অব্যবহৃত পোশাক উন্মুক্ত অবস্থায় রাখলে পোকা-মাকড়, ধুলা-বালি ও জলীয় বাষ্পের সংস্পর্শে নষ্ট হয়ে যায়। পোশাক সঠিকভাবে সংরক্ষণ না করলে টেকসই হয় না। ফলে অর্থের অপচয় হয়। তাই পোশাক সংরক্ষণ করতে হয়
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Related Question
View Allরঙিন পোশাক ছায়ায় শুকানো উচিত।
পোশাক পরলে ময়লা হয়। তাই সেগুলো ভালোভাবে ধুয়ে, ভাঁজ করে নির্দিষ্ট জায়গার তুলে রাখাই হচ্ছে পোশাকের যত্ন।
লাবণ্য তার শীতের পোশারুগুলোর মৌসুমি যত্ন নিল।
ঋতুভেদে পোশাকের যে যত্ন নেওয়া হয় তাকে পোশাকের 'মৌসুমী যত্ন বলে। আমাদের দেশে তিনটি ঋতুতে পোশাকের যত্ন নিতে হয়। শীতের শেষে পগমি সোয়েটার, জ্যাকেট, মোজা, মাফলার, টুপি, ইত্যাদি পোশাক ঘয়ে অথবা ধোয়ার প্রয়োজল না হলে ভালোভালে রোদে শুকিয়ে ভাঁজ করে উঠিয়ে রাখতে হয়। এক্ষেত্রে কীটনাশক ব্যবহার করলে সেগুলো পোকা কাটবে না। ফলে পরবর্তী বছর আবার নতুন করে পোশাক কিনতে হবে না। পোশাকের মৌসুমী যত্ন নিলে সেগুলো ভালো থাকে এবং দীর্ঘদিন ব্যবহার করা যায়। এর ফলে অর্থের অপচয় হয় না।
সঠিক সংরক্ষণ ব্যবস্থার অভাবেই লাবণ্যের জামাটি নষ্ট হয়েছে।
পোশাকের যত্নের অন্তর্ভুক্ত একটি বিষয় হচ্ছে তা সংরক্ষণ করা। জামা-কাপড় যেখানে সেখানে ফেলে রাখলে পোকা-মাকড়, ধুলা-বালি ও জলীয়বাষ্পের সংস্পর্শে নষ্ট হয়ে যায়। লাবণ্যের সিল্কের কাপড়টি সংরক্ষণের স্থান নির্বাচন সঠিক হয়নি। কারণ কাপড় স্যাঁতসেঁতে স্থানে রাখলে পোকা-মাকড় ও ছত্রাকের আক্রমণ হয়। লাবণ্য সংরক্ষণের স্থানটি ভালোভাবে ঝেড়ে মুছে যদি কীটনাশক স্প্রে করে নিত তাহলে ভালো হতো। দীর্ঘদিনের জন্য যদি কাপড় রাখতে হয় তাহলে এর ভাঁজে ভাঁজে ন্যাপথলিন, কালিজিরা, শুকনো নিমপাতা ইত্যাদি দিতে হয়। কিন্তু সে এগুলোর কোনোটিই করেনি। তাই তার সিল্কের জামাটি পোকা কেটেছে। সুতরাং বলা যায়, সঠিক সংরক্ষণ ব্যবস্থার অভাবেই লাবণ্যের জামাটি নষ্ট হয়েছে।
পশমি পোশাক বিছিয়ে শুকাতে হয়।
আমাদের এদেশ ছয় ঋতুর হলেও মূলত তিনটি ঋতুতেই (গ্রীষ্ম, বর্ষা ও শীত) পোশাকের যত্ন নিতে হয়। এক্ষেত্রে গ্রীষ্মের শেষে পাতলা সুতির, বর্ষার শেষে কৃত্রিম এবং শীত শেষে পশমি তন্তুর কাপড় ধুয়ে রোদে শুকিয়ে তুলে রাখাই হলো পোশাকের মৌসুমি যত্ন।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!