মানানসই ফিটিং পোশাক তৈরির অন্যতম শর্ত হলো নকশা অনুযায়ী সঠিকভাবে পরিধানকারীর দেহের বিভিন্ন অংশের মাপ নেওয়া।
প্যাটার্ন তৈরির পূর্বে মানানসই ফিটিং পোশাক তৈরির অন্যতম শর্ত হল নকশা অনুযায়ী সঠিকভাবে পরিধানকারীর দেহের বিভিন্ন অংশের মাপ নেওয়া। তারপর পরিকল্পনা অনুসারে প্রথমে কাগজে মূল নকশা অঙ্কন করা হয়। মাপ অনুযায়ী মূল নকশাকে পরে চূড়ান্ত নকশা বা প্যাটার্নে রূপ দান করা হয়। সর্বশেষ চূড়ান্ত নকশা অনুযায়ী কাপড় ছাঁটা ও সেলাই করে পোশাক তৈরি করা হয়।
উদ্দীপকে উল্লিখিত ১ গজ লংক্লথ কাপড় দিয়ে ঝুল ৩৪” এবং বুক. ৩২" মাপে কিচেন এপ্রোন তৈরির ড্রাফটি নিচে দেখানো-হলো-

৮৬.৫ সে. মি./৩৪" লম্বা ও ৮০.৫ সে. মি./৩২" প্রস্থবিশিষ্ট এপ্রোন তৈরি করতে হলে ১নং চিত্র অনুযায়ী ৯১.৪৪ সে. মি./৩৬" লম্বা এবং ৪০ সে. মি./১৬" চওড়াবিশিষ্ট কখগঘ একটি আয়তাকার কাগজ নিতে হবে। এরপর ১নং চিত্রানুসারে ৬ থেকে চ পর্যন্ত বাঁকাভাবে। হাতার সেইপ করতে হবে। এখন ৯১.৪৪ সে.মি. /৩৬" লম্বা এবং ৮০.৫ সে. মি./৩২" চওড়াবিশিষ্ট একটি কাপড়কে লম্বালম্বিভাবে দুই ভাঁজ করে কাগজের ড্রাফট ফেলে ছাঁটার পর ভাঁজ খুললে ২নং চিত্রের মতো এপ্রোনের আকৃতি হবে।
এবার এপ্রোনের প্রান্ত ধারগুলোতে হেম সেলাই দিলে উপরে ও নিচে প্রায় ৫ সে. মি./২" এর মতো কমে এপ্রোনটির মাপ ৮৬.৫ সে. মি./৩৪" তে দাঁড়াবে। সবশেষে এপ্রোনের কোমরের দুই দিকে দুটি লম্বা ফিতা ও গলার উপরে বখেয়া সেলাই-এর সাহায্যে চিত্রের ন্যায় ফিতা সংযোজন করলেই এপ্রোন তৈরি হয়ে যাবে।
ফিরোজা বেগমের শরীরে কিচেন এপ্রোনটি সঠিকভাবে লাগার জন্য ড্রাফট আবশ্যক বক্তব্যটির সাথে আমি সম্পূর্ণ একমত। এজনাই
কোনো পোশাক তৈরিফিরোজা বেগমের শরীরে কিচেন এপ্রোনটি সঠিকভাবে লাগার জন্য ড্রাফট আবশ্যক বক্তব্যটির সাথে আমি সম্পূর্ণ একমত। এজনাইর পূর্বে ড্রাফট তৈরি করে নেওয়া হয়। কাপড় ছাঁটায়ে সৃজনশীলতা আনতে হলে কতকগুলো কৌশল অবলম্বন করতে হবে, যেমন- কাপড়টি টেবিলের বাইরে যেন ঝুলে না পড়ে সেজন্য সমান করে টেবিলের উপর বিছিয়ে নিতে হবে।
কাপড়ের সোজা দিক ভিতরে রেখে উল্টো দিকে সবগুলো প্যাটার্ন বিছিয়ে পরীক্ষা করে দেখতে হবে যে প্রয়োজনীয় কাপড় আছে কিনা। কাপড় ছাঁটার সময় ভাঁজের কৌশল অবলম্বন করা দরকার। লম্বালম্বি দিক অনুযায়ী কাপড় ছাঁটলে পোশাকের সৌন্দর্য ও স্থায়িত্ব বাড়ে এবং কাপড়ের অপচয়ও রোধ করা যায়।
ড্রাফটের মাধ্যমে কাপড় ছেঁটে পোশাক তৈরি করলে পোশাকটির মাপ সঠিক হয়। উদ্দীপকে দেখা যায়, ফিরোজা বেগম ড্রাফট ব্যবহার না করে ১ গজ লংক্লথ কাপড় দিয়ে লম্বালম্বিভাবে ভাঁজ করে ঝুল ৩৪" এবং বুক ৩২" মাপে কিচেন এপ্রোন তৈরি করেন। কিন্তু এপ্রোনটি তার দেহে সঠিকভাবে লাগেনি। ফিরোজা বেগম যদি ড্রাফটের মাধ্যমে এপ্রোনটি তৈরি করতেন তাহলে এটি তার শরীরে সঠিকভাবে লাগত। এক্ষেত্রে উপরিউক্ত মাপের এপ্রোন তৈরি করতে তাকে ১নং চিত্র অনুযায়ী ৯১.৪৪ সে. মি./৩৬" লম্বা এবং ৪০ সে. মি../১৬" চওড়াবিশিষ্ট ক খ গ ঘ একটি আয়তাকার কাগজ নিতে হবে। এরপর ১নং চিত্রানুসারে ও থেকে চ পর্যন্ত বাঁকাভাবে হাতের সেইপ করতে হবে। এখন ৯১.৪৪ সে. মি./৩৬" লম্বা এবং ৮০.৫০ সে. মি./৩২" চওড়াবিশিষ্ট একটি কাপড়কে লম্বালম্বিভাবে দুই ভাঁজ করে কাগজের ড্রাফট ফেলে ছাঁটার পর ভাঁজ খুললে ২নং চিত্রের মতো এপ্রোনের আকৃতি হবে। এভাবে ড্রাফটের মাধ্যমে তৈরিকৃত পোশাক মাপে সঠিক হয়।
Related Question
View Allমানানসই ফিটিংসমৃদ্ধ পোশাক তৈরির অন্যতম শর্ত হলো নকশা অনুযায়ী সঠিকভাবে পরিধানকারীর দেহের বিভিন্ন অংশের মাপ নেওয়া। পরিকল্পনা অনুসারে প্রথমে কাগজে মূল নকশা অঙ্কন করা হয়। মাপ অনুসারে মূল নকশাকে পরে চূড়ান্ত নকশা বা প্যাটার্নে রূপদান করা হয়। সর্বশেষ নকশা অনুযায়ী কাপড় ছাঁটা ও সেলাই করে পোশাক তৈরি করা হয়।
বাজার থেকে কাপড় কিনে এনে ধুয়ে ইস্ত্রি করে কাপড় বানালে পোশাক ছোট হওয়ার সম্ভাবনা কম থাকে। বয়ন পদ্ধতির ফলে কাপড়ের মাঝে কিছু ফাঁক থাকে। ফলে পোশাক ধোয়ার পর ফাঁকগুলো ভরাট হয়ে যায় ফলে পোশাক সংকুচিত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। কাপড় ছাঁটার আগে ধুয়ে ইস্ত্রি করলে এ দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব। ইস্ত্রি করে কাপড় ছাঁটলে তা আবার সমান ও প্রসারিত হয়। ফলে পোশাকের ছোট হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। এটিকেই ইস্ত্রি করার মাধ্যমে কাপড় প্রস্তুত করা বোঝায়।
যদি খুব তাড়াতাড়ি কাপড় সংকুচিত করার দরকার হয় তখন দুটি পাত্র নিয়ে একটি পাত্রে গরম পানি এবং অপরটিতে ঠান্ডা পানি নিতে হবে। তারপর কাপড়টি কয়েক ভাঁজে ভাঁজ করে একবার গরম পানিতে ও একবার ঠান্ডা পানিতে ৫-১০ মিনিট করে রাখতে হবে। এভাবে ৫/৬ বার করার পর কাপড়টি শুকাতে দিতে হবে।
ছাঁটার সময় কাপড়ের ধার সোজা না থাকলে পোশাক ছাঁটতে অসুবিধা হয়। সেজন্য ছাঁটার আগে ধারগুলো সোজা করে নিতে হয়। কাপড় পানিতে ভিজিয়ে সংকুচিত করার পর অল্প ভেজা থাকতেই একটি টেবিলের ওপর সমানভাবে বিছিয়ে দুই দিক টেনে সোজা করতে হয়।
পোশাক তৈরির ক্ষেত্রে প্রথমেই দেহের বিভিন্ন অংশের মাপ নিতে হয়। এ মাপ অনুসারে কাপড়কে ছাঁটতে হয়। তারপর সেলাই করে পোশাক তৈরি করা হয়
পোশাক কাটার আগে কাপড় প্রস্তুত করে নেওয়া প্রয়োজন। পোশাক কাটার পূর্বে তাই সাধারণত তিনটি পদ্ধতিতে কাপড় প্রস্তুত করা হয়। এ লক্ষ্যে প্রথমে কাপড় সংকুচিত করতে হবে। এরপর কাপড়ের ধার সোজা করতে হয়। কেননা কাপড়ের ধার সোজা না থাকলে পোশাক ছাঁটতে অসুবিধা হয়। কাপড় সংকুচিত করার পর অনেক সময়ই কাপড়ে ভাঁজ থাকে। কাপড়ের এ কুঁচকানো ভাব দূর করার জন্য ইস্ত্রি করা জরুরি। আর এভাবেই পোশাক কাটার আগে উপরিউক্ত প্রস্তুতি নেওয়া প্রয়োজন যেন পোশাক কাটা সঠিকভাবে হয়।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!