পিটার তার বন্ধু দীনেশকে জানায় তাদের সরকার দীনেশদের সরকারের মতো আইনসভার নিকট জবাবদিহি করতে বাধ্য নয়। 

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

কক্ষের ভিত্তিতে আইনসভা ২ প্রকার।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
উত্তরঃ

আইন বিভাগ বা শাসন বিভাগ প্রণীত কোনো আইন বা বিধিমালা যদি এমন হয়, যা সংবিধান বিরোধী, তাহলে সেই আইন বাতিলের যে ক্ষমতা বিচার বিভাগের হাতে রয়েছে তাকে বিচার বিভাগীয় পর্যালোচনা বলে। বিচার বিভাগীয় পর্যালোচনা বিচার বিভাগের একটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। বিচার বিভাগ দেশের আইন বিভাগ ও শাসন বিভাগের দ্বারা গৃহীত কার্যব্যবস্থার সাংবিধানিক বৈধতা নির্ধারণ করে। গৃহীত কার্যব্যবস্থা বা আইন যদি সাংবিধানিক বিধানাবলির পরিপন্থী হয়। তবে বিচার বিভাগ এগুলো অবৈধ ও অকার্যকর বলে ঘোষণা করে এবং এগুলো কার্যকর করতে অস্বীকার করে। এটিই বিচার বিভাগীয় পর্যালোচনা।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
উত্তরঃ

পিটারের রাষ্ট্রে রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকারব্যবস্থা বিদ্যমান।

উদ্দীপকের পিটার তার বন্ধু দীনেশকে জানায় যে, তাদের সরকার দীনেশদের সরকারের মতো আইনসভার নিকট জবাবদিহি করতে বাধ্য | নয়। পিটারের কথা থেকে আমরা বুঝতে পারি যে, তার রাষ্ট্রে রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকারব্যবস্থা বিদ্যমান। কেননা 'পৌরনীতি ও | সুশাসন' পাঠে আমরা জেনেছি, রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকারব্যবস্থায় শাসন বিভাগ আইন বিভাগের নিয়ন্ত্রণ হতে সম্পূর্ণ স্বাধীন থাকে এবং শাসন বিভাগ তার কাজের জন্য আইন বিভাগের নিকট দায়ী থাকে না।
রাষ্ট্রপতি শাসিত শাসনব্যবস্থার প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এ শাসনব্যবস্থায় শাসনক্ষমতা একজন রাষ্ট্রপতির হাতে ন্যস্ত থাকে এবং তিনিই শাসন বিভাগের প্রকৃত নির্বাহী। এতে রাষ্ট্রপতি নিয়মতান্ত্রিক প্রধান নয়, রাষ্ট্রপতি শাসন বিভাগের প্রকৃত নির্বাহী। এ সরকারব্যবস্থার অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো রাষ্ট্রপতিকে বা সরকারকে তার কাজের জন্য আইন বিভাগের নিকট জবাবদিহি করতে হয় না এবং শাসন বিভাগের ওপর আইন বিভাগের কোনো নিয়ন্ত্রণ থাকে না। | রাষ্ট্রপতি শাস্তি সরকারব্যবস্থার আরেকটি বৈশিষ্ট্য হলো রাষ্ট্রপতি । সাধারণত জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত হন বা ভোটারদের দ্বারা পরোক্ষভাবে নির্বাচিত হন। অর্থাৎ ভোটারগণ আইন পরিষদের সদস্যদের নির্বাচিত করেন এবং আইন পরিষদের সদস্যগণ রাষ্ট্রপতিকে নির্বাচিত করেন। আবার অনেক সময় রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য ভোটারগণ মাধ্যমিক নির্বাচনি সংস্থার সদস্যদের নির্বাচন করেন। অতঃপর এ মাধ্যমিক নির্বাচনি সংস্থার সদস্যগণ পর্যায়ক্রমে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করেন। রাষ্ট্রপতি শাসিত আইনসভা এককক্ষবিশিষ্ট কিংবা দ্বিকক্ষবিশিষ্ট হতে পারে। তবে উভয় কক্ষের সদস্যগণ জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত হন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে উল্লিখিত দীনেশের সরকার সংসদীয় বা মন্ত্রিপরিষদ শাসিত সরকার। গণতান্ত্রিক উন্নয়নে এ সরকার জরুরি। উদ্দীপকে দীনের বন্ধু পিটার তাকে জানায় যে পিটারের সরকার দীনেশের সরকারের মতো আইনসভার নিকট জবাবদিহি করতে বাধ্য নয়। 'পৌরনীতি ও সুশাসন' পাঠে আমরা জেনেছি যে, মন্ত্রিপরিষদ শাসিত সরকারব্যবস্থায় সরকার বা শাসন বিভাগ আইনসভার নিকট তার সকল কাজের জন্য দায়ী থাকে।

গণতান্ত্রিক উন্নয়নে সংসদীয় বা মন্ত্রিপরিষদ শাসিত সরকারব্যবস্থা জরুরি- কথাটি আমার মতে সঠিক। গণতন্ত্র হলো জনগণের শাসন। এটি হলো জনগণের ইচ্ছা অনুসারে দেশ শাসন করার 'পদ্ধতি। গণতান্ত্রিক দেশে জনগণ ভোট দিয়ে তাদের প্রতিনিধি নির্বাচন করবে যারা জনগণের জন্য কাজ করবে। গণতান্ত্রিক এ ব্যবস্থা সংসদীয় বা মন্ত্রিপরিষদ শাসিত সরকারব্যবস্থায় পরিলক্ষিত হয়। সংসদীয় বা মন্ত্রিপরিষদু শাসিত সরকারব্যবস্থায় আইনসভার নিকট শাসনবিভাগ তার সকল কাজের জন্য দায়ী থাকে এবং জবাবদিহি করে। এ ধরনের সরকারব্যবস্থায় আইনসভার আস্থা হারালে মন্ত্রিসভাকে পদত্যাগ করতে হয়। আর আইনসভার সদস্যগণ জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধি। এর অর্থ হলো মন্ত্রিসভা পরোক্ষভাবে জনগণের নিকটই জবাবদিহি করে। অর্থাৎ জনগণের শাসনব্যবস্থা তথা গণতন্ত্র এখানে বিদ্যমান। গণতান্ত্রিক এই উন্নয়ন সংসদীয় বা মন্ত্রিপরিষদ শাসিত সরকারব্যবস্থাতেই পাওয়া সম্ভব। এমন শাসনব্যবস্থায় আইনসভার গুরুত্ব গণতান্ত্রিক উন্নয়নে সহায়ক। আইন প্রণয়ন, পরিবর্তন ও পরিবর্ধন করে আইনসবা শাসন বিভাগকে সহায়তা করে। বাজেট আইনসভায় পাস করাতে হয়। শাসন বিভাগের সকল কর্মকাণ্ডেই আইনসভার অনুমোদন দরকার হয়। সংসদীয় বা মন্ত্রিপরিষদ সরকারব্যবস্থায় আইনসভা বিভিন্ন প্রশ্ন উত্থাপন, বাজেট নিয়ন্ত্রণ, সরকারকে পদচ্যুতিকরণ, বিশেষ কমিটি গঠন, রাষ্ট্রপ্রধান নির্বাচন ও অপসারণ প্রভৃতি কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে শাসন বিভাগকে নিয়ন্ত্রণ করে। জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধিগণ আইনসভার সদস্য বিধায়, প্রকারান্তরে জনগণই এ সংসদীয় বা মন্ত্রিপরিষদ শাসিত সরকারব্যবস্থার মূল শক্তি। যেকোনো দেশে সংসদীয় বা মন্ত্রিপরিষদ শাসিত সরকারব্যবস্থা প্রবর্তিত হলে গণতান্ত্রিক উন্নয়ন হবে। 
অতএব আমরা বলতে পারি, গণতন্ত্র জনগণের শাসনব্যবস্থা। জনগণের এ শাসন তখনই কায়েম হওয়া সম্ভব যখন দেশে সংসদীয় বা মন্ত্রিপরিষদ সরকার বিদ্যমান থাকবে। তাই বলা যায়, গণতান্ত্রিক উন্নয়নে এ সরকার তথা সংসদীয় বা মন্ত্রিপরিষদ শাসিত সরকার 

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
44
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
উত্তরঃ

বিচার বিভাগ জনগণের জন্য ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে কাজ করে। কিন্তু যদি এটি স্বাধীনভাবে কাজ করতে না পারে, তবে অনেক ক্ষেত্রেই নিরপেক্ষভাবে কাজ সম্পন্ন করতে পারে না। বিচার বিভাগকে অনেক সময় সরকারের বিরুদ্ধে রায় দিতে হয়। সরকারের অন্য কোনো বিভাগের অধীনে থেকে কাজ করলে সব সময় সরকারের বিরুদ্ধে যাওয়া সম্ভব হয় না। এজন্য ন্যায়বিচারের স্বার্থে বিচার বিভাগকে স্বাধীন রাখতে হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
209
উত্তরঃ

A চিহ্নিত সংস্থাটি আইন প্রণয়নকারী সংস্থা বা আইনসভা।
রাষ্ট্রের তিনটি মৌলিক অঙ্গের মধ্যে আইনসভা বা আইন বিভাগ অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি শাখা। সংসদীয় সরকারব্যবস্থাতে আইনবিভাগের গুরুত্ব ও ভূমিকা অনেক বেশি। আইন বিভাগের প্রধান কাজ হলো আইন প্রণয়ন করা। সংসদীয় সরকারব্যবস্থায় আইনসভা শাসন বিভাগকে নিয়ন্ত্রণ করে। প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভা যৌথভাবে সংসদের নিকট তাদের কাজের জন্য দায়ী থাকে। আইনসভা এখানে রাষ্ট্র পরিচালনার মূল অংশের কাজ করে। জনপ্রতিনিধিরা আইনসভায় জনগণের প্রতিনিধিত্ব করেন। আইন প্রণয়ন ছাড়াও সংবিধান প্রণয়ন, সংশোধন, আলোচনা, বিতর্ক, জনমত গঠন, আর্থিক বিবৃতি প্রণয়ন, তু রাষ্ট্রপতি নির্বাচন, বিচারসংক্রান্ত কাজ, শাসনসংক্রান্ত কাজ, সমালোচনামূলক কাজ ইত্যাদি করে থাকে। সংসদীয় শাসনব্যবস্থায় আইনসভা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
190
উত্তরঃ

সরকারের তিনটি মৌলিক বিভাগের মধ্যে কাজ সুনির্দিষ্ট করে দেওয়া আছে। রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় আইন প্রণয়ন করা আইন বিভাগের কাজ। আইন অনুসারে দেশ পরিচালনা করা শাসন বিভাগের কাজ এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করা বিচার বিভাগের কাজ।

উদ্দীপকে চিহ্নিত A এবং B-তে যথাক্রমে আইন ও শাসন বিভাগের কথা বলা হয়েছে। একটি দেশ পরিচালনা তথা নিয়ন্ত্রণের মূল দায়িত্বে থাকে এই দুটি বিভাগ। একটি দেশের শাসন বিভাগ ব্যাপক অর্থে রাষ্ট্রপতি থেকে শুরু করে গ্রামের চৌকিদার পর্যন্ত বিস্তৃত কর্মী বাহিনী নিয়ে গঠিত। শাসনকার্য পরিচালনা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, দেশরক্ষা, দেশের উন্নয়নমূলক কার্যাবলি পরিচালনা সবই শাসন বিভাগের হাতে ন্যস্ত। শাসন বিভাগ এসব কার্যাবলি সম্পন্ন করে আইন বিভাগ প্রণীত আইন অনুসারে।

শাসন বিভাগ তাদের কাজের জন্য আইন বিভাগের নিকট জবাবদিহি করতে বাধ্য থাকে। শাসন বিভাগের কার্যাবলিকে বিভিন্নভাবে নিয়ন্ত্রণ করে থাকে আইন বিভাগ। অন্যদিকে বিচার বিভাগ ন্যায় বিচার নিশ্চিত করার জন্য বিচার করে থাকে। কিন্তু বিচার বিভাগের রায়কে বাস্তবায়ন করার দায়িত্বও থাকে শাসন বিভাগের হাতে। আবার বিচার বিভাগের প্রদত্ত রায় বা শাস্তিকে মওকুফ বা মার্জনার ক্ষমতা শাসন বিভাগের হাতে আছে। এ দিক থেকে দেখা যায়, রাষ্ট্রীয় কার্যাবলি নিয়ন্ত্রণে আইন বিভাগ ও শাসন বিভাগ মূল নিয়ন্ত্রকের ভূমিকায় থাকে। শাসন বিভাগের শৃঙ্খলা ভেঙে পড়লে একটি রাষ্ট্র বিপন্ন হতে বাধ্য। আবার আইন বিভাগের নিয়ন্ত্রণ না থাকলে শাসন বিভাগ বেপরোয়া হয়ে যেতে পারে।

এদিক থেকে শাসন বিভাগ ও আইন বিভাগ পরস্পর পরস্পরের পরিপূরক, নিয়ন্ত্রক এবং সমন্বয় সাধনকারী। রাষ্ট্র পরিচালনায় এই দুটি বিভাগের ভূমিকাও অনেকটা তত্ত্বাবধায়কের ন্যায়। তাই আমি মনে করি, একটি রাষ্ট্র উদ্দীপকে চিহ্নিত A এবং B দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
188
উত্তরঃ

ব্রিটেনের আইনসভার উচ্চকক্ষের নাম হাউস অব লর্ডস এবং নিম্নকক্ষের নাম হাউস অব কমন্স।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
302
উত্তরঃ

সরকারের যে বিভাগ আইনসভা প্রণীত আইন অনুসারে রাষ্ট্রীয় শাসনকার্য পরিচালনা করে, তাকে শাসন বিভাগ বলে। অর্থাৎ আইন বিভাগ প্রণীত আইন অনুসারে যে বিভাগ দেশ শাসন বা পরিচালনা করে থাকে, তাই শাসন বিভাগ। সংকীর্ণ অর্থে শাসন বিভাগ হলো প্রজাতন্ত্রের নীতি ও কার্যক্রম নির্ধারণের দায়িত্ব প্রাপ্ত অংশ যেমন- প্রধানমন্ত্রী, রাষ্ট্রপতি, মন্ত্রীবর্গ, আমলারা। আর ব্যাপক অর্থে আইন ও বিচার বিভাগ ব্যতীত প্রজাতন্ত্রের সকল অংশীজন শাসন বিভাগের আওতাভুক্ত।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
1.4k
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews