শীতলক্ষ্যা নদী যে দুইটি জিনিস মসলিন তৈরির উপযোগী ছিল তা হলো-
১. শীতলক্ষ্যা নদীর পানি ও
২. শীতলক্ষ্যা নদীর বাতাস।
একসময় বণিকরা আসতেন মসলিন কিনতে। তারা আসতেন আরব, ইরান ও চীন দেশ থেকে। কারখানার কাপড়, কাপড়ের বাজার দখল করে নেয়। তাই প্রতিযোগিতায় টিকতে না পেরে মসলিন হারিয়ে গেছে।
লেখক মসলিনের ফিরে আসাকে মজার ব্যাপার বলেছেন। কারণ আমরা জানি মসলিন হারিয়ে গেছে। কিন্তু বর্তমানে কিছু গবেষক ও বিজ্ঞানী মিলে তৈরি করেছে নতুন মসলিন। তাই লেখক এটাকে মজার ব্যাপার বলেছেন।
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Related Question
View Allআজকের পত্রিকায় দারুণ একটি খবর ছাপা হয়েছে।
মসলিনের জন্য ঢাকা ছিল বিশ্ববিখ্যাত
চরকা কেটে তুলা থেকে সুতা বানানো হতো।
কারখানার কাপড় এক সময়ে মসলিন কাপড়ের বাজার দখল করে নেয়।
মসলিন আমাদের ঐতিহ্য।
মসলিন কাপড় মিহি সুতায় বোনা হতো
বাংলার পুরোনো এক কাপড়ের নাম মসলিন
মসলিন খুব স্বচ্ছ ও সূক্ষ্ম কাপড়। মসলিন শাড়ি আংটির ভিতর দিয়ে অনায়াসে গলানো যেত। মসলিন কাপড়ের সুতা তৈরি হতো ফুটি তুলা থেকে।
বাংলার পুরোনো এক কাপড়ের নাম মসলিন। এই কাপড় মিহি সুতায় বোনা হতো। মসলিনের জন্য ঢাকা ছিল বিশ্ববিখ্যাত। মসলিন খুব স্বচ্ছ।
মিলি বই পড়ে। মাঝে মাঝে সে পত্রিকাও পড়ে। পত্রিকায় দারুণ একটি খবর ছাপা হয়েছে। খবরটি ঢাকাই মসলিন নিয়ে। মিলি পত্রিকার এই খবরটি পড়ে।
মসলিন কাপড় মিহি সুতায় বোনা হতো। মসলিন খুব স্বচ্ছ ও সূক্ষ্ম কাপড়। মসলিন কাপড় আংটির ভিতর দিয়ে অনায়াসে গলানো যেত। মসলিনের জন্য ঢাকা ছিল বিশ্ববিখ্যাত।
ঢাকার সোনারগাঁ অঞ্চল মসলিন তৈরির জন্য বিখ্যাত ছিল। মসলিন কাপড়ের সুতা তৈরি হতো ফুটি তুলা থেকে। চরকা কেটে তুলা থেকে সুতা বানানো হতো। তাঁতিরা সেই মিহি সুতা তাঁতে বুনে মসলিন কাপড় তৈরি করতেন।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!