প্রিন্স ফিলিপ অল্প বয়সে উত্তরাধিকারসূত্রে একটি রাজ্যের সিংহাসন লাভ করেন। কিন্তু তাঁর ঘনিষ্ট জনেরা এমন শাসক মনোনয়নে সন্তুষ্ট হননি। তারা বহিঃশত্রুর সাথে ষড়যন্ত্র করে শাসক ফিলিপকে ক্ষমতাচ্যুত ও হত্যা করেন। অদূরদর্শিতা ও বিচক্ষণতার অভাবে তাঁকে করুন পরিণতি ভোগ করতে হয়।

Updated: 1 year ago
উত্তরঃ

ভাস্কো দা গামা ১৪৯৮ খ্রিষ্টাব্দে ভারতবর্ষে আসেন।

Satt AI
Satt AI
1 month ago
উত্তরঃ

ছিয়াত্তরের মন্বন্তর ছিল ১৭৭০ খ্রিস্টাব্দে (বাংলা ১১৭৬ সনে) তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতের বেঙ্গল প্রেসিডেন্সিতে সংঘটিত এক ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ। এটি ছিল বাংলার ইতিহাসে অন্যতম মর্মান্তিক ঘটনা, যা লক্ষ লক্ষ মানুষের জীবন কেড়ে নিয়েছিল।

এই দুর্ভিক্ষ মূলত তীব্র খরা, শস্যহানি, এবং ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শোষণমূলক ভূমি রাজস্ব নীতির সম্মিলিত ফল ছিল। কোম্পানি স্থানীয় কৃষকদের থেকে উচ্চ হারে কর আদায় করত এবং খাদ্য মজুত করে রাখত, যা দুর্ভিক্ষের তীব্রতা বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছিল। এর ফলে বাংলার এক-তৃতীয়াংশেরও বেশি মানুষ মৃত্যুবরণ করে।

Satt AI
Satt AI
1 month ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে বর্ণিত প্রিন্স ফিলিপের সাথে বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব সিরাজউদ্দৌলার চরিত্রের সাদৃশ্য রয়েছে। প্রিন্স ফিলিপ অল্প বয়সে উত্তরাধিকারসূত্রে সিংহাসন লাভ করেন এবং অভ্যন্তরীণ কোন্দল ও বহিঃশত্রুর চক্রান্তের শিকার হয়ে ক্ষমতাচ্যুত ও নিহত হন, যা নবাব সিরাজউদ্দৌলার জীবনের মর্মান্তিক পরিণতির প্রতিচ্ছবি।

১৭৫৬ সালে মাত্র ২২ বছর বয়সে সিরাজউদ্দৌলা বাংলার মসনদে আরোহণ করেন। তাঁর রাজত্বের শুরু থেকেই খালা ঘসেটি বেগম, সেনাপতি মীরজাফর, উমিচাঁদ, জগৎশেঠ প্রমুখ প্রাসাদ ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হন। তারা ইংরেজ বণিক ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির সাথে আঁতাত করে সিরাজকে ক্ষমতাচ্যুত করার নীল নকশা তৈরি করে, যা উদ্দীপকের 'ঘনিষ্ট জনদের অসন্তুষ্টি' এবং 'বহিঃশত্রুর সাথে ষড়যন্ত্রের' ধারণাকে সমর্থন করে।

উদ্দীপকে প্রিন্স ফিলিপের অদূরদর্শিতা ও বিচক্ষণতার অভাবের কথা বলা হয়েছে। যদিও সিরাজউদ্দৌলা সাহসী ও দূরদৃষ্টিসম্পন্ন ছিলেন, তবে তার তরুণ বয়স এবং অভিজ্ঞতা ও বিচক্ষণতার অভাবে তিনি ষড়যন্ত্রকারীদের সঠিকভাবে মোকাবিলা করতে পারেননি। পলাশীর প্রান্তরে মীরজাফরের বিশ্বাসঘাতকতার ফলে তার পরাজয় ঘটে এবং পরবর্তীতে তাকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়, যা উদ্দীপকের প্রিন্স ফিলিপের করুন পরিণতির সাথে সম্পূর্ণ সাদৃশ্যপূর্ণ।

Satt AI
Satt AI
1 month ago
উত্তরঃ

প্রিন্স ফিলিপের পরাজয়ের কারণ হিসেবে শুধুমাত্র বিচক্ষণতার অভাবকে চিহ্নিত করা একটি সরলীকরণ। ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, একজন শাসকের পতনের পেছনে সাধারণত একাধিক জটিল কারণ ক্রিয়াশীল থাকে। বিচক্ষণতার অভাব একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হলেও, অনেক সময় এর পাশাপাশি অন্যান্য পারিপার্শ্বিক অবস্থাও সমানভাবে দায়ী থাকে।

উদ্দীপকে বর্ণিত প্রিন্স ফিলিপের ঘটনাপ্রবাহ বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, তাঁর পতনের পেছনে কেবল বিচক্ষণতার অভাবই একমাত্র কারণ ছিল না। তিনি অল্প বয়সে সিংহাসনে আরোহণ করেন, যা হয়তো তাঁর অনভিজ্ঞতাকে ইঙ্গিত করে। তবে, সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো তাঁর ঘনিষ্টজনেরা তাঁর শাসনে সন্তুষ্ট ছিলেন না। এটি অভ্যন্তরীণ অসন্তোষ এবং ক্ষমতার দ্বন্দ্বে ইঙ্গিত দেয়। এই অসন্তোষই পরবর্তীতে বহিঃশত্রুর সাথে ষড়যন্ত্রের মূল ভিত্তি তৈরি করে, যা তাঁর ক্ষমতাচ্যুতির প্রত্যক্ষ কারণ।

প্রিন্স ফিলিপের 'অদূরদর্শিতা ও বিচক্ষণতার অভাব' নিঃসন্দেহে তাঁর পতনের একটি বড় কারণ। এই অভাবের কারণেই হয়তো তিনি তাঁর ঘনিষ্টজনদের অসন্তোষ অনুধাবন করতে পারেননি বা তাদের ষড়যন্ত্র রোধে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থ হয়েছেন। একজন বিচক্ষণ শাসক অভ্যন্তরীণ বিভেদ ও বহিঃশত্রুর হুমকি সম্পর্কে সর্বদা সজাগ থাকেন এবং তা মোকাবেলায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। ফিলিপের ক্ষেত্রে এই বিচক্ষণতার অভাবই তাঁর দুর্বলতাকে বাড়িয়ে দিয়েছিল, যার সুযোগ নিয়ে ষড়যন্ত্রকারীরা সফল হয়। অর্থাৎ, বিচক্ষণতার অভাব সরাসরি তাঁর পতনের কারণ না হয়েও, অন্যান্য কারণগুলোকে কার্যকর হতে সাহায্য করেছে।

সুতরাং, এই পরিপ্রেক্ষিতে বলা যায়, শুধুমাত্র বিচক্ষণতার অভাব প্রিন্স ফিলিপের পরাজয়ের একমাত্র কারণ ছিল না। বরং, তাঁর বিচক্ষণতার অভাবের পাশাপাশি ঘনিষ্টজনদের অসন্তোষ এবং বহিঃশত্রুর সাথে তাদের ষড়যন্ত্রই তাঁর করুণ পরিণতির জন্য সম্মিলিতভাবে দায়ী ছিল। ইতিহাস সাক্ষ্য দেয় যে, ক্ষমতা ধরে রাখতে হলে একজন শাসকের কেবল ব্যক্তিগত গুণাবলী নয়, বরং চারপাশের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিস্থিতি বিচক্ষণতার সাথে সামাল দেওয়াও অত্যন্ত জরুরি।

Satt AI
Satt AI
1 month ago
157

Related Question

View All
উত্তরঃ

ভারতবর্ষের সাথে প্রাচীনকাল থেকে ইউরোপীয়দের জল ও স্থলপথে ব্যবসায় বাণিজ্যের যোগাযোগ ছিল মূলত ভারতবর্ষের বাণিজ্যিক সুবিধার সমৃদ্ধ কৃষি ব্যবস্থা সর্বোপরি প্রাকৃতিক সম্পদ ও ঐশ্বর্য পরিপূর্ণতার কারণে ইউরোপীয়রা এখানে আগমন করে ইউরোপীয় দেশসমূহের শিল্প বিপ্লব প্রস্তুতি পুঁজিবাদের বিকাশ ও নতুন বাজার অনুসন্ধান পরোক্ষভাবে ভারতে ইউরোপীয়দের আগমন ঘটায় ইউরোপীয়রা ভারতে প্রথম ব্যবসায়ী কার্য সম্পন্ন করলে ধীরে ধীরে রাজনৈতিক ক্ষমতার দখল করে

Tuhin Tuhin
Tuhin Tuhin
2 years ago
4.1k
উত্তরঃ

১৭৭৮ খ্রিষ্টাব্দে ক্যাপ্টেন ককুক প্রশান্ত মমহাসাগরের ববুকে হাওয়াই দ্বীপপুঙ্ঝ আবিষ্কার ককরেন।হাওয়াই এএ পৌঁছালে আআদিবাসীরা ক্যাপ্টেন ককুক ও তার সঙ্গীদের স্বাগত জানায়।কিন্তু বিভিন্ন কারণে শেষ পযন্ত আদিবাসীরা ক্যাপ্টেন কুক এবং তার সঙ্গীদের অনেক কে হত্যা ও বাকিদের দ্বীপ থেকে বিতাড়িত করে। 

1.8k
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews