পোশাকে 'B' চিত্রের বিভিন্ন অংশের প্রয়োেগ দ্বারা বাহ্যিক দর্শনকে প্রভাবিত করা যায়- বিশ্লেষণ করো। (উচ্চতর দক্ষতা)

Updated: 2 months ago
উত্তরঃ

'B' চিত্রটি দ্বারা শিল্পকলার একটি উপাদান 'রেখা' বোঝানো হয়েছে।

নকশা তৈরির জন্য যে উপাদানগুলো প্রয়োগ করা হয় সেগুলোকে শিল্পকলার উপাদান বলে। এগুলো হলো- রং, রেখা, আকার, জমিন ও বিন্দু। পোশাকে নকশা সৃষ্টিতে রেখা একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। বিভিন্ন রেখা নানা রকম অনুভূতি সৃষ্টি করে। যথা-
সোজা বা খাড়া রেখা: সোজা বা খাড়া রেখা দ্বারা গভীর উদ্দেশ্যমূলক প্রচেষ্টা, সাহস ও সততা বোঝায়। এ রেখা আপাতদৃষ্টিতে পরিধানকারীর দৈর্ঘ্য বাড়ায়। খাটো ও মোটা ব্যক্তির জন্য এ রেখা উপযোগী।
সমান্তরাল বা আড়াআড়ি রেখা: এ ধরনের রেখার মাধ্যমে বিশ্রাম ও
আরামের অনুভূতি আসে। এ রেখা পরিধানকারীর দৈর্ঘ্য কমায় এবং প্রশস্ততা বাড়ায়। তাই পোশাকে এ রেখা ব্যবহার করলে পরিধানকারীকে খাটো ও মোটা দেখাবে।
বক্র রেখা: বক্ররেখা আপাতদৃষ্টিতে দৈর্ঘ্য কমায়। তবে সৌন্দর্য ও কমনীয়তা বৃদ্ধি করে। ঊর্ধ্বমুখী বক্র রেখা আনন্দ ও উল্লাস বোঝায়। নিম্নমুখী বক্ররেখা বিষাদ ও নিরুৎসাহের ভাব আনে।
তির্যক রেখা: তির্যক রেখা সংযমের পরিচয় বহন করে। এই রেখার বৈচিত্র্যময় ব্যবহারের মাধ্যমে কোনো কিছুর দৈর্ঘ্য হ্রাস ও বৃদ্ধি করা যায়। তির্যক রেখাগুলো ঊর্ধ্বমুখী, সরু ও কাছাকাছি হলে পরিধানকারীকে লম্বা এবং নিম্নমুখী, চওড়া ও দূরে হলে মোটা ও খাটো মনে হবে।
জিগজ্যাগ রেখা: এটি অন্যান্য রেখার চেয়ে বেশি গতিশীল ও বৈচিত্র্য আনতে সক্ষম। পোশাকে জিগজ্যাগ রেখা বেশি ব্যবহৃত হলে চোখে আরামবোধ হয় না।
পোশাকে বিভিন্ন ধরনের রেখার মাধ্যমে পরিধানকারীকে মোটা, খাটো, লম্বা এবং পাতলা দেখায়।
সুতরাং, পোশাকে 'B' চিত্রের বিভিন্ন অংশের প্রয়োগ দ্বারা বাহ্যিক দর্শনকে প্রভাবিত করা যায়- বক্তব্যটি যথার্থ

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
32

Related Question

View All
উত্তরঃ

রঙের যথাযথ ব্যবহার পোশাকের ডিজাইনকে যেমন সুন্দর করে; তেমনি ব্যক্তির ব্যক্তিত্বকে আকর্ষণীয় করে তোলে। ব্যক্তিত্ব বিকাশে রঙের ভূমিকা অন্যতম। যেমন- কিশোরী ও শ্যামলা
মেয়েদের জন্য উজ্জ্বল রং, বৃদ্ধ ও ফর্সা মেয়েদের জন্য হালকা রং উপযোগী। ত্রুটিপূর্ণ রং দ্বারা সৃষ্ট ডিজাইনের পোশাক পরিধানকারীর সৌন্দর্যকে ম্লান করে দেয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
36
উত্তরঃ

উদ্দীপকে নির্দেশিত রেখাটি হচ্ছে বক্ররেখা।
পোশাকের সৌন্দর্য বৃদ্ধিতে রেখা একটি অন্যতম শিল্প উপাদান। রেখার মাধ্যমে পোশাকে নকশা তৈরি করা যায়। বিভিন্ন প্রকার রেখা প্রয়োগের মাধ্যমে বস্ত্রকে দেহোপযোগী করে পোশাক তৈরি করা হয়।
উদ্দীপকে নির্দেশিত রেখাটি ঢেউ খেলানো বাঁকানো, যা বক্ররেখার বৈশিষ্ট্যের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ। পোশাকে বৈচিত্র্য ও ছন্দ আনতে বক্ররেখা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। পোশাকে বক্ররেখা আপাতদৃষ্টিতে ব্যক্তির দৈর্ঘ্য কমায়, তবে সৌন্দর্য ও নমনীয়তা বৃদ্ধি করে। উর্ধ্বমুখী বক্ররেখা আনন্দ ও উল্লাস বোঝায়। অন্যদিকে নিম্নমুখী বক্ররেখা বিষাদ ও নিরুৎসাহের ভাব আনে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
37
উত্তরঃ

চিত্রে শিল্পকলার ভারসাম্য, অনুপাত ও ছন্দ নীতিগুলো প্রতিফলিত হয়েছে।

পোশাককে সুন্দর ও আকর্ষণীয় করতে হলে শিল্পকলার নীতিগুলো যথাযথভাবে অনুসরণ করতে হবে। এগুলোর যথাযথ প্রয়োগ ছাড়া কোনো শিল্পই সুন্দর ও আকর্ষণীয় হয় না। ভারসাম্য, অনুপাত ও ছন্দ এ শিল্পনীতিগুলোর প্রয়োগ পোশাকের সৌন্দর্য বাড়িয়ে তোলে। সুন্দর ডিজাইনের জন্য পোশাকে ভারসাম্যের প্রয়োজন রয়েছে। এর একটি উপায় হলো দুই দিকে একই ডিজাইন করা। কিন্তু যদি জামার একদিকের চেয়ে অন্যদিকে বেশি আকর্ষণীয় ডিজাইন থাকে, তখন সেটা অবশ্যই কেন্দ্রের কাছাকাছি রেখে ভারসাম্য রক্ষা করতে হবে। পোশাকে অনুপাত বলতে একটি অংশের সঙ্গে অন্য অংশের সম্বন্ধ বোঝায়। এটি পোশাকের বর্ণ নির্বাচনকালে ও ব্যবহৃত বিভিন্ন বর্ণের সমতা রক্ষা করে। পোশাকের এক অংশের সাথে অন্য অংশের অনুপাত থাকতে হবে। এছাড়া' কাঁধ, গলা, কোমর ইত্যাদি বিভিন্ন অংশের মধ্যে পারস্পরিক সংগতি বা অনুপাত ঠিক হতে হবে। পরস্পর সম্পর্কযুক্ত রং, নকশা ও ছাপা একটি পোশাককে আকর্ষণীয় করে তোলে। ডিজাইনের আরেকটি শর্ত হচ্ছে ছন্দ এবং এটি হচ্ছে কোনো জিনিসের নিয়মিত সজ্জা। পোশাকে ছন্দ বা গতি থাকতে হবে। চোখের সন্তোষজনক আকর্ষণের মাধ্যমে পোশাকে ছন্দ ধরা পড়ে। রং, রেখা, বিন্দু, আকার প্রভৃতির পুনঃপুন ব্যবহার করে ছন্দ সৃষ্টি করা খায়। কোনো হালকা রঙের শাড়ির সাথে সেই রঙের গাঢ় ব্লাউজ ব্যবহারে ছন্দ আনা যায়।

তাই বলা যায়, পোশাকে শিল্পকলার নীতিগুলো যথাযথভাবে প্রয়োগ করে পোশাককে আকর্ষণীয় করে তোলা যায়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
31
উত্তরঃ

যেকোনো জিনিসকে সুন্দর করে ফুটিয়ে তোলাই শিল্প।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
44
উত্তরঃ

জাপানি পদ্ধতিতে পুষ্পসজ্জাকে ইকেবানা বলে। ইকেবানা পদ্ধতির স্তর তিনটি। যথা-
১ম স্তর: সর্বোচ্চ ডালটি স্বর্গের প্রতীক। এটি ফুলদানির কেন্দ্রস্থলে থাকে। এই ডালকে অবলম্বন করে অন্যান্য ডালের বিন্যাস করা হয়।
২য় স্তর: এই স্তরটি মানুষের প্রতীক। এই ডালের উচ্চতা হবে প্রথম
ডালের অংশ।

য় স্তর: এই স্তরটি পৃথিবীর প্রতীক। এই স্তরটি হবে ২য় স্তরেরঅংশ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
41
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews