প্রেমা পড়ালেখায় উন্নতি করতে চায় তাই সে তাদের পূজাঘরের একটি প্রতিমার পূজা করে। প্রেমার মা সংসারে উন্নতি ধনসম্পদ বৃদ্ধির জন্য একটি প্রতিমাকে পূজা করেন। প্রেমার দিদা রোগ প্রতিরোধ ও শান্তির জন্য একটি মূর্তির পূজা করেন। প্রেমাদের পরিবারে সচ্ছলতা ও সুখ বিরাজ করে।

Updated: 1 year ago
উত্তরঃ

মোক্ষলাভের উপায় হিসেবে ঋষিগণ চারটি পথের নির্দেশ দিয়ে গেছেন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

শ্লোকটির ব্যাখ্যা হলো-

কর্মই জীবন। জীবনধারণের জন্য কর্ম করতেই হবে। এ আবশ্যিক কর্মকে দিয়েই মানুষ মুক্তিলাভ করতে পারে না। কর্মকে যোগে বা নিষ্কাম কর্মে পরিণত করতে হবে। মনে করতে হবে বিশ্বজগৎ স্রষ্টার এক বিরাট কর্মক্ষেত্র। এ কর্মক্ষেত্রে সর্বক্ষণ, ঈশ্বরেরই কর্ম হচ্ছে। আর কর্ম করার জন্য ঈশ্বর জীবদের নিয়োগ করেছেন। তবে ফলের আশায় নয়। ঈশ্বরের নিয়োজিত ব্যক্তি হিসেবে কর্ম করা। ফলাকাঙ্ক্ষা বর্জিত এ কর্মই হচ্ছে কর্মযোগ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে দেবী সরস্বতী, লক্ষ্মী ও শীতলার কথা বলা হয়েছে। দেবদেবী ঈশ্বরের সাকার রূপ। ঈশ্বর বিশেষ গুণ বা ক্ষমতা ধারণ করে জীবকুলে আবির্ভূত হয়েছেন।

উদ্দীপকে প্রেমা যে প্রতিমার পূজা করে তা দেবী সরস্বতীর প্রতিমা। সরস্বতী বিদ্যা, শিল্পকলা ও সংস্কৃতির দেবী। সরস্বতী পূজার মাধ্যমে বিদ্যা শক্তি অর্জন করা যায়। প্রেমার মা যে প্রতিমার পূজা করে তা হলো দেবী লক্ষ্মীর প্রতিমা। লক্ষ্মী সৌভাগ্য ও ধনসম্পদের দেবী। প্রেমার দিদা যে প্রতিমার পূজা করেন, তা হলো দেবী শীতলা। শীতলা হলো রোগপ্রতিরোধ ও শান্তির দেবী।

সুতরাং উদ্দীপকে দেবী সরস্বতী, লক্ষ্মী ও শীতলার কথা বলা হয়েছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

দেবদেবী ঈশ্বরের সাকাররূপ। ঈশ্বর যখন নিজের কোনো গুণ বা ক্ষমতাকে কোনো বিশেষ আকার বা রূপে প্রকাশ করেন, তখন তিনি মর্ত্যলোকে দেবতা বা দেবীরূপে আবির্ভূত হন। দেবদেবীর পূজা করলে ঈশ্বর খুশি হন।

ঈশ্বর বিশেষ গুণ বা ক্ষমতা ধারণ করে জীবকুলে আবির্ভূত হয়েছেন। যেমন- ব্রহ্মা সৃষ্টির দেবতা, বিষ্ণু পালনকর্তা, সরস্বতী বিদ্যা, শিল্পকলা ও সংস্কৃতির দেবী, লক্ষ্মী ধনসম্পদের দেবী ও শীতলা রোগপ্রতিরোধ ও শান্তির দেবী। সরস্বতীর পূজা করলে বিদ্যাশক্তি অর্জিত হয়। কেননা সরস্বতী বিদ্যা, শিল্পকলা, সংস্কৃতি ও ন্যায়বিচারের দেবী। দেবী লক্ষ্মীর পূজা করলে ধনসম্পদ বৃদ্ধি পায়। তিনি সৌভাগ্য, ভালোবাসা, সৌন্দর্য এবং ক্ষমতার দেবী। দেবী শীতলা রোগপ্রতিরোধ করেন ও শান্তি প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি মহামারী প্রতিরোধ ও প্রাণিকুলকে এ রোগের হাত থেকে রক্ষা করেন। দেবদেবীর পূজা করলে মানুষকে তাঁরা সাহায্য করেন। এতে মানুষের জীবনে সচ্ছলতা ও সুখ বিরাজ করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
113

Related Question

View All
উত্তরঃ

ভগবান স্বয়ং বা তাঁর কোনো দেব-দেবী মনুষ্যাদির মূর্তি ধারণ করে ভগবানের অপ্রাকৃত নিত্যধাম থেকে নেমে আসাকে অবতার বলা হয়। আর অবতার সম্পর্কে যে দার্শনিক চিন্তাভাবনা, তা অবতারবাদ নামে পরিচিত।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
954
উত্তরঃ

বেদ ও উপনিষদে বলা হয়েছে ব্রহ্ম বা ঈশ্বর এক ও অদ্বিতীয়। ব্রহ্ম বা ঈশ্বর একাধিক নয়। এই যে এক ঈশ্বরে বিশ্বাস, তাকে একেশ্বরবাদ বলে। আবার অবতার ও দেব-দেবী একই ঈশ্বরের বিভিন্ন প্রকাশ, ঈশ্বর এক ও অদ্বিতীয় এ বিশ্বাসই একেশ্বরবাদ। সুতরাং একেশ্বরবাদ হিন্দুধর্মের একটি বিশ্বাস।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
794
উত্তরঃ

শংকর স্বামী স্বরূপানন্দের মতাদর্শের দ্বারা প্রভাবিত হয়। ১৮৯৩ খ্রিস্টাব্দে বাংলাদেশের চাঁদপুর শহরে শ্রীশ্রী স্বামী স্বরূপানন্দ পরমহংস বাংলাদেশের চাঁদপুর শহরে আবির্ভূত হন। তিনি 'অযাচক আশ্রম' এর প্রতিষ্ঠাতা। এ আশ্রমে অন্যের কাছ থেকে কোনো চাঁদা নেওয়া হয় না; এরা নিজেদের অর্থের সংস্থান নিজেরাই করেন। ১৯৮৪ খ্রিষ্টাব্দের ১ জানুয়ারি স্বামী স্বরূপানন্দের আদর্শকে রূপদান করার লক্ষ্যে চরিত্র গঠন আন্দোলন শুরু হয়। এর মূল আবেদন, "আমি ভালো মানুষ হব এবং অপরকে ভালো হতে সহায়তা দিব।" শংকর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা শেষে অযাচক আশ্রমের শিক্ষায় উদ্বুদ্ধ হয়ে সমাজের কল্যাণে নিজেকে নিয়োজিত করেন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
552
উত্তরঃ

উদ্দীপকের আলোচিত মহাপুরুষ হচ্ছেন শ্রীশ্রী স্বামী স্বরূপানন্দ পরমহংস। তিনি ১৮৯৩ খ্রিষ্টাব্দে বাংলাদেশের চাঁদপুর শহরে আবির্ভূত হন। তিনি 'অযাচক আশ্রম' এর প্রতিষ্ঠাতা। অযাচক আশ্রমের বৈশিষ্ট্য হল ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সমবেত উপাসনায় চরিত্র, গঠন, সমাজ সংস্কার, ব্রহ্মচর্য স্বাবলম্বন ও জগতের কল্যাণের কাজে নিযুক্ত থাকা। কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের নিকট হতে অর্থ যাচঞা না করা এ সংগঠনের আদর্শ।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশ্বধর্ম ও সংস্কৃতি বিভাগের সহযোগিতায় ১৯১৪ খ্রিষ্টাব্দের ১ জানুয়ারি স্বামী স্বরূপানন্দের আদর্শকে রূপদান করার লক্ষ্যে চরিত্র গঠন আন্দোলন শুরু হয়। এর মূল আবেদন, "আমি ভালো মানুষ হব এবং অপরকে ভালো হতে সহায়তা দিব।" স্বামী স্বরূপানন্দের মতাদর্শ থেকে আমরা এ শিক্ষা পাই যে, সকলকে সমানভাবে ভালোবাসতে হবে। স্বামী স্বরূপানন্দ রচিত গ্রন্থাদি ও সংগীত সমাজের কল্যাণ সাধনে বিশেষ অবদান রাখতে সমর্থ হয়েছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
498
উত্তরঃ

কারও অনিষ্ট কামনা না করে সকলকে মন থেকে ভালোবাসাকেই অহিংসা বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
385
উত্তরঃ

হরিচাঁদ ঠাকুরের ধর্মনীতি থেকে মতুয়া ধর্মের উদ্ভব হলো। হরিচাঁদ ঠাকুর ১৮১২ খ্রিষ্টাব্দে আবির্ভূত হয়ে হিন্দু সমাজে সকল ধর্ম ও বর্ণের মানুষকে এক হরিণামে যেতে থাকার আহ্বান জানান। এ ধর্মের মূলমন্ত্র হচ্ছে ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে হরিণামে মেতে থাকা। হরিণামই জগতে কল্যাণ, শান্তি, সমৃদ্ধি প্রতিষ্ঠা করতে আবশ্যক।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
271
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews