প্রাচুর্য আর ধন-সম্পদ জাহিদ সাহেবকে অহংকারী করেনি, বরং তিনি খাঁটি মুমিন। মুমিন হওয়ার কারণে গ্রামের অন্যান্য লোকজন তাকে বিভিন্নভাবে কষ্ট দিত। তারপরও গ্রামে। দুর্ভিক্ষ দেখা দিলে তিনি খাদ্য বিতরণ করে সবাইকে সাহায্য করেন। গ্রামে তুচ্ছ বিষয়কে কেন্দ্র করে মারামারি বেধে গেলে জাহিদ সাহেব স্থানীয় গণ্যমান্য লোকদের সহযোগিতায় বিষয়টি মীমাংসা করেন এবং গ্রামবাসীদেরকে লক্ষ করে বলেন, সমাজে আমরা সরাই ভাই ভাই হিসেবে শান্তিতে বসবাস করতে চাই। এজন্য সবার প্রতি ক্ষমা, ভালোবাসা ও দয়াশীল হতে হবে।

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

হযরত ফাতিমা (রা.) যাহরা ও বাতুল উপাধিতে ভূষিত ছিলেন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
9 months ago
উত্তরঃ

হযরত ইউসুফ (আ.) ছিলেন অত্যন্ত বিনয়ী ও উত্তম চরিত্র গুণে গুণান্বিত। মানবিক কারণেই তিনি তাঁর ভাইদের ক্ষমা করে দেন। মিসরে একবার ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ দেখা দিলে অভাবের তাড়নায় তাঁর ভ্রাতারা তিনবার খাদ্যশস্য সংগ্রহের জন্য রাজদরবারে আসে। মানবিক কারণে হযরত ইউসুফ (আ.) প্রত্যেক বারই তাদেরকে যথেষ্ট পরিমাণ খাদ্যশস্য বরাদ্দ দেন। তখন ভ্রাতাগণ নিজেদের ভুল বুঝতে পেরে হযরত ইউসুফ (আ.)-এর নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করে। তিনি এ বলে তাদের ক্ষমা করে দিলেন যে, "আজ তোমাদের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ নেই, আল্লাহ তোমাদের ক্ষমা করুন এবং তিনি শ্রেষ্ঠ দয়ালু।" (সূরা ইউসুফ: ৯২)

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
9 months ago
উত্তরঃ

জাহিদ সাহেবের সাথে আমরা ইসলামের তৃতীয় খলিফা হযরত উসমান (রা.)-এর চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের মিল খুঁজে পাই।

হযরত উসমান (রা.) ইসলাম গ্রহণের পর সর্বদা ইসলাম প্রচারের কাজে আত্মনিয়োগ করেন। তিনি সর্বদা রাসুল (স.)-এর সাথে থাকতেন। এ কাজে তিনি তাঁর সম্পদ উদার হস্তে ব্যয় করেন। তিনি নিজ খরচে মসজিদে নববি সম্প্রসারণ করেন। মদিনায় দুর্ভিক্ষ দেখা দিলে দুস্থদের মাঝে খাদ্য বিতরণ করেন। তাবুক যুদ্ধে তিনি দশ হাজার দিনার (মুদ্রা) ও এক হাজার উষ্ট্র মুসলিম সেনাবাহিনীকে দান করেন।

অনুরূপভাবে উদ্দীপকের জাহিদ সাহেব প্রাচুর্য আর ধনসম্পদের মালিক হলেও অহংকারী হননি। গ্রামে দুর্ভিক্ষ দেখা দিলে তিনি খাদ্য বিতরণ করে সবাইকে সাহায্য করেন। এর দ্বারা উভয়ের মাঝে দানশীলতার বৈশিষ্ট্যটির মিল খুঁজে পাই।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
9 months ago
উত্তরঃ

জাহিদ সাহেবের সর্বশেষ উক্তিটি ইসলামের চতুর্থ খলিফা হযরত আলি (রা.)-এর উক্তির সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ।
কেননা হযরত আলি (রা.) তাঁর খিলাফতকালে মিসরের গভর্নর মালিক আল-আশতারকে লিখিত এক প্রশাসনিক পত্রে উল্লেখ করেন, "তুমি তোমার প্রজাদের জন্য তোমার অন্তকরণে ক্ষমা, ভালোবাসা ও দয়া প্রবিষ্ট কর। তাদেরকে সহজে শিকারযোগ্য মনে করে তাদের সম্মুখে পেটুক জন্তুর মতো হয়ো না। কেননা তারা দুই ধরনের; হয়তো তারা তোমার ধর্মীয় ভাই নয়তো তারা সৃষ্টিগতভাবে তোমার সমান। তারা অসতর্কভাবে ভুল করতে পারে, তাদের অদক্ষতা থাকতে পারে,
তাদের দ্বারা ইচ্ছাকৃতভাবে অথবা ভুলবশত (মন্দকাজ) সংঘটিত হতে পারে। সুতরাং তাদেরকে সেভাবেই ক্ষমা কর যেভাবে তুমি আল্লাহর কাছে তাঁর ক্ষমা প্রত্যাশা কর। কেননা, তুমি তাদের উপরে এবং যে তোমাকে নিযুক্ত করেছে সে তোমার উপরে, আর আল্লাহ তার উপরে যে-তোমাকে নিযুক্ত করেছে।
তুমি তাদের (প্রজাদের) চাহিদাগুলো পূরণ করবে আল্লাহ তাই প্রত্যাশা করেন এবং তিনি তাদের দ্বারা তোমাকে পরীক্ষা করছেন।"
অনুরূপভাবে জাহিদ সাহেবও গ্রামের মারামারির মিমাংসা করতে গিয়ে বলেন, "সমাজে আমরা সবাই ভাই-ভাই হিসেবে বসবাস করতে চাই। এজন্য সবার প্রতি ক্ষমা, ভালোবাসা ও দয়াশীল হতে হবে।"
সুতরাং দেখা যায়, হযরত আলি (রা.) ও জাহিদ সাহেব উভয়ে তার জনগণের জন্য ক্ষমা, ভালোবাসা ও দয়া প্রদর্শনের জন্য নির্দেশ দিয়েছেন। এজন্য জনাব জাহিদের তাদের দ্বারা ইচ্ছাকৃতভাবে অথবা ভুলবশত (মন্দকাজ) সংঘটিত হতে পারে। সুতরাং তাদেরকে সেভাবেই ক্ষমা কর যেভাবে তুমি আল্লাহর কাছে তাঁর ক্ষমা প্রত্যাশা কর। কেননা, তুমি তাদের উপরে এবং যে তোমাকে নিযুক্ত করেছে সে তোমার উপরে, আর আল্লাহ তার উপরে যে-তোমাকে নিযুক্ত করেছে।

তুমি তাদের (প্রজাদের) চাহিদাগুলো পূরণ করবে আল্লাহ তাই প্রত্যাশা করেন এবং তিনি তাদের দ্বারা তোমাকে পরীক্ষা করছেন।"
অনুরূপভাবে জাহিদ সাহেবও গ্রামের মারামারির মিমাংসা করতে গিয়ে বলেন, "সমাজে আমরা সবাই ভাই-ভাই হিসেবে বসবাস করতে চাই। এজন্য সবার প্রতি ক্ষমা, ভালোবাসা ও দয়াশীল হতে হবে।"
সুতরাং দেখা যায়, হযরত আলি (রা.) ও জাহিদ সাহেব উভয়ে তার জনগণের জন্য ক্ষমা, ভালোবাসা ও দয়া প্রদর্শনের জন্য নির্দেশ দিয়েছেন। এজন্য জনাব জাহিদের উক্তি হযরত আলি (রা.)-এর উক্তির

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
9 months ago
248

মানুষ সৃষ্টির সেরা জীব। মহান আল্লাহর আদেশ-নিষেধ অনুসরণ করলেই মানুষ সেরা হতে পারে। যে জীবন অনুসরণ ও অনুকরণ করলে মানুষের জীবন সুন্দর ও সফল হয়, তাকে আদর্শ জীবন বলে। আল্লাহ তায়ালা যুগে যুগে যেসব নবি ও রাসুল প্রেরণ করেছেন, তাঁদের জীবনই আমাদের জন্য আদর্শ। এমনিভাবে যেসব মনীষী, নবি ও রাসুলগণের পথ অনুসরণ করেছেন তাঁরাও আদর্শ মানুষ। তাঁদের জীবনের ভালো দিকগুলো আমাদের আদর্শ।

এ অধ্যায় শেষে আমরা -

  • আদর্শ জীবনচরিত অধ্যয়নের উদ্দেশ্য ব্যাখ্যা করতে পারব।
  • হযরত ইসমাঈল (আ.), হযরত ইউসুফ (আ.), হযরত মুহাম্মদ (স.), হযরত উসমান (রা.), হযরত আলি (রা.), ও হযরত ফাতিমা (রা.)-এর জীবনচরিত বর্ণনা করতে পারব।
  • মনীষীগণের গুণাবলি যেমন- সমাজসেবা, সাম্য, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, ভ্রাতৃত্ববোধ, সহমর্মিতা, পরমতসহিষ্ণুতা, সৌহার্দ, মানবিকতা, আধ্যাত্মিকতা, ত্যাগ, ক্ষমা, অসাম্প্রদায়িক দৃষ্টিভঙ্গি, ন্যায়বিচার, দানশীলতা, পরোপকারিতা, দেশপ্রেম, সুশাসন প্রতিষ্ঠা ইত্যাদিতে তাঁদের অবদান ও শিক্ষা ব্যাখ্যা ও মূল্যায়ন করতে পারব।
  • বাস্তব জীবনে মনীষীগণের গুণাবলি অনুসরণ করে আদর্শ জীবন গঠনের উপায় বলতে পারব।
  • দলগত কাজে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ রক্ষার উপায় এবং সামগ্রিকভাবে নেতৃত্ব প্রদানের গুণাবলি চিহ্নিত করতে পারব।

Related Question

View All
উত্তরঃ

হযরত ইসমাঈল (আ.)-এর উপাধি ছিল 'ছাদেকুল ওয়াদ' অর্থাৎ অঙ্গীকার পালনকারী।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
9 months ago
428
উত্তরঃ

নবুয়তের প্রথমদিকে মহানবি (স.) প্রকাশ্যে ইসলামের দাওয়াত দেওয়া শুরু করেন। তাঁর এ দাওয়াতে মক্কার কাফিরগণ ভীষণ ক্রুদ্ধ হলো এবং তাঁর ওপর নানারকম অত্যাচার-নির্যাতন চালাতে লাগল। অপরদিকে, মদিনাবাসীরা, মহানবি (স.)-কে মদিনায় গমনের দাওয়াত দেন এবং তাঁকে সর্বাত্মক সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি দেন। তাই মক্কার কাফিরদের সীমাহীন নির্যাতন এবং মদিনাবাসীদের আগ্রহ এবং সর্বোপরি আল্লাহ পাকের নির্দেশপ্রাপ্ত হয়ে মহানবি (স.) মক্কা থেকে মদিনায় হিজরত করেছিলেন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
9 months ago
190
উত্তরঃ

উদ্দীপকের সমঝোতা চুক্তিটি মহানবি (স.)-এর 'হুদায়বিয়ার 'সন্ধি' চুক্তির সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ।

হিজরতের পর একসময় জন্মভূমিকে দেখার তীব্র আকাঙ্ক্ষা ও আল্লাহর ঘর যিয়ারত করার অদম্য ইচ্ছা হযরত মুহাম্মদ (স.)-এর মনে জাগ্রত হলো। অবশেষে ৬ষ্ঠ হিজরি মোতাবেক ৬২৮ খ্রিস্টাব্দের যিলকদ মাসে তিনি মক্কা অভিমুখে রওয়ানা দিলেন। তাঁর সাথে ছিল ১৪০০ নিরস্ত্র সাহাবি। তাঁদের কোনো সামরিক উদ্দেশ্য ছিল না। মুসলমানদের আগমনের সংবাদ মক্কার কাফিররা শুনে খুব ভীতসন্ত্রস্ত হলো। তারা মুসলমানদের প্রতিরোধ করার জন্য সদলবলে, অস্ত্রসহ অগ্রসর হলো। এক পর্যায়ে মক্কার কাফিরদের সাথে মহানবি (স.)-এর সাথে যুদ্ধ অবশ্যম্ভাবী হয়ে উঠল। ঘটনার এক পর্যায়ে মুসলমান ও কাফিরদের মাঝে চুক্তি হলো। এ চুক্তি 'হুদায়বিয়ার সন্ধি' নামে পরিচিত। হুদায়বিয়ার সন্ধি চুক্তির ফলে মুসলমান ও কাফিরদের মধ্যে একটি অবশ্যম্ভাবী যুদ্ধের অবসান হয়। এ সন্ধি চুক্তিকে মুসলমানদের জন্য একটি প্রত্যক্ষ বিজয় হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
9 months ago
243
উত্তরঃ

উদ্দীপকে উল্লিখিত সেলিম মিয়ার শেষ উক্তিটি ছিল, "মহানবি (স.)-এর জীবনী অনুসরণ করেই আমরা শান্তি ও শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা করতে পারি।" - উক্তিটি অত্যন্ত মূল্যবান, যুক্তিসঙ্গত ও যথার্থ বলে আমি মনে করি।

মহানবি (স.) ছিলেন অত্যন্ত মহৎ, দয়ালু, মানবপ্রেম ও পরমতসহিষ্ণু গুণের অধিকারী। তিনি জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকল মানুষের সাথে সদ্ব্যবহার করতেন। আত্মীয়, অনাত্মীয়, পরিচিত-অপরিচিত সবাইকে তিনি ভালোবাসতেন, সবার প্রতি দয়া করতেন। হিজরতের পর হযরত মুহাম্মদ (স.) মদিনায় ধর্ম, বর্ণ ও গোত্রীয় বিভেদ নিরসন করে পারস্পরিক শান্তি-সম্প্রীতি ও শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে একটি আদর্শ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি রাষ্ট্রীয় কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য কতকগুলো উদ্যোগ গ্রহণ করেন, যার মধ্যে মদিনা সনদ উল্লেখযোগ্য। এটি পৃথিবীর ইতিহাসে সর্বপ্রথম লিখিত সংবিধান। মদিনা সনদের ফলে মদিনার লোকজনের মাঝে সকল হিংসা-বিদ্বেষ ও কলহের অবসান হলো। তারা ঐক্যবদ্ধ হলো। ধর্ম, বর্ণ ও গোত্র নির্বিশেষে সকলের প্রাপ্য অধিকার প্রতিষ্ঠা হলো। মুসলিম ও অমুসলিমদের মাঝে এক উদার সম্প্রীতি স্থাপিত হলো। এছাড়া হুদায়বিয়ার সন্ধি ছিল, মহানবি (স.)-এর দূরদর্শিতা, বিচক্ষণতা ও 'বুদ্ধিমত্তার এক অনন্য পদক্ষেপ। এ সন্ধির ফলে পরবর্তীতে বিনা বাধায় মক্কা বিজয়সহ মুসলমানদের অনেক অগ্রগতি হয়েছিল।
তাই আমি মনে করি, মদিনা সনদ ও হুদায়বিয়ার সন্ধি হতে শিক্ষা গ্রহণ ও মহানবি (স.)-এর জীবনী অনুসরণ করেই আমরা শান্তি ও শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা করতে পারি।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
9 months ago
217
উত্তরঃ

হযরত ইউসুফ (আ.) ছিলেন অত্যন্ত বিনয়ী ও উত্তম চরিত্র গুণে গুণান্বিত। মানবিক কারণেই তিনি তাঁর ভাইদের ক্ষমা করে দেন। মিসরে একবার ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ দেখা দিলে অভাবের তাড়নায় তাঁর ভ্রাতারা তিনবার খাদ্যশস্য সংগ্রহের জন্য রাজদরবারে আসে। মানবিক কারণে হযরত ইউসুফ (আ.) প্রত্যেক বারই তাদেরকে যথেষ্ট পরিমাণ খাদ্যশস্য বরাদ্দ দেন। তখন ভ্রাতাগণ নিজেদের ভুল বুঝতে পেরে হযরত ইউসুফ (আ.)-এর নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করে। তিনি এ বলে তাদের ক্ষমা করে দিলেন যে, "আজ তোমাদের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ নেই, আল্লাহ তোমাদের ক্ষমা করুন এবং তিনি শ্রেষ্ঠ দয়ালু।" (সূরা ইউসুফ: ৯২)

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
9 months ago
286
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews