সমুদ্রের পানিকে লোনা পানি বা Marine water বলে।
ইলিশ মাছ ডিম ছাড়ার সময় নদীর পানিতে আসে। ইলিশ সামুদ্রিক মাছ অর্থাৎ লবণাক্ত পানির মাছ হলেও ডিম ছাড়ার সময় অর্থাৎ প্রজননের সময় নদীর পানিতে আসে কারণ হলো সমুদ্রের পানিতে প্রচুর পরিমাণে লবণ থাকে যা ডিমকে নষ্ট করে ফেলে। ফলে ঐ ডিম থেকে আর পোনা মাছ তৈরি হতে পারে না। তাই প্রকৃতির নিয়মেই ইলিশ মাছ ডিম পাড়ার সময় হলে নদীর পানিতে আসে।
উদ্দীপকের মানদণ্ডটি হলো pH pH এমন একটি রাশি, যেটি দ্বারা বোঝা যায় পানি বা অন্য কোনো জলীয় দ্রবণ এসিডিক, ক্ষারীয় না নিরপেক্ষ। নিরপেক্ষ হলে pH হয় ৭, এসিডিক হলে ৭ এর কম, আর ক্ষারীয় হলে ৭ এর বেশি। পানির pH মান জলজ জীবের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
নদ-নদীর পানির pH যদি ৬-৮ এর মধ্যে থাকে, তাহলে সেটা জলজ উদ্ভিদ কিংবা প্রাণীর বেঁচে থাকার জন্য কোনো অসুবিধার সৃষ্টি করে না। তবে pH-এর মান যদি এর চাইতে কমে যায় বা বেড়ে যায়, তাহলে ঐ পানিতে মাছসহ অন্যান্য জলজ প্রাণী আর উদ্ভিদের মারাত্মক ক্ষতি হয়। মাছের ডিম, পোনা মাছ পানির pH খুব কম বা বেশি হলে বাঁচতে পারে না। পানিতে এসিডের পরিমাণ খুব বেড়ে গেলে, অর্থাৎ pH-এর মান খুব কমে গেলে জলজ প্রাণীদের দেহ থেকে ক্যালসিয়ামসহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ খনিজ পদার্থ বাইরে চলে আসে, যার ফলে মাছ সহজেই রোগাক্রান্ত হতে শুরু করে।
তাই বলা যায়, জলজ জীবের ক্ষেত্রে উদ্দীপকের মানদণ্ডটি অর্থাৎ পানির pH মানের ভূমিকা অপরিসীম।
উদ্দীপকে উল্লিখিত পদার্থটি হলো পানি।
কতকগুলো পদক্ষেপ গ্রহণ করলে পানি দূষণ প্রতিরোধ করা সম্ভব।
যেমন-
i. আবর্জনা ও নর্দমার আবর্জনাসমূহ নদীতে গড়িয়ে পড়ার আগে শোধন করতে হবে।
ii. জীবজন্তুর মৃতদেহ পানিতে পড়ে পানি যেন দূষিত না হয় সেদিকে লক্ষ রাখতে হবে।
iii. শিল্প ও কলকারখানার বর্জ্য পদার্থ পানিতে পড়ার আগেই তা দূষণমুক্ত করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
iv. তেলবাহী জাহাজ ও ট্যাংকার হতে তেল যাতে না পড়ে সেদিকে' সতর্ক দৃষ্টি রাখতে হবে।
v. প্লাস্টিক, পলিথিন ও রাবার জাতীয় পদার্থ নদীতে ফেলা যাবে না।
vi. পরিবেশ বিপর্যকারী শিল্প-কারখানা বর্জ্য পদার্থ নিষ্কাশনে এবং নদীতে যেকোনো আবর্জনা ফেলা রোধ করতে কঠোর আইন প্রণয়ন করে তার যথাযথ প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে।
সব ধরনের গণমাধ্যমে প্রচারণা চালিয়ে পানি দূষণবিরোধী জনমত গড়ে তুলতে হবে।
উপর্যুক্ত ব্যবস্থাগুলো বাস্তবায়ন করতে পারলে পানি দূষণ অনেকাংশে কমানো যাবে বলে আমি মনে করি। তাই উপর্যুক্ত পদক্ষেপ গ্রহণ করা যেতে পারে।
Related Question
View Allপৃথিবীতে পানি একই প্রক্রিয়ায় ঘুরে ফিরে ব্যবহার হয়। এটি সূর্যের তাপে বাষ্পীভবন, মেঘে রূপান্তর ও বৃষ্টির মাধ্যমে আবার ভূমি ও সমুদ্রে ফিরে আসে। একে পানির পুনরাবর্তন বলে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!