'প্রিয় স্বাধীনতা' কবিতাটি কবির নিজের গ্রাম পাড়াতলির বিভিন্ন দিক নিয়ে লেখা। কবি এতে সেই গ্রামের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, প্রকৃতির বিভিন্ন দিক, গ্রাম নিয়ে তাঁর স্মৃতি তুলে ধরেছেন। তিনি গ্রামজীবনের শত যুগের নির্মম অন্ধকারেও মানুষগুলোর লড়াই করে টিকে থাকার কথাও বলেছেন। সবশেষে তিনি ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ ও প্রিয় স্বাধীনতার কথা বলেছেন। এই কবিতায় কবি মূলত বাংলাদেশের গ্রামীণ প্রকৃতি ও মানুষের জীবন তুলে ধরেছেন।
Related Question
View All'প্রিয় স্বাধীনতা' কবিতার কবির নাম শামসুর রাহমান। তিনি তাঁর পাড়াতলি গাঁয়ে যেতে চান।
কবি মেঘনা নদী ইঞ্জিনচালিত নৌকায় পাড়ি দেবেন। দুচোখ ভরে তিনি আলো-ছায়ার খেলা দেখবেন।
কবির গাঁয়ের পুকুরপাড় গাছে ঘেরা। তিনি সেখানে বিকেলবেলায় বসবেন।
কবি তাঁর গাঁয়ের রাতের সৌন্দর্য সম্পর্কে বলতে গিয়ে বলেছেন, সেখানে বাঁশবাগানে আধখানা চাঁদ দেখা যায়। আবার ঝোপেঝাড়ে বাতির মতো জোনাকি দেখা যায়।
'প্রিয় স্বাধীনতা' কবিতায় একটি নদীর কথা আছে। কবি মেঘনা নদীর বাঁকে ছুটে বেড়ান।
কবিতায় প্রজাপতির মেলার কথা বলা হয়েছে। কবি হলদে পাখির ডাকে চমকে ওঠেন।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!



