ফাহিম বেশ দুরন্ত। ইদানিং স্কুলে বোর্ডের লেখা দেখে তোলার সময় প্রায়ই সে ভুল তুলে ফেলছে। প্রথম দিকে সবাই তার চঞ্চলতাকে দোষ দিলেও পরবর্তীতে সমস্যার প্রকটতা দেখে তার বাবা- মা ডাক্তারের কাছে গেলেন। ডাক্তার তার প্রতিবন্ধিতা শনাক্ত করেন। তিনি ফাহিমের বাবা মাকে ফাহিমের প্রতিবন্ধিতার একটি শ্রেণিবিভাগ সম্পর্কে ধারণা দিলেন।

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

প্রতিভাবানদের বুদ্ধাঙ্ক ১৪-এর ওপরে থাকে।

উত্তরঃ

নিম্নে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুর শ্রেণিবিভাগ চার্ট আকারে দেখানো হলো-

উত্তরঃ

ফাহিমের বোর্ডের লেখা তুলতে ভুল হয়। এই সমস্যা প্রকট আকার ধারণ করলে তার বাবা-মা ডাক্তারের শরণাপন্ন হন। ডাক্তার পর্যবেক্ষণ করে তার দৃষ্টি প্রতিবন্ধিতা শনাক্ত করেন।

দৃষ্টি প্রতিবন্ধিতা বলতে শিশুর দৃষ্টি ক্ষমতার সে পরিমান ক্ষতিকে বোঝায় যেক্ষেত্রে শিক্ষাব্যবস্থা, শিক্ষা উপকরণ অথবা শিক্ষার পরিবেশের পরিবর্তন করা না হলে শিশুর সর্বোচ্চ শিক্ষণ ও সাফল্য অর্জন অসম্ভব হয় না।

দৃষ্টি প্রতিবন্ধিতায় আক্রান্তদের মধ্যে নিম্নলিখিত বৈশিষ্ট্যগুলো দেখা যায়। যেমন- চোখের পাতা লাল হওয়া, চোখের পাতার কিনারে শুষ্ক আস্তরণ, প্রায়ই চোখ ফুলে যাওয়া, ঘন ঘন চোখ রগড়ানো। খুব কাছ থেকে টিভি দেখা, চোখ ব্যথা, মাথা ব্যথা, ঝাপসা দেখা, বমি বমি ভাব, দূরের জিনিস দেখতে সমস্যা হওয়া, শব্দ উল্টো দেখা, লেখায় অসম্ভব ফাঁক দেওয়া, সারি সোজা রাখতে না পারা, বর্ণ চিনতে ভুল করা, পড়ার সময় চোখ সংকোচন, কাছে নিয়ে বই পড়া ইত্যাদি। এসকল বৈশিষ্ট্যগুলো দেখেই একটি শিশুর দৃষ্টি প্রতিবন্ধিতা শনাক্তকরণ করা যায়।

উত্তরঃ

ফাহিমের বাবা-মা ডাক্তারের শরণাপন্ন হলে ডাক্তার ফাহিমের দৃষ্টি প্রতিবন্ধীতা শনাক্ত করেন। এছাড়া ডাক্তার ফাহিমের বাবা-মাকে দৃষ্টি প্রতিবন্ধীতার শ্রেণিবিভাগ সম্পর্কে ধারণা দেন।

যারা চোখে খুব সামান্য দেখে বা এক চোখে দেখতে পায় না বা দূরের জিনিস দেখতে অসুবিধা হয় তারা সকলেই দৃষ্টি প্রতিবন্ধী। তবে সকল দৃষ্টি প্রতিবন্ধীর প্রতিবন্ধিতার ধরন এক নয়। প্রতিবন্ধিতার মাত্রা অনুযায়ী বিশ্ব-স্বাস্থ্য সংস্থা দৃষ্টি প্রতিবন্ধিতার শ্রেণিকরণ করেছে। শ্রেণিবিভাগটি নিম্নরূপ:

১. আংশিক বা মৃদু দৃষ্টি প্রতিবন্ধী: এরা চশমা বা লেন্স ব্যবহার করে স্বাভাবিক শিশুর মতো কাজকর্ম বা লেখাপড়া করতে পারে। 

২. মধ্যম মাত্রার দৃষ্টি প্রতিবন্ধী: এরা সহায়ক উপকরণ ব্যবহার করে ধীরগতিতে কম সূক্ষ্ম দৃষ্টির কাজ করতে পারে। 

৩. গুরুতর মাত্রার দৃষ্টি প্রতিবন্ধী: এরা দৃষ্টির প্রয়োজন হয় এমন কাজ করতে সমস্যায় পড়ে। এরা সূক্ষ্ম দৃষ্টির কাজ করতে পারে না। 

৪. প্রায় অন্ধ মাত্রার দৃষ্টি প্রতিবন্ধী: এরা শুধু আলো দেখতে পায়। অর্থাৎ আলো-আঁধারের পার্থক্য বুঝতে পারে। 

৫. সম্পূর্ণ অন্ধ মাত্রার দৃষ্টি প্রতিবন্ধী: এরা দৃষ্টিহীন। এদের কোনো রকম দৃষ্টি সংবেদন থাকে না।

পরিশেষে বলা যায় যে, মাত্রা অনুযায়ী দৃষ্টি প্রতিবন্ধীতা বিভিন্ন শ্রেণির হতে পারে। দৃষ্টি প্রতিবন্ধী ব্যক্তির প্রতিবন্ধীতার মাত্রা অনুযায়ী তাকে জীবনযাপনে প্রয়োজনীয় সহায়তা করতে হবে।

85
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
উত্তরঃ

প্রতিটি প্রতিবন্ধী শিশুকে তার ক্ষমতার পূর্ণ বিকাশের সুযোগ করে দেওয়া আবশ্যক। তাই তাদের শিক্ষার বিকল্প নেই। প্রতিবন্ধীদের শিক্ষাদানের মূল উদ্দেশ্য হলো প্রতিবন্ধীদের সমাজের মূল স্রোতধারায় নিয়ে আসা, সুপ্ত ক্ষমতার পূর্ণ বিকাশ, আত্মবিশ্বাস অর্জন এবং স্বনির্ভর জীবনযাপনের মাধ্যমে পরিবার ও সমাজে অবদান রাখা।

448
উত্তরঃ

ডাক্তার ইমনের মধ্যে শ্রবণ প্রতিবন্ধিতা খুঁজে পেলেন। শ্রবণ প্রতিবন্ধী তাদের বলা হয় যারা বধির এবং কানে শোনে না। কান ও শ্রবণ সংবেদন পরিবাহী অঙ্গের কোনো প্রকার ক্ষতির জন্য শ্রবণ প্রতিবন্ধিতা দেখা দেয়।

শ্রবণ প্রতিবন্ধিতার মাত্রাভেদে কথা শোনা ও কথা বলার ক্ষেত্রে সমস্যা দেখা দেয়। কোনো শিশুর ০ থেকে ২৬ ডেসিবল পর্যন্ত শ্রবণ অক্ষমতা থাকলে তাদের শ্রবণে সমস্যা হয় না বলে তাদের স্বাভাবিক শ্রবণক্ষমতা সম্পন্ন হিসাবে বিবেচনা করা হয়। কিন্তু ২৬ ডেসিবল এর চেয়ে তীব্র শব্দগুলো শুনতে সমস্যা হলে সে অবস্থাকে শ্রবণ প্রতিবন্ধিতা বলা হয়। ইমনের ক্ষেত্রে দেখা যায়, তাকে বার বার ডাকার পর সে সাড়া দেয়। অর্থাৎ সাধারণ ডেসিবলের শব্দ সে শুনতে পায় না। সে যেহেতু স্বাভাবিক মাত্রার শব্দ শুনতে পায় না তাই জোরে বাড়িয়ে টিভি দেখে ও তার উচ্চারণের ক্ষেত্রেও অস্পষ্টতা দেখা যায়। এসকল বৈশিষ্ট্যই একজন শ্রবণ প্রতিবন্ধীর মধ্যে লক্ষ করা যায়। তাই বলা যায়, ইমন একজন শ্রবণ প্রতিবন্ধী।

215
উত্তরঃ

ইমন যেহেতু শ্রবণ প্রতিবন্ধী তাই তাকে শ্রবণ প্রতিবন্ধিতার মাত্রা অনুসারে শিক্ষার ব্যবস্থা করতে হবে।

ইমনের মতো শ্রবণ প্রতিবন্ধী শিশুদের শিক্ষকের দরকার। শ্রবণ সহায়ক যন্ত্র ব্যবহার করে বা না করে কেবল কানের সাহায্যে যারা অন্যের কথা শুনতে পায় না, তাদের শ্রবণ প্রতিবন্ধী বলে।

শিক্ষক যদি ধীরে ও উচ্চ স্বরে প্রতিবন্ধী শিশুর মনোযোগ আকর্ষণ করে কথা বলেন তবে তা শিশুর শিক্ষা গ্রহণের পক্ষে সহায়ক হবে। গুরুতর ও মধ্যম মাত্রার শ্রবণ প্রতিবন্ধীদের ক্ষেত্রে ইশারা ভাষা শিক্ষা দিতে হবে। এছাড়াও সকল ধরনের শ্রবণ প্রতিবন্ধী শিশুকে ওষ্ঠপাঠ বিষয়ে শিক্ষা দিলে তাদের ক্ষেত্রে স্বাভাবিক জীবনযাপন করা সহজ হয়। বর্তমানে আধুনিক প্রযুক্তির শ্রবণ সহায়ক বিভিন্ন ধরনের যন্ত্র পাওয়া যায়। শিশুর প্রতিবন্ধিতার ধরন অনুযায়ী এ রকম যন্ত্র ব্যবহার করতে দেয়া যায়। তবে শ্রবণ যন্ত্র দেয়া হলে তা ব্যবহারের প্রশিক্ষণ দেয়াও জরুরি।

উপরিউক্ত শিক্ষা পদ্ধতিগুলো প্রয়োগের মাধ্যমে শ্রবণ প্রতিবন্ধীদের শিক্ষাদান করা যাবে।

190
উত্তরঃ

প্রতিবন্ধী শিশুরা স্বাভাবিক শিশুদের মতো হয় না। সমাজের মানুষের শিক্ষা সচেতনতার অভাবের কারণে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের অভিভাবকদের বিড়ম্বনায় পড়তে হয়। তাদের আচরণের অস্বাভাবিকতার কারণে এসব শিশুদের নিয়ে অভিভাবকদের রাস্তাঘাটে চলাচলে, আত্মীয়-স্বজনের বাড়িতে কিংবা যেকোনো সামাজিক অনুষ্ঠানে নানা ধরনের বিড়ম্বনার শিকার হতে হয়।

234
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews