প্রকৃতির কাছ থেকে পাওয়া সব বস্তুকেই প্রাকৃতিক সম্পদ বলে।
প্রকৃতির মধ্যে সব প্রাণী একে অন্যের উপর নির্ভরশীল। সবুজ গাছপালার বাতাসে যে অক্সিজেন ছড়িয়ে দেয়, আমরা প্রাণীরা তা গ্রহণ করে বেঁচে থাকি। এভাবে বনে বিভিন্ন প্রাণী একে অন্যকে শিকার করে বেঁচে থাকে। জীবের এই বৈচিত্র্য রক্ষা না করা গেলে প্রাণীর মৃত্যু ঘটে, তাই জীববৈচিত্র্য রক্ষা করা গুরুত্বপূর্ণ।
ফারুকের কারখানাটি সার শিল্পের অন্তর্গত। উদ্দীপকে বর্ণিত ফারুক সাহেব একটি সার কারখানার মালিক। তার কারখানার কাঁচামাল হচ্ছে প্রাকৃতিক গ্যাস। কারখানায় উৎপাদিত সার কৃষিপণ্য উৎপাদন ব্যবহৃত হয়।
খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য রাসায়নিক সার ব্যবহার হয়। স্বল্প জায়গায় অধিক উৎপাদনের জন্য মাটির উর্বরতা থাকতে হয়। সেজন্য সার ব্যবহার করা হয়। যা মাটির উৎপাদন ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। ১৯৬১ সালে সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জে প্রথম প্রাকৃতিক গ্যাসভিত্তিক সার কারখানা প্রতিষ্ঠিত হয়। বর্তমানে প্রতিবছর বাংলাদেশ বিদেশ থেকে প্রচুর সার আমদানি করছে।
সুতরাং উদ্দীপকের বর্ণনা অনুসারে ফারুক সাহেব সার কারখানার মালিক।
বাংলাদেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নে সমির আলীর কাজ করা শিল্প অর্থাৎ পোশাক শিল্প গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে।
কেননা এ শিল্পের অধিকাংশ কর্মচারী হচ্ছে নারী। এটা মূলত রপ্তানিমুখী শিল্প। বাংলাদেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নে পোশাক শিল্প প্রধান ভূমিকা পালন করছে। গত শতকের আশির দশকে এ শিল্পের অগ্রযাত্রা শুরু হয়। অতি অল্প সময়ে এ শিল্পটি দেশের বৃহত্তম রপ্তানিমুখী শিল্পে পরিণত হয়েছে। দেশে বর্তমানে তিন হাজারেরও অধিক পোশাক শিল্প ইউনিট রয়েছে। যা প্রায় ৪০ লক্ষ শ্রমিকের কাজের ব্যবস্থা করেছে। বাংলাদেশ আমেরিকা ও ইউরোপের দেশগুলোতে পোশাক রপ্তানি করে বিপুল বৈদেশিক মুদ্রা আয় করে। পোশাক শিল্পের মাধ্যমে অর্থনৈতিক ব্যাপক উন্নয়ন ঘটছে। যা দেশের জনগণের অবস্থার পরিবর্তন ঘটাতে সহায়তা করছে। সে কারণে দেশে দ্রুত আর্থসামাজিক উন্নয়ন ঘটছে।
Related Question
View Allপ্রকৃতির কাছ থেকে পাওয়া সব বস্তুকেই প্রাকৃতিক সম্পদ রলা হয়। মানুষ প্রকৃতি থেকেই এসব সম্পদ আহরণ করে। এর ফলে মানুষের অর্থনৈতিক এবং সামাজিক জীবনের অগ্রগতি ঘটে।
প্রকৃতির মধ্যে নানা ধরনের মূল্যবান প্রাকৃতিক সম্পদ রয়েছে। এসব প্রাকৃতিক সম্পদের মধ্যে রয়েছে- পানি, বায়ু, মাটি, গাছপালা, জীবজন্তু, ফসল, খনিজ দ্রব্য ইত্যাদি।
মাটি বাংলাদেশের মূল্যবান প্রাকৃতিক সম্পদ। এদেশের সমতল ভূমি খুবই উর্বর। বেশিরভাগ এলাকায় বছরে তিনটি ফসল উৎপন্ন হয়। দেশের ১০ ভাগের এক ভাগ অঞ্চল পাহাড়ি এলাকা। পাহাড়ে প্রচুর প্রাণিজ, বনজ ও খনিজ সম্পদ রয়েছে।
বাংলাদেশে ছোটো-বড়ো, অনেক নদী আছে। নদীগুলো মালামাল পরিবহনের সহজ- মাধ্যম। নদীর পানি প্রবাহ থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা যায়। এছাড়া আমাদের নদ-নদীতে বিপুল পরিমাণ মৎস্যসম্পদ রয়েছে। এসব মানুষের নদ-নদীকেন্দ্রিক জীবনব্যবস্থা এবং জালের মতো ছড়ানো ছিটানো অসংখ্য নদী থাকার কারণে বাংলাদেশকে নদীমাতৃক দেশ বলা হয়।
যেসব পদার্থ মাটির নিচে পরিত্যক্ত অবস্থায় থাকে এবং যেগুলোকে উত্তোলন করে ব্যবহার করা যায় তাকে খনিজ সম্পদ বলে। বাংলাদেশের মাটির নিচে রয়েছে নানা রকম মূল্যবান খনিজসম্পদ। এগুলো মধ্যে কয়লা, গ্যাস, চুনাপাথর, চিনামাটি, সিলিকা বালি ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।
বাংলাদেশে মোট বনভূমির পরিমাণ ২৪.৯৩৮ বর্গকিলোমিটার। দেশের মোট ভূ-ভাগের ১৬ ভাগ হচ্ছে বন। বনে রয়েছে মূল্যবান পাছপালা। এগুলো আমাদের ঘরবাড়ি ও আসবাব তৈরির কাজে ব্যবহৃত হয়। এছাড়া বনে রয়েছে পাখি ও প্রাণিসম্পদ। প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষার জন্য রনের গুরুত্ব অপরিসীম।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!