একটি নির্দিষ্ট সময় এবং একটি নির্দিষ্ট প্রাসঙ্গিক কার্য পরিসরে উৎপাদনের পরিমাণ হ্রাস বা বৃদ্ধিতে যে ব্যয় পরিবর্তিত হয় না তাকে স্থায়ী ব্যয় বলে।
একটি কোম্পানির মজুদ পণ্যের (কাঁচামাল, আংশিক সমাপ্ত পণ্য, সমাপ্ত পণ্য) ফরমায়েশ প্রদান, সংরক্ষণ ও যথাযথ ব্যবহারের প্রক্রিয়াকে মজুদ পণ্য ব্যবস্থাপনা বলে।
পণ্য উৎপাদনের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন কাঁচামাল। কাঁচামালের সরবরাহ নিশ্চিত না হলে, উৎপাদন বন্ধ হওয়ার ঝুঁকি থাকে। সে কারণে মালের একটা মজুদ গড়ে তুলতে হয়। এই মাল অবশ্য শুধু কাঁচামাল নয়, আংশিক সমাপ্ত পণ্য, সমাপ্ত পণ্য ইত্যাদিও এর মধ্যে পড়ে। মজুদপণ্যের ঘাটতির কারণে প্রতিষ্ঠানের উৎপাদন ব্যাহত হয়। আবার প্রয়োজনের তুলনায় অতিরিক্ত মজুদপণ্য থাকলে মূলধনের একটা বিরাট অংশ অব্যবহৃত রয়ে যাবে। তাই মজুদপণ্য শুধু ক্রয় করলেই চলবে না, এর সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা করা দরকার।
A প্লান্টের সমচ্ছেদ বিন্দু (টাকায়) নির্ণয়:
এখানে
স্থায়ী ব্যয় = ৪০,০০০ টাকা
এককপ্রতি বিক্রয়মূল্য = ৪৫০ টাকা
এককপ্রতি পরিবর্তনশীল ব্যয় = ২০০ টাকা
আমরা জানি
সমচ্ছেদ বিন্দু (টাকায়)
= স্থায়ী ব্যয় /এককপ্রতি বিক্রয়মূল্য- এককপ্রতি পরিবর্তনশীল ব্যয় এককপ্রতি বিক্রয়মূল্য
= ৭২,০০০ টাকা
সুতরাং A প্লান্টের সমচ্ছেদ বিন্দু ৭২,০০০ টাকা।
A প্লান্টের নিরাপত্তা প্রান্ত অনুপাত নির্ণয় :
এখানে,
A প্লান্টের প্রকৃত বিক্রয়ের পরিমাণ ৯০,০০০ টাকা
A প্লান্টের সমচ্ছেদ বিক্রয়ের পরিমাণ ৭২,০০০ টাকা ['গ' নং থেকে প্রাপ্ত)
আমরা জানি,
নিরাপত্তা প্রান্ত অনুপাত = প্রকৃত বিক্রয় – সমচ্ছেদ বিক্রয়/প্রকৃত বিক্রয় × ১০০
= ২০%
B প্লান্টের নিরাপত্তা প্রান্ত অনুপাত নির্ণয় :
এখানে,
B প্লান্টের প্রকৃত বিক্রয়ের পরিমাণ = ৯৫,০০০ টাকা
B প্লান্টের,
সমচ্ছেদ বিক্রয় (টাকায়)
= স্থায়ী ব্যয় /এককপ্রতি বিক্রয়মূল্য – এককপ্রতি পরিবর্তনশীল ব্যয় এককপ্রতি বিক্রয়মূল্য
= ৭৬,০০০ টাকা
আমরা জানি
নিরাপত্তা প্রান্ত অনুপাত = প্রকৃত বিক্রয় – সমচ্ছেদ বিক্রয়/প্রকৃত বিক্রয় × ১০০
= ২০%
লক্ষণীয় যে, A ও B প্লান্টের নিরাপত্তা প্রান্ত যথাক্রমে ২০% ও ২০%। সুতরাং উভয় কোম্পানির নিরাপত্তা সমান হওয়ায় প্রীতম কোম্পানি লি.-এর যেকোনো একটি প্লান্টে বিনিয়োগ করা যুক্তিযুক্ত হবে।
Related Question
View Allযে বিন্দুতে প্রতিষ্ঠানের মোট বিক্রয়লব্ধ আয় মোট ব্যয়ের সমান হয় তাকে সমচ্ছেদ বিন্দু বলে।
নগদ প্রবাহ বলতে নগদ অর্থের আগমন ও নির্গমনকে বোঝায়।
একটি ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানে বিভিন্ন কাজের মাধ্যমে নগদ আন্তঃপ্রবাহ এবং নগদ বহিঃপ্রবাহ ঘটে। নগদ অর্থের পরিমাণ নগদ আন্তঃপ্রবাহের মাধ্যমে বৃদ্ধি পায় এবং নগদ বহিঃপ্রবাহের মাধ্যমে হ্রাস পায়।
রুবেল লি.-এর পরোক্ষ পদ্ধতিতে পরিচালন কার্যক্রম থেকে নিট নগদ প্রবাহ নির্ণয় :
| বিবরণ | টাকা | টাকা |
পরিচালন কার্যক্রম হতে নগদ প্রবাহ: নিট মুনাফা অবচয় খরচ দেনাদার হ্রাস পাওনাদার বৃদ্ধি পরিচালন কার্যক্রম থেকে নিট নগদ প্রবাহ | ৮,০০০ ১২,০০০ (১৫,০০০) ৭,০০০ | ৬৫,০০০
১২,০০০ ৭৭,০০০ |
রুবেল লি.
নগদ প্রবাহ বিবরণী
২০১৮ সালের ৩১ ডিসেম্বর তারিখে সমাপ্ত বছরের জন্য
বিবরণ | টাকা | টাকা |
পরিচালন কার্যক্রম থেকে নিট নগদ বিনিয়োগ কার্যক্রম থেকে নগদ প্রবাহ : বিনিয়োগ কার্যক্রম থেকে নিট নগদ প্রবাহ: অর্থায়ন কার্যক্রম হতে নগদ প্রবাহ শেয়ার বিক্রি লভ্যাংশ প্রদান | (৬০,০০০)
৫০,০০০ (২২,০০০) | ৭৭,০০০
(৬০,০০০) ২৮,০০০ |
অর্থায়ন কার্যক্রম থেকে নিট নগদ প্রবাহ : নিট নগদ বৃদ্ধি যোগ: প্রারম্ভিক নগদ সমাপনী নগদ |
| ৪৫,০০০ ৪৭,০০০ ৯২,০০০ |
মিতব্যয়ী ফরমায়েশ পরিমাণ হচ্ছে এমন এক ফরমায়েশ পরিমাণ যেখানে পণ্যের বহন ও ফরমায়েশ ব্যয় সর্বনিম্ন হয়।
উৎপাদন বা বিক্রয়ের পরিবর্তনের ফলে যে ব্যয়ের কোনো পরিবর্তন হয় না তাকে স্থায়ী ব্যয় বলে।
স্থায়ী ব্যয় উৎপাদনের পরিমাণের ওপর নির্ভরশীল হয়ে নির্দিষ্ট মাত্রায় স্থির থাকে। এ জাতীয় ব্যয়ের উদাহরণ হলো দালানকোঠা ভাড়া, যন্ত্রপাতি ও আসবাবপত্রের অবচয়, কর্মচারীদের বেতন, অগ্নি বিমা প্রিমিয়াম ইত্যাদি।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!