প্রতিষ্ঠানগুলোর পূর্ণরূপ লিখুন-

Updated: 2 weeks ago
উত্তরঃ

BADC: Bangladesh Agricultural Development Corporation

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 weeks ago
উত্তরঃ

BARI: Bangladesh Agricultural Research Institute

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 weeks ago
উত্তরঃ

BARC: Bangladesh Agricultural Research Council

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 weeks ago
উত্তরঃ

BLRI: Bangladesh Livestock Research Institute

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 weeks ago
উত্তরঃ

FRI: Fisheries Research Institute

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 weeks ago
উত্তরঃ

BRRI: Bangladesh Rice Research Institute

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 weeks ago
14

Related Question

View All
উত্তরঃ

বাংলাদেশের ওপর দিয়ে যে আন্তর্জাতিক ভৌগোলিক রেখা অতিক্রান্ত হয়েছে তা হলো- কর্কটক্রান্তি রেখা বা ট্রপিক অব ক্যান্সার (২৩.৫° উত্তর অক্ষরেখা)। এই আন্তর্জাতিক রেখাটি বাংলাদেশের এগারোটি জেলার ওপর দিয়ে অতিক্রান্ত হয়েছে।

বাংলাদেশের জলবায়ুতে কর্কটক্রান্তি রেখার গুরুত্ব তুলে ধরা হলো:

ক্রান্তীয় জলবায়ুর সৃষ্টি: কর্কটক্রান্তি রেখা দেশের মাঝখান দিয়ে যাওয়ার কারণে বাংলাদেশ ভূ-প্রাকৃতিক ও জলবায়ুগতভাবে ক্রান্তীয় বা উষ্ণমণ্ডলীয় অঞ্চলের আওতাভুক্ত হয়েছে। এর ফলে দেশের আবহাওয়া নাতিশীতোষ্ণ প্রকৃতির হয়ড়অর্থাৎ গ্রীষ্মকালে অতিরিক্ত গরম বা শীতকালে তীব্র ঠান্ডা না পড়ে তুলনামূলক সমভাবাপন্ন আবহাওয়া বজায় থাকে।

তীব্র তাপমাত্রা: গ্রীষ্মকালে (বিশেষ করে জুন মাসে) সূর্য এই রেখার ওপর একদম লম্বভাবে কিরণ দেয়। এর ফলে এ সময় দেশে উচ্চ তাপমাত্রা পরিলক্ষিত হয় এবং বাতাসে জলীয় বাষ্প বেশি থাকায় অতিরিক্ত গরম ও আর্দ্র আবহাওয়া অনুভূত হয়।

ঋতু বৈচিত্র্য: কর্কটক্রান্তি রেখার ওপর সূর্যের বার্ষিক আপেক্ষিক অবস্থানের পরিবর্তনের কারণে বাংলাদেশে সুনির্দিষ্ট ঋতু বৈচিত্র্য দেখা যায়। শীতকালে সূর্য দক্ষিণ গোলার্ধে হেলে পড়ায় বাংলাদেশে তাপমাত্রা কমে মৃদু ও আরামদায়ক শীত অনুভূত হয়, যা বর্ষা ও গ্রীষ্মকালের চেয়ে সম্পূর্ণ ভিন্ন এক আবহাওয়া তৈরি করে।

মৌসুমী বায়ুর প্রভাব: এই বিশেষ ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে গ্রীষ্মকালে ভারত মহাসাগর ও বঙ্গোপসাগর থেকে আসা জলীয় বাষ্পপূর্ণ দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমী বায়ু কোনো বাধা ছাড়াই সহজেই বাংলাদেশে প্রবেশ করতে পারে।

প্রচুর বৃষ্টিপাত: দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমী বায়ুর প্রভাবে জুন থেকে সেপ্টেম্বর মাসে দেশে প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়। এই সময়কার প্রচুর বৃষ্টিপাত দেশের নদীমালাকে পুনরুজ্জীবিত রাখে এবং ভূগর্ভস্থ পানির স্তর বজায় রাখতে ও পলি মাটি সঞ্চয়ে সাহায্য করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 weeks ago
21
উত্তরঃ

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সংবিধানের দ্বিতীয় ভাগের ৮ম অনুচ্ছেদ থেকে ২৫তম অনুচ্ছেদ পর্যন্ত রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি সম্পর্কে বলা হয়েছে। বাংলাদেশের সংবিধানে বর্ণিত রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি ৪টি। মূলনীতি হলো:

ক. জাতীয়তাবাদ (অনুচ্ছেদ ৯);
খ. সমাজতন্ত্র ও শোষণ মুক্তি (অনুচ্ছেদ ১০);
গ. গণতন্ত্র ও মানবাধিকার (অনুচ্ছেদ ১১) এবং;
ঘ. ধর্মনিরপেক্ষতা ও ধর্মীয় স্বাধীনতা (অনুচ্ছেদ ১২)।

i. জাতীয়তাবাদ (অনুচ্ছেদ ৯): ভাষাগত ও সংস্কৃতিগত একক সত্তাবিশিষ্ট যে বাঙালি জাতি ঐক্যবদ্ধ ও সংকল্পবদ্ধ সংগ্রাম করে জাতীয় মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব অর্জন করেছে, সেই বাঙালি জাতির ঐক্য ও সংহতি হবে বাঙালি জাতীয়তাবাদের ভিত্তি।

ii . সমাজতন্ত্র ও শোষণমুক্তি (অনুচ্ছেদ ১০): মানুষের উপর মানুষের শোষণ হতে মুক্ত ন্যায়ানুগ ও সাম্যবাদী সমাজ লাভনিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে সমাজতান্ত্রিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা হবে।

iii. গণতন্ত্র ও মানবাধিকার (অনুচ্ছেদ ১১): প্রজাতন্ত্র হবে এমন একটি গণতন্ত্র যেখানে মৌলিক মানবাধিকার ও স্বাধীনতার নিশ্চয়তা থাকবে, মানবসত্তার মর্যাদা ও মূল্যের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ নিশ্চিত করা হবে এবং প্রশাসনের সব পর্যায়ে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মাধ্যমে জনগণের কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হবে।

iv. ধর্মনিরপেক্ষতা ও ধর্মীয় স্বাধীনতা (অনুচ্ছেদ ১২): ধর্মনিরপেক্ষতা নীতি বাস্তবায়নের জন্য

ক. সব ধরনের সাম্প্রদায়িকতা,
খ. রাষ্ট্রের দ্বারা কোনো ধর্মকে রাজনৈতিক মর্যাদা দান,
গ. রাজনৈতিক উদ্দেশ্য ধর্মের অপব্যবহার,
ঘ কোনো বিশেষ ধর্ম পালনকারী ব্যক্তির প্রতি বৈষম্য বা তার উপর নির্যাতন, নিপীড়ন বিলোপ করা হবে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 weeks ago
21
উত্তরঃ

সুনীল অর্থনীতি বা Blue Economy হলো সমুদ্রের সম্পদকে কাজে লাগিয়ে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করে একটি দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন করার অর্থনৈতিক দর্শন। এই 'ব্লু ইকোনমি' এর আরেক নাম 'সমুদ্র অর্থনীতি'। ব্লু-ইকোনমি হচ্ছে সমুদ্র সম্পদনির্ভর অর্থনীতি। ২০১৪ সালে সমুদ্রসীমা জয়ের পর বাংলাদেশের জন্য সুনীল অর্থনীতির এক বিশাল দিগন্ত উন্মোচিত হয়েছে। এটি বাংলাদেশের ভবিষ্যতের অন্যতম অর্থনৈতিক চালিকাশক্তি।

সুনীল অর্থনীতির (ব্লু-ইকোনমি) মূল ভিত্তিগুলো:

সামুদ্রিক মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ সমুদ্র থেকে মাছ, চিংড়ি, কাঁকড়া এবং বিভিন্ন সামুদ্রিক প্রাণী আহরণ ও চাষ করা সুনীল অর্থনীতির অন্যতম প্রধান ভিত্তি। এটি মানুষের প্রোটিনের চাহিদা মেটায়, বিপুল কর্মসংস্থান তৈরি করে এবং শুঁটকি ও প্রক্রিয়াজাত সামুদ্রিক খাদ্য রপ্তানির মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে ভূমিকা রাখে। আধুনিক ট্রলার ও লং-লাইনিং প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে গভীর সমুদ্র থেকে মাছ আহরণ করে বিপুল বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন সম্ভব।

সমুদ্র পরিবহন ও বাণিজ্য: বিশ্ব বাণিজ্যের প্রায় ৮০ শতাংশেরও বেশি পণ্য সমুদ্রপথে পরিবাহিত হয়। আধুনিক ও পরিবেশবান্ধব জাহাজ চলাচল, গভীর সমুদ্র বন্দর নির্মাণ এবং শক্তিশালী শিপিং লাইন্স গড়ে তোলার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ব্যয় অনেক কমিয়ে আনা সম্ভব।

সমুদ্র পর্যটন: উপকূলীয় অঞ্চল, সমুদ্রসৈকত এবং দ্বীপগুলোকে কেন্দ্র করে পর্যটন শিল্পের বিকাশ ঘটানো এর অন্যতম দিক। ক্রুজ শিপিং, ওয়াটার স্পোর্টস এবং মেরিন পার্ক তৈরির মাধ্যমে পর্যটকদের আকর্ষণ করে বিশাল রাজস্ব আয় করা যায়।

খনিজ সম্পদ ও জ্বালানি বঙ্গোপসাগরের তলদেশ প্রাকৃতিক গ্যাস ও তেলের সমৃদ্ধ ভাণ্ডার বলে চিহ্নিত। অগভীর ও গভীর সমুদ্রে বহু গ্যাস ব্লক রয়েছে, যা থেকে তেল-গ্যাস উত্তোলনের অপার সম্ভাবনা বিদ্যমান। এছাড়া সমুদ্রের বালুচর ও তলদেশে জিরকন, রুটাইল, ইলমেনাইট, মোনাজাইট ও ম্যাগনেটাইটের মতো অত্যন্ত মূল্যবান তেজস্ক্রিয় ও ভারী খনিজ উপাদানের সমৃদ্ধ মজুত রয়েছে, যা জাতীয় শিল্পখাতে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করতে পারে।

নবায়নযোগ্য সামুদ্রিক শক্তি: উপকূলীয় ৭২৪ কিলোমিটার দীর্ঘ অঞ্চলজুড়ে অফশোর বায়ুবিদ্যুৎ এবং জোয়ার-ভাটার তরঙ্গ শক্তি কাজে লাগিয়ে প্রচুর নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব। এটি জ্বালানি নিরাপত্তায় অবদান রাখার সাথে সাথে কার্বন নির্গমন কমাতেও ভূমিকা রাখবে।

সামুদ্রিক জৈবপ্রযুক্তি: সমুদ্রের বিভিন্ন অণুজীব, শৈবাল এবং মেরিন উদ্ভিদের ওপর গবেষণা করে জীবনরক্ষাকারী ওষুধ, প্রসাধনী, পরিবেশবান্ধব প্লাস্টিক এবং উন্নতমানের সার তৈরি করা এর অন্যতম উদীয়মান ক্ষেত্র।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 weeks ago
20
উত্তরঃ

ভূরাজনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ সেন্ট মার্টিনের গুরুত্ব নিচে আলোচনা করা হলো:

কৌশলগত ভৌগোলিক অবস্থান: সেন্ট মার্টিন দ্বীপটি বঙ্গোপসাগরের উত্তর-পূর্ব কোণে, নাফ নদের মোহনায় এবং মিয়ানমার উপকূলের অত্যন্ত কাছাকাছি অবস্থিত। এই ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে দ্বীপটি ভারত মহাসাগর ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সংযোগস্থলের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশদ্বার হিসেবে বিবেচিত হয়, যা সামুদ্রিক নিরাপত্তা ও নজরদারির জন্য অত্যন্ত সংবেদনশীল।

পরাশক্তিগুলোর আঞ্চলিক প্রতিযোগিতা: বঙ্গোপসাগর ও ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলে প্রভাব বিস্তারের জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মতো বৈশ্বিক পরাশক্তিগুলোর মধ্যে এক ধরনের কৌশলগত প্রতিযোগিতা রয়েছে। সেন্ট মার্টিন দ্বীপের কৌশলগত অবস্থানের কারণে এই অঞ্চলের ভূরাজনীতিতে যেকোনো পরাশক্তির জন্য দ্বীপটির সান্নিধ্য বা নিয়ন্ত্রণ অত্যন্ত লোভনীয় হিসেবে দেখা হয়।

মিয়ানমার সংকট ও জাতীয় নিরাপত্তা: মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের চলমান গৃহযুদ্ধ, জাতিগত সংঘাত এবং রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার কারণে সেন্ট মার্টিন দ্বীপের নিরাপত্তা ঝুঁকি বহুগুণ বেড়ে গেছে। মিয়ানমার সীমান্তের একেবারে কাছে হওয়ায় যেকোনো ধরনের অনুপ্রবেশ, চোরাচালান ও সীমান্ত উত্তেজনা মোকাবিলায় বাংলাদেশের সামরিক ও কৌশলগত প্রতিরক্ষার জন্য এই দ্বীপটি একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র।

সুনীল অর্থনীতি ও সামুদ্রিক সম্পদ: ২০১২ সালে আন্তর্জাতিক আদালতের রায়ের মাধ্যমে সেন্ট মার্টিন দ্বীপকে ভিত্তি ধরে বাংলাদেশ বিশাল এক এক্সক্লুসিভ ইকোনমিক জোন বা একচ্ছত্র অর্থনৈতিক অঞ্চল লাভ করেছে। এই দ্বীপের চারপাশের সমুদ্রে থাকা মৎস্যসম্পদ এবং তলদেশে তেল-গ্যাসসহ মূল্যবান খনিজ সম্পদের মজুত বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ অর্থনৈতিক নিরাপত্তার সঙ্গে সরাসরি যুক্ত।

সার্বভৌমত্ব রক্ষা ও রাজনৈতিক গুরুত্ব: বাংলাদেশের মূল ভূখণ্ড থেকে বিচ্ছিন্ন হলেও এটি দেশের অখণ্ডতা ও সার্বভৌমত্বের একটি প্রতীক। বিভিন্ন সময় আন্তর্জাতিক রাজনীতি বা অভ্যন্তরীণ আলোচনায় এই দ্বীপটিকে সামরিক ঘাঁটি হিসেবে ব্যবহারের গুঞ্জন ছড়ানো হয়, যা দ্বীপটির ভূরাজনৈতিক সংবেদনশীলতা এবং বাংলাদেশের জন্য এর জাতীয় নিরাপত্তার গুরুত্বকে আরও স্পষ্ট করে তোলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 weeks ago
11
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews