প্রণব প্রতিদিন নিত্যকর্ম পালন করে। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত সে সঠিকভাবে নিত্যকর্ম পালন করে সুস্বাস্থ্য ও সুন্দর মানসিকতার অধিকারী হতে পেরেছে। আহার, পড়ালেখা, শরীরচর্চা, ঈশ্বরচিন্তা পবিত্রতা প্রতিটি বিষয়ই সে তার নিত্যকর্মের মাধ্যমে আয়ত্ব করেছে। দেহ ও মনকে সুস্থ রেখে সাধনার উপায় হলো নিত্যকর্ম।

Updated: 10 months ago
উত্তরঃ

ভগবান শ্রীকৃষ্ণের অপর নাম মুরারী।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
10 months ago
উত্তরঃ

আসন অবস্থায় দেহটি অনেকটা পতঙ্গের মতো দেখায়। তাই আসনটির নাম শলভাসন। এ আসনের কাজ হচ্ছে-

১. কোমর ও মেরুদণ্ডের যেকোনো ব্যথা কমানো।
২. উরু ও কোমরের পেশির গঠন সুন্দর করা।
৩. ক্ষুধামন্দা, অম্ল, অজীর্ণ, কোষ্ঠকাঠিন্য প্রভৃতি রোগ নিরাময় করে।
৪. হজমশক্তি বৃদ্ধি পায়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
10 months ago
উত্তরঃ

প্রাতঃকাল থেকে রাত্রিকাল পর্যন্ত প্রতিদিনের অবশ্য করণীয়। কাজকে নিত্যকর্ম বলে। প্রণব প্রতিদিন নিত্যকর্ম পালন করে। নিচে প্রণবের নিত্যকর্ম পাঠ্যবইয়ের আলোকে বর্ণনা করা হলো-

প্রাতঃকাল থেকে রাত্রিকাল পর্যন্ত প্রতিদিনের অবশ্য করণীয়। কাজকে নিত্যকর্ম বলে। প্রণব প্রতিদিন নিত্যকর্ম পালন করে। নিচে প্রণবের নিত্যকর্ম পাঠ্যবইয়ের আলোকে বর্ণনা করা হলো-

পূর্বাহ্নকৃত্য : প্রণব প্রাতঃকৃত্যের পর থেকে দুপুরের পূর্ব পর্যন্ত সময়ে যে সকল কাজ করে তাই পূর্বাহ্নকৃত। এ সময় প্রার্থনা, উপাসনা ও পূজা করতে হয়। তারপর দিনে অন্যান্য কাজকর্ম যেমন আহার করা, কর্মস্থলে যাওয়া; গৃহস্থালির কাজ করা, বিদ্যালয়ে যাওয়া ইত্যাদি করা।

মধ্যাহ্নকৃত্য: প্রণব দুপুরে যে কাজ করে, তাই মধ্যাহ্ণকৃত্য। দুপুরের কাজ হচ্ছে খাওয়া-দাওয়া এবং বিশ্রাম গ্রহণ করা।
অপরাহ্নকৃত্য: সে বিকালে যে কাজ করে তাই অপরাহ্নকৃত্য। এ সময় সে নিজের ও পরিবারের প্রয়োজনীয় কাজ করে। এছাড়া বিকালে খেলাধুলা, ব্যায়াম করে ।

সায়াহ্নকৃত্য: সন্ধ্যাকালের কাজকে সায়াহ্নকৃত্য বলে। সে সন্ধ্যাকালে হাত মুখ ধুয়ে পরিচ্ছন্ন হয়ে ঈশ্বরের উপাসনা করে।

নৈশকৃত্য: রাতে ঘুমাতে যাওয়া পর্যন্ত সময়কালের কাজকে নৈশকৃত্য বলে। প্রণব এ সময় অধ্যয়ন ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় কাজ করে। তারপর রাতে আহার গ্রহণের পর সে শয়ন করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
10 months ago
উত্তরঃ

নিত্যকর্মের মাধ্যমে আমাদের শরীর ও মন শান্ত, নির্মল ও পরিপূর্ণ থাকে। আমাদের দেহ ও মনকে সুস্থ রাখতে সাধনার প্রয়োজন। আমাদের প্রাচীন খাষিগণ মনে করতেন, ধর্মানুশীলন করতে শারীরিক সুস্থতা একান্ত প্রয়োজন। কারণ, শরীর হচ্ছে মনের ধারক। দেহ অসুস্থ থাকলে মনও অশান্ত হয়ে পড়ে। আর অশান্ত মনে স্থিরভাবে কোনোকিছু করা সম্ভব হয় না। তাই তাঁরা শরীর সুস্থ রাখার উৎকৃষ্ট পন্থা হিসেবে যোগাসনের প্রবর্তন করেন। এ যোগাসন অনুশীলনে শরীরের রোগ দূর হয়। ফলে মন শান্ত থাকে। আর শান্ত মনে স্থিরভাবে ধর্মানুশীলন করা সম্ভব। শরীর রোগাক্রান্ত হলে, তার চিকিৎসার ব্যবস্থা করার চেয়ে শরীরের যাতে রোগ না আসতে পারে সেজন্য যোগাসনের মাধ্যমে শরীরকে রোগমুক্ত ও মনকে শান্ত রাখা আমাদের একান্ত কর্তব্য। তাই আমি মনে করি, নিত্যকর্ম দেহ ও মনকে সুস্থ রেখে সাধনাযোগ্য করে তোলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
10 months ago
123

প্রাতঃকাল থেকে রাত্রিকাল পর্যন্ত প্রতিদিনের অবশ্য করণীয় কাজকে নিত্যকর্ম বলে। নিত্যকর্ম ছয় প্রকার-প্রাতঃকৃত্য, পূর্বাহ্ণকৃত্য, মধ্যাহ্নকৃত্য, অপরাহ্ণকৃত্য, সায়াহ্নকৃত্য ও নৈশকৃত্য। এ সমস্ত কর্মের মাধ্যমে আমাদের শরীর ও মন শান্ত, পবিত্র, নির্মল, কর্মঠ ও উত্তম ভাবনায় পরিপূর্ণ থাকে। আমাদের এই দেহ-মনকে সুস্থ রাখতে সাধনার প্রয়োজন। তাই প্রতিদিন নিয়মিত যোগাসন অনুশীলন গুরুত্বপূর্ণ। সুতরাং দেহকে বলশালী ও রোগমুক্ত রাখতে এবং চিত্তচাঞ্চল্য দূর করতে সুখাসন, শলভাসন, পশ্চিমোত্তানাসন অনুশীলনের উপকারিতা অনস্বীকার্য। এই অধ্যায়ে নিত্যকর্মসমূহ ও যোগাসন সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।

এই অধ্যায় শেষে আমরা-

  • নিত্যকর্মগুলো ব্যাখ্যা করতে পারব
  • শলভাসনের ধারণা ব্যাখ্যা করতে পারব এবং অনুশীলন পদ্ধতি বর্ণনা করতে পারব
  • শলভাসনের প্রভাব বর্ণনা করতে পারব
  • পশ্চিমোত্তানাসনের ধারণা ব্যাখ্যা করতে পারব এবং অনুশীলন পদ্ধতি বর্ণনা করতে পারব
  • পশ্চিমোত্তানাসনের প্রভাব বর্ণনা করতে পারব
  • শলভাসন ও পশ্চিমোত্তানাসনের গুরুত্ব উপলব্ধি করে এটি নিয়মিত অনুশীলনে উদ্বুদ্ধ হব
  • শলভাসন ও পশ্চিমোত্তানাসন অনুশীলন করতে পারব।

Related Question

View All
উত্তরঃ

সায়াহ্ন মানে সন্ধ্যা। সন্ধ্যাকালে হাতমুখ ধুয়ে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন হতে হবে। এরপর ঈশ্বরের উপাসনা করতে হবে। সাধারণ কথা, স্তব-বা গানে শ্রদ্ধাভক্তিতে ঈশ্বরের গুণগান করতে হবে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
10 months ago
160
উত্তরঃ

সুজন পশ্চিমোত্তানাসনটি নিয়মিত অনুশীলন করে সুফল পেয়েছেন।
অনুশীলন পদ্ধতি: দু পা সোজা করে ডান হাতের বুড়ো আঙুল, তর্জনী আর মধ্যমা দিয়ে ডান পায়ের বুড়ো আঙুল এবং বাঁ হাতের বুড়ো আঙুল, তর্জনী আর মধ্যমা দিয়ে বাঁ পায়ের বুড়ো আঙুল শক্ত করে চেপে ধরতে হবে। মেরুদণ্ড টানটান ও পিঠ সমান রাখতে হবে। এরপর চোখ বন্ধ রেখে হাঁটুতে কপাল ঠেকাতে হবে। সেই সঙ্গে হাতের কনুই ভাঁজ করে হাঁটুর পাশে রাখতে হবে। পেট ও বুক যথাসম্ভব উরুর সাথে মিশে থাকবে। শ্বাসপ্রশ্বাস স্বাভাবিক রেখে এ অবস্থায় ৩০ সেকেন্ড থাকতে হবে। এরপর নিঃশ্বাস নিয়ে হাঁটু থেকে মাথা তুলে দু পায়ের বুড়ো আঙুল ছেড়ে দিয়ে ৩০ সেকেন্ড শবাসনের বিশ্রাম নিতে হবে। এভাবে ৩/৪ বার অনুশীলন করতে হবে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
10 months ago
133
উত্তরঃ

সুজনের অনুশীলনকৃত আসনটি হচ্ছে পশ্চিমোত্তানাসন। যে আসনটিতে পশ্চিম অর্থাৎ শরীরের পেছন দিকে বেশি ব্যায়াম হয়, তার নাম পশ্চিমোত্তানাসন। ব্যায়ামের জন্য যে কয়েকটি আসন আছে তার মধ্যে অধিকতর উপকারী হচ্ছে পশ্চিমোত্তানাসন। এ আসনটি মেরুদণ্ড ও পেটের পক্ষে বিশেষ উপকারী। এ আসনে গোটা মেরুদণ্ড সতেজ হয়। হাঁটুর পেছন দিকের পেশি ও পেটের সমস্ত যন্ত্র মজবুত হয় এবং কর্মদক্ষতা বৃদ্ধি পায়। এ আসনে অম্বল, ক্ষুধামন্দা, আমাশয়, পেটে বায়ু প্রভৃতি রোগের উপশম হয়। হজমশক্তি বৃদ্ধি পায়। স্নায়ুদৌর্বল্য, সায়টিকা, বাত ও ডায়াবেটিস রোগেও এ আসনে উপকার পাওয়া যায়। এতে কিডনীও ভালো থাকে। পেট ও কোমরের মেদ কমিয়ে দেহের গড়ন সুন্দর করে। কিশোর-কিশোরীদের লম্বা হতে সাহায্য করে। মনের অস্থিরতা, চঞ্চলতা ও উদ্যমহীনতা নিবারণে এ আসনটি খুবই উপকারী।
পরিশেষে বলা যায়, সুজনের অনুশীলনকৃত আসনটির নানা ধরনের উপকারিতা রয়েছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
10 months ago
130
উত্তরঃ

এ আসনটির মাধ্যমে শরীরে সকল পেশি ও গোটা মেরুদণ্ড সতেজ হয়। হাঁটুর পেছন দিকের পেশি ও পেটের সমস্ত যন্ত্র মজবুত হয়। এছাড়া অম্বল, ক্ষুধামন্দা, আমাশয়, পেটে বায়ু প্রভৃতি রোগের উপশম হয় এবং হজমশক্তি বৃদ্ধি পায়। তাই প্রদীপ এ আসনটি অনুশীলন করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
10 months ago
136
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews