ফেব্রুয়ারির একুশ তারিখ দুপুর বেলার অন্ত

বৃষ্টি নামে, বৃষ্টি কোথায় বরকতেরই রক্ত।

হাজার যুগের সূর্যতাপে জ্বলবে এমন লাল যে,

সেই লোহিতেই লাল হয়েছে কৃষ্ণচূড়ার ডাল যে।

প্রভাতফেরির মিছিল যাবে ছড়াও ফুলের বন্যা,

বিষাদ গীতি গাইছে পথে তিতুমিরের কন্যা।

Updated: 4 months ago
উত্তরঃ

আমি আর আমার মতোই বহু লোক রাত্রি-দিন ভূলুণ্ঠিত ঘাতকের আস্তানায়

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

একুশের কৃষ্ণচূড়া আমাদের চেতনারই রং'- চরণটি দ্বারা ভাষা শহিদদের আত্মত্যাগের তাৎপর্য বোঝানো হয়েছে।
১৯৫২ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে বাঙালি জাতি ভাষার জন্য বুকের রক্ত দিয়েছিল। এ আন্দোলনের সময় ঢাকা শহরে ফুটেছিল রক্তলাল কৃষ্ণচূড়া। টকটকে লাল রঙের এ ফুল কবির কাছে শহিদদের রক্তের রং বলে মনে হয়। এজন্যই কবি একুশের কৃষ্ণচূড়াকে আমাদের চেতনার রং বলে অভিহিত করেছেন।
উত্তরের সারবস্তু: 'একুশের কৃষ্ণচূড়া আমাদের চেতনারই' রং'- চরণটি দ্বারা ভাষা শহিদদের আত্মত্যাগের তাৎপর্য বোঝানো হয়েছে

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকটিতে 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতার একুশের চেতনার দিকটি প্রকাশ পেয়েছে।
'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতায় কবি ১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারির রক্তঝরা দিনগুলোর কথা তুলে ধরেছেন ভাষা শহিদ সালাম, বরকতের প্রসঙ্গ অবতারণার মাধ্যমে। একুশের চেতনা ধারণা করে এ দেশের সংগ্রামী মানুষ স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে আত্মাহুতি দিয়েছে বারবার। মূলত, কবি বোঝাতে চেয়েছেন ১৯৬৯ সালে যে গণ আন্দোলনের সূচনা হয়েছিল তার সূত্রপাত হয়েছিল ১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারিতে ভাষা শহিদদের আত্মত্যাগের মাধ্যমে।
উদ্দীপকে কবি বরকতের রক্তের কথা তুলে ধরার মাধ্যমে ভাষা শহিদদের আত্মত্যাগের কথা স্মরণ করেছেন। মূলত, ফেব্রুয়ারির একুশ তারিখ যে বৃষ্টি ঝরে তা ১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারির রক্তঝরা দিনগুলোর কথাই স্মরণ করিয়ে দেয়। উদ্দীপকের মতো 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতাতেও বারবার ১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারির রক্তঝরা দিনের কথা স্মরণ করা হয়েছে বরকত ও সালামের প্রসঙ্গ উত্থাপন এবং কৃষ্ণচূড়ার রঙের কথা বলার মধ্য দিয়ে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে শুধু একুশে ফেব্রুয়ারির চেতনার কথা আসায় তা 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতার খণ্ডচিত্র ধারণ করেছে।
'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতায় কবি ১৯৬৯ সালে পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে তৎকালীন পূর্ববঙ্গে যে গণ আন্দোলনের সূচনা হয়েছিল তার পটভূমি তুলে ধরেছেন। আলোচ্য কবিতাটি মূলত দেশপ্রেম, গণজাগরণ ও সংগ্রামী চেতনার কবিতা। জাতিগত শোষণ ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে এ দেশের সাধারণ মানুষ তৎকালীন সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে ১৯৬৯ সালে। হাজার হাজার মানুষ সংগ্রামী চেতনায় উদ্‌বুদ্ধ হয়ে জড়ো হয় ঢাকার রাজপথে। এ কবিতায় দেশকে ভালোবেসে সাধারণ মানুষের আত্মদান ও আত্মাহুতিকে কবি গভীর মমতা ও শ্রদ্ধার সঙ্গে তুলে ধরেছেন।
উদ্দীপকে ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের স্মৃতিচারণ করা হয়েছে। এ দিন ভাষা আন্দোলনকারীদের উপর পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর নির্দেশে পুলিশের চালানো গুলিতে অনেকে শহিদ হন। কবির দৃষ্টিতে এই দিনের বৃষ্টি তাই বরকতেরই রক্তের প্রতীক।
'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতায় দেশের জন্য মানুষের আত্মদান ও আত্মাহুতির প্রেরণাকে কবি গভীর মমতা ও শ্রদ্ধার সঙ্গে মূর্ত করে তুলেছেন। এক্ষেত্রে তিনি ভাষা আন্দোলনের প্রেরণা দ্বারা উজ্জীবিত। এরই ধারাবাহিকতায় তিনি ১৯৬৯ সালের ফেব্রুয়ারির রক্তঝরা দিনগুলোতে স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে এ দেশের সংগ্রামী মানুষদের গণ অভ্যুত্থানের মাহাত্ম্য তুলে ধরেছেন। শুধু তাই নয়, কবি এ আন্দোলনে শোষণ ও বঞ্চনার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো এবং আত্মহুতি দেওয়া বীর জনতাকেও ভাষা শহিদ সালাম ও বরকতের প্রতীকে তাৎপর্যময় করে তুলেছেন। কিন্তু উদ্দীপকে কেবল ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের মহিমাই ব্যক্ত হয়েছে। ফলে উদ্দীপকটি আলোচ্য কবিতার পূর্ণাঙ্গ চিত্র তুলে ধরতে পারেনি। তাই বলা যায়, প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
12

আবার ফুটেছে দ্যাখো কৃষ্ণচূড়া থরে থরে শহরের পথে 

কেমন নিবিড় হয়ে । কখনো মিছিলে কখনো-বা

 একা হেঁটে যেতে যেতে মনে হয়-ফুল নয়, 

ওরা শহিদের ঝলকিত রক্তের বুদ্বুদ, স্মৃতিগন্ধে ভরপুর । 

একুশের কৃষ্ণচূড়া আমাদের চেতনারই রংকে

এ-রঙের বিপরীত আছে অন্য রং, 

যে-রং লাগে না ভালো চোখে, যে-রং সন্ত্রাস আনে 

প্রাত্যহিকতায় আমাদের মনে সকাল-সন্ধ্যায়- 

এখন সে রঙে ছেয়ে গেছে পথ-ঘাট, সারা দেশ 

ঘাতকের অশুভ আস্তানা ।

আমি আর আমার মতোই বহু লোক

রাত্রি-দিন ভূলুণ্ঠিত ঘাতকের আস্তানায়, কেউ মরা, আধমরা কেউ, 

কেউ বা ভীষণ জেদি, দারুণ বিপ্লবে ফেটে পড়া । চতুর্দিকে

মানবিক বাগান, কমলবন হচ্ছে তছনছ

বুঝি তাই উনিশশো উনসত্তরেও

আবার সালাম নামে রাজপথে, শূন্যে তোলে ফ্ল্যাগ,

বরকত বুক পাতে ঘাতকের থাবার সম্মুখে।

সালামের চোখ আজ আলোচিত ঢাকা,

সালামের মুখ আজ তরুণ শ্যামল পূর্ব বাংলা ।

দেখলাম রাজপথে, দেখলাম আমরা সবাই

জনসাধারণ

দেখলাম সালামের হাত থেকে নক্ষত্রের মতো মতো *

ঝরে অবিরত অবিনাশী বর্ণমালা |

আর বরকত বলে গাঢ় উচ্চারণে

এখনো বীরের রক্তে দুঃখিনী মাতার অশ্রুজলে

ফোটে ফুল বাস্তবের বিশাল চত্বরে

হৃদয়ের হরিৎ উপত্যকায় । সেই ফুল আমাদেরই প্রাণ,

 শিহরিত ক্ষণে ক্ষণে আনন্দের রৌদ্রে আর দুঃখের ছায়ায় । [সংক্ষেপিত]

Related Question

View All
185
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র

Related Question

মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews