প্রেক্ষাপট-১: তুরস্কের প্রেসিডেন্ট এরদোগান সম্প্রতি একটি সমস্যা সমাধান কল্পে দেশের সবচেয়ে জ্ঞানী একজন মুজতাহিদকে ডাকলেন। মুজতাহিদ কুরআন ও হাদিসে সরাসরি এর সমাধান না পেয়ে নিজের জ্ঞান-বুদ্ধির মাধ্যমে গবেষণা করে সমাধান করেন। এতে এরদোগান মুজতাহিদকে বাহবা দিলেন।

প্রেক্ষাপট-২: সাধারণ মুসলমানদের পক্ষে ইসলামের বিধান জানা কষ্টকর। তাই একদল মুজতাহিদ কুরআন ও হাদিসের সব নির্দেশনা পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে বিশ্লেষণ করে সহজে পালন উপযোগী একটি শাস্ত্র লেখেন। যা পরবর্তীতে সাধারণ মুসলমানদের জন্য কল্যাণকর এবং আশির্বাদ স্বরূপ হয়ে দাড়ায়।

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

আল্লাহ ও বান্দার মধ্যে গভীর সংযোগকারী বিষয় হলো- ইবাদত।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

ইসলামের প্রসারের ফলে সাহাবিদের যুগে ফিকহশাস্ত্র বিকশিত হয়। সাহাবিদের যুগে ইসলাম দেশ-দেশান্তরে ছড়িয়ে পড়ে। নতুন নতুন সমস্যার উদ্ভব হয়। সাহাবিগণ সম্মিলিতভাবে কুরআন-হাদিসের মূলনীতির আলোকে এসব সমস্যার সমাধান দেওয়ার চেষ্টা করেন। এ চেষ্টায় তারা ইজতিহাদের সূচনা করেন। এরপর ইজতিহাদি বিষয়ে ইজমা প্রতিষ্ঠিত করে সমস্যার সর্বসম্মত সমাধান দেওয়ার প্রয়াস পান। ফলে এ যুগে স্বতন্ত্র ফিকহশাস্ত্র সৃষ্টির পথ উন্মুক্ত হয়ে যায়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

মুজতাহিদের কিয়াস করে বিধান দেওয়ার কাজটি সম্পূর্ণ যৌক্তিক। ইসলামি আইনের চতুর্থ উৎস হলো- কিয়াস। কুরআন ও সুন্নাহর আইন বা নীতির সাদৃশ্যের ভিত্তিতে বিচার-বুদ্ধি প্রয়োগ করে পরবর্তী সময়ে উদ্ভূত সমস্যার সমাধান দেওয়াকে কিয়াস বলে। উদ্দীপকের মুজতাহিদ এ মূলনীতিকেই অনুসরণ করেছেন।

উদ্দীপকের বর্ণিত মুজতাদিহ একটি সমস্যার সরাসরি সমাধান কুরআন ও হাদিসে খুঁজে না পেলে নিজের জ্ঞান-বুদ্ধির মাধ্যমে গবেষণা করে সমাধান করেন। এক্ষেত্রে তার সমস্যা সমাধানের প্রক্রিয়াটি সম্পূর্ণ যৌক্তিক। কারণ তিনি এর মাধ্যমে কিয়াসকে অনুসরণ করেন। আর কিয়াসের বিধান কুরআন-হাদিস দ্বারা স্বীকৃত। ইসলামি আইনের উৎস হিসেবে কিয়াস কোনো নতুন সংযোজন নয়। রাসুল (স)-এর যুগেই কুরআন-হাদিসের পাশাপাশি আইনের উৎস হিসেবে কিয়াসের যাত্রা শুরু হয়। রাসুল (স) নিজেও কিয়াস করতেন। তাঁর সাহাবিদেরও তিনি এ বিষয়ে উৎসাহ প্রদান করতেন। ইয়েমেন প্রেরণের পূর্বে রাসুল (স) মুয়ায (রা) কে জিজ্ঞেস করেন, লোকদের মধ্যে কীভাবে ফয়সালা করবে? উত্তরে তিনি কুরআন-হাদিসের পর নিজস্ব গবেষণার মাধ্যমে ফয়সালা করার কথা বললে রাসুল (স) তাঁর জবাবে সন্তুষ্ট হন। এভাবেই আইন প্রণয়নের উৎস হিসেবে রাসুল (স) এর যুগেই কিয়াসের উৎপত্তি ও বিকাশ ঘটে। সুতরাং মুজতাহিদের কর্মটি সম্পূর্ণ যৌক্তিক।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

প্রেক্ষাপট-২ এ আলিম ও গবেষকদের কর্মটি ফিকহশাস্ত্রের প্রতি ইঙ্গিত করে, যার প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম।

ফিকহশাস্ত্র ইসলামি শরিয়তের ব্যাবহারিক দিকের প্রধান ভিত্তি। সর্বসাধারণের জন্য দীনকে সহজবোধ্য করার এ এক অসাধারণ পদ্ধতি। কুরআন ও হাদিসে ইসলামি জীবনব্যবস্থা ধারাবাহিকভাবে সুবিন্যস্ত অবস্থায় নেই। কাজেই জীবনব্যবস্থা সম্বলিত আহকামে শরিয়ত গ্রন্থকারে লিপিবদ্ধ করা না হলে সাধারণ মানুষতো দূরের কথা শিক্ষিত মানুষদের পক্ষেও আল্লাহর আইন অনুযায়ী জীবন গড়ে তোলা সম্ভবপর হবে না। তাছাড়া স্থান-কাল-পাত্রভেদে উদ্ভূত সমস্যাগুলো সমাধানের উদ্দেশ্যে পবিত্র কুরআন-হাদিসের ঘটনা সমীক্ষা ও পরিবেশ বিশ্লেষণ করে গবেষণালব্ধ জ্ঞানের ভিত্তিতে গড়ে উঠে ফিকহশাস্ত্র।

তাই এর মাধ্যমে সব দেশ ও কালের মুসলিমগণ অত্যন্ত স্বাচ্ছন্দ্যে দীনের অনুশীলন করতে পারেন। আবার ফিকহের মাহাত্ম্য, গুরুত্ব ও মর্যাদা সম্পর্কে হাদিসে অসংখ্য বর্ণনা রয়েছে। ইমাম বারহাকি (র) দারে কুতনিতে বর্ণনা করেছেন-

لِكُلِّ شَيْءٍ عِبَادٌ وَعِبَادُ هُذَا الدِّيْنِ الْفِقْهُ 

অর্থ: প্রত্যেক বস্তুরই খুঁটি রয়েছে। আর এ দীন ইসলামের খুঁটি হলো ফিকহ।

পরশেষে বলা যায় যে, ফিকহশাস্ত্রের গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা অস্বীকার করা যায় না।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
161
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
উত্তরঃ

সিহাহ সিত্তাহ বলতে বিশুদ্ধ ছয়টি হাদিস গ্রন্থকে বোঝায়। হিজরি তৃতীয় শতকে হাদিস সংকলনের স্বর্ণযুগে হাদিস সংকলনের ক্ষেত্রে ছয়জন মুহাদ্দিস এবং তাদের সংকলিত গ্রন্থ বিশেষ প্রাধান্য পায়। এগুলো সর্বজনীন ও সর্বাঙ্গীন বিশুদ্ধতার স্বীকৃতি লাভ করে। ইলমে হাদিসের পরিভাষায় তাদের সংকলিত বিশুদ্ধ ছয়টি হাদিস গ্রন্থকে সিহাহ সিত্তাহ বলা হয়। এগুলো হলো- সহিহ বুখারি, সহিহ মুসলিম, সুনানে তিরমিযি, সুনানে নাসাঈ, সুনানে ইবন মাজাহ ও সুনানে আবু দাউদ। হাদিস সংকলকদের নাম অনুযায়ী উক্ত হাদিস গ্রন্থগুলোর নামকরণ করা হয়েছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
377
উত্তরঃ

জনাব ময়নুল দ্বিতীয় উৎস হিসেবে হাদিস অধ্যয়ন করেন- যার গুরুত্ব অপরিসীম।

হাদিস অর্থ- কথা বা বাণী। ইসলামি পরিভাষায়, মহানবি হযরত মুহাম্মদ (স)-এর কথা, কাজ ও মৌনসম্মতিকে হাদিস বলে। হাদিস হলো শরিয়তের দ্বিতীয় উৎস। এটি আল কুরআনের মূলনীতিসমূহের বাস্তবরূপ ও ব্যাখ্যা। উদ্দীপকে এ উৎসের আলোকপাত হয়েছে।

উদ্দীপকের জনাব ময়নুল কুরআনের ব্যাখ্যা বোঝার জন্য হাদিস অধ্যয়ন করেন। মূলত ইসলামি জ্ঞান-বিজ্ঞানের অন্যতম প্রধান উৎস হলো হাদিসের জ্ঞান। মানুষ জীবন চলার পথে বিভিন্ন ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হতেই পারে। মানুষের ব্যক্তিগত জীবন থেকে আন্তর্জাতিকভাবে উদ্ভূত সব সমস্যার সমাধান দিতে হাদিস অপরিহার্য ভূমিকা পালন করে। হাদিস মুসলমান জাতির জন্য জীবন চলার অন্যতম উপকরণ। ইসলামি জীবনধারার অন্যতম শর্ত হলো আল্লাহর বন্দেগি বা ইবাদত করা। এ ইবাদত কীভাবে করতে হবে তার পূর্ণাঙ্গ নীতিমালা প্রদান করেছে হাদিস। একজন মুসলমানের সামগ্রিক আচার-আচরণ কেমন হবে তা পরিষ্কারভাবে বর্ণনা করেছে হাদিস। আর মহানবি (স) ছিলেন পরিচ্ছন্ন আচার- আচরনের বাস্তব প্রতিকৃতি। সুতরাং ইসলামি জীবনধারায় প্রত্যেক মুসলমানের জীবনাচরণ নিয়ন্ত্রিত হবে হাদিসের আলোকে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
275
উত্তরঃ

উদ্দীপকে মাওলানা ফখরুলের কর্মটি ফিকহশাস্ত্র নিয়ে। ইসলামি শিক্ষা প্রসারে যার গুরুত্ব অপরিসীম। ফিকহ শব্দের অর্থ- অনুধাবন করা, বুঝতে পারা ইত্যাদি। পরিভাষায় যে শাস্ত্রে কর্মসংক্রান্ত তথা ব্যাবহারিক জীবনের বিভিন্ন শাখা-প্রশাখা সংক্রান্ত শরিয়তের হুকুম-আহকাম ও বিধি-বিধান আলোচিত হয়, সে শাস্ত্রকে বলা হয় ফিকহশাস্ত্র বা ইলমুল ফিকহ। উদ্দীপকে এ শাস্ত্রেরই ইঙ্গিত এসেছে।

উদ্দীপকের মাওলানা কুরআন হাদিস গবেষণা করে এর বিধি-বিধান একটি বইয়ের মধ্যে লিপিবদ্ধ করেন। তার কাজটি ইসলামি আইন সম্পর্কিত জ্ঞান প্রসারে অনেক বেশি ভূমিকা রাখবে। কেননা কুরআন নাজিল সমাপ্তি ও রাসুলুল্লাহ (স)-এর ইন্তেকালের পর সর্বসাধারণের উপযোগী করে শরয়ি বিধান পরিবেশনের জন্য মূলনীতি ও বিধানাবলির চুলচেরা বিশ্লেষণ অনিবার্য হয়ে পড়ে। তাছাড়া কুরআন-হাদিসের অবিন্যস্ত ও বিক্ষিপ্ত বর্ণনা ইসলামি আইনের বিন্যাস ও সহজ উপস্থাপনার উপযোগিতা সৃষ্টি করে। ফিকহশাস্ত্র শরয়ি বিধানের প্রয়োজনীয় ব্যাখ্যা দেয়। বিধান গুলোর গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা অনুসারে এগুলোকে বিন্যস্ত করে সব দেশের সাধারণ মানুষের উপযোগী করে। সর্বোপরি এ শাস্ত্রবিধান বর্ণনার ক্ষেত্রে সহজ উপস্থাপনার রীতি গ্রহণ করে আপামর মুসলিম জনগোষ্ঠীর ধর্মানুশীলনকে সহজসাধ্য করেছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
233
উত্তরঃ

ইসলামের প্রসারের ফলে সাহাবিদের যুগে ফিকহশাস্ত্র বিকশিত হয়। সাহাবিদের যুগে ইসলাম দেশ-দেশান্তরে ছড়িয়ে পড়ে। নতুন নতুন সমস্যার উদ্ভব হয়। সাহাবিগণ সম্মিলিতভাবে কুরআন-হাদিসের মূলনীতির আলোকে এসব সমস্যার সমাধান দেওয়ার চেষ্টা করেন। এ চেষ্টায় তারা ইজতিহাদের সূচনা করেন। এরপর ইজতিহাদি বিষয়ে ইজমা প্রতিষ্ঠিত করে সমস্যার সর্বসম্মত সমাধান দেওয়ার প্রয়াস পান। ফলে এ যুগে স্বতন্ত্র ফিকহশাস্ত্র সৃষ্টির পথ উন্মুক্ত হয়ে যায়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
370
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews