ফেব্রুয়ারি মাস এলেই অশীতিপর আরমান সাহেবের বুক একটি আন্দোলনকে মনে করে গর্বে ভরে ওঠে। তার মানসপটে পুরনো দিনের অনেক ঘটনা ভেসে ওঠে। যেমন- ১৯৪৮ সালের ২৪ মার্চ। সেদিন তৎকালীন পাকিস্তানের গভর্নর জেনারেল মুহম্মদ আলী জিন্নাহ ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে এক জনসভায় ঘোষণা করেন, 'উর্দুই হবে পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা'। তবে বাংলার দামাল ছেলেরা পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর এই অন্যায় আচরণ মাথা পেতে মেনে নেয়নি। 

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

তদানীন্তন পাকিস্তানের শতকরা ৫৬ ভাগ লোকের ভাষা বাংলা ছিল।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

পাকিস্তানের রাষ্ট্রীয় কাঠামোর মধ্যে পূর্ব বাংলার জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে ভাষা আন্দোলনের সূচনা হয়। নিজের ভাষায় কথা বলার অধিকার জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার। কিন্তু তৎকালীন পাকিস্তান শাসকগোষ্ঠী পূর্ব বাংলার জনগণের ভাষা বাংলার পরিবর্তে উর্দুকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে চাপিয়ে দেয়। আর এরই প্রতিবাদে ভাষা আন্দোলনের সূচনা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

আরমান সাহেব ভাষা আন্দোলনকে মনে করে গর্বরোধ করেন। ভাষা আন্দোলনের সূচনার ক্ষেত্রে দেখা যায়, ১৯৪৮ সালের ২৪ মার্চ তৎকালীন পাকিস্তানের গভর্নর জেনারেল মুহম্মদ আলী জিন্নাহ ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে এক জনসভায় ঘোষণা করেন, 'উর্দুই হবে পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা।' এরপর ১৯৫০ সালের সেপ্টেম্বর মাসে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী লিয়াকত আলী খান গণপরিষদে মুহম্মদ আলী জিন্নাহর মতো পাকিস্তানের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের মুখের ভাষা বাংলার পরিবর্তে উর্দুকেই একমাত্র রাষ্ট্রভাষা করার কথা বলেন। তবে বাংলার দামাল ছেলেরা পাকিস্তানি শাসক-গোষ্ঠীর এই অন্যায় আচরণ মাথা পেতে মেনে নেয়নি। তারা বুকের তাজা রক্ত দিয়ে মাতৃভাষায় কথা বলার অধিকার আদায় করে নিয়েছে। উদ্দীপকে অশীতিপর আরমান সাহেবের মানসপটে ভেসে ওঠা ফেব্রুয়ারি মাসে ঘটা ঘটনাটি এ ভাষা আন্দোলনের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

উক্ত আন্দোলন হলো ভাষা আন্দোলন। পাঠ্যপুস্তকের আলোকে ভাষা আন্দোলনের গুরুত্ব নিচে বিশ্লেষণ করা হলো:

১. বাংলাদেশের জাতীয় জীবনে ভাষা আন্দোলনের গুরুত্ব অনস্বীকার্য। ভাষা আন্দোলনকে কেন্দ্র করেই সর্বপ্রথম পূর্ব বাংলার জনগণ অধিকার সচেতন হয়ে ওঠে। তাদের মধ্যে এক নতুন জাতীয় চেতনার উন্মেষ ঘটে। 

২. ভাষা আন্দোলন এদেশের ছাত্রসমাজকে প্রচ্ছন্নভাবে রাজনৈতিক শক্তিতে রূপান্তরিত করে। এ আন্দোলনের মাধ্যমেই পূর্ব বাংলার ছাত্র-ছাত্রীরা প্রথম প্রত্যক্ষভাবে রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়ে। 

৩. ভাষা আন্দোলনকে কেন্দ্র করে ছাত্র-জনতা, শিক্ষক, বুদ্ধিজীবী, কর্মকর্তা, কর্মচারী, কৃষক-শ্রমিক সকল পেশার মানুষ এক কাতারে এসে দাঁড়ায়। ফলে তাদের মধ্যে সামাজিক সংহতি বা ঐক্যের সৃষ্টি হয় এবং এ আন্দোলনের ফলে পূর্ব বাংলায় ভাষাভিত্তিক জাতীয়তাবাদের জন্ম হয়। 

৪. ভাষা আন্দোলনের ফলে অসাম্প্রদায়িক চেতনার বিকাশ ঘটে। পাকিস্তান সৃষ্টির সাম্প্রদায়িক ভিত্তি ভেঙে বাঙালিরা অসাম্প্রদায়িক চেতনার আন্দোলন শুরু করে। 

৫. ভাষা আন্দোলন প্রথম পর্যায়ে ছিল একটি সাংস্কৃতিক আন্দোলন মাত্র। কালক্রমে তা একটি আর্থ-সামাজিক, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক আন্দোলনের রূপ নেয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
129
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
উত্তরঃ

বিবাহ বিহীন পরিবার গঠন দিবালোকে স্বপ্ন দেখার মতো। এমন কোনো পরিবারের অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া যায়নি যারা বিবাহ বহির্ভূত পরিবার গঠন করেছে। এজন্য পরিবারের ভিত্তি বলা হয় বিবাহকে। যখন একজন পুরুষ ও একজন স্ত্রীলোক একত্রে বৈধভাবে বসবাস করে তখন তাকে পরিবার বলে। এ সংজ্ঞা থেকে প্রতীয়মান হয় যে, পরিবার গঠনের পূর্বশর্ত বিবাহ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
474
উত্তরঃ

উদ্দীপকে ভাষা আন্দোলনের কথা বলা হয়েছে।

১৯৪৭ সালে পাকিস্তান সৃষ্টির পর থেকেই বাঙালিদের সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে বশ্যতা স্বীকার করানোর জন্য পাকিস্তানিরা উঠে পড়ে লাগে। ১৯৪৭ সালেই উর্দুকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা করার প্রস্তাব আসলে বুদ্ধিজীবীরা নানা রচনার মাধ্যমে তার প্রতিবাদ জানান। ১৯৪৮ সালের মার্চ মাসে পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠাতা মুহম্মদ আলী জিন্নাহ ঢাকায় ছাত্রদের উদ্দেশ্যে বক্তৃতায় বলেন, "উর্দুই হবে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা।" বাংলার নির্ভীক ছাত্রসমাজ সাথে সাথে এ বক্তব্যের প্রতিবাদ জানায়। তারপর ১৯৫২ সালে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী খাজা নাজিমউদ্দীন ঢাকার এক জনসভায় আবারও ঘোষণা করেন, "উর্দুই হবে পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা।" এ ঘোষণা শোনা মাত্রই পূর্ব পাকিস্তানের জনগণ ক্ষোভে ফেটে পড়ে। ভাষা আন্দোলনের গতিকে তীব্রতর করতে গঠিত হয় 'সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ'। তীব্র আন্দোলন চলার এক পর্যায়ে ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি জারিকৃত ১৪৪ ধারা ভেঙে ছাত্ররা মিছিল বের করে। মিছিলে পুলিশ বাহিনী গুলি করলে বরকত, জব্বার, রফিক প্রমুখ শহিদ হন।

উদ্দীপকের আইদান প্রভাত ফেরীতে শহিদ মিনারে ফুল দিয়ে বাবাকে জিজ্ঞেস করে, আমরা শহিদ মিনারে কেন ফুল দেই? বাবা বলেন, এই দিনে মাতৃভাষার মর্যাদা রক্ষার জন্য ছাত্রজনতা বুকের রক্ত রাজপথে ঢেলে দিয়েছিল। তাদের স্মরণে আমরা শহিদ মিনারে ফুল দেই। পূর্বোক্ত আলোচনার প্রেক্ষিতে বলা যায়, আইদানের বাবার বক্তব্যে ভাষা আন্দোলনের প্রতিচ্ছবিই ফুটে উঠেছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
682
উত্তরঃ

উদ্দীপকের দিবসটি অর্থাৎ শহীদ দিবসের মতোই স্বাধীনতা দিবস, বিজয় দিবস ইত্যাদি বাংলাদেশের নগর সংস্কৃতিতে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব বিস্তার করে।

বাঙালির বিভিন্ন দিবস পালনকে সাংস্কৃতিক অথবা আর্থ-সামাজিক যেভাবেই বিবেচনা করি না কেন, তার গুরুত্বকে অস্বীকার করা যায় না। গ্রামীণ ও নগর সংস্কৃতিতে এসব দিবস পালনের অনুষ্ঠানে ভিন্নতা দেখা যায়। স্বাভাবিকভাবেই গ্রামীণ সংস্কৃতি অপেক্ষা নগর সংস্কৃতিতে যেকোনো দিবস ঘটা করে পালন করা হয়। যেমন ১৬ ডিসেম্বর আমাদের বিজয় দিবস। এ দিনটি উপলক্ষে নগরে বিভিন্ন কর্মকাণ্ড হাতে নেওয়া হয়। যেমন- আনন্দ র‍্যালি বের করা, বিভিন্ন সঙ্গীতানুষ্ঠানের আয়োজন, শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন, ইত্যাদি করা হয়। এসব সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান সবসময়ই নগরবাসীকে অনুপ্রেরণা যোগায়। এ কারণে নগর সমাজের মানুষ জাতীয় পর্যায়ের বিভিন্ন দিবসের অনুষ্ঠানে আগ্রহ সহকারে অংশগ্রহণ করে। এছাড়া এ জাতীয় অনুষ্ঠান নগর সমাজের শিশুরা খুব কাছে থেকে উপভোগ করে বলে তাদের মধ্যে গভীর দেশপ্রেম দানা বাঁধতে থাকে। ফলে দেশের প্রতি তাদের মনে গভীর ভালোবাসার সৃষ্টি হয়। শুধু তাই নয়, এসব দিবস উদযাপন নগর সমাজের সব শ্রেণি ও পর্যায়ের মানুষের মধ্যে এক ধরনের জাতীয়তাবাদী চেতনা তৈরি করে।

উপরের আলোচনার আলোকে বলা যায়, বাঙালির বিভিন্ন দিবস উদযাপন নগর সংস্কৃতি বিনির্মাণে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
338
উত্তরঃ

সাঁওতালরা মূলত এ দেশে আসে কৃষি মজুর হয়ে, জমি পরিষ্কার করে চাষাবাদ করার জন্য, রেললাইন বসাতে এবং চা বাগানের শ্রমিক হিসেবে। ধারণা করা হয়, বর্তমান সাঁওতালদের পূর্বপুরুষরা ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, বিহার রাজ্য ও অন্যান্য পার্বত্য অঞ্চল থেকে বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলে এসে এখানকার পার্বত্য এলাকা ও আশপাশের বন-জঙ্গলে ও পতিত জমিতে বসতি স্থাপন করে। পরে তারা এসব বন-জঙ্গল পরিষ্কার করে পতিত জমিকে চাষযোগ্য করে তোলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
494
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews