শুক্লপক্ষ হলো অমাবস্যার পর থেকে পূর্ণিমা পর্যন্ত চন্দ্রকলা বাড়ার সময়।
বৌদ্ধ ভিক্ষুদের পরিধেয় পোশাকের নাম চীবর।
'মংডুর পথে' ভ্রমণকাহিনিতে বৌদ্ধ ভিক্ষুদের কথা বলা হয়েছে। চীবর তাদের পরিধেয় পোশাকের নাম। চীবর সেলাইবিহীন লুঙ্গির মতো। গায়ে আলাদা অন্য এক টুকরো চীবর থাকে। হাত কাটা ও এক কাঁধ কাটা একটা গেঞ্জি থাকে। কোমরে বেল্ট জাতীয় সেলাই করা কাপড়ের কোমর বন্ধনী থাকে। এসব মিলে ত্রিচীবর। যা বৌদ্ধ ভিক্ষুরা পরে থাকেন।
উদ্দীপকের সঙ্গে 'মংডুর পথে' ভ্রমণকাহিনির নারীদের যথেষ্ট সাদৃশ রয়েছে।
অজানাকে জানার, অচেনাকে চেনার, অদেখাকে দেখার আকাঙ্ক্ষা মানুষের চিরন্তন। ভ্রমণের ফলে মানুষ বাস্তব জ্ঞান অর্জন করে মাধ্যমে মানুষ একটি স্থানের মানুষের সংস্কৃতি সম্পর্কে ধারণা লাভ করতে পারে।
উদ্দীপকের লেখক পালামৌ ভ্রমণ করে সেখানকার পরিবেশ, খাবার ও মানুষ সম্পর্কে বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জন করেন। এখানে পালামৌ-এর নারীদের পোশাক-পরিচ্ছদ এবং সংস্কৃতি সম্পর্কে অভিজ্ঞতার প্রতিফলন লক্ষ করা যায়। সেখানকার নারীদের গায়ের রং কালো। তাদের কটিদেশে একখানি ক্ষুদ্র কাপড় জড়ানো থাকে। তারা বেশ হাসিখুশি, প্রাণচঞ্চল। 'মংডুর পথে' ভ্রমণকাহিনিতেও লেখক মিয়ানমার ভ্রমণের অভিজ্ঞতা বর্ণনা করেছেন। তার বর্ণনায় সেখানকার মানুষ সম্পর্কে তাঁর অর্জিত জ্ঞানের কথা উঠে এসেছে। বিশেষ করে মিয়ানমারের মেয়েরা সেখানকার পুরুষের চেয়ে অনেকটাই এগিয়ে। মিয়ানমারের যুবতি-তরুণীরা কলহাস্যে মুখর। এদিক থেকেই উদ্দীপকের সঙ্গে 'মংডুর পথে' ভ্রমণকাহিনির নারীদের যথেষ্ট সাদৃশ্য লক্ষ করা যায়।
"উদ্দীপকে 'মংডুর পথে' ভ্রমণকাহিনির একটি দিক প্রকাশ পেলেও সমগ্র ভাব প্রকাশ পায়নি।"- মন্তব্যটি যথার্থ।
মানুষ ভ্রমণের মাধ্যমে বাস্তব জ্ঞান অর্জন করে নিজেকে সমৃদ্ধ করে। ভ্রমণ থেকে অর্জিত জ্ঞান মানুষের প্রাত্যহিক জীবনে যেমন ভূমিকা রাখে তেমনই মানসিক বিকাশেও সহায়তা করে। একটি দেশের মানুষ এবং তাদের সংস্কৃতি সম্পর্কে ধারণা অর্জনের জন্য ভ্রমণ অপরিহার্য।
'মংডুর পথে' ভ্রমণকাহিনিতে লেখক মিয়ানমারে ভ্রমণে গিয়ে সেখানকার মানুষের জীবন-জীবিকা, পোশাক-পরিচ্ছদ-রাস্তাঘাট পর্যবেক্ষণ করেন। সেখানকার মেয়েদের জীবন-জীবিকা, চলাফেরা, তাদের পোশাক, সদা কলহাস্যে মুখর স্বাধীন মানসিকতা তিনি লক্ষ করেন। উদ্দীপকেও লেখক 'পালামৌ' ভ্রমণের অভিজ্ঞতার যে বর্ণনা করেছেন তাতে সেখানকার নারীদের সদাহাস্য ও আহ্লাদে চঞ্চল মনোভাব প্রকাশ পেয়েছে।
উদ্দীপকে 'মংডুর পথে' ভ্রমণকাহিনির সঙ্গে নারীদের সদা কলহাস্যে মুখর থাকার বিষয়টির মিল রয়েছে। এই ভ্রমণকাহিনিতে লেখক মিয়ানমার ভ্রমণের বাস্তব অভিজ্ঞতা তুলে ধরার চেষ্টা করেছেন। এখানে সেখানকার মানুষের জীবনচিত্র, সামাজিক ও অর্থনৈতিক অবস্থার নানা দিক প্রকাশ পেয়েছে। এই দিক থেকে বলা যায়, উদ্দীপকে 'মংডুর পথে' ভ্রমণকাহিনির একটি দিক প্রকাশ পেলেও সমগ্র ভাব প্রকাশ পায়নি। তাই প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।
Related Question
View Allসেলাইবিহীন লুঙ্গির মতো বস্তুটির নাম চীবর।
"ব্যান্ডেল রোড তাদের স্মৃতি বহন করছে" বলতে পাদরি ও পর্তুগিজদের বসবাসের স্মৃতির কথা বোঝানো হয়েছে।
মংডু টেকনাফের ওপারে, মাঝখানে নাফ নদী। এটি পার হয়ে ব্রিটিশ যুগের বহু আগে থেকেই চট্টগ্রামে অনেকে এসেছেন। পাদরি মেস্ট্রো সেবাস্টিন মানরিক সপ্তদশ শতাব্দীর প্রথমার্ধে এ পথে আসেন। তারও একশ বছর আগে পর্তুগিজরা চট্টগ্রামে বসতি স্থাপন করে। তারা নিজেদের বসতির জায়গাকে ব্যান্ডেল বলত। মংডু ও চট্টগ্রামের যোগাযোগের মাধ্যম রাস্তাটি অর্থাৎ ব্যান্ডেল রোডটি সেই পাদরি ও পর্তুগিজদের স্মৃতি বহন করছে।
উদ্দীপক-১-এ 'মংডুর পথে' ভ্রমণকাহিনির প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের অন্যতম নারকেল গাছ এবং মংডুদের খাবারের বিষয়টি প্রকাশ পেয়েছে।
প্রতিটি দেশে সংস্কৃতির ক্ষেত্রে কিছুটা ভিন্নতা এবং কোনো কোনো ক্ষেত্রে সাদৃশ্য লক্ষ করা যায়। তবে ভ্রমণের মাধ্যমে মানুষ নিজের দেশের সাথে ভ্রমণরত দেশের সংস্কৃতি-ঐতিহ্যের সাদৃশ্য বৈসাদৃশ্য বুঝতে পারে।
'মংডুর পথে' ভ্রমণকাহিনিতে দেখা যায়, মংডুর অধিবাসীদের বাড়ির সামনে সর্বত্র ছড়িয়ে আছে নারকেল গাছ। বাড়ির সামনের নারকেল গাছটির গোড়ার দিকে মাথা সমান উঁচুতে রয়েছে অর্কিড। তাতে রঙিন ও সাদা ফুল ফোটে। উদ্দীপক-১ এ শ্রীলংকার অস্তিত্বের সঙ্গে নারকেলের জড়িয়ে থাকার বিষয়টি প্রাধান্য পেয়েছে। উদ্দীপক-১-এ নারকেলতেল ছাড়া শ্রীলংকানরা রান্না করে না এবং রান্নায় প্রচুর মসলা এবং লাল মরিচ ব্যবহার করে। এই বিষয়টি চাকমা-মারমারা যে ধানিলঙ্কা পুড়িয়ে নুন ও পেয়াজ দিয়ে ভর্তা করে, ভ্রমণকাহিনির সেই বিষয়ে বর্ণনার সঙ্গে সংগতিপূর্ণ। তাই বলা যায় যে, উদ্দীপক-১ এ 'মংডুর পথে' ভ্রমণকাহিনির প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের বিষয়টি এবং খাবারের বিষয়টি প্রকাশ পেয়েছে।
আলাওলের শ্রেষ্ঠ রচনা 'পদ্মাবতী'।
"লুঙ্গি, ফুঙ্গি ও প্যাগোডা- এই তিন নিয়ে মিয়ানমার।"ー উক্তিটি দ্বারা লেখক বুঝিয়েছেন যে, মিয়ানমারের সর্বত্রই লুঙ্গি, ফুঙ্গি ও প্যাগোডা দেখা যায়।
মিয়ানমারের নারী-পুরুষ সবাই লুঙ্গি পরে। মেয়েরা লুঙ্গির সাথে ব্লাউজ পরে, আর পুরুষরা লুঙ্গির সাথে জামা পরে। ফুঙ্গিরা হলেন বৌদ্ধ ভিক্ষু। তাদের পেশা হলো ভিক্ষা করা এবং ধর্ম প্রচার করা। আর প্যাগোডা হলো বৌদ্ধদের প্রার্থনার স্থান। মিয়ানমারে এগুলো বেশি রয়েছে এবং বেশি দেখা যায়। তাই আলোচ্য কথাটি লেখক বলেছেন।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!