ব্যবসায়িক প্রয়োজনে নিজস্ব বা বহিস্থ উৎস (যেমন: ব্যাংক ঋণ) থেকে ব্যাংক যে অর্থ সংগ্রহ করে তার সমষ্টিকে ব্যাংক তহবিল বলে।
জমাতিরিক্ত ঋণ স্বল্পমেয়াদে ব্যবসায়ে বিনিয়োগ করা যায় বলে এটি ব্যবসায় বাণিজ্যের উন্নয়নে সহায়তা করে।
ব্যাংকের চলতি হিসাবের বিপরীতে জমার অতিরিক্ত অর্থ উত্তোলনের সুযোগকে জমাতিরিক্ত ঋণ বলা হয়। ব্যবসায়ীরা জমাতিরিক্ত ঋণ ব্যবসায়ে বিনিয়োগ করতে পারে। বেশি অর্থ বিনিয়োগে লাভের পরিমাণও বাড়বে। এভাবে জমাতিরিক্ত ঋণ ব্যবসায়-বাণিজ্যের উন্নয়নে সহায়তা করে।
উদ্দীপকে উল্লিখিত পরবর্তী ৫০০ কোটি টাকা আমানত হিসেবে নেওয়া হয়েছে, যা ব্যাংক তহবিলের স্বল্পমেয়াদি উৎস।
ব্যাংক গ্রাহকের অর্থ আমানত হিসেবে জমা রাখে। এটি হলো ব্যাংক তহবিলের স্বল্পমেয়াদি উৎস। এ তহবিলের মেয়াদ ১ বছর বা তার কম সময় হয়ে থাকে। উদ্দীপকে প্রাইড ব্যাংক ৫০০ কোটি টাকা মূলধন নিয়ে গঠিত হয়েছে। গ্রাহকদের কাছ থেকে এ ব্যাংক আরো ৫০০ কোটি টাকা সংগ্রহ করেছে। বিভিন্ন হিসাবের মাধ্যমে ব্যাংক এ অর্থ সংগ্রহ করে। মূলত গ্রাহকরা ব্যাংকে এ অর্থ ব্যাংকের স্বল্পমেয়াদি তহবিল হিসেবে ব্যবহার করা হয়। তাই বলা যায়, উদ্দীপকে উল্লিখিত পরবর্তী ৫০০ কোটি টাকা তহবিলের স্বল্পমেয়াদি উৎস।
উদ্দীপকে ঋণ দেওয়ার ক্ষেত্রে গ্রাহকের আর্থিক সামর্থ্যের চেয়ে ব্যক্তিগত সুনাম ও দক্ষতাকে বেশি মূল্যায়ন করার সিদ্ধান্ত যৌক্তিক নয় বলে আমি মনে করি।
ঋণ দেওয়ার সময় ব্যাংক কতগুলো বিষয় বিবেচনা করে। ঋণের অর্থের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যাংককে এ কাজ করতে হয়। গ্রাহকের আর্থিক সামর্থ্য ও ব্যক্তিগত দক্ষতা বিবেচনা করে ব্যাংক ঋণ দেয়।
উদ্দীপকে প্রাইড ব্যাংক গ্রাহকদের কাছ থেকে আমানত হিসেবে তহবিল সংগ্রহ করে। এ অর্থ থেকে ব্যাংক অন্য গ্রাহকদের ঋণ দেয়। ঋণ দেওয়ার সময় ব্যাংক গ্রাহকের আর্থিক সামর্থ্য বিবেচনা করে। তবে, ব্যাংকটি গ্রাহকের সুনাম ও ব্যবসায়িক দক্ষতাকে বেশি মূল্যায়ন করেছে। ঋণ দেওয়ার সময় ঋণগ্রহীতার আর্থিক সামর্থ্য বিবেচনা করা প্রধান বিষয়। এতে ঋণের অর্থ ব্যাংক সহজে ফেরত পায়। লাভজনক খাতে ঋণ দিয়ে ব্যাংক মুনাফা লাভ করে। অনেক সময় কেবল গ্রাহকের ব্যক্তিগত সুনাম ও ব্যবসায়িক দক্ষতা দেখেও ব্যাংক ঋণ দেয়। তবে সেক্ষেত্রে ঋণের অর্থ ফেরত পাওয়ার ব্যাপারে ঝুঁকি থেকে যায়। তাই, ব্যাংকের উচিত গ্রাহকের সুনাম ও ব্যবসায়িক দক্ষতার পাশাপাশি আর্থিক সামর্থ্যকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া। সুতরাং, প্রাইড ব্যাংক গৃহীত সিদ্ধান্তটি যৌক্তিক নয়।
Related Question
View Allযে ব্যবস্থার মাধ্যমে ব্যাংক তার গ্রাহককে অগ্রিম ঋণ মঞ্জুর করে, কিন্তু সরাসরি নগদে সেই টাকা উত্তোলনের অনুমতি দেয় না তাকে নগদ ঋণ বলে।
ব্যাংক অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক উৎস থেকে যে অর্থ সংগ্রহ করে তাই ব্যাংক তহবিল।
ব্যাংক একটি আর্থিক ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান। ব্যাংক ব্যবসায়ের সফলতা অর্জনে এ তহবিল সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। ব্যাংকের নিজস্ব অর্থ ও ধার করা অর্থের সমন্বয়ে এ তহবিল গঠিত হয়।
জনাব রানার ব্যাংক জামানতটি পণ্য বন্ধক।
ঋণগ্রহীতা জামানত হিসেবে পণ্যের দখল ঋণদাতাকে দিলে তাকে পণ্য বন্ধক বলা হয়। এক্ষেত্রে পণ্যের মালিকানা ঋণগ্রহীতার, আর দখলস্বত্ব ঋণদাতার কাছে থাকে। ঋণ পরিশোধ করলে ঋণগ্রহীতা পণ্য ফিরে পায়। অন্যথায়, ঋণদাতা তা বিক্রি করে অর্থ সংগ্রহ করে।
উদ্দীপকের জনাব রানার মোটরসাইকেল তৈরির কারখানা আছে। ব্যবসায়িক কাজে তার বড় অঙ্কের ঋণের প্রয়োজন হয়। তাই তিনি তার তৈরিকৃত মোটরসাইকেল জামানত রেখে ৪ কোটি টাকা ঋণ নেয়। পণ্য বন্ধকের ক্ষেত্রেও প্রস্তুতকৃত পণ্য জামানত রেখে ঋণ দেওয়া হয়। এক্ষেত্রে মোটরসাইকেল হলো জনাব রানার জন্য প্রস্তুতকৃত পণ্য। এটা বন্ধক রেখে সে ৪ কোটি টাকা ঋণ পায়। জনাব রানার জামানতটি পণ্য বন্ধকের সাথে সম্পূর্ণ মিলে যায়। তাই বলা যায়, জনাব রানা পণ্য বন্ধক রেখে ঋণ নিয়েছিলেন।
উদ্দীপক অনুযায়ী সমতা বন্ধক অর্থাৎ কারখানার জায়গাটির দলিল জামানত হিসেবে বেশি উপযুক্ত।
যে সম্পত্তির দলিলপত্র নির্দিষ্ট সময়ের জন্য ঋণদাতা জামানত হিসেবে রাখেন, তাকে সমতা বন্ধক বলে। এক্ষেত্রে সম্পত্তির দখল ঋণগ্রহীতার কাছেই থাকে। উত্তম জামানত ব্যাংকের ঋণের বিপরীতে ক্ষতির আশঙ্কা কমায়।
উদ্দীপকে জনাব রানা ও জনাব সবুজ দুজনেরই মোটরসাইকেল তৈরির কারখানা রয়েছে। তাদের বড় অঙ্কের ঋণের প্রয়োজন। জনাব রানা তার তৈরিকৃত মোটরসাইকেল জামানত রেখে ৪ কোটি টাকা ঋণ নেয়। অন্যদিকে, জনাব সবুজ কারখানার জায়গাটির দলিল বন্ধক রেখে ৬ কোটি টাকা ঋণ নেয়। ঋণের জামানতের ক্ষেত্রে ব্যাংক কতগুলো বিষয় বিবেচনা করে। উল্লিখিত ক্ষেত্রে জামানতের মূল্যের স্থিতিশীলতা ও গ্রহণযোগ্যতা বিবেচ্য বিষয়।
জনাব রানার জামানত হলো পণ্য বন্ধক। অন্যদিকে, জনাব সবুজের জামানত হলো সমতা বন্ধক। মোটরসাইকেলের মূল্য চাহিদা অনুসারে ভিন্ন হয়। তবে জায়গার মূল্য তুলনামূলকভাবে বেশি স্থিতিশীল। আবার আইনগত দিক বিবেচনায়ও জায়গার দলিল বেশি গ্রহণযোগ্য। তাই জনাব সবুজের সমতা বন্ধক ব্যাংকের কাছে বেশি উপযুক্ত।
ব্যাংক যে হিসাবের মাধ্যমে গ্রাহককে ঋণের টাকা প্রদান করে তাকে ঋণ হিসাব বলে।
গ্রাহক সম্পর্কে সম্পূর্ণ তথ্য সংগ্রহের মাধ্যমে KYC ফর্ম গ্রাহকের লেনদেনের সচ্ছতা নিশ্চিত করে।
KYC-এর পূর্ণরূপ হলো Know Your Customer। এ ফর্মে ব্যাংক গ্রাহকের নাম, ঠিকানা, পেশা, কাজের ধরন ও অন্যান্য যাবতীয় তথ্য সংগ্রহ করে। ফলে গ্রাহক সহজে কোনো অবৈধ লেনদেন করতে পারে না। এভাবে লেনদেনের সচ্ছতা বৃদ্ধি পায়।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!