গ্রাহক বা মক্কেল হলো সেই ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান, যার ব্যাংকে একটি হিসাব আছে এবং নিয়মিতভাবে ব্যাংকের সাথে লেনদেন করে।
ব্যাসেল-২ হলো ব্যাংকের আর্থিক ও পরিচালনাগত ঝুঁকি মোকাবেলার জন্য কতটুকু মূলধন আলাদাভাবে সংরক্ষণ করা দরকার তার একটি আন্তর্জাতিক মানদণ্ড।
ব্যাংকের নিজের মূলধন যাতে অপর্যাপ্ত ও ঝুঁকিপূর্ণ না হয় এবং আমানতকারীদের যেন ঝামেলায় পড়তে না হয়, সেজন্য ব্যাসেল-২ এর উৎপত্তি। Bank for International Settlement (BIS), ব্যাসেল-২ অনুসারে ব্যাংকগুলোকে নির্দিষ্ট পরিমাণ পরিশোধিত মূলধন ও সংরক্ষিত তহবিল সংরক্ষণ করার নির্দেশনা দেয়। ব্যাসেল-২-তে আর্থিক শৃঙ্খলা রক্ষার্থে ৩টি বিষয় সুপারিশ করা হয়েছে যা Three Pillars of Basel-2 নামে খ্যাত।
মালিকানার ভিত্তিতে পূর্বাচল ব্যাংক লি. একটি সরকারি ব্যাংক।
এ ব্যাংকের সংগঠক, নিয়ন্ত্রক, পরিচালক ও মালিক থাকে সরকার। এরূপ ব্যাংক সরকারি উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত হতে পারে অথবা পরবর্তী সময়ে জাতীয়করণের মাধ্যমে সরকারি মালিকানায় আনা হতে পারে।
পূর্বাচল ব্যাংক লি. সরকার কর্তৃক পরিচালিত ও নিয়ন্ত্রিত একটি ব্যাংক। ব্যাংকটি দেশের অভ্যন্তরে ও বাহিরে, শাখা স্থাপন করে জনগণকে বিভিন্ন ধরনের ব্যাংকিং সেবা প্রদান করছে। ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণে ও পরিচালনায় সরকার থাকলে সে ব্যাংককে সরকারি ব্যংক বলে। তাই বলা যায়, বৈশিষ্ট্যগত দিক বিশ্লেষণে উদ্দীপকের পূর্বাচল ব্যাংকটি একটি সরকারি ব্যাংক।
বাণিজ্যিক ব্যাংক হিসেবে উদ্দীপকের ব্রহ্মপুত্র ব্যাংক লি.-এর পক্ষে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করা সম্ভব।
বাণিজ্যিক ব্যাংক দেশের জনগণের সঞ্চিত অর্থ থেকে মূলধন গঠন ও বিনিময়ের মাধ্যম সৃষ্টি করে। অনলাইন ব্যাংকিং ব্যবস্থার মাধ্যমে ব্যবসায়িক প্রসারে সহায়তা করে। গ্রাহকদের প্রয়োজনে বিভিন্ন ঋণ ও পরামর্শ দেওয়ার পাশাপাশি তত্ত্বাবধায়ক হিসেবেও কাজ করে।
উদ্দীপকে পূর্বাঞ্চল ব্যাংকটি সরকার কর্তৃক পরিচালিত ও নিয়ন্ত্রিত একটি সরকারি ব্যাংক। অন্যদিকে, ব্রহ্মপুত্র ব্যাংক লি. কতিপয় ব্যক্তির উদ্যোগে ব্যাংক কোম্পানি আইন ১৯৯১ অনুসারে গঠিত হয়েছে। ব্যাংকটির উদ্দেশ্য হলো গ্রাহক সন্তুষ্টি অর্জনের মাধ্যমে মুনাফা অর্জন করা। অর্থাৎ, ব্রহ্মপুত্র ব্যাংকটি একটি বাণিজ্যিক ব্যাংক। ব্রহ্মপুত্র ব্যাংকটি জনগণের আমানত থেকে তহবিল গঠন করে। উক্ত তহবিল থেকে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক ও লাভজনক খাতে ঋণ দেয়। এতে বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়ে। এছাড়া ব্যাংকটি বিভিন্ন করে। এর ফলে অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্য প্রসারিত হয়। মূলত বাণিজ্যিক ব্যাংক কেন্দ্রীয় ব্যাংকের যাবতীয় পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করে। বিনিময়ের মাধ্যম যেমন: চেক, বিনিময় বিল, প্রত্যয়পত্র ইত্যাদি সৃষ্টি তাই বলা যায়, উদ্দীপকে উল্লিখিত ব্রহ্মপুত্র ব্যাংক লি. দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারবে।
Related Question
View Allবাণিজ্যিক ব্যাংকের ঝুঁকিভিত্তিক মূলধন কাঠামো নির্ধারণের একটি আন্তর্জাতিক মানদণ্ড হলো ব্যাসেল-২।
গ্রাহকের কোনো হিসাব ক্রোক বা বন্ধ করা বা লেনদেন স্থগিত করার জন্য আদালত কর্তৃক ব্যাংকের ওপর গারনিশি অর্ডার জারি করা হয়। পাওনাদারের পাওনা অর্থ আদায়ের উদ্দেশ্যে আদালত ব্যাংকের প্রতি এরূপ আদেশ জারি করে। পাওনাদারের আবেদনের প্রেক্ষিতে আদালত যদি প্রমাণ পায় যে, আমানতকারী আবেদনকারীর কাছে দায়গ্রস্থ তবেই এরূপ নির্দেশ দিয়ে থাকে।
উদ্দীপকের বর্ণিত 'ক' ব্যাংকটি হলো কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মূল উদ্দেশ্য জনকল্যাণ নিশ্চিত করা। এ ব্যাংককে কেন্দ্র করে দেশের ব্যাংক ব্যবস্থা গড়ে উঠে। এ ব্যাংক দেশের মুদ্রা বাজার ও ঋণ সরবরাহ নিয়ন্ত্রণ করে। প্রত্যেকটি স্বাধীন দেশে একটি করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক আছে।
উদ্দীপকের 'ক' ব্যাংকটির মূল উদ্দেশ্য জনকল্যাণ নিশ্চিত করা। দেশে দ্রব্য সামগ্রীর দাম বৃদ্ধি পেতে থাকলে তা নিয়ন্ত্রণে 'ক' ব্যাংক হস্তক্ষেপ করে। সাধারণত কেন্দ্রীয় ব্যাংক দেশের মুদ্রা সরবরাহ ও ঋণের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করে। এ কাজে কেন্দ্রীয় ব্যাংক অন্যান্য তালিকাভুক্ত ব্যাংকের সহায়তায় ঋণনীতি বাস্তবায়ন করে। সর্বোপরি দেশের দ্রব্য সামগ্রীর দাম কাম্য স্তরে রাখে। আর এসব কাজের মূল উদ্দেশ্যই জনকল্যাণ। তাই বলা যায়, উদ্দীপকের 'ক' ব্যাংকটি কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
উদ্দীপকে 'ক' নামক কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও 'খ' নামক বাণিজ্যিক ব্যাংকের কার্যাবলি সম্পূর্ণ ভিন্ন প্রকৃতির।
বাণিজ্যিক ব্যাংকের মূল উদ্দেশ্য মুনাফা অর্জন করা। এ উদ্দেশ্যে বাণিজ্যিক ব্যাংক আমানত সংগ্রহ ও ঋণদান করে থাকে। এ ব্যাংকই জনগণকে সকল প্রকার ব্যাংকিং সেবা প্রদান করে। অন্যদিকে, কেন্দ্রীয় ব্যাংক নোট ইস্যু, মুদ্রাবাজার নিয়ন্ত্রণ, ঋণ নিয়ন্ত্রণ, আর্থিক নীতি প্রণয়ন ইত্যাদি কাজ করে থাকে। উদ্দীপকে 'ক' ব্যাংকের প্রধান উদ্দেশ্য জনকল্যাণ। অন্যদিকে 'খ' ব্যাংকের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে মুনাফা অর্জন করা। 'খ' ব্যাংক বিভিন্ন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে ঋণ দিয়ে ব্যবসা-বাণিজ্যে সহায়তা করে। দেশে দ্রব্য সামগ্রীর দাম বৃদ্ধি পেলে উভয় ব্যাংক সহায়তা করে।
উদ্দীপকের 'ক' ব্যাংক হলো কেন্দ্রীয় ব্যাংক এবং 'খ' ব্যাংক হলো বাণিজ্যিক ব্যাংক। 'ক' ব্যাংক জনকল্যাণে কাজ করলেও 'খ' ব্যাংক মুনাফা অর্জনে কাজ করে। 'ক' ব্যাংক ঋণ নিয়ন্ত্রণে বিভিন্ন নীতি প্রণয়ন করে। অন্যদিকে 'খ' ব্যাংক উক্ত নীতি বাস্তবায়নে 'ক' ব্যাংকে সহায়তা করে। 'ক' ব্যাংক সরকার ও অন্যান্য ব্যাংককে প্রয়োজনে ঋণ সরবরাহ করে। আর 'খ' ব্যাংক মূলত সাধারণ জনগণকে ঋণ সরবরাহ করে অর্থনীতির চাকা সচল রাখে। দেশের যাবতীয় আর্থিক নীতিমালা প্রণয়ন করে 'ক' ব্যাংক। আর তা বাস্তবায়ন করা হয় 'খ' ব্যাংকের সহায়তায়। তাই বলা যায়, উদ্দীপকের বাণিজ্যিক ব্যাংক ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কার্যাবলি সম্পূর্ণ ভিন্ন প্রকৃতির।
ব্যাংক কর্তৃক সম্পাদিত সব কাজকে ব্যাংকিং বলা হয়।
পরের অর্থ নিয়ে ব্যবসায় করে বলে ব্যাংককে ঋণের ব্যবসায়ী বলা হয়।
ব্যাংক প্রথমে কম সুদে আমানত সংগ্রহ করে এবং বেশি সুদে ঋণ হিসেবে গ্রাহকদের দেয়। ফলে একই সাথে ব্যাংক দেনাদার ও পাওনাদারের ভূমিকা পালন করে। তাই বলা যায়, ব্যাংক আমানত সংগ্রহ করে তা ঋণ হিসেবে ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে দেওয়ার মাধ্যমে নিজেকে ঋণের ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচিত করে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!