যে পরিমাণ বল এক কিলোগ্রাম ভরের কোনো বস্তুর ওপর প্রযুক্ত হয়ে এক মিটার/সেকেন্ড ত্বরণ সৃষ্টি করে তাকে এক নিউটন বলে।
যে স্বল্প পাল্লার ও স্বল্পমানের বল নিউক্লিয়াসের ভেতরে মৌলিক কণাগুলোর মধ্যে ক্রিয়া করে অনেক নিউক্লিয়াসে অস্থিতিশীলতার সৃষ্টি করে তাকে দুর্বল নিউক্লীয় বল বলে। দুর্বল নিউক্লিয় বল খুব অল্প দূরত্ব (30 -১৮ m) এর মধ্যে কাজ করে। তেজস্ক্রিয় নিউক্লিয়াস থেকে যে বিটা (3) রশ্মি বা ইলেকট্রন নির্গত হয় সেটার কারণ হলো এই দুর্বল নিউক্লীয় বল।
দেওয়া আছে

উদ্দীপকে ফাহিমের শিক্ষকের আলোচিত বলগুলো হলো অস্পর্শ বল। নিম্নে বলগুলো আলোচনা করা হলো-
মহাকর্ষ বল: মহাবিশ্বের যে কোনো দুটি বস্তুর মধ্যবর্তী আকর্ষণ বল হলো মহাকর্ষ বল। মহাকর্ষ বলের কারণে পৃথিবী সূর্যের চারদিকে ঘুরে, গাছ থেকে ফল নিচে পড়ে। সকল মৌলিক বলের মধ্যে মহাকর্ষ বলের মান সবচেয়ে কম। এ বল সমসময়ই আকর্ষণ ধর্মী।
তড়িৎচৌম্বক বল: দুটি আহিত ও চার্জযুক্ত কণার মধ্যে যে বল ক্রিয়াশীল তাকে তড়িৎচৌম্বক বল বলে। তড়িৎচৌম্বক বলের আকর্ষণ ও বিকর্ষণ
ক্ষমতা উভয়ই বিদ্যমান। মহাকর্ষ বলের তুলনায় এটি অনেক শক্তিশালী।। যদিও তড়িৎ এবং চুম্বক বলকে আলাদা মনে হয়, আসলে দুটি একই বল শুধু দুইভাবে দেখা যায়।
দুর্বল নিউক্লীয়বল: এটিকে দুর্বল বল বলা হয় কারণ এটা তড়িৎচৌম্বক বল থেকে দুর্বল কিন্তু মোটেও মহাকর্ষ বলের মতো এত দুর্বল নয়। এটি খুব অল্প দূরত্বে (১০-১৮ m) কাজ করে। তেজস্ক্রিয় নিউক্লিয়াস থেকে যে বিটা রশ্মি বা ইলেকট্রন বের হয় সেটার কারণ এই দুর্বল নিউক্লীয় বল।
সবল নিউক্লীয় বল : এটি হচ্ছে সৃষ্টি জগতের সবচেয়ে শক্তিশালী বল,
তড়িৎ চৌম্বক বল থেকেও একশগুণ বেশি শক্তিশালী। কিন্তু এটাও খুবই অল্প দূরত্বে কাজ করে। পরমাণুর কেন্দ্রে যে নিউক্লীয়াস রয়েছে তার ভেতরকার প্রোটন ও নিউট্রনের মাঝে এই প্রচণ্ড শক্তিশালী বল কাজ করে নিজেদের আটকে রাখে।
Related Question
View Allযে বল কেবল দুটি বস্তুর ভৌত সংস্পর্শে এসে পরস্পরের উপর ক্রিয়া করে তাকে স্পর্শ বল বলে।
আমরা জানি যে, কোনো বস্তুই নিজে থেকে এর অবস্থান পরিবর্তন করতে চায় না। বস্তু স্থির থাকলে চিরকাল স্থির থাকতে চায়, গতিশীল থাকলে চিরকাল গতিশীল থাকতে চায়। বস্তুর অবস্থান পরিবর্তনের জন্য বাইরে থেকে কিছু একটা প্রয়োগ করতে হয়, যা বস্তুর অবস্থান পরিবর্তন করে তাকেই বল বলা হয়।
অর্থাৎ বল হলো সেই ভৌত রাশি যা স্থির বস্তুর উপর ক্রিয়া করে তাকে গতিশীল করে বা করতে চায় বা যা গতিশীল বস্তুর উপর ক্রিয়া করে তার গতির পরিবর্তন করে বা করতে চায়।
ধরি, বাসটির উপর ক্রিয়াশীল বলের মান F
এখানে, বাসের ভর, m- ১৪০০ কেজি
ত্বরণ, এ ৪ মি/সে
বল F=?
আমার জানি, F = ma
= ১৪০০ কেজি × ৪ মি/সে' ৫৬০০ নিউটন
সুতরাং বাসটির ওপর ক্রিয়াশীল বলের মান ৫৬০০ নিউটন।
বস্তু তার গতির যে অবস্থায় আছে চিরকাল সেই অবস্থায় থাকতে চাওয়ার যে প্রবণতা বা সেই অবস্থা বজায় রাখতে চাওয়ার যে ধর্ম, তাকে জড়তা বলে।
স্থিতিশীল বস্তুর চিরকাল স্থির থাকতে চাওয়ার যে প্রবণতা বা স্থিতি বজায় রাখতে চাওয়ার যে ধর্ম, তাকে স্থিতি জড়তা এবং গতিশীল বস্তুর চিরকাল সমবেগে গতিশীল থাকতে চাওয়ার যে প্রবণতা বা ধর্ম তাকে গতি জড়তা বলা হয়।
গতিশীল বাস যখন থেমে যায় তখন যাত্রীর শরীরের নিচের অংশ বাসের সাথে থেমে যায়। কিন্তু উপরের অংশ তখনও গতিশীল থাকার কারণে যাত্রী সামনের দিকে ঝুঁকে পড়ে। অর্থাৎ এক্ষেত্রে গতি জড়তার কারণে হঠাৎ গাড়িটি থামালে চলন্ত গাড়ির যাত্রীগণ সামনের দিকে ঝুঁকে পড়েন। পক্ষান্তরে বাসটি পুনরায় চলতে শুরু করলে যাত্রীদের শরীরের নিচের অংশ গাড়ির সাথে চলতে শুরু করে, কিন্তু উপরের অংশ বাস সংলগ্ন না হওয়ায় তা পেছনের দিকে হেলে পড়ে। অর্থাৎ এক্ষেত্রে স্থিতি।
জড়তার কারণে স্থির বাস হঠাৎ চলতে শুরু করলে যাত্রীরা পিছনের দিকে হেলে পড়েন।
সুতরাং যাত্রীরা প্রথমে সামনের দিকে ঝুঁকে পড়লেও পরবর্তীতে পিছনে হেলে পড়ার কারণ হলো- যাত্রীদের উপর প্রথম ক্ষেত্রে গতি জড়তা কাজ করলেও পরের ক্ষেত্রে স্থিতি জড়তা কাজ করে।
নিউটনের গতি বিষয়ক দ্বিতীয় সূত্রটি হলো 'বস্তুর ভরবেগের পরিবর্তনের হার প্রযুক্ত বলের সমানুপাতিক এবং বল যেদিকে ক্রিয়া করে ভরবেগের পরিবর্তন সেদিকেই হয়।'
বস্তু যে অবস্থায় আছে চিরকাল সেই অবস্থায় থাকতে চাওয়ার যে প্রবণতা বা সেই অবস্থা বজায় রাখতে চাওয়ার যে ধর্ম, তাই জড়তা। স্থিতিশীল বস্তুর চিরকাল স্থির থাকতে চাওয়ার যে প্রবণতা বা স্থিতি বজায় রাখতে চাওয়ার যে ধর্ম তাকে স্থিতি জড়তা এবং গতিশীল বস্তুর চিরকাল সমবেগে গতিশীল থাকতে চাঁওয়ার যে প্রবণতা বা ধর্ম তাকে গতি জড়তা বলা হয়।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!