পৃথিবীর অন্যতম প্রধান একটি খাদ্যশস্য ধান চীনে সর্বাধিক উৎপাদিত হয়। মৌসুমি জলবায়ুর অঞ্চলের ফসল হলেও এটি পৃথিবীর প্রায় সর্বত্রই চাষাবাদ হয়ে থাকে।

Updated: 5 months ago
উত্তরঃ

ভূমি কর্ষণ বা চাষের মাধ্যমে ফসল উৎপাদন করাকে কৃষি বলা  হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
উত্তরঃ

আখ পৃথিবীর গুরুত্বপূর্ণ কৃষিজ ফসলের মধ্যে একটি যা উৎপাদনে জলবায়ু ব্যাপক ভূমিকা পালন করে।

আখ চাষে প্রাকৃতিক নিয়ামকের মধ্যে জলবায়ু অন্যতম। বৃষ্টিপাত, তাপমাত্রা ও আর্দ্রতা আখ চাষের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। ১৯০-৩০° সেলসিয়াস তাপমাত্রা, ১২৫-১৭৫ সে.মি. বৃষ্টিপাত এবং নির্দিষ্ট পরিমাণ আর্দ্রতাসম্পন্ন অঞ্চলে আখ চাষ ভালো হয়। আর এ সবই জলবায়ুর উপাদান। তাই বলা যায়, আখ চাষে জলবায়ু গুরুত্বপূর্ণ প্রাকৃতিক নিয়ামক।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত শস্যটি হলো ধান যা উৎপাদনের জন্য কতকগুলো প্রাকৃতিক নিয়ামক প্রয়োজন। ধান চাষে প্রাকৃতিক নিয়ামকের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো তাপমাত্রা, বৃষ্টিপাত, নদ-নদীর অবস্থান, মৃত্তিকা প্রভৃতি। ধান চাষে এসব প্রাকৃতিক নিয়ামক নিচে আলোচনা করা হলো-

ধান চাষের জন্য °-° সেলসিয়াস তাপমাত্রা প্রয়োজন। তবে মৌসুমভেদে তাপমাত্রা কমবেশি হতে পারে। ১০০-২০০ সেন্টিমিটার বৃষ্টিপ্রবণ এলাকায় ধানের ফলন ভালো হয়। ইরি মৌসুমে সেচের মাধ্যমে ধান চাষ করা হলেও ভালো ফলনের জন্য বৃষ্টিপাত প্রয়োজন।
অনাবৃষ্টি কিংবা অতিবৃষ্টি ধান চাষের জন্য অনুপযোগী। নদী অববাহিকায় পলিমাটি ধান চাষের জন্য বিশেষ উপযোগী। কারণ নদ-নদী ও খাল-বিলের উপকূলীয় এলাকায় ধান চাষের জন্য পর্যাপ্ত উর্বর জমি ও পানি পাওয়া যায়। ধান চাষের জন্য সমতল ভূমি উপযোগী।
পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ ধান উৎপাদনকারী অঞ্চলগুলো নদীগঠিত সমতলভূমি এলাকায় অবস্থিত।

এছাড়া ধান চাষের জন্য পলিযুক্ত উর্বর এঁটেল দোআঁশ মাটি অধিক উপযোগী। বিশ্বের প্রায় ৯৫% ধান সমতল ও নিম্নভূমিতে উৎপাদন হয়। পাহাড়ি, উঁচুনিচু ও অনুর্বর বেলে মাটিতে ধান চাষ ভালো হয় না।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত ফসলটি হলো ধান।

ধান চাষ উন্নয়নে বাংলাদেশের বেশ কয়েকটি সংস্থা এক সাথে কাজ করে। এদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- কৃষি মন্ত্রণালয়, ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট, কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট, কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, কৃষি গবেষণা কাউন্সিল, কৃষি বিপণন বিভাগ, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় প্রভৃতি। ধান চাষ উন্নয়নে বাংলাদেশে এসব সংস্থাগুলোর ভূমিকা ব্যাখ্যা করা হলো-

  • কৃষি মন্ত্রণালয় কৃষি সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো তদারকি করে যা ধানসহ অন্যান্য কৃষি ফসল উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সহায়ক।
  • ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (BRRI) বিভিন্ন প্রজাতির ধান আবিষ্কারের জন্য গবেষণা করে। ব্রি হাইব্রিড প্রজাতির ধান এ সংস্থা কর্তৃক উদ্ভাবিত যার উৎপাদন একর প্রতি ৮ মণ।
  • বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (BARI) ধানসহ অন্যান্য কৃষি ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি ও উচ্চ ফলনশীল জাত উৎপাদনে কাজ করে।
  • বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (BADC) উন্নত জাতের ধানের বীজ উৎপাদন করে এবং হিমাগারের ব্যবস্থা করে ধানসহ কৃষি ফসলের সংরক্ষণ করে।
  • কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর (DAE) কৃষি ক্ষেত্রে উন্নতমানের প্রযুক্তির ব্যবহার নিয়ে কাজ করে।

    এছাড়া বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল, কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, কৃষি। - বিপণন বিভাগ প্রভৃতি সংস্থাগুলো প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে ধানের ফলন উন্নয়নে কাজ করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
42
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
উত্তরঃ

ভূমি কর্ষণ বা চাষ করার মাধ্যমে ফসল উপাদন করাকে কৃষি বলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
178
উত্তরঃ

যে কৃষি ব্যবস্থায় একই জমিতে বাণিজ্যিক পশুপালন ও মৎস্য চাষ এক সাথে করাকে মিশ্র কৃষি বলে।

এ ধরনের কৃষি ব্যবস্থা যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা এবং উত্তর-পশ্চিম ইউরোপীয় দেশগুলোতে লক্ষ করা যায়। এ ব্যবস্থায় কৃষক একই জমি হতে শুধু ফসলই নয়; বরং মাংস, দুধ, মাখন ইত্যাদিও লাভ করে থাকে। মোটর ও রেলযোগে যাতায়াতের সুবিধা থাকায় উক্ত পণ্যাদি শহরে দ্রুত প্রেরিত হয়ে থাকে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
170
উত্তরঃ

উদ্দীপকে শস্য-১ বলতে ধানকে বোঝানো হয়েছে। ধান
বাংলাদেশের প্রধান খাদ্যশস্য যা সারা বিশ্বব্যাপি উৎপদিত হয়। তবে 'এশিয়া মহাদেশে ধানের ফলন তুলনামূলকভাবে বেশি। এশিয়া মহাদেশের মধ্যে চীন, ভারত, ইন্দোনেশিয়া, বাংলাদেশ, ভিয়েতনাম, থাইল্যান্ড, মিয়ানমার, ফিলিপাইন, জাপান প্রভৃতি দেশ উল্লেখযোগ্য। এদের মধ্যে চীন প্রথম ও' ভারত দ্বিতীয়। নিচে এশিয়া মহাদেশে ধানের উৎপাদনের একটি তালিকা দেখানো হলো-

সারণি ৪.১ : পৃথিবীর প্রধান ধান উৎপাদনকারী দেশ, ২০১৯

দেশ

উৎপাদন (মিলিয়ন মেট্রিক টন)

২০১৯

চীন

১৪৮.৫

ভারত

১১৬.৪২

ইন্দোনেশিয়া

৩৬.৭

বাংলাদেশ

৩৪.৯১

ভিয়েতনাম

২৭.৭৭

থাইল্যান্ড

২০.৩৪

মিয়ানমার

১৩.২

ফিলিপাইন

১১.৭৩

জাপান

৭.৬৬

ব্রাজিল

৭.১৪

                           Source: FAO Statistical Yearbook, 2019

এছাড়া এশিয়ার মধ্যে মালায়শিয়া। পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, ইরাক, কম্বোডিয়। তাইওয়ান নেপাল, উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়া প্রভৃতি অঞ্চলেও ধান উৎপন্ন হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
146
উত্তরঃ

উদ্দীপকে শস্য-২ হলো গম। গম সারা বিশ্বের প্রধান খাদ্য শস্য।
তাই অর্থনৈতিকভাবেও গম খুব গুরুত্বপূর্ণ খাদ্যশস্য। নিচে গমের অর্থনৈতিক গুরুত্ব বিশ্লেষণ করা হলো-

আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে গম সব ধরনের খাদ্যশস্যের মধ্যে সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ। ২০২২ সালের প্রায় ৪৪.৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের গম বিশ্ব বাজারে রপ্তানি হয়। গম উৎপাদনকারী প্রধান দেশসমূহের প্রায় অধিকাংশই কমবেশি গম আমদানি করে ও থাকে। সুতরাং রপ্তানিকারক দেশের সংখ্যা খুবই সীমিত। তাই মুষ্টিমেয় রপ্তানিকারক দেশের ইচ্ছা মোতাবেক গমের আন্তর্জাতিক বাণিজ্য পরিচালিত ও নিয়ন্ত্রিত হয় থাকে। ২০২১ সালে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে প্রায় ৪৮.৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের গম আমদানি হয়। এ কারণে গমের যথেষ্ট অর্থনৈতিক গুরুত্ব রয়েছে। গমের প্রধান প্রধান রপ্তানিকারক দেশগুলো হলো রাশিয়া, যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, ফ্রান্স, আর্জেন্টিনা ও ইউক্রেন, রোমানিয়া, জামার্নি রাজখিস্তান। এদের মধ্যে রাশিয়া প্রথম ও যুক্তরাষ্ট্র দ্বিতীয়। গমের প্রধান প্রধান আমদানিকারক দেশগুলো হলো ইন্দোনেশিয়া, জাপান, ইতালি ব্রাজিল, মিসর, ফিলিপাইন, নাইজেরিয়া ও তুরষ্ক। এদের মধ্যে মিসর প্রথম ও ইন্দোনেশিয়া দ্বিতীয়।

পরিশেষে বলা যায় গম বিশ্ব বাজারে প্রধান চাহিদাসম্পন্ন খাদ্যশস্য। তাই সারাবিশ্বের আমদানি ও রপ্তানিতে মূখ্য ভূমিকা পালন করে এ পণ্য অর্থনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
149
উত্তরঃ

ভূমি কর্ষণ বা চাষ করার মাধ্যমে ফসল উৎপাদন করাকে কৃষি বলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
196
উত্তরঃ

উত্তর আমেরিকার কানাডার দক্ষিণাংশ হতে যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণে ওকলাহোমা ও মিসৌরি রাজ্য পর্যন্ত সমগ্র প্রেইরী অঞ্চলকে পৃথিবীর রুটির ঝুড়ি বলা হয়।

রুটি প্রস্তুতের উপযোগী উন্নতমানের এত অধিক গম পৃথিবীর অন্য কোনো অঞ্চলে উৎপাদিত হয় না। প্রয়োজনের অতিরিক্ত গম উৎপন্ন হয় বলে এ অঞ্চলের অধিকাংশ গমই রুটি প্রস্তুতের জন্য দেশ-বিদেশের বাজারে রপ্তানি হয়ে থাকে। এ কারণে উত্তর আমেরিকার এ অঞ্চলকে পৃথিবীর 'রুটির ঝুড়ি' বলা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
122
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews