পুংস্তবক ও স্ত্রীস্তবককে কেন ফুলের অত্যাবশ্যকীয় অংশ বলা হয়? ব্যাখ্যা করো। (অনুধাবন)

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

একটি ফুলের বিভিন্ন স্তবকের মধ্যে পুংস্তবক ও স্ত্রীস্তবককে অত্যাবশ্যকীয় অংশ বলা হয়, কারণ এ দুটি স্তবকের মাধ্যমে নিষেক ক্রিয়া ঘটে। পুংস্তবকে পরাগরেণু থাকে যার পরবর্তীতে পুংজনন কোষ উৎপন্ন করে, অপরদিকে স্ত্রীস্তবকে ডিম্বাণু থাকে যা স্ত্রী জনন কোষ তৈরি করে। পরাগায়নের ফলে পুংজননকোষ, স্ত্রীজননকোষের সাথে মিলিত হয়ে জাইগোট উৎপন্ন করে। উৎপন্ন জাইগোট পরবর্তীতে ফল ও বীজে পরিণত হয়। এই বীজ পরবর্তীতে প্রজাতির ধারাবাহিকতা রক্ষা করে। এসব কারণে পুং ও স্ত্রী স্তবককে অত্যাবশ্যকীয় অংশ বলা হয়।

1k

প্রজনন (Reproduction) জীবের অন্যতম বৈশিষ্ট্য। জীব তার জীবদ্দশায় নিজের প্রতিরূপ সৃষ্টির মাধ্যমে তার প্রজাতিকে বাঁচিয়ে রাখে। ভিন্ন ভিন্ন জীবের প্রজননের প্রক্রিয়া ভিন্ন ভিন্ন হতে পারে। বিভিন্ন প্রাণীর মধ্যে প্রজনন প্রক্রিয়ায় বৈচিত্র্যগুলো লক্ষণীয়।
এই অধ্যায়ে সপুষ্পক উদ্ভিদ এবং মানব প্রজনন প্রক্রিয়া সম্পর্কে আলোচনা করা হলো।

এই অধ্যায় পাঠ শেষে আমরা-


•জীবে প্রজননের ধারণা ও গুরুত্ব ব্যাখ্যা করতে পারব।
•প্রজনন অঙ্গ হিসেবে ফুলের কাজ বর্ণনা করতে পারব।
• সপুষ্পক উদ্ভিদের জীবনচক্রের সাহায্যে উদ্ভিদের যৌন প্রজনন ব্যাখ্যা করতে পারব।
•প্রাণীর অযৌন ও যৌন প্রজনন ব্যাখ্যা করতে পারব।
• প্রজননের প্রকৃতি ব্যাখ্যা করতে পারব।
• বহিঃ ও অন্তঃ নিষেকের পার্থক্য করতে পারব।
• ব্লক চিত্রের সাহায্যে মানুষের প্রজননের ধাপসমূহ বর্ণনা করতে পারব।
• প্রজনন কার্যক্রমে হরমোনের ভূমিকা ব্যাখ্যা করতে পারব।
• মানব ভ্রূণের বিকাশ ব্যাখ্যা করতে পারব।
• মানবদেহে এইডসের সংক্রমণের কারণ, প্রতিরোধ ও প্রতিকার ব্যাখ্যা করতে পারব।
• দেহের প্রতিরোধ ব্যবস্থার উপর এইডসের ক্রিয়া ব্যাখ্যা করতে পারব।
• এইডস প্রতিরোধে পোস্টার/লিফলেট অঙ্কন করে সচেতনতা সৃষ্টি করতে পারব।
• এইডস রোগীদের প্রতি সহানুভূতিশীল আচরণ প্রদর্শন করব।

Related Question

View All
উত্তরঃ

পুংকেশরের দণ্ডের মাথায় থলের মত অংশই পরাগথলি।

691
উত্তরঃ

সপুষ্পক উদ্ভিদের ছোট একটি শাখায় ফুলগুলো একটি বিশেষ নিয়মে সজ্জিত থাকে। ফুলসহ এই শাখাকে পুষ্পমঞ্জুরী বলে। পুষ্পমঞ্জুরীর ফুলগুলো বহনকারী দণ্ডকে বলা হয় মঞ্জুরীদণ্ড। পুষ্পমঞ্জুরীতে মঞ্জুরীদণ্ডের বৃদ্ধি অসীম হলে তাকে অনিয়ত পুষ্পমঞ্জুরী বলে। অনিয়ত পুষ্পমঞ্জুরীতে মঞ্জুরীদণ্ডের শীর্ষদেশ একটি মাত্র ফুলে পরিসমাপ্ত না হয়ে বৃদ্ধি পেতে থাকে। যেমন- সরিষার পুষ্পমঞ্জুরী।

363
উত্তরঃ

P অংশটি হলো ফুলের পুংস্তবক। পুংস্তবকের প্রতিটি অংশকে বলা হয় পুংকেশর। পুংকেশরের মাথায় পরাগথলিতে তৈরি হয় পরাগায়নের গুরুত্বপূর্ণ উপাদান-পরাগরেণু। P অংশটি ফুলটিতে না থাকলে পরাগায়নের ক্ষেত্রে যা ঘটবে তা নিম্নরূপ-

i. ফুলটিতে স্ব-পরাগায়ন ঘটবে না। অর্থাৎ পরপরাগায়ন ঘটবে।
ii. P অংশটির অনুপস্থিতিতে পরাগায়নের জন্য বাহকের উপর নির্ভর করতে হবে।
iii. P অংশটি না থাকলে পরপরাগায়নের ফলে সৃষ্ট প্রজাতির চারিত্রিক বিশুদ্ধতা ক্ষুন্ন হবে।
iv. পরাগায়ন অনেকটা অনিশ্চিত হয়ে পড়বে।
V. এ ধরনের পরাগায়নে পরাগারেণুর অপচয় ঘটবে।
vi. P অংশটির অনুপস্থিতিতে পরপরাগায়নই সম্ভব এবং এর মাধ্যমে সৃষ্ট উদ্ভিদে নতুন বৈশিষ্ট্যের আবির্ভাব ঘটতে পারে।
vii. এ ধরনের পরাগায়নের ফলে সৃষ্ট উদ্ভিদের অভিযোজন ক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে।

445
উত্তরঃ

চিত্রের Q চিহ্নিত অংশটি হলো ফুলের গর্ভাশয় এ অংশটি উদ্ভিদের প্রজাতিকে রক্ষা করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।
অধিকাংশ সপুষ্পক উদ্ভিদ যৌন জননের মাধ্যমে তাদের বংশ বৃদ্ধি তথা প্রজাতিকে রক্ষা করে থাকে। উদ্ভিদের যৌন জনন বীজ তৈরির মাধ্যমেই ঘটে থাকে। এই বীজ থেকেই সৃষ্টি হয় নতুন উদ্ভিদ যা তার প্রজাতিকে রক্ষা করে। ফুলের Q চিহ্নিত অংশ অর্থাৎ গর্ভাশয়ের অভ্যন্তরে থাকে ডিম্বাশয় এবং ডিম্বাশয়ের ভেতর থাকে ডিম্বাণু (স্ত্রী গ্যামেট)। পরাগায়নের পর পরাগনালিকা গর্ভদণ্ড ভেদ করে গর্ভাশয়ে প্রবেশের পথে পরাগনালিকার অগ্রভাগে ২টি পুংগ্যামেট সৃষ্টি হয়। পরবর্তীতে পরাগনালিকা ডিম্বকরন্দ্রের ভেতর প্রবেশ করে এবং এর অগ্রভাগ ফেটে যায়। এর পর পুংগ্যামেট দু'টির ১টি ডিম্বাণুর সঙ্গে মিলিত হয়ে জাইগোট (2n) তৈরি করে। অপরটি গৌণ নিউক্লিয়াসের সঙ্গে মিলিত হয়। নিষিক্ত এই গর্ভাশয় ফলে এবং নিষিক্ত ডিম্বাণু বীজে পরিণত হয়। ফল পরিপক্কের সাথে সাথে বীজও পরিপুষ্ট হয়। পরিপুষ্ট বীজ অনুকূল পরিবেশে অঙ্কুরিত হয়ে নতুন উদ্ভিদের জন্ম দেয়। এভাবেই গর্ভাশয় অর্থাৎ চিহ্নিত অংশ তার অভ্যন্তরে বীজ তৈরির মাধ্যমে প্রজাতিকে রক্ষা করে থাকে।

385
উত্তরঃ

যে বিশেষ অঙ্গের মাধ্যমে মাতৃ জরায়ুতে ক্রমবর্ধমান ভ্রূণ এবং মাতৃ জরায়ু টিস্যুর মধ্যে স্থাপিত সম্পর্কই হলো অমরা।

306
উত্তরঃ

HIV- এর আক্রমণে AIDS রোগ হয়ে থাকে। HIV শ্বেত রক্তকণিকার ক্ষতি সাধন করে ও এ কণিকার এন্টিবডি তৈরিতে বিঘ্ন ঘটায়। ফলে শ্বেত রক্তকণিকার সংখ্যা ও এন্টিবডির পরিমাণ ক্রমশ কমতে থাকে। এই ভাইরাসের আক্রমণে রোগীর দেহে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বিনষ্ট হয়ে যায় ফলে রোগীর মৃত্যু অনিবার্য হয়ে পড়ে। AIDS- এর আক্রমণে রোগীর মৃত্যু যেহেতু অনিবার্য এবং এর কোন ঔষধ নেই তাই একে বলা হয় ঘাতক রোগ।

660
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews