পৃথিবী একটি অদৃশ্য বায়বীয় আবরণ দ্বারা পরিবেষ্টিত। ভূপৃষ্ঠ থেকে উপরের দিকে কয়েক হাজার কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত। উচ্চতা ও উপাদানের পার্থক্যের কারণে তা কতকগুলো স্তরে বিভক্ত। যার একটি জীবকুলের আবাসস্থল আবার অন্য একটি স্তর সূর্যের অতি বেগুনি রশ্মি শোষণের মাধ্যমে পৃথিবীতে জীবকূলের বসবাস উপযোগী পরিবেশ তৈরিতে সহায়তা করছে।

Updated: 5 months ago
উত্তরঃ

কোনো স্থানের জীব ও এদের পরিবেশ নিজেদের মধ্যে এবং পরস্পরের মধ্যে বিক্রিয়ার গতিময়তার যে বৈচিত্র্য লক্ষ করা যায় তাই হলো জীববৈচিত্র্য।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
উত্তরঃ

জীববৈচিত্র্যের স্থানিক বিভিন্নতার কারণ হলো পরিবেশগত ও বংশগত। পৃথিবীর বিভিন্ন এলাকায় বিভিন্ন ধরনের পরিবেশ লক্ষ করা যায়। একই প্রজাতির উদ্ভিদ কিংবা প্রাণী ভিন্ন ভিন্ন পরিবেশে বসবাস করার কারণে তাদের মধ্যে নানা ধরনের বৈচিত্র্য দেখা যায়। আবার, জীনের মাধ্যমে জীবের বংশগত বৈশিষ্ট্যাবলি বংশানুক্রমে ধারাবাহিকভাবে স্থানান্তর হয়। জীনের গঠন এবং বিন্যাসে পরিবর্তন ঘটলে একই প্রজাতির মধ্যে বিভিন্ন ধরনের ভিন্নতা লক্ষ করা যায়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপক অনুসারে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল একটি অদৃশ্য বায়বীয় আবরণ দ্বারা পরিবেষ্টিত। তাপমাত্রার তারতম্য অনুযায়ী বায়ুমণ্ডলে উষ্ণতার হ্রাস বৃদ্ধির ওপর ভিত্তি করে বায়ুমণ্ডলকে পাঁচটি শ্রেণিতে ভাগ করা যায় যা নিচে চিত্রের মাধ্যমে ব্যাখ্যা করা হলো-  

নিচে পাঁচটি স্তর সম্পর্কে বর্ণনা করা হলো:

ট্রপোস্ফিয়ার ভূপৃষ্ঠ সংলগ্ন স্তর। ভূপৃষ্ঠ থেকে ১৮ কি.মি. উর্ধ্ব পর্যন্ত এর বিস্তার ধরা হয়। ট্রপোস্ফিয়ারের উর্ধ্ব সীমায় অবস্থিত সরু স্তরকে ট্রপোপজ বলা হয়। এখানে বায়ুর তাপমাত্রা ৫৫° সে. থাকে। ট্রপোপজের ওপর হতে উর্ধ্বে ৬২ কি.মি. পর্যন্ত স্ট্যাটোস্ফিয়ার স্তরের বিস্তার। এ স্তরের উচ্চতা বৃদ্ধির সাথে সাথে তাপ বৃদ্ধি পায়। এ বায়ু স্তরের ঊর্ধ্ব সীমাকে ওজোনোস্ফিয়ার ও মেসোস্ফিয়ারে বিভক্ত করা যায়। থার্মোস্ফিয়ার বায়ুমণ্ডলের ৩য় স্তর। এ স্তরটি ভূপৃষ্ঠের ৮০ কি.মি. উর্ধ্ব হতে ৬৪০ কি. মি. উর্ধ্ব পর্যন্ত বিস্তৃত। এ স্তরে তাপমাত্রা বেশি থাকায় অসংখ্য বিদ্যুৎ যুক্ত কণা বা আয়ন ও ইলেকট্রন পরিপূর্ণ হয় অঞ্চলটি। তাই একে আয়নোস্ফিয়ারও বলা হয়। এক্সোস্ফিয়ার স্তরটি ভূপৃষ্ঠের উর্ধ্বে ৪০০-১,০০০ কি.মি. জুড়ে অবস্থান করে। এখানে বায়ু এতই হালকা যে, তার অস্তিত্ব প্রায়ই বোঝা যায় না। ম্যাগনেটোস্ফিয়ার নামে চৌম্বকীয় স্তরটি বায়ুমণ্ডলের সর্বশেষ স্তরে এর ফলে বায়ুমণ্ডলের আয়নিত কণার উপস্থিতি নিয়ন্ত্রিত হয়।
পরিশেষে বলা যায় বায়ুমণ্ডলের প্রতিটি স্তরের মধ্যে বৈশিষ্ট্যগত পার্থক্য থাকলেও প্রাণী ও জীবের টিকে থাকার জন্য প্রতিটি স্তরের ভিন্ন গুরুত্ব রয়েছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকের শেষের স্তর বলতে ওজোনোস্ফিয়ার স্তরটিকে বোঝানো হয়েছে।

এ স্তরটি সূর্যের অতি বেগুনি রশ্মি শোষণের মাধমে পৃথিবীতে জীবকূলের বসবাস উপযোগী পরিবেশ তৈরিতে সহায়তা করছে। স্ট্রাটোস্ফিয়ার বায়ুস্তরের ঊর্ধ্বসীমাকে ওজোনোস্ফিয়ার বলা হয়। ওজোন গ্যাসের এ স্তরটি ভূপৃষ্ঠ থেকে ঊর্ধ্বে প্রায় ২০ হতে ৫০ কিলোমিটারের মধ্যে দেখা যায়। নিচে ওজোনোস্ফিয়ার স্তরটির গুরুত্ব বিশ্লেষণ করা হলো:  ওজোন স্তর সূর্যরশ্মির অতিবেগুনি রশ্মি শোষণ করে থাকে। এ স্তরটি সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি শোষণ করে তাই এ স্তর না থাকলে সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মির দহনে পৃথিবীর মানুষ ও অন্যান্য প্রাণী বসবাসের জন্য উপযোগী হতো না। যদি এ অতিবেগুনি রশ্মি অতিমাত্রায় ভূপৃষ্ঠে অনুপ্রবেশ করে তাহলে সকল জীবসত্তার অস্তিত্ব ধ্বংস করে দেবে এবং জীব অস্তিত্বের জন্য মারাত্মক হুমকি হয়ে দাঁড়াবে। শুধু তাই নয়, ক্যান্সার জাতীয় রোগের প্রাদুর্ভাব প্রকট আকারে দেখা যাবে। ফলে মানবকূলের অধিক প্রাণহানি ঘটবে। তাই প্রাণিকুলকে টিকিয়ে রাখতে এ স্তরটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এ স্তরে ধূলিবালি, জলীয়বাষ্প প্রভৃতি পদার্থ অতিসামান্য পরিমাণে থাকে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
30
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
উত্তরঃ

জীবের বেঁচে থাকার জন্য বায়ুমণ্ডলের ট্রপোমণ্ডল স্তরটি অধিক গুরুত্বপূর্ণ।

এটি বায়ুমণ্ডলের সর্বনিম্ন স্তর। এ স্তরে নাইট্রোজেন, অক্সিজেন, কার্বন-ডাইঅক্সাইড, ধূলিকণা প্রভৃতি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান থাকে যা প্রাণী ও উদ্ভিদের জন্য খুবই প্রয়োজন। এছাড়া এ স্তরে মেঘ, বৃষ্টিপাত, বায়ুপ্রবাহ, কুয়াশা, ঝড়, বজ্রবিদ্যুৎ প্রভৃতি সবকিছুই ঘটে। পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের শতকরা ৮০ ভাগ বায়ু এ স্তর ধারণ করায় এ স্তরের নিচে উদ্ভিদ ও প্রাণীর অস্তিত্ব দেখা যায়। তাই ট্রপোমণ্ডল স্তরটি জীবের বেঁচে থাকার জন্য অধিক গুরুত্বপূর্ণ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
154
উত্তরঃ

উদ্দীপকে উল্লিখিত দূষণটি হলো বায়ুদূষণ। নিচে মানবস্বাস্থ্যের ওপর বায়ুদূষণের প্রভাব বিশ্লেষণ করা হলো-

বায়ুদূষণের অন্যতম দূষক হচ্ছে সালফার ডাইঅক্সাইড (SO2), নাইট্রোজেন ডাইঅক্সাইড (NO2) যা ব্রঙ্কাইটিস সৃষ্টি করে। ব্রঙ্কাইটিসের প্রধান উপসর্গ দীর্ঘস্থায়ী কাশি, অত্যধিক মিউকাস ক্ষরণ ও সঞ্চয় এবং বিঘ্নিত শ্বসন। বায়ুদূষণ এবং ধূমপান ফুসফুস ক্যানসারের প্রধান কারণ। শহরের বায়ুদূষণ তীব্র হওয়ায় গ্রামের তুলনায় শহরে ফুসফুস ক্যান্সারে আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা অনেক বেশি। উৎপাদন স্থলে বা অট্টালিকা নির্মাণের সময় অ্যাজবেস্টাসের প্রভাবে ফুসফুসীয় কলা অমসৃণ হয় এবং দীর্ঘস্থায়ী প্রভাবে ফুসফুসে ক্ষতের সৃষ্টি হয়। ফুসফুসের এরূপ অস্বাভাবিক অবস্থাকে অ্যাজবেস্টোসিস বা ফুসফুসীয় ফাইব্রোসিস বলে। বায়ুতে বিভিন্ন ধরনের তেজস্ক্রিয় উপাদানের উপস্থিতির কারণে অতিশয় মন্দ প্রভাব
যথা- অ্যানিমিয়া, লিউকেমিয়া এবং ক্যান্সার সৃষ্টি হতে পারে। তেজস্ক্রিয় আইসোটোপের প্রভাবে এর মিউটেশন, বন্ধ্যাত্ব, ভ্রূণের অস্বাভাবিক বৃদ্ধি ও বিকাশ এবং জন্মত্রুটি ঘটতে পারে। উদ্দীপকে নজীব দীর্ঘ দশ বছর পর যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস থেকে ঢাকায় আসে। এখানকার গাড়ির কালো ধোঁয়া, কলকারখানায় নির্গত গ্যাস ব্যাপকভাবে বায়ু দূষণ সৃষ্টি করে। যা মানব স্বাস্থ্য ও পরিবেশের জন্য ব্যাপক ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
80
উত্তরঃ

উদ্দীপকে সৃষ্ট দূষণটি হলো বায়ুদূষণ যা মানব স্বাস্থ্যের ওপর ব্যাপক প্রভাব সৃষ্টি করে।

নিচে, বায়ুদূষণ প্রতিরোধে করণীয় পদক্ষেপ সম্পর্কে আলোচনা করা হলো- সমাজের সকল স্তরের মানুষকে বায়ুদূষণের কারণ ও প্রভাব সম্পর্কে সচেতন করতে হবে। বায়ুদূষণের বর্তমান অবস্থা পরিমাপের জন্য ব্যাপক জরিপ ও পর্যবেক্ষণের ব্যবস্থা রাখতে হবে। জনসাধারণকে বায়ুদূষণের ফলে মানুষের স্বাস্থ্য ও সম্পদের কী ক্ষতি হতে পারে সে সম্বন্ধে পরিচিতি প্রদান করতে হবে।
পরিবেশে জনসংখ্যা ভার কমাতে হবে। পরিবেশ বান্ধব প্রযুক্তি ব্যবহারে মানুষকে উদ্বুদ্ধ করতে হবে। বায়ুদূষণ প্রতিরোধে দেশে বিদ্যমান আইন যথাযথভাবে মেনে চলতে হবে। সম্পদের যথাযথ ব্যবহার করতে হবে। ইটের ভাটায় কাঠের পরিবর্তে কয়লা ব্যবহার করতে হবে। যানবাহনে ডিজেলের পরিবর্তে সিএনজির ব্যবহার বৃদ্ধি করতে হবে। নির্বিচারে গাছ কাটা বন্ধ করে বনায়ন করতে হবে। পরিশেষে বলা যায়, জাতিসংঘের পরিবেশ সংশ্লিষ্ট বিশেষ করে বায়ুদূষণ প্রতিরোধে গৃহীত বিভিন্ন এজেন্ডা বাস্তবায়নের দেশকে যথার্থ ভূমিকা পালন করতে হবে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
77
উত্তরঃ

বায়ুমণ্ডলে প্রাকৃতিক প্রক্রিয়ায় সংঘটিত কার্বনচক্রের মাধ্যমে কার্বন-ডাইঅক্সাইডের ভারসাম্য বজায় থাকে।

উদ্ভিদ সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় খাদ্য উৎপন্ন করে এবং প্রাণী ও উদ্ভিদ উভয়ই গ্লুকোজরূপে তা গ্রহণ করে। প্রাণী খাদ্য হিসেবে উদ্ভিদ গ্রহণ করে এবং উভয়ের দেহেই কার্বন যৌগ তথা গ্লুকোজ জারিত হয়ে কার্বন-ডাইঅক্সাইডরূপে প্রকৃতিতে ফিরে যায়। নির্দিষ্ট প্রক্রিয়ার উদ্ভিদ CO2 গ্রহণ এবং প্রাণী CO2ত্যাগ করে। এভাবে উদ্ভিদ ও প্রাণীর মাধ্যমে বিভিন্ন প্রাকৃতিক প্রক্রিয়ায় বায়ুমণ্ডলে কার্বন-ডাইঅক্সাইডের ভারসাম্য বজায় থাকে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
90
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews