প্রাচীন বাংলার সমুদ্র ও স্থলপথে কোন কোন দেশের সাথে ব্যবসা-বাণিজ্যের সম্পর্ক ছিল শ্রেণিশিক্ষক তার একটি ছক তৈরি করতে বললে ছাত্ররা একটি হক তৈরি করে। তৈরি করল ছকটি নিম্নরূপ:

পথের নাম

দেশের নাম

সমুদ্রপথ

সিংহল, ব্রহ্মদেশ, চম্পা, কম্বোজ, যবদ্বীপ, মালয়, সুমাত্রা

স্থলপথ

মধ্য এশিয়া, নেপাল, ভুটান, তিব্বত

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

প্রাচীন বাংলার মানুষের যাতায়াতের জন্য প্রধান বাহন ছিল গরুর গাড়ি ও নৌকা।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

বহু বছর বিচিত্র আদান-প্রদান ও মিশ্রণের ফলে বাঙালির একটি নিজস্ব অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের বৈশিষ্ট্য দাঁড়িয়েছে। ফলে অধিকাংশ বাঙালির মাথা গোল আকৃতির, চুল কালো, চোখের মণি পাতলা হতে ঘন কালো। নাকের আকৃতি মোটামুটি মধ্যম, গায়ের রং সাধারণত শ্যামলা, মুখমণ্ডলের গঠন মধ্যম আকৃতি অর্থাৎ গোল বা লম্বা নয়। এ মধ্যম আকৃতির দেহ লক্ষণই বাঙালির বৈশিষ্ট্য।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

ছাত্রদের তৈরিকৃত ছকটি সম্পূর্ণ সঠিক নয়। কেননা পাঠ্য বইয়ে আমরা দেখতে পাই যে, প্রাচীন বাংলার সমুদ্র পথে সিংহল, ব্রহ্মদেশ, চম্পা, কম্বোজ, নবদ্বীপ, মালয়, সুমাত্রা, চীন প্রভৃতি দেশের সাথে পণ্য বিনিময় চলত। স্থলপথে চীন, নেপাল, ভুটান, তিব্বত ও মধ্য এশিয়া প্রভৃতি দেশের সঙ্গে বাণিজ্য চলত।

উদ্দীপকের ছকে ছাত্ররা ভুলবশত সমুদ্র ও স্থল উভয় পথের ক্ষেত্রে চীন দেশের নাম উল্লেখ করেনি। চীন দেশের নাম উল্লেখ করলে ছকটি সম্পূর্ণ যথার্থ হতো।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

ছকে উল্লিখিত দেশের সাথে ব্যবসা বাণিজ্যের মাধ্যমে প্রাচীন বাংলায় বড় বড় বাণিজ্যিক বন্দর গড়ে উঠে। এ সকল বাণিজ্যিক বন্দর হলো- নব্যবশিকা, কোটীবর্ষ, পুন্ড্রবর্ধন, তাম্রলিপ্ত, কর্ণসুবর্ণ, সপ্তগ্রাম ইত্যাদি। এ সকল বাণিজ্য বন্দর দিয়ে এদেশের শিল্প ও কৃষিজাত দ্রব্যাদি বিদেশে পাঠানো হতো এবং বিদেশ থেকে বিভিন্ন মালামাল এদেশে আসত। এছাড়া সমুদ্রপথে সিংহল, ব্রহ্মদেশ, চম্পা, কম্বোজ, যবদ্বীপ, মালয়, শ্যাম, চীন প্রভৃতি দেশের সঙ্গে বাংলার পণ্য বিনিময় চলত। এর সফলে শিল্পের উন্নতি ও ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার ঘটায় বাংলার ধন-সম্পদ ও ঐশ্বর্য প্রচুর বেড়ে যায়। এরই ধারাবাহিকতায় বাংলায় মুদ্রা ব্যবস্থার প্রচলন ঘটে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
309

মানুষ সামাজিক জীব । সমাজবদ্ধ হয়ে বসবাস করাই তার স্বভাব। এভাবে বাস করতে হলে চাই একে অন্যের সাথে সহযোগিতা। এ কারণেই মানুষের প্রয়োজন পড়ে বিভিন্ন সামাজিক অর্থনেতিক ও রাজনৈতিকসহ অন্যান্য প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা। জীবন বাঁচাতে প্রধান তিনটি জিনিসের প্রথম প্রয়োজন- খাদ্য, বস্ত্র এবং বাসস্থান। এর পরই মানুষ জীবনকে সুন্দরভাবে এগিয়ে নিয়ে যেতে মনোযোগ দেয় শিক্ষা, বিজ্ঞান, শিল্পকলা, আইন প্রভৃতির উন্নয়নে । সমাজ জীবন বিকাশে মানুষের এ সমস্ত কাজকর্মের একত্রিত রূপই হচ্ছে তার সংস্কৃতি । আর্যদের আগমনের পূর্বে বাংলার প্রাচীন মানুষ একটি সামাজিক ও সাংস্কৃতিক জীবন গড়ে তুলেছিল । বাংলার সমাজ-সংস্কৃতির এটাই সবচেয়ে প্রাচীন রূপ । পণ্ডিতদের মতে, এদের ভাষার নাম ছিল 'অস্ট্রিক । জাতি হিসেবে এদের বলা হতো নিষাদ । এরপর বাংলার ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সাথে মিশে যায় 'আলপাইন' নামে এক জাতি । আর্যরা এদেশে আসার পূর্বে এরা মিলেমিশে বাংলার সংস্কৃতি গড়ে তোলে । বাঙালির জনপ্রকৃতিতে বিভিন্ন মানবগোষ্ঠীর ধারা এসে মিলিত হয়েছে। এটি তাদেরকে 'সংকর-জন' হিসেবে পরিচিত করেছে। বহু বছর বিচিত্র আদান-প্রদান ও মিশ্রণের ফলে বাঙালির একটি নিজস্ব দৈহিক বৈশিষ্ট্য তৈরি হয়েছে।

এই অধ্যায় শেষে আমরা –

  • প্রাচীন বাংলার আর্থ-সামাজিক অবস্থার বর্ণনা করতে পারব;
  • প্রাচীন বাংলার শিল্পকলা, স্থাপত্য, ভাস্কর্য ও চিত্রকলার বর্ণনা করতে পারব;
  •  প্রাচীন বাংলার ভাষা ও সাহিত্যের উদ্ভব ও বিকাশ ব্যাখ্যা করতে পারব;
  •  প্রাচীন বাংলার ধর্ম, আচার-অনুষ্ঠান, উৎসব ও রীতি-নীতিতে জনগণের প্রদর্শিত মূল্যবোধ ও বিশ্বাস ব্যাখ্যা করতে পারব;
  •  প্রাচীন বাংলার আর্থ-সামাজিক ও সাংস্কৃতিক চর্চায় তৎকালীন গুরুত্বপূর্ণ রাজবংশসমূহের অবদান সম্পর্কে ইতিবাচক ধারণা পোষণ করতে সক্ষম হব;
  •  ইতিহাস চর্চার মাধ্যমে প্রাচীন বাংলার আর্থ-সামাজিক, সাংস্কৃতিক জীবনের উদ্ভব ও বিকাশ সম্পর্কে জানতে আগ্রহী হব ।

Related Question

View All
উত্তরঃ

আর্যদের বৈদিক ভাষা থেকেই কালক্রমে বাংলা ভাষার উৎপত্তি হয়। মূলত প্রাচীন যুগে আর্যরা যে ভাষা ব্যবহার করত এবং যে ভাষায় বৈদিক গ্রন্থ রচিত হয় তা সংস্কার করা হয়। সংস্কারের পর এ ভাষা সংস্কৃত নামে অভিহিত হয়। সংস্কৃত হতে প্রাকৃত এবং প্রাকৃত হতে অপভ্রংশ ভাষার উৎপত্তি হয়। অপভ্রংশ ভাষা হতে অষ্টম বা নবম শতকে বাংলা ভাষার উৎপত্তি হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
591
উত্তরঃ

উদ্দীপকে বর্ণিত খাদ্য ও পোশাক পরিচ্ছদের সাথে বাংলার প্রাচীন আমলের মিল খুঁজে পাওয়া যায়।

প্রাচীনকালেও বর্তমান সময়ের মতো বাঙালির প্রধান খাদ্য ছিল ভাত, মাছ, মাংস, শাক-সবজি, দুধ, ক্ষীর ইত্যাদি। খাওয়া-দাওয়া শেষে মসলাযুক্ত পান খাওয়ার রীতি ছিল। চাউল হতে প্রস্তুত নানা প্রকার পিঠা তখন জনপ্রিয় মুখরোচক খাবার ছিল। তাছাড়া নানা জাতের মাছ পাওয়া যেত। পূর্ববঙ্গে ইলিশ ও শুঁটকি মাছ খুব প্রিয় খাবার ছিল। তরকারির মধ্যে বেগুন, লাউ, কুমড়া, ঝিংগে, কাকরোল, কচু উৎপন্ন হতো। ফলের মধ্যে আম, কাঁঠাল, কলা, নারকেল, পেঁপে পাওয়া যেতো। দরকারি বিভিন্ন জিনিস গ্রামেই তৈরি হতো।

আর পোশাক পরিচ্ছদের ক্ষেত্রে প্রাচীন যুগে রাজা মহারাজা ও ধনীদের বাদ দিলে তেমন বিশেষ আড়ম্বর ছিল না। প্রাচীন বাংলার নারী-পুরুষ উভয়েই অলংকার পরতো। তারা কানে কুণ্ডল, গলায় হার, আঙুলে আংটি, হাতে বালা ও পায়ে মল পরিধান করতো। মেয়েদের সাজসজ্জায় আলতা, সিঁদুর ও কুমকুমের ব্যবহার প্রচলিত ছিল।

উদ্দীপকে দেখা যায়, টিনা নীলার বিয়েতে গ্রামের বাড়ি বেড়াতে গিয়ে প্রাচীন বাংলার খাবারের সাথে টিনার বিয়ের আয়োজনে খাদ্যতালিকার মিল দেখতে পায়। সাজসজ্জার ক্ষেত্রেও প্রাচীন যুগের সাথে সাদৃশ্য খুঁজে পায় টিনা। তাই বলা যায়, উদ্দীপকে টিনা তার বান্ধবী নীলার গ্রামের বাড়িতে যা কিছু প্রত্যক্ষ করেছে সেগুলোর সাথে বাংলার প্রাচীন আমলের মিল খুঁজে পাওয়া যায়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
449
উত্তরঃ

নীলাদের গ্রামের আর্থিক কাঠামোর মাঝে প্রাচীন বাংলার প্রতিচ্ছবি ফুটে উঠেছে বলে আমি মনে করি।

প্রাচীনকাল থেকেই বাংলা কৃষির জন্য সুখ্যাত ছিল। এ অঞ্চলে পাট, ইক্ষু, তুলা, নারকেল, সুপারি, এলাচ, লবঙ্গ ইত্যাদি উৎপন্ন হতো। এছাড়াও কুটিরশিল্পের মধ্যে মাটির তৈরি কলস, ঘটি-বাটি, বাসনপত্র ইত্যাদি ছিল। আর লোহার তৈরি জিনিসপত্রের মধ্যে ছিল দা, কুড়াল, কোদাল ইত্যাদি। বস্ত্রশিল্পের জন্য বাংলা প্রাচীনকালেই বিখ্যাত হয়ে উঠেছিল। বিশ্বখ্যাত মসলিন কাপড় প্রাচীন কাল থেকেই বাংলায় তৈরি হতো। আর কার্পাস তুলা ও রেশমের তৈরি উন্নতমানের সূক্ষ্ম বস্ত্রের জন্যও বঙ্গ প্রসিদ্ধ ছিল।

বঙ্গে স্থল ও জলপথেই বাণিজ্যের আদান-প্রদান চলত। দেশের ভেতরে বাণিজ্য ছাড়াও সে সময় বাংলার বৈদেশিক বাণিজ্য বেশ উন্নত ছিল। তাছাড়াও প্রাচীন বাংলায় পূজা-পার্বণ ও আমোদ-প্রমোদের ব্যবস্থা ছিল। দুর্গার অর্চনা উপলক্ষে বরেন্দ্রে বিপুল উৎসব হতো। ভ্রাতৃ দ্বিতীয়া, আকাশপ্রদীপ, জন্মাষ্টমী, দশহরা, গঙ্গাস্নান ইত্যাদি অনুষ্ঠান হতো বঙ্গে। পরিশেষে বলা যায়, উদ্দীপকে উল্লিখিত গ্রামের আর্থিক কাঠামোর মাঝে প্রাচীন বাংলার চিত্র ফুটে উঠেছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
414
উত্তরঃ

প্রাচীন বাংলার মানুষের অবস্থা মোটামুটি উন্নত ছিল।

প্রাচীন বাংলার সমাজ জীবনে নানা ধরনের প্রথা বিদ্যমান ছিল। আর প্রাচীন বাংলার অর্থনৈতিক জীবনের মূলভিত্তি ছিল কৃষি। এছাড়াও কুটিরশিল্প গড়ে উঠেছিল বঙ্গে। আর প্রাচীন বাংলায় স্থাপত্য, ভাস্কর্য ও চিত্রশিল্পের বহু নিদর্শন ছিল। তাছাড়াও তৎকালীন বাংলায় বিভিন্ন ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান পালন করা হতো।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
2.3k
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews