পুরুলিয়া গ্রামে জব্বার মিয়াকে এক গোপন সালিশে দোষী প্রমাণিত করে উক্ত গ্রামের প্রভাবশালী ব্যক্তিরা শাস্তি দেওয়ার ষড়যন্ত্র করে। ব্যাপারটি জানতে পেরে এনজিও প্রতিষ্ঠান 'সোনালি সংঘ' গ্রামের প্রভাবশালী ব্যক্তিদের আইনের ব্যাপারে সতর্ক করে দেয়। ফলে গোপন ষড়যন্ত্র ব্যর্থ হয়ে যায়। ফলে জব্বার মিয়া শাস্তি থেকে রক্ষা পায়

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

সংগীত শিল্পী জর্জ হ্যারিসন লন্ডনে জন্মগ্রহণ করেন।

উত্তরঃ

মুক্তিযুদ্ধে বৃহৎ শক্তিবর্গ বলতে মুক্তিযুদ্ধের সময় বিশ্বের বৃহৎ শক্তিধর রাষ্ট্রগুলোকে বোঝায়।
বিশ্বের পরাশক্তিগুলো তাদের স্বার্থের সাথে সামঞ্জস্য রেখে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে ভিন্ন ভিন্ন অবস্থান গ্রহণ করেছিলেন। এদের মধ্যে কোনো কোনো পরাশক্তি পাকিস্তানের পক্ষাবলম্বন করে। যথা: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, চীন এবং মুসলিম রাষ্ট্রগুলো। অন্যদিকে ভারত, সোভিয়েত ইউনিয়ন এবং ইউরোপের দেশগুলো বাংলাদেশের পক্ষাবলম্বন করে।

উত্তরঃ

উদ্দীপকে জব্বার মিয়াকে রক্ষার জন্য যে এনজিও প্রতিষ্ঠান কাণ্ড করে, তার সাথে মুক্তিযুদ্ধে বঙ্গাবন্ধুকে পাকিস্তানের কারাগার থেকে রক্ষা করতে জাতিসংঘের ভূমিকার সাদৃশ্য আছে।
স্বৈরাচারী পাকিস্তানি শাসকচক্রের অত্যাচার ও শোষণের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছিলেন মহান নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। তার এ শুভপদক্ষেপকে স্থিমিত করে দেয়ার জন্য পাকিস্তানি শাসকেরা তার বিরুদ্ধে আগরতলা মামলা করে এবং জেলে প্রেরণ করে। এখানেই শেষ নয়, বঙ্গবন্ধুকে অন্যায়ভাবে শাস্তি দেয়ার জন্য তারা এক প্রহসনমূলক বিচারের ফন্দি আঁটে। এ প্রহসনমূলক বিচার বন্ধের দাবিতে জাতিসংঘ মহাসচিব হুঁশিয়ারি বার্তা প্রেরণ করেন। বঙ্গবন্ধুর পক্ষে জাতিসংঘের এই দৃঢ় অবস্থানের কারণে পাকিস্তানিদের ষড়যন্ত্র ব্যর্থ হয় এবং বক্তাবন্ধু কারাগার থেকে মুক্তি পান।

উদ্দীপকে দেখা যায়, পুরুলিয়া গ্রামের জব্বার মিয়াকে এক গোপন সালিশে দোষী প্রমাণিত করে এ গ্রামের প্রভাবশালী ব্যক্তিরা শাস্তি দেওয়ার ষড়যন্ত্র করে। ব্যাপারটি জানতে পেরে এনজিও প্রতিষ্ঠান 'সোনালী সংঘ' গ্রামের প্রভাবশালী ব্যক্তিদের আইনের ব্যাপারে সতর্ক করে দেয়। এতে তাদের ষড়যন্ত্র ব্যর্থ হয় এবং জব্বার মিয়া শাস্তি থেকে রক্ষা পায়। জাতিসংঘের অনুরূপ ভূমিকার ফলে বঙ্গাবন্ধুও পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছিলেন। তাই বলা যায়, উদ্দীপকের এনজিওর ভূমিকার সাথে জাতিসংঘের ভূমিকা সাদৃশ্যপূর্ণ।

উত্তরঃ

মহান মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে উক্ত প্রতিষ্ঠানের অর্থাৎ জাতিসংঘের ব্যর্থতা ছিল বিশেষভাবে লক্ষণীয়।
মাত্র ২৫ বছরের ব্যবধানে পৃথিবীতে দুটি বিশ্বযুদ্ধ সংঘটিত হয়। বিশ্বযুদ্ধ দুটি ছিল মানবিক বিপর্যয় ও মানবসভ্যতার অগ্রযাত্রায় বিরাট বাধা। তাই যুদ্ধের পাশাপাশি বিশ্বব্যাপী চলছিল শান্তি স্থাপনের প্রচেষ্টা। এই প্রচেষ্টারই সূত্র ধরে 'যুদ্ধ নয়, শান্তি প্রতিষ্ঠা' এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে যুদ্ধের ভয়াবহতা থেকে মুক্তির লক্ষ্যে জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠা লাভকরে। শান্তির অমিয় বার্তা নিয়ে জাতিসংঘের সূচনা হলেও বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকালে এ সংগঠনটি অনেকটা নিরব দর্শকের ভূমিকা পালন করে। বাংলাদেশের নির্বাচিত গণপ্রতিনিধিদের হাতে ক্ষমতা না দিয়ে সামরিক শাসক ইয়াহিয়া খান যখন বাঙালি নিধনে তৎপর, তখন জাতিসংঘ কোনো ভূমিকা পালন করেনি। পাকিস্তানিদের নারকীয় হত্যাযজ্ঞ, মৌলিক মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে জাতিসংথ কার্যকর কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারেনি। এসময় পাকিস্তান বাহিনী যে নারকীয় হত্যাযজ্ঞ চালায় তার হাত থেকে রক্ষা পেতে যেসব নরনারী ভারতে আশ্রয় নিয়েছিল তাদের ব্যাপারেও জাতিসংঘ নিরব ছিল।
প্রকৃত পক্ষে 'ভেটো' ক্ষমতা সম্পন্ন পাঁচটি বৃহৎ শক্তিধর রাষ্ট্রের বাইরে - জাতিসংঘের নিজস্ব উদ্যোগে কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করার ক্ষমতা ছিল = সীমিত। তাই বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকালে মানবিক বিপর্যয় রোধে জাতিসংঘ ব্যর্থ হয়। এ ব্যর্থতা বিশ্বের দৃষ্টিতে অনেকটাই দৃষ্টিকটু।
পরিশেষে বলা যায়, মুক্তিযুদ্ধের ভয়াবহতা পর্যালোচনা করলে জাতিসংঘের ব্যর্থতার চিত্রই প্রতিফলিত হয়।

137
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
উত্তরঃ

১৯৭১ সালে মুজিবনগর থেকে সর্বপ্রথম 'দৈনিক জয়বাংলা' নামে একটি পত্রিকা প্রকাশিত হয়।

383
উত্তরঃ

মুক্তিযুদ্ধকালীন ভারত সরকার বাংলাদেশকে অর্থনৈতিক, কূটনৈতিক, সামরিক দিক দিয়ে নানাভাবে সহায়তা করে।
পাকিস্তানি বাহিনীর গণহত্যার বিরুদ্ধে ভারত মানবিক দৃষ্টিভঙ্গির পাশাপাশি শরণার্থী সমস্যা মোকাবিলাসহ সামরিক, রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক সমর্থন দিয়ে সাহায্য করে। এছাড়া কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান যেমন, বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকার, স্বাধীন বাংলা বেতারকেন্দ্র ও মুক্তিবাহিনী গড়ে তোলার ক্ষেত্রেও ভারত সরকার ব্যাপকভাবে সহায়তা করেছিল।

444
উত্তরঃ

রিফাতের লেখাটি মূলত চীনকে ইঙ্গিত করে লেখা। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে চীনের প্রথম পর্যায়ের ভূমিকা হলো স্বাধীনতা যুদ্ধের শুরু থেকে ১৯৭১ সালের ৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত।
মুক্তিযুদ্ধের শুরু হতে ১৯৭১ সালের ৩ ডিসেম্বর পাক-ভারত যুদ্ধ শুরুর পূর্ব পর্যন্ত চীন পাকিস্তানপন্থি থাকলেও মোটামুটিভাবে বাঙালির সংগ্রাম বিরোধী কোনো মন্তব্য করেনি। তবে গোপনে সে পাকিস্তানের সামরিক চক্রকে নৈতিক শক্তি ও সাহস যুগিয়েছিল এবং সরাসরি সামরিক উপকরণ সরবরাহ করেছিল। ১৯৭১ সালের ৯ আগস্ট ভারত- েচুক্তি স্বাক্ষরের পর চীনের পাকিস্তানপন্থি নীতি আরও প্রকট হয়ে ওঠে। সেপ্টেম্বর মাসে চীন-পাকিস্তানকে এই বলে আশ্বস্ত করে যে, জাতীয় স্বার্থরক্ষায় চীন পাকিস্তানকে সাহায্য করবে। তখন পর্যন্তও চীনের বক্তব্যে বাঙালি বিরোধী তেমন কিছু খুঁজে পাওয়া যায়নি। ১৯৭১ সালের ৫ নভেম্বর চীনাদের আস্থাভাজন ভুট্টোর নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল চীন সফরে যায় চীন থেকে অতিরিক্ত অঙ্গীকার বা সাহায্য পাওয়ার আশায়। কিন্তু চীনের ভারপ্রাপ্ত পররাষ্ট্রমন্ত্রী চি পেঙ ফি পূর্ব পাকিস্তানের সমস্যার একটি ন্যায়সঙ্গত সমাধান খুঁজে বের করার জন্য আহ্বান জানিয়েছিলেন। বাঙালিবিরোধী বক্তব্য না রাখলেও পশ্চিম পাকিস্তান সীমান্ত দিয়ে চীন নিয়মিতভাবে পাকিস্তানকে সমরাস্ত্র দিয়ে সহযোগিতা করে।
তাই বলা যায়, রিফাতের ইঙ্গিতকৃত দেশটি হলো চীন।

352
উত্তরঃ

বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধের প্রথম পর্যায়ে এই দেশটি অর্থাৎ চীনের বিরোধিতার কোনো ছাপ না পাওয়া গেলেও দ্বিতীয় পর্যায়ের ভূমিকা স্বাধীনতা যুদ্ধের পুরোপুরি বিরোধী ছিল।
পাকিস্তান ১৯৭১ সালের ৩ ডিসেম্বর ভারতের পূর্বাঞ্চলে সামরিক হামলা করলে শুরু হয় সরাসরি পাক-ভারত যুদ্ধ। এ সময় হতে চীন জাতিসংঘে সরাসরি বাঙালিবিরোধী ভূমিকা পালন করতে শুরু করে। পাক-ভারত যুদ্ধের জন্য চীন সোভিয়েত ইউনিয়নকে দায়ী করে। যুদ্ধবিরতির মাধ্যমে পূর্ব পাকিস্তানের জন্য একটি রাজনৈতিক সমাধান খুঁজে বের করা এবং পাকিস্তানি বাহিনীর বর্বরতার ফলে সৃষ্ট ধ্বংসযজ্ঞ বন্ধ করার লক্ষ্যে ৫ ও ৭ ডিসেম্বর সোভিয়েত ইউনিয়ন জাতিসংঘে দুটি প্রস্তাব উপস্থাপন করে। কিন্তু প্রস্তাব দুটোর বিরুদ্ধে চীন প্রথম ভেটো প্রয়োগ করে এবং চীনের নিজস্ব প্রস্তাবে ভারতকে আগ্রাসী পক্ষ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। এখানে একটি বিষয় উল্লেখ্য যে, চীন জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভের মাত্র ৪০ দিনের মাথায় নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী আসন লাভের পর প্রথম প্রস্তাবেই ভেটো প্রয়োগ করেছিল। এছাড়া, ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ স্বাধীন হলে চীন এক বিবৃতিতে 'তথাকথিত' বাংলাদেশের সৃষ্টির জন্য সোভিয়েত ইউনিয়ন ও ভারতের তীব্র সমালোচনা করে। তবে পরবর্তীতে চীন তার নীতি পরিবর্তন করে বাংলাদেশকে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।
পরিশেষে বলা যায়, এই দেশটির অর্থাৎ চীনের দ্বিতীয় পর্যায়ের ভূমিকা বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের পুরোপুরি বিরোধী উক্তিটি যথার্থ।

224
উত্তরঃ

১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বরে বাঙালি জাতিকে মেধাশূন্য করার জন্য। পরিচালিত হত্যাকাণ্ডই হলো বুদ্ধিজীবী হত্যাকান্ড।
ঢাকার মিরপুরের শিয়ালবাড়ি, মোহাম্মদপুরের রায়ের বাজার বদ্ধভূমিসহ বিভিন্ন স্থানে বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ড চালানো হয়। জাতির সূর্য সন্তানদের তারা অত্যন্ত নির্মমভাবে হত্যা করে। যুদ্ধের পর বিভিন্ন বধ্যভূমিতে যেসব লাশ পাওয়া যায় তাদের কারও হাত-পা বাঁধা ছিল, কারও জিহ্বা কাটা ছিল, চক্ষু উপড়ানো ছিল কিংবা হাত-পা ভাঙা ছিল। বুদ্ধিজীবী হত্যার দিনটিকে অর্থাৎ ১৪ ডিসেম্বর 'বুদ্ধিজীবী দিবস' ঘোষণা করা হয়।

538
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews