পৃথিবীর সর্বত্র একই প্রকার জলবায়ু বিদ্যমান থাকে না। কোথাও জলবায়ু উষ্ণ, কোথাও মধ্যম উষ্ণ, আবার কোথাও জলবায়ু শীতল। এ বৈচিত্র্যের মধ্যেও এমন কতকগুলো অঞ্চল আছে, যাদের জলবায়ু, উদ্ভিজ্জ, ভূগঠন ও জীবজন্তুর মধ্যে যথেষ্ট সাদৃশ্য দেখা যায়। ভূপৃষ্ঠের বিভিন্ন অঞ্চলের জলবায়ুর সাদৃশ্য বিচার করে পৃথিবীর জলবায়ু সম্পর্কে জানা যায়।

Updated: 6 months ago
উত্তরঃ

বৃষ্টিপাত, উষ্ণতা, বায়ুর চাপ, বায়ুপ্রবাহের গতি প্রভৃতি বৈশিষ্ট্যসমূহের ওপর ভিত্তি করে পৃথিবীকে বিভিন্ন অঞ্চলে বিভক্ত করা হয়। যাকে জলবায়ু অঞ্চল বলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

নিরক্ষীয় জলবায়ু অঞ্চলে সূর্য সারাবছর লম্বভাবে কিরণ দেয় বলে অধিক তাপ থাকে। এই অধিক তাপই জলীয়বাষ্প তৈরির মাধ্যমে সারাবছরই অধিক বৃষ্টিপাত ঘটায়। অঞ্চলে বৃক্ষ বেড়ে ওঠার জন্য তাপমাত্রা ও বৃষ্টিপাত অতীব প্রয়োজনীয় উপাদান। সারাবছর এরূপ বৃষ্টিপাত ও তাপের জন্য নিরক্ষীয় যেকোনোঅঞ্চলে চিরহরিৎ গভীর অরণ্যের সৃষ্টি হয়েছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

নিচে মানচিত্রে নিরক্ষীয় জলবায়ু অঞ্চল উপস্থাপন করা হলো


Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

বায়ুর তাপ, বায়ুর চাপ, বায়ুপ্রবাহ, বৃষ্টিপাত ও আর্দ্রতা প্রভৃতি উপাদানের ওপর ভিত্তি করে নিরক্ষীয় জলবায়ু চিহ্নিত করা যায়-

নিরক্ষীয় জলবায়ু অঞ্চলে সাধারণত সারাবছর সূর্য লম্বভাবে কিরণ দেয়। তাই সংগত কারণে এ অঞ্চল অধিক উত্তপ্ত হয়। উষ্ণতা সাধারণত °সেন্টিগ্রেড হতে ৩৪° সেন্টিগ্রেডের মধ্যে থাকে। নিরক্ষীয় অঞ্চলের গড় তাপমাত্রা ° সেন্টিগ্রেড। এ জলবায়ু অঞ্চলে উষ্ণতার তিনটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য লক্ষ করা যায়। যথা- (i) প্রায় সারাবছর সমানভাবে উত্তপ্ত, (ii) সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন উষ্ণতার খুবই কম পার্থক্য হয় এবং (iii) উষ্ণতার চরমভাবের অভাব।  নিরক্ষীয় জলবায়ু অঞ্চলে প্রায় সারাবছর সূর্য লম্বভাবে কিরণ দেয়। ফলে এখানে সাধারণত দিবা-রাত্রির দৈর্ঘ্য প্রায় সমান থাকে। এ সকল কারণেই এখানকার বায়ু অধিক উষ্ণ হয় এবং আয়তন বৃদ্ধি পেয়ে হালকা হয়ে উপরে উঠে একটি উর্ধ্বমুখী বায়ুপ্রবাহের সৃষ্টি করে। অত্যধিক উষ্ণতার জন্য এখানে স্থায়িভাবে নিম্নচাপ বিরাজ করে। এখানে বায়ুচাপ সাধারণত ১০০৯ মিলিবার থেকে ১০১২ মিলিবারের মধ্যে থাকে। এ বায়ুচাপ স্বাভাবিক বায়ুচাপ অপেক্ষা কম। নিরক্ষীয় অঞ্চলে জলভাগ বেশি। এ অঞ্চলে প্রচন্ড উত্তাপ তাই বৃষ্টিপাতও বেশি হয়। এ অঞ্চলের গড় বৃষ্টিপাত ১৫০ সেমি, হতে ৩০০ সেমি. পর্যন্ত পরিলক্ষিত হয়। জুন মাসে এ জলবায়ু অঞ্চলের উত্তর দিকে এবং ডিসেম্বর মাসে দক্ষিণ দিকে তুলনামূলক অধিক বৃষ্টিপাত সংঘটিত হয়। বৃষ্টিপাত দীর্ঘস্থায়ী হয় না তাই ঝড় বৃষ্টির পর আকাশ নির্মল হয়।

নিরক্ষীয় জলবায়ু অঞ্চলে সারাবছর পরিচলন জাতীয় বৃষ্টিপাত হয়। বার্ষিক গড় বৃষ্টিপাত ১৫০ সেমি. হতে ৩০০ সেমি. পর্যন্ত। তই সংগত কারণে এ অঞ্চলে বাতাসের আর্দ্রতার পরিমাণ সকল সময়ই অধিক পরিলক্ষিত হয়।
সুতরাং উপরিউক্ত আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে বলা যায় যে, নিরক্ষীয় অঞ্চলে উল্লিখিত বৈশিষ্ট্যগুলোই ঐ অঞ্চলের জলবায়ুগত অবস্থা নির্দেশ করে যা অন্যান্য অঞ্চল হতে সহজেই পৃথক খরা যায়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
25

Related Question

View All
উত্তরঃ

বায়ুতে জলীয় বাষ্পের উপস্থিতিকে বায়ুর আর্দ্রতা বলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
127
উত্তরঃ

নিরক্ষীয় জলবায়ু অঞ্চলে সূর্য সারাবছর লম্বভাবে কিরণ দেয় বলে অধিক তাপ থাকে। এই অধিক তাপই জলীয়বাষ্প তৈরির মাধ্যমে সারাবছরই অধিক বৃষ্টিপাত ঘটায়। যেকোনো অঞ্চলে বৃক্ষ বেড়ে ওঠার জন্য তাপমাত্রা ও বৃষ্টিপাত অতীব প্রয়োজনীয় উপাদান। সারাবছর এরূপ বৃষ্টিপাত ও তাপের জন্য নিরক্ষীয় অঞ্চলে গভীর অরণ্যের সৃষ্টি হয়েছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
113
উত্তরঃ

উদ্দীপকে তৌকিরের গমনকৃত অঞ্চলটি ভূমধ্যসাগরীয় জলবায়ুর অন্তর্গত। ভূমধ্যসাগরীয় জলবায়ু অঞ্চলে মূলত আর্দ্র পশ্চিমা বায়ুপ্রবাহের জন্য।
শীতকালে বৃষ্টিপাত হয় মহাদেশীয় ভূভাগের পশ্চিম প্রান্তে ° হতে ৪০° উত্তর ও দক্ষিণ অক্ষাংশের মধ্যবর্তী স্থানে যে জলবায়ু দেখা যায় তাকে পশ্চিম উপকূলবর্তী উষ্ণ নাতিশীতোষ্ণ জলবায়ু বলে। ভূমধ্যসাগরের তীরবর্তী দেশসমূহে এ শ্রেণির জলবায়ু দেখা যায়। এ কারণে এ জলবায়ুকে ভূমধ্যসাগরীয় জলবায়ু বলে। ভূমধ্যসাগরীয় জলবায়ু অঞ্চলের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো মৃদুভাবাপন্ন শীত ও রৌদ্রকরোজ্জ্বল আবহাওয়া। ফলে এ অঞ্চলের দেশগুলো নাতিশীতোষ্ণমণ্ডলে অবস্থিত হওয়ার কারণে তাপের তেমন প্রখরতা অনুভূত হয় না। ভূমধ্যসাগরীয় জলবায়ু অঞ্চলে বৃষ্টিবহুল শীতকাল এবং বৃষ্টিহীন গ্রীষ্মকাল পরিলক্ষিত হয়। এ অঞ্চলে তৃণভূমির পরিমাণ কম। উদ্দীপকে তৌকিরের গমনকৃত দেশটিতে সারাবছর রৌদ্রকরোজ্জ্বল আবহাওয়া বিরাজ করে এবং শীতকালে বৃষ্টিপাত হয় তা ভূমধ্যসাগরীয় জলবায়ুর বৈশিষ্ট্য।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
120
উত্তরঃ

তৌকিরের নিজের দেশটি মৌসুমি জলবায়ুর অন্তর্গত এবং গমনকৃত দেশটি ভূমধ্যসাগরীয় জলবায়ুর অন্তর্গত। অবস্থানগত কারণে এ দুই দেশের জলবায়ু ভিন্ন প্রকৃতির। নিচে মৌসুমি ও ভূমধ্যসাগরীয় জলবায়ুর পার্থক্য তুলে ধরা হলো।

ভূমধ্যসাগরীয় জলবায়ু অঞ্চলে গ্রীষ্মকালে তাপমাত্রা ° থেকে ° সেলসিয়াস এবং শীতকালীন তাপমাত্রা °-° সেলসিয়াসের মধ্যে থাকে। পৃথিবীর বার্ষিক গতির কারণে জুন-জুলাই মাসে সূর্য কর্কটক্রান্তির নিকটবর্তী হয় তখন চাপবলয়গুলো উত্তর দিকে সরে যায়। এ অঞ্চলে শীতকালে প্রচুর বৃষ্টিপাত হয় এবং গ্রীষ্মকালে বৃষ্টিপাত হয় না। ফলে শীতকাল আর্দ্র এবং গ্রীষ্মকাল শুষ্ক হয়ে থাকে।
অন্যদিকে, মৌসুমি অঞ্চলে সারাবছর তাপমাত্রার পরিমাণ বেশি থাকে। গ্রীষ্মকালীন তাপমাত্রা °সেলসিয়াসের বেশি থাকে। শীতকালীন তাপমাত্রা ° সেল সিয়াস থেকে ° সেলসিয়াসের মধ্যে থাকে। এ অঞ্চলের বায়ুপ্রবাহ ঋতু পরিবর্তনের সাথে সম্পর্কযুক্ত। ঋতু পরিবর্তনের সাথে সাথে এ বায়ুপ্রবাহের গতি ও দিক পরিবর্তন হয় এবং বায়ুর চাপেরও বৈষম্য হয়। এ অঞ্চলের বার্ষিক গড় বৃষ্টিপাত সাধারণত ১২৫ থেকে ২০৩ সেমি পর্যন্ত দেখা যায়। এ অঞ্চলে জুন মাস থেকে সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত বৃষ্টিপাত হয়ে থাকে। মৌসুমি জলবায়ু অঞ্চলে সাধারণত বর্ষাকালে ও গ্রীষ্মকালে প্রচুর পরিমাণে বৃষ্টিপাত হয়।

সুতরাং ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলের জলবায়ু এবং মৌসুমি অঞ্চলের জলবায়ু সম্পূর্ণ ভিন্ন প্রকৃতির।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
109
উত্তরঃ

মৌসুমি প্রবাহিত ও নিয়ন্ত্রিত অঞ্চলের জলবায়ুকে মৌসুমি জলবায়ু বলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
136
উত্তরঃ

মানুষের বিভিন্ন কর্মকাণ্ড যেমন শিল্প-কারখানা স্থাপন, কৃষিক্ষেত্রে রাসায়নিক সারের ব্যবহার, ফ্রিজ ও এসি ব্যবহার ইত্যাদির কারণে পৃথিবীর তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাচ্ছে। আবার প্রাকৃতিক বিভিন্ন গ্যাস যেমন- কার্বন ডাইঅক্সাইড, নাইট্রাস অক্সাইড, মিথেন গ্যাস ইত্যাদির কারণে বায়ুমণ্ডলের ওপর নেতিবাচক চাপ পড়ছে যা সরাসরি বৈশ্বয়িক উষ্ণায়ন সৃষ্টি করছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
108
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews