প্রশাসনে অভিজ্ঞ অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সিটি কপোরেশনের মেয়র নির্বাচিত হয়ে দেখলেন, সুশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য যে আমলা শ্রেণি তৈরি করা হয়েছিল তারাই এখন প্রশাসন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছে। তারা উচ্চপদস্ত কর্মকর্তাদের সাথে অশোভন আচরণ করে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিসহ সিন্ডিকেটভিত্তিক-অফিসিয়াল কার্যাদি পরিচালনা করেন। এমতাবস্থায় মেয়র প্রশাসনে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার জন্য সিন্ডিকেটদের কঠোরভাবে দমন-বদলি, দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা, সিসি ক্যামেরা স্থাপনসহ কিছু অত্যাবশ্যকীয় বিধি নিষেধ আরোপ করেন। ফলে সিটি কর্পোরেশনের সুশাসন ও সুনাম পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়।

Updated: 4 months ago
উত্তরঃ

মালিক কাফুর ছিলেন আলাউদ্দিন খলজির দক্ষিণাত্য অভিযানের সেনাপতি।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

তরাইনের দ্বিতীয় যুদ্ধ ভারতে মুসলিম সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
১১৯২ খ্রিষ্টাব্দে সংঘটিত তরাইনের দ্বিতীয় যুদ্ধ ছিল একটি চূড়ান্ত মীমাংসাত্মক যুদ্ধ। এ যুদ্ধের ফলে স্থায়ীভাবে ভারতবর্ষে মুসলিম আধিপত্য প্রতিষ্ঠিত হয়। এ যুদ্ধে মুইজউদ্দিন মুহাম্মদ ঘুরী ও তার বাহিনী দীপ্ত শপথে যুদ্ধ করে। পৃথ্বিরাজ ও সম্মিলিত রাজপুত বাহিনীকে পর্যুদস্ত করে। ফলে ভারতীয় রাজ্যগুলোর ওপর মুহাম্মদ ঘুরীর চূড়ান্ত সফলতা সুনিশ্চিত হয় এবং ভারতে মুসলিম সাম্রাজ্যের স্থায়ী ভিত প্রতিষ্ঠিত হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

কর্মকান্ডের দিক দিয়ে বন্দেগান-ই-চেহেলেগানের সাথে উদ্দীপকে উল্লিখিত আমলা সিন্ডিকেটের সাদৃশ্য পরিলক্ষিত হয়।

সুলতান ইলতুৎমিশের শাসনামলে তুর্কি অভিজাতরা প্রভৃত ক্ষমতার অধিকারী হয়ে ওঠে। এরাই 'বন্দেগান-ই-চেহেলেগান' নামে পরিচিত ছিল। সুলতান গিয়াসউদ্দিন বলবনও এ গোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। ইলতুৎমিশ-পরবর্তী দুর্বল উত্তরাধিকারীদের (বুকুনউদ্দিন ফিরোজ, মুইজ উদ-দীন বাহরাম, আলাউদ্দিন মাসুদ শাহ) যুগে এ গোষ্ঠী প্রশাসন, রাজনীতি ও অর্থনীতিতে সর্বেসর্বা হয়ে ওঠে। মাঝে মধ্যে তারা শাসকদের বিরুদ্ধেও ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়। সুলতান গিয়াসউদ্দিন বলবন ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হওয়ার পর তার বিরুদ্ধেও এ চক্র শক্তিশালী অবস্থান তৈরি করার চেষ্টা করে। তারা নানা ধরনের অপকর্ম করে প্রশাসনে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে। উদ্দীপকের আমলা সিন্ডিকেটের মধ্যেও এ ধরনের প্রবণতা লক্ষ করা যায়। 

উদ্দীপকে দেখা যায়, প্রশাসনের একজন অভিজ্ঞ অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সিটি মেয়র নির্বাচিত হলে শাসনকার্য পরিচালনায় আমলা শ্রেণি তার বাধা হয়ে দাঁড়ায়। একইভাবে বন্দেগান-ই-চেহেলেগান নামক আমলা শ্রেণিও গিয়াসউদ্দিন বলবনের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়। সুলতান বলবন এ গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করে তাদের ওপর সুলতানের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করেন। উদ্দীপকের সিন্ডিকেট দমনেও সিটি মেয়রকে সুলতান বলবনের ন্যায় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে দেখা যায়। সুতরাং সরকারের বিরুদ্ধে অবস্থান, আভিজাত্য, অপচেষ্টা প্রভৃতি কার্যাবলি বিবেচনায় বন্দেগান-ই-চেহেলেগান ও উদ্দীপকের সিন্ডিকেট একই ধরনের আমলা শ্রেণি।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

সুশাসন প্রতিষ্ঠায় উদ্দীপকে বর্ণিত মেয়র কর্তৃক গৃহীত উদ্যোগ সুলতান গিয়াসউদ্দিন বলবনের গৃহীত পদক্ষেপের অনুরূপ।

সুলতান গিয়াসউদ্দিন বলবনের সময় 'বন্দেগান-ই-চেহেলেগান' তুর্কি অভিজাতদের অপকর্মের দৌরাত্ম্য অতিমাত্রায় বৃদ্ধি পায়। সুলতান তাদের অপরাধ চিহ্নিত করে কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করেন। তাদের পদোন্নতি বন্ধ করে দেন এবং বদলির ব্যবস্থা করেন। তিনি তাদের জনসমক্ষে শাস্তি দেন। উদ্দীপকেও এ ধরনের উদ্যোগ লক্ষ করা যায়।
উদ্দীপকে দেখা যায়, সিটি মেয়র দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। শাস্তিমূলক ব্যবস্থা হিসেবে তিনি কর্মকর্তাদের বদলির আদেশ দেন। একইভাবে গিয়াসউদ্দিন বলবনও দুর্নীতিবাজ বন্দেগান-ই-চেহেলেগানদের শাস্তি দেন। তিনি অপরাধীদের চিহ্নিত করে যেমন জনসমক্ষে বিচার করতেন তেমনি সিটি মেয়র একই ধরনের বাস্তবধর্মী ও নিরপেক্ষ উদ্যোগ গ্রহণ করেন। ফলে সিটি কর্পোরেশনে সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হয়। গিয়াসউদ্দিন বলবনের বন্দেগান-ই-চেহেলেগানদের দমনের ফলেও সাম্রাজ্যে সুশাসন ও শান্তি প্রতিষ্ঠিত হয়। সুলতান বলবন এ চক্রের প্রভাব খর্ব করে সাম্রাজ্যে নিজের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করেন।
উপর্যুক্ত আলোচনার প্রেক্ষিতে বলা যায়, উদ্দীপকের সিটি মেয়র এবং গিয়াসউদ্দিন বলবনের গৃহীত পদক্ষেপগুলো বাস্তবধর্মী এবং কার্যকর হওয়ায় উভয়ই সুশাসন প্রতিষ্ঠায় সক্ষম হয়েছেন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
29

Related Question

View All
উত্তরঃ

আলাউদ্দিন খলজির শাসনামলে দিল্লি সালতানাতে প্রায় সাত বার মোঙ্গল আক্রমণের তথ্য পাওয়া যায়। তাই মোঙ্গলদের প্রতিহতকরণে তিনি কতিপয় কার্যকর মোঙ্গলনীতি গ্রহণ করেন।
আলাউদ্দিন খলজি মোঙ্গলদের মোকাবিলায় শাস্তিমূলক ব্যবস্থার সাথে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। মোঙ্গলদের আক্রমণ পথে তিনি পুরাতন কেল্লা সংস্কার ও নতুন কেল্লা স্থাপন করে সুরক্ষার ব্যবস্থা করেন। তিনি উন্নতমানের অস্ত্রের জন্য কারখানা প্রতিষ্ঠা করেন এবং সীমান্ত রক্ষার দায়িত্ব বিশ্বস্তদের ওপর ন্যস্ত করেন। এছাড়া তিনি মোজঙ্গলদেরকে প্রতিহত করার উদ্দেশ্যে অতিরিক্ত সৈন্য সংগ্রহ করেন। এভাবে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করে তিনি মোঙ্গল আক্রমণ মোকাবিলায় সাফল্য লাভকরেন। তার রাজত্বকালে মোঙ্গলরা আর ভারত আক্রমণে সাহস করেনি।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
187
উত্তরঃ

উদ্দীপকে শ্রীমাভো বন্দরনায়েকের সঙ্গে দিল্লির সালতানাতের মহিলা শাসক সুলতান রাজিয়ার সাদৃশ্য রয়েছে।

পুরুষশাসিত সমাজে নারীরা চিরকালই অবহেলিত হয়ে আসছে। এই অবহেলার মাঝেও নারীরা স্বীয় যোগ্যতাবলে সমাজের উন্নয়নে অংশীদার হয়েছে। নানা বাধার সম্মুখীন হয়েও তারা সফল হয়েছে; সকল সমালোচনার উচিত জবাব দিয়েছে। উদ্দীপকের শ্রীমাভো বন্দরনায়েক এবং সুলতান রাজিয়া এমনই দুজন নারী ব্যক্তিত্ব।
শ্রীমাভো বন্দরনায়েক ছিলেন আধুনিক বিশ্বের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী। তিনি ক্ষমতা গ্রহণ করার পর বিভিন্ন দেশের কিছু অভিজাত শ্রেণির সমালোচনার মুখোমুখি হন। তারা নারী বলে শ্রীমাভো বন্দরনায়েককে শাসনকার্যে অনুপযোগী ও অদক্ষ বলে অভিহিত করেন। কিন্তু নিজ মেধা, তেজস্বিতা আর কর্মদক্ষতার গুণে শ্রীমাভো সকল বিশৃঙ্খলা ও দুর্নীতি প্রতিহত করে দেশের উন্নতি সাধন করেন। সুলতান রাজিয়াও একইভাবে ১২৩৬ থেকে ১২৪০ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত দিল্লির সিংহাসনে বসে সুলতানি শাসন পরিচালনা করেন। তার ৪ বছরের রাজত্বকাল মধ্যযুগের ভারতীয় ইতিহাসের উল্লেখযোগ্য ঘটনা। সিংহাসনে অধিষ্ঠিত হয়ে তিনি অত্যন্ত দক্ষতা ও বিচক্ষণতার সাথে সাম্রাজ্যের বিশৃঙ্খলা ও বিদ্রোহ প্রতিহত করেন। তিনি উপমহাদেশের ইতিহাসে প্রথম মহিলা শাসনকর্তা। তার সাহসিকতা, দক্ষতা ও আকর্ষণীয় ব্যক্তিত্ব তুর্কি জাতির সাহসিকতা এবং দূরদর্শিতার পরিচয় বহন করে। তার উদার রাজনৈতিক চিন্তাধারা বস্তুত মুসলিম শাসনের ইতিহাসে নতুন অধ্যায়ের সূচনা করে। সুতরাং দেখা যায় উদ্দীপকের শ্রীমাভো বন্দরনায়েক এবং সুলতান রাজিয়া শাসন পরিচালনার দিক দিয়ে একে অন্যের প্রতিরূপ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
154
উত্তরঃ

ভারতে মুসলিম শাসনের ইতিহাসে সুলতান রাজিয়া ছিলেন দিল্লির সিংহাসনে আরোহণকারী প্রথম ও একমাত্র মহিলা।

সালতানাতের এক সংকটকালে সুলতান রাজিয়া সিংহাসনে আরোহণ করেন। ঐতিহাসিক মিনহাজ-উস-সিরাজের হিসেব মতে, তিনি ৩ বছর ৬ মাস ৬ দিন রাজত্ব করেন। তিনি ছিলেন ব্যক্তিত্বসম্পন্ন এবং অসাধারণ প্রতিভাশালী একজন নারী। প্রচলিত মুদ্রায় তিনি নিজেকে উমদাদ-উল-নিসওয়ান (নারীদের মধ্যে বিশিষ্ট) বলে উল্লেখ করেন। মিনহাজ-উস-সিরাজ তাকে মহান নৃপতি, বিচক্ষণ, ন্যায়পরায়ণ ও মহানুভব বলে বর্ণনা করেছেন। তিনি একজন সার্বভৌম নৃপতির প্রয়োজনীয় গুণাবলি ও - যোগ্যতার অধিকারী ছিলেন। এ. বি. এম. হবিবুল্লাহর মতে, সাহসিকতা ও অদম্য দৃঢ়তাই (Courage and unflincing determination) ছিল রাজিয়ার আদর্শ।
চারিত্রিক দৃঢ়তায় সুলতান রাজিয়া নিজেকে পুরুষ অপেক্ষা যোগ্যতর প্রমাণ করেন। ব্যক্তিগত দৃঢ়তা ও যোগ্যতাই তার ক্ষমতা ও অস্তিত্বের চাবিকাঠি ছিল। সুলতান রাজিয়া প্রশাসনিক দৃঢ়তা ও ব্যক্তিগত শক্তি-সামর্থ্য প্রমাণের লক্ষ্যেই মহিলা পোশাক পরিত্যাগ করেন, অশ্বারোহণে জনসমক্ষে বের হন এবং প্রকাশ্যে দরবার পরিচালনা করেন। অধ্যাপক কে. এ. নিজামী যথার্থই বলেছেন, "অস্বীকার করার অবকাশ নেই যে, তিনি ছিলেন ইলতুৎমিশের উত্তরাধিকারীদের মধ্যে যোগ্যতম।"
পরিশেষে বলা যায় যে, সুলতান রাজিয়া ছিলেন অপরিসীম কৃতিত্বের অধিকারী।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
109
উত্তরঃ

তুঘলক বংশের প্রতিষ্ঠাতা গিয়াসউদ্দিন তুঘলক (শাসনকাল ১৩২০-১৩২৫ খ্রিস্টাব্দ)।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
143
উত্তরঃ

রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ বিদ্রোহ দমন এবং মোজাল আক্রমণ প্রতিহত করার জন্য সুলতান গিয়াসউদ্দিন বলবনের গৃহীত নিষ্ঠুর ও কঠোর পদক্ষেপই 'রক্তপাত ও কঠোর নীতি' (Blood and Iron policy) নামে পরিচিত।
সিংহাসনে আরোহণ করেই বলবন নানা ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হন। এর মধ্যে অন্যতম ছিল আমির-ওমরাহ ও অভিজাত সম্প্রদায়ের ক্রমবর্ধমান ঔদ্ধত্য, দ্বন্দ্ব-কলহ ও ষড়যন্ত্রমূলক কার্যকলাপ, দিল্লির সন্নিকটস্থ মেওয়াটি দস্যুদের উপদ্রব, উপর্যুপরি মোঙ্গল আক্রমণ প্রভৃতি। এসব সমস্যা সাম্রাজ্যের ভিতকে হুমকির সম্মুখীন করে তোলে। তাই নিজের ক্ষমতা সুসংহত করে সাম্রাজ্যকে সুদৃঢ় ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত করতে তিনি গুপ্তচর প্রথা চালু, বিচার ব্যবস্থার পুনর্গঠন, মোঙ্গল নীতি প্রভৃতি বিষয়ে কঠোর ও নিষ্ঠুর পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। এগুলোই বলবনের 'রক্তপাত ও কঠোর নীতি' হিসেবে স্বীকৃত।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
432
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews