প্রত্যক্ষভাবে কোনো সামাজিক, নৈতিক বা রাষ্ট্রীয় শিক্ষাদান বা মতবাদ প্রচার করা সাহিত্যের উদ্দেশ্য নয়। যে সাহিত্যে মতবাদ প্রচার উগ্র হয়ে উঠেছে, তা সৃষ্টি বা শিল্পকর্ম হিসেবে ব্যর্থ হয়েছে। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরও বলেন, মত জিনিসটা হচ্ছে সৃষ্টির ক্ষেত্রে জীবদেহের অন্তর্গত কঙ্কালের মতো। ওটা ভিতর থেকেই সাহিত্যকে জোগাবে মাথা তুলে দাঁড়াবার শক্তি, বাইরে থেকে প্রকাশ পাবে তার বিচিত্র দেহ-সৌষ্ঠব, তার লাবণ্য।

Updated: 5 months ago
উত্তরঃ

শিব হলো হিন্দুধর্মে মঙ্গলকারী দেবতার নাম।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
উত্তরঃ

শিল্পীর খেলার মাধ্যমেই শিল্পরাজ্যের সব অক্ষয় সৃষ্টির জন্ম- লেখকের এই মনোভাবই ব্যস্ত হয়েছে আলোচ্য উক্তির মাধ্যমে।
লেককের মতে, শিল্প সৃষ্টিতে শিল্পীর মনের আনন্দেরই প্রকাশ ঘটে। শিল্প সৃষ্টির উপাদান নিয়ে শিল্পী খেলায় মেতে থাকেন। আর এই খেলার * ফলেই তার সৃষ্টিকর্ম নানান অবয়ব পায়। 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধের রচয়িতা প্রমথ চৌধুরী তাঁর রচনায় ফরাসি ভাস্কর রোদ্যাঁর শিল্পসৃষ্টির উদাহরণ টেনেছেন। কাদামাটি নিয়ে পুতুল গড়া খেলার মাধ্যমেই তাঁর সব বিখ্যাত সৃষ্টির জন্ম হয়েছে। আর এই খেলাই হলো পৃথিবীর সব সৃজনশীল কর্মের মূল।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
উত্তরঃ

সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধের সাহিত্যের সৃষ্টি বা আনন্দ দানের দিকটি প্রশ্নোক্ত উক্তিটির সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ।
আলোচ্য প্রবন্ধে সাহিত্যচর্চার প্রকৃত উদ্দেশ্য জানানোর জন্যই লেখককে তাঁর নিজস্ব ভাব প্রকাশ করতে হয়। তাঁর মতে, সাহিত্যের উদ্দেশ্য নিছক আনন্দদান করা, কারো মনোরঞ্জন করা নয়। লেখকের উদ্দেশ্য আনন্দ সৃষ্টি করা। কিন্তু এ উদ্দেশ্য ব্যতীত লেখক যদি কোনো ফললাভের আশায় কলম ধরেন তাহলে সাহিত্য স্বধর্মচ্যুত হয়।
উদ্দীপকে বলা হয়েছে, সাহিত্যের ভিতর যদি মতবাদ প্রচার উগ্র হয়ে উঠে তবে তা শিল্পকর্ম হিসেবে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়। প্রমথ চৌধুরীও সাহিত্যকে আনন্দদানের একমাত্র মাধ্যম বলে উল্লেখ করেছেন। তিনি মনে করেন, আনন্দদান ব্যতীত সাহিত্যের অন্য কোনো উদ্দেশ্য থাকা উচিত নয়। সুতরাং উদ্দীপক ও 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধের প্রাবন্ধিকের উক্তিতে একটি বিষয় সুস্পষ্ট যে, সাহিত্যের একমাত্র উদ্দেশ্য রস সৃষ্টি বা আনন্দদান, মতবাদ প্রচার নয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপক ও প্রমথ চৌধুরীর 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধটিতে সাহিত্যের প্রকৃত উদ্দেশ্য আনন্দদান সম্পর্কে আলোকপাত করা হয়েছে।
'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধের লেখকের মতে, সাহিত্যের উদ্দেশ্য হওয়া উচিত আনন্দদান করা। শিক্ষাদান করা এর উদ্দেশ্য নয়। প্রাবন্ধিক বলেন, শিক্ষা হলো সেই বস্তু যা লোকে অনিচ্ছা সত্ত্বেও গলাধঃকরণ করতে বাধ্য হয়, যা জোর করে গেলানো হয়। তাতে আনন্দ থাকে না। তাই শিক্ষা বা মত প্রকাশ করতে গেলে সাহিত্য তার বৈশিষ্ট্য ও গুণ হারায়।
উদ্দীপকের ভাবানুসারে, মতবাদ বা শিক্ষা মানুষকে বিশ্বের খবর জানাতে পারে কিন্তু মনকে জাগাতে পারে না। আর মনের পরিতৃপ্তিই সাহিত্যের উদ্দেশ্য। তাতেই শিল্পকর্ম তৈরি হয় যাতে রস থাকে। এ রস মানুষের ব্যক্তিত্ব, মনন, মনুষ্যত্ব ও মানসিকতার জন্ম দেয়। আর যদি মতবাদ প্রচারই মূলকথা হয় তাহলে সাহিত্য তার গুণ হারায় এবং পাঠকের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে পারে না। সুতরাং এ কথা নিঃসন্দেহে বলা যায়, আনন্দদানই সাহিত্যের প্রকৃত উদ্দেশ্য।
উদ্দীপক ও আলোচ্য প্রবন্ধ উভয় ক্ষেত্রেই মূলকথা হলো, সাহিত্যের উদ্দেশ্য আনন্দদান ছাড়া অন্য কিছু হওয়া উচিত নয়। সাহিত্যে সাহিত্যিকের ব্যক্তি-মননের স্বতঃস্ফূর্ত প্রকাশ ঘটবে। শুধু গভীর তাৎপর্যপূর্ণ ভাব প্রকাশ করা সাহিত্যের উদ্দেশ্য হওয়া উচিত নয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
51
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
উত্তরঃ

সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধে 'অতি সস্তা খেলনা' বলতে সেই সাহিত্যকে বোঝানো হয়েছে, যা অতি সহজেই পাঠকের মনোরঞ্জন করে।
লেখকের মতে, সাহিত্যের প্রধান উদ্দেশ্য আনন্দ দেওয়া, কারো মনোরঞ্জন করা নয়। সাহিত্য যখন কারো মনোরঞ্জন করে তখন তার মধ্যে আর কোনো আদর্শ থাকে না। তা পরিণত হয় একটি সস্তা খেলনায়। প্রকৃত সাহিত্যিকদের কাছ থেকে এ রকম 'সস্তা খেলনা' জাতীয় সৃষ্টিকর্ম প্রাবন্ধিক প্রত্যাশা করেন না।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
120
উত্তরঃ

উপরের অনুচ্ছেদে 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধের মনোরঞ্জনের মাধ্যমে সাহিত্যের স্বধর্মচ্যুত হওয়ার বিষয়টি প্রতিফলিত হয়েছে।
'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধে লেখক বলেছেন, খেলাধুলার যেমন আনন্দ ছাড়া অন্য কোনো উদ্দেশ্য থাকে না, সাহিত্যেরও পিছনে তেমনই আনন্দদান ছাড়া অন্য কোনো উদ্দেশ্য থাকা উচিত নয়। লেখকের ব্যক্তি-মননের স্বতঃস্ফূর্ত প্রকাশ ঘটবে সাহিত্যে। প্রাবন্ধিকের মতে, সাহিত্যে যখন তত্ত্ব-উপদেশ প্রকাশ পায় বা সাহিত্য যখন জনসাধারণের মনোরঞ্জনের জন্য রচিত হয় তখন তা স্বধর্মচ্যুত হয়ে পড়ে।
উদ্দীপকে বলা হয়েছে, জ্ঞানের কথা আমাদের মনে কোনো আকর্ষণ সৃষ্টি করে না। যেমন, সূর্য পূর্বাকাশে ওঠে- এ তথ্য আমাদের মন টানে না। কিন্তু সূর্যোদয়ের যে সৌন্দর্য তা আমাদের মনে আনন্দের জন্ম দেয়। এই আনন্দ সৃষ্টি করা অর্থাৎ সৌন্দর্যলোকের সন্ধান দেওয়াই সাহিত্যের কাজ। সাহিত্যে নির্মিত সৌন্দর্য-অনুভূতি যদি লোকহিত সাধন করে, তাতে সাহিত্যের কুললক্ষণ নষ্ট হয় না। শুধু লোকহিতার্থে ও সন্তুষ্টির জন্য প্রচেষ্টা সাহিত্যকে কুলত্যাগী করে। উল্লিখিত অনুচ্ছেদে এ বিষয়ই উপস্থাপিত হয়েছে। সাহিত্যের স্বধর্মচ্যুত হওয়ার বিষয়টি অনুচ্ছেদটিতে যথাযথভাবেই প্রতিফলিত হয়েছে।'

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
83
উত্তরঃ

উপরের অনুচ্ছেদে শিক্ষা ও সাহিত্যের পার্থক্য স্পষ্টভাবে প্রতীয়মান হওয়ায় 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধের 'শিক্ষা ও সাহিত্যের উদ্দেশ্য যে ভিন্নধর্মী' বক্তব্যটি উপরের অনুচ্ছেদে সম্পূর্ণ প্রতিফলিত হয়েছে।

সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধ অনুযায়ী সাহিত্যের কাজ মানুষের মনকে জাগানো। সেখানে জোর করে চাপিয়ে দেওয়ার কিছু নেই। অন্যদিকে, শিক্ষা হলো সেই জিনিস যা অনিচ্ছা সত্ত্বেও মানুষ গলাধঃকরণ করতে বাধ্য হয়। সেখানে আনন্দ থাকে না, থাকে বাস্তবতার কৌশল। সাহিত্যে থাকে রসের আবেগ ও ব্যক্তি-মনের স্বতঃস্ফূর্ত প্রকাশ। লেখকের এ বক্তব্য প্রমাণ করে, শিক্ষা ও সাহিত্য এক জিনিস নয়। উভয়ের উদ্দেশ্যও ভিন্ন।
উদ্দীপকের অনুচ্ছেদটিতে শিক্ষা ও সাহিত্যের উদ্দেশ্যকে স্বতন্ত্র হিসেবে চিহ্নিত করার প্রতিফলন লক্ষ করা যায়। উদ্দীপকের মর্মার্থ হচ্ছে, শিক্ষণীয়। বিষয় অর্থাৎ জ্ঞানের কথা একবার জানা হয়ে গেলে তা আর জানতে ইচ্ছা করে না বা তা জেনে মনে আনন্দও জন্মে না। কিন্তু-সাহিত্য সৃষ্টিকাল থেকে আজও পাঠক-হৃদয়ে সৌন্দর্য ও আনন্দানুভূতি জাগিয়ে রেখেছে।
আলোচ্য প্রবন্ধ ও উদ্দীপকের বক্তব্য থেকে উপলব্ধি করা যায়, শিক্ষা মানুষকে একটি নির্দিষ্ট গণ্ডিতে বেঁধে রাখে এবং তা একটি নির্দিষ্ট উদ্দেশ্যকেই বাস্তবায়ন করে। কিন্তু সাহিত্য মানুষের মনের প্রসার ঘটায় ও পাঠককে নির্মল আনন্দদান করে। শুধু লোকহিতার্থে বা পাঠকের সন্তুষ্টির জন্য সাহিত্য রচনার প্রচেষ্টা সাহিত্যকে কুলত্যাগী করে। সাহিত্যিক তখন শিক্ষকে রূপান্তরিত হন। বস্তুত, মানুষের বিবেক ও বিবেকতাড়িত বিষয়ের সমষ্টিগত দৃষ্টিভঙ্গি সাহিত্যের মাধ্যমে প্রকাশ ছাড়া আর কোনো মাধ্যম দিয়ে সম্ভব নয়। এ বিষয়গুলো পর্যালোচনা করে বলা যায়, শিক্ষা ও সাহিত্যের উদ্দেশ্য যে ভিন্নধর্মী তা উল্লিখিত অনুচ্ছেদে যথার্থভাবে প্রতিফলিত হয়েছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
85
উত্তরঃ

রোদ্যার একটি শ্রেষ্ঠ ভাস্কর্যের নাম হলো 'নরকের দুয়ার'।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
338
উত্তরঃ

মানুষের দেহমনের সকল প্রকার ক্রিয়ার মধ্যে ক্রীড়া শ্রেষ্ঠ, কেননা-তা উদ্দেশ্যহীন বা নিষ্কাম কর্ম।
প্রাবন্ধিকের মতে, সাধারণত মানুষ যখন খেলা করে তখন সে আনন্দ ছাড়া অন্য কোনোকিছুর আকাঙ্ক্ষা রাখে না। নিষ্কাম আনন্দই তার একমাত্র প্রত্যাশা। মানুষ খেলা করে শুধু সেসময়ের কাঙ্ক্ষিত আনন্দের জন্য, অন্য কোনোকিছু পাওয়ার ইচ্ছা তার থাকে না। 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধের প্রাবন্ধিক মনে করেন, এ কথাটির পিছনে ব্যক্তির কামনা-বাসনা বা অভিসন্ধির মতো কোনো হীন প্রবৃত্তি কাজ করে না। ক্রীড়াকে তাই তিনি শ্রেষ্ঠ কর্ম হিসেবে বিবেচনা করেন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
82
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews