বর স্বাক্ষরিত পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তিচুক্তির দুটি পক্ষ হলো:
১. বাংলাদেশ সরকার (তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকার)। সরকারের পক্ষে তৎকালীন জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ আবুল হাসনাত আবদুল্লাহ স্বাক্ষর করেন।
২. পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি (PCJSS) (তৎকালীন শান্তিবাহিনীর রাজনৈতিক সংগঠন)। জনসংহতি সমিতির পক্ষে: সংগঠনের সভাপতি জ্যোতিরিন্দ্র বোধিপ্রিয় লারমা (যিনি সন্তু লারমা নামে পরিচিত)।
Related Question
View Allবাংলাদেশ সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং বহুল আলোচিত বিষয়। এটি মূলত সংসদ সদস্যদের 'দলবদল' (Floor Crossing) সংক্রান্ত বিধিনিষেধ নিয়ে কাজ করে। ৭০ অনুচ্ছেদের মূল বক্তব্য: সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, কোনো নির্বাচনে কোনো রাজনৈতিক দলের প্রার্থী হিসেবে মনোনীত হয়ে কোনো ব্যক্তি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলে, তিনি যদি:
(ক) উক্ত দল হতে পদত্যাগ করেন, অথবা
(খ) সংসদে উক্ত দলের বিপক্ষে ভোট দান করেন, তবে সংসদে তার আসন শূন্য হবে। অর্থাৎ, তিনি আর সংসদ সদস্য হিসেবে থাকতে পারবেন না।
বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের ১০ নম্বর সেক্টরে কোনো স্থায়ী সেক্টর কমান্ডার ছিলেন না। ১০ নম্বর সেক্টরটি ছিল মূলত একটি নৌ-সেক্টর। এর কোনো সুনির্দিষ্ট ভৌগোলিক সীমানা ছিল না। এটি ছিল নৌ কমান্ডো, সমুদ্র উপকূলীয় অঞ্চল ও অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন নিয়ে গঠিত একটি বিশেষ সেক্টর। নৌ-কমান্ডোররা সমুদ্র উপকূলীয় এলাকা এবং নদীবন্দরগুলোতে গেরিলা আক্রমণ চালাতেন। এই সেক্টরের অপারেশনগুলো সরাসরি মুজিবনগর সরকারের প্রধান সেনাপতির (জেনারেল এম. এ. জি. ওসমানী) অধীনে পরিচালিত হতো। যেহেতু কমান্ডোরা যখন যে অঞ্চলে অভিযানে যেতেন, তখন সেই অঞ্চলের সেক্টর কমান্ডারের সহায়তা নিতেন, তাই এই সেক্টরের জন্য আলাদা কোনো স্থায়ী সেক্টর কমান্ডারের পদ রাখা হয়নি। সমুদ্র উপকূলীয় অঞ্চল, চট্টগ্রাম ও মোংলা সমুদ্র বন্দর এবং অভ্যন্তরীণ নৌ-পথসমূহ এই সেক্টরের আওতাভুক্ত ছিল। ফ্রান্স থেকে আসা পাকিস্তানের 'ম্যাঙ্গো' সাবমেরিনের ৮ জন বাঙালি নাবিক এবং পরবর্তীতে বাছাইকৃত প্রায় ৫০০ মুক্তিযোদ্ধাকে নিয়ে এই বিশেষ বাহিনী গঠিত হয়।
বর্তমানে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি বাস্তবায়নে প্রধান দুটি চ্যালেঞ্জ হলো:
১. রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধান: মিয়ানমার থেকে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের তাদের স্বদেশে নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক ও সম্মানজনক প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করা বাংলাদেশের জন্য বর্তমান সময়ের সবচেয়ে বড় কূটনৈতিক চ্যালেঞ্জ। আন্তর্জাতিক চাপ সত্ত্বেও মিয়ানমারের অনমনীয়তা এবং বৈশ্বিক রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে এই সংকট দীর্ঘায়িত হচ্ছে।
২. আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক শক্তির ভারসাম্য রক্ষা: বর্তমান ভূ-রাজনীতিতে ভারত, চীন, যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার মতো বড় শক্তিগুলোর মধ্যকার কৌশলগত ও অর্থনৈতিক প্রতিযোগিতা প্রবল। এই শক্তিশালী রাষ্ট্রগুলোর পারস্পরিক দ্বন্দ্বের মধ্যে জাতীয় স্বার্থ অক্ষুণ্ণ রেখে "সবার সাথে বন্ধুত্ব, কারো সাথে বৈরিতা নয়" নীতির সফল প্রয়োগ ও ভারসাম্য বজায় রাখা বাংলাদেশের জন্য একটি অত্যন্ত কঠিন ও গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ।
জুলাই বিপ্লবোত্তর প্রেক্ষাপটে 'জুলাই সনদ' মূলত ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করে একটি নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণের অঙ্গীকারনামা। এর মূল প্রতিপাদ্য ও লক্ষ্যগুলো নিচে সংক্ষেপে তুলে ধরা হলো: জুলাই সনদের মূল প্রতিপাদ্যসমূহ:
ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থার বিলোপ: রাষ্ট্রের সকল স্তর থেকে স্বৈরাচারী ও ফ্যাসিবাদী কাঠামোর মূলোৎপাটন করা এবং ক্ষমতার অপব্যবহার রোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ।
১. নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্ত: প্রচলিত দলীয় রাজনীতির ঊর্ধ্বে উঠে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক ও জবাবদিহিমূলক রাজনৈতিক সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠা করা, যেখানে নাগরিকের অধিকার হবে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার।
২. সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক সুবিচার: মুক্তিযুদ্ধের মূল চেতনার সাথে সামঞ্জস্য রেখে এমন এক সমাজ গঠন করা যেখানে বৈষম্য থাকবে না এবং সকল মানুষের মর্যাদা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত হবে।
৩. রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের সংস্কার: নির্বাচন কমিশন, বিচার বিভাগ, এবং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানগুলোকে দলীয় প্রভাবমুক্ত করে স্বাধীনভাবে কাজ করার উপযোগী করে গড়ে তোলা।
৪. গণতান্ত্রিক জবাবদিহিতা: ভবিষ্যতে যেন কোনো সরকার একক কর্তৃত্ববাদী হয়ে উঠতে না পারে, সেজন্য সংবিধানে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন ও ভারসাম্য (Checks and Balances) আনা।
এটি মূলত ছাত্র-জনতার আত্মত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীনতার সুফল সবার কাছে পৌঁছে দেওয়ার একটি রূপরেখা।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!