পোশাক ব্যক্তির ব্যক্তিত্বের বহিঃপ্রকাশের মাধ্যম বা হাতিয়ার উক্তিটি যথার্থ।
পোশাক পরিবেশের সাথে মানানসই হলে মনে কোনো সংশয় থাকে না। নিজেকে নিঃসংকোচে প্রকাশ করা যায়। ব্যক্তিত্বে সাবলীল ভাব ফুটে উঠে। পরিবেশ অনুযায়ী সঠিক পোশাক না হলে মনে অস্বস্তি সৃষ্টি হয় এবং জড়তা তৈরি হয়। ফলে শরীর, মন আড়ষ্ঠ হয়ে ব্যক্তিত্বের বহিঃপ্রকাশে বাধা সৃষ্টি করে। পোশাকের আকার, নকশা, জমিন, রং ইত্যাদি ব্যক্তিত্বের ওপর প্রভাব ফেলে। কম নকশাযুক্ত, ছোট ছোট ছাপা এবং হালকা জমিনের বস্ত্রের তৈরি পোশাক খাটো মোটা দেহাকৃতির মেয়েদের জন্য উপযোগী। পাতলা মেয়েদের জন্য ঢিলেঢালা, পুরো হাতা, বড় ছাপা, গাঢ় রং ও ছোট গলার পোশাক উপযোগী। চেক লম্বা বা খাড়া রেখার পোশাকে খাটো মেয়েদের দেহাকৃতি কিছুটা লম্বা দেখায়। অপর দিকে আড়াআড়ি রেখায় অতিরিক্ত লম্বা মেয়েদের কিছুটা খাটো দেখায়। নীল, সবুজ, নীলাভ সবুজ ইত্যাদি স্নিগ্ধ রঙের পোশাকগুলো স্থূল দেহের মেয়েদের আপাতভাবে হালকা দেখায়। অন্যদিকে লাল, হলুদ, কমলা ইত্যাদি প্রখর রংগুলো খাটো ও পাতলা মেয়েদের জন্য উপযোগী। যাদের দেহের বর্ণ উজ্জ্বল তাদের সব রকমের রঙের পোশাকে মানায়। শ্যামলা ও অনুজ্জ্বল বর্ণের মেয়েদের জন্য হালকা প্রতিফলনকারী কমলা, হলুদ, গোলাপি ইত্যাদি রঙের প্রতিফলনে দেহের বর্ণ কিছুটা উজ্জ্বল দেখায়। বিভিন্ন আনন্দ উৎসবে এই রংগুলো পোশাকে ব্যবহার করা হলে ব্যক্তিত্বেও তার প্রভাব পড়ে। আবার কোনো শোক অনুষ্ঠানে হালকা রং, সাদাসিধে ডিজাইনের পোশাক পরা হলে সামঞ্জস্যপূর্ণ ব্যক্তিত্বের প্রকাশ ঘটে। সামাজিক রীতি-নীতি ও সংস্কৃতির প্রতি লক্ষ রেখে পোশাক পরিধান করা হলে অধিক ব্যক্তিত্বপূর্ণ মনে হয়।
Related Question
View Allকরেশম বস্ত্রের কাঠিন্য ঠিক করতে গঁদ অথবা এরারুটের তৈরি মাড় ব্যবহার করা হয়।
পোশাককে পুনরায় ব্যবহার উপযোগী করে তোলার জন্য রিফু করা হয়।
পোশাকের কোনো স্থানে খোঁচা লেগে ছিঁড়ে বা ফেঁসে গেলে, ছেঁড়া স্থানে পড়েন সুতা সূক্ষ্ম ও নিপুনভাবে সুঁচের সাহায্যে ভরে দেওয়াকে রিফু বলে। রিফু করে ছেঁড়া বা ফেঁসে যাওয়া পোশাকটি পুনরায় ব্যবহার উপযোগী করে তোলা যায়।
নাইলন ও পলিয়েস্টার কৃত্রিম তন্তু বলে নষ্ট হয়নি। যেসব তত্ত্ব প্রাকৃতিকভাবে সৃষ্ট নয়, মানুষ বিভিন্ন রাসায়নিক দ্রব্যাদির সংমিশ্রণ ঘটিয়ে তৈরি করেছে সেগুলোকে কৃত্রিম তন্তু বলে। যেমন- নাইলন, পলিয়েস্টার ইত্যাদি।
রূপা কাপড় ধোয়ার সময় কমলা রঙের রেশমি কাপড়ের সাথে সাদা রঙের ব্লাউজ এবং পলিয়েস্টার, নাইলনের কিছু কাপড় একসাথে ধৌত করেন। ধোয়ার পর তিনি দেখলেন সাদা ব্লাউজটি সংকুচিত হয়ে গেছে। আবার কমলা রঙের রেশমি কাপড়ের রং উঠে গেছে। কিন্তু নাইলন, পলিয়েস্টারের কাপড়গুলো নষ্ট হয়নি। কারণ এগুলো কৃত্রিম তন্তুর কাপড়। এসব সিনথেটিক তন্তুর বস্ত্রাদি পানিতে ভিজিয়ে রাখলে সহজে নষ্ট হয় না এবং রংও উঠে না। রেশমি, পশমি বা সুতির কাপড় ধোয়ার সময় যেমন সাবধানতা বা নিয়ম মেনে পরিষ্কার করতে হয়, নাইলন ও পলিয়েস্টার কাপড় ধোয়ার জন্য তেমন প্রয়োজন হয় না। এই সমস্ত বস্ত্রাদি বেশি ময়লা হলে ইষদুষ্ণ সাবান পানিতে ভিজিয়ে রাখলে সহজে পরিষ্কার করা যায়।
সুতরাং, নাইলন ও পলিয়েস্টার কাপড়ের রং সহজে উঠে না এবং ইষদুষ্ণ পানিতে কুঞ্চন হয় না বিধায় রূপার কাপড়গুলো নষ্ট হয়নি।
রূপার রঙিন রেশমি বস্তুটি যথাযথ নিয়মে ধোয়াটাই যুক্তিযুক্ত ছিল- আমি এর সাথে একমত।
রেশমি কাপড় দুই ভাবে ধোয়া যায়; পানি দিয়ে এবং শুষ্ক পদ্ধতিতে যে পদ্ধতিতেই রেশমি কাপড় ধোয়া হোক না কেন তা যথাযথ বা উপযুক্ত নিয়মে করা উচিত। তাহলে কাপড়ের কোনো ক্ষতি হয় না।
রেশমি কাপড় বেশ দামি। এ কাপড়ে রং লেগে বা উঠে নষ্ট হয়ে গেলে তা পরার অযোগ্য হয়ে পড়ে। তাই রেশমি বস্ত্র ধোয়ার আগেই তার ময়লার ধরন, রং, আকার-আকৃতি ও আয়তন বিবেচনা করে ধোয়া উচিত। ধোয়ার সময় সাদা ও রঙিন রেশমি বস্ত্র আলাদা করে নিতে হয়। রূপা তার রেশমি বস্তুটি আলাদা করে মৃদু গরম পানি এবং কম ক্ষারযুক্ত সাবান দিয়ে ধুতে পারতেন। যেহেতু তার রেশমি বস্তুটি থেকে রং উঠেছে, তাই ময়লা ও সাবান দূর করার পর ঠান্ডা পানিতে প্রতি গ্যালনে বড় এক চামচ লবণ ও সমপরিমাণ ভিনেগার মিশিয়ে নিতে পারতেন। এতে রেশমি বস্ত্রটির উজ্জ্বলতা বজায় থাকত।
অর্থাৎ, উপরিউক্ত নিয়মে রূপা তার রেশমি কাপড়টি ধৌত করলে তা ভালো থাকত।
আকর্ষণীয় ব্যক্তিত্বের অন্যতম শর্ত হচ্ছে সুস্বাস্থ্য।
পোশাকের পরিচ্ছন্নতার সাথে দেহের সুস্থতা ওতপ্রোতভাবে জড়িত।
পোশাক মানুষের দেহের সাথে সংলগ্ন থাকে এবং পরিচ্ছন্নতাকে সংরক্ষণ করে। অপরিচ্ছন্ন পোশাক দৈহিক পরিচ্ছন্নতাকে বাধাগ্রস্ত করে। তাই দেহের পরিচ্ছন্নতার জন্য পোশাক-পরিচ্ছদের পরিচ্ছন্নতা প্রয়োজন।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!