ফেরেশতা অন্ধ লোকটির সততা দেখে তার প্রতি খুশি হলেন।
আরব দেশের তিন ব্যক্তিকে পরীক্ষা করার জন্য আল্লাহ তাআলার হুকুমে ফেরেশতা তাদের কাছে যান। তাদেরকে যথাযথ সাহায্য করার পর ফেরেশতা চলে যান। অনেক দিন পরে ফেরেশতা পুনরায় তাদের কাছে গিয়ে তাদের অতীতের কথা স্মরণ করিয়ে দেন এবং তাদের। কাছে সাহায্য প্রার্থনা করেন। কিন্তু শুধু অন্ধ লোকটি ছাড়া বাকি দুজনই নিজেদের অতীত অবস্থা এবং খোদার রহমতের কথা অস্বীকার করে। অন্ধ লোকটি নিজের অতীত অবস্থা এবং আল্লাহর রহমতের কথা শুধু স্বীকারই করে না, বরং ছদ্মবেশী ফেরেশতাকে সাধ্যমতো সাহায্য করে। তাই ফেরেশতা অন্ধ লোকটির প্রতি খুশি হলেন।
Related Question
View Allস্বর্গীয় দূত তিনজন ইহুদিকে পরীক্ষা করেছিলেন।
মানুষকে পরীক্ষা করার জন্য স্বর্গীয় দূত মানুষের ছদ্মবেশ ধারণ করেছিলেন।
ফেরেশতা হলেন আল্লাহর দূত। আল্লাহর হুকুমে তাঁরা সকল কাজ করে থাকেন। আল্লাহ আরব দেশের তিনটি লোককে পরীক্ষার জন্য এক ফেরেশতাকে পাঠিয়েছিলেন। ফেরেশতা মানুষের রূপ ধরে ঐ তিন ব্যক্তির কাছে গিয়েছিলেন, যেন তাঁর আসল পরিচয় বোঝা না যায়। এতে করে পরবর্তীতে সেই মানুষদের সততার পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব হয়েছিল।
কালাম ও আবুলের কাজের মধ্যে 'সততার পুরস্কার' গল্পের অকৃতজ্ঞতা ও স্বার্থপরতার দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে।
আরব দেশের তিন জন অসহায় ও রোগাক্রান্ত লোককে পরীক্ষা করার জন্য আল্লাহ একজন ফেরেশতা পাঠান। ফেরেশতার অনুগ্রহে এই তিন জনেরই শারীরিক ত্রুটি দূর হলো। শুধু তাই নয়, ফেরেশতার কৃপায় প্রথম জন একটি উট থেকে বহু উটের, দ্বিতীয় জন একটি গাভি থেকে বহু গাভির এবং তৃতীয় জন একটি ছাগল থেকে বহু ছাগলের মালিক হয়ে গেল। কিন্তু কিছুদিন পর এদের পরীক্ষা করার জন্য ফেরেশতা গরিব বিদেশির ছদ্মবেশে এদের কাছে হাজির হলেন। তিনি একেক জনের কাছে গিয়ে তাদের আগের দুরবস্থার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তাকে কিছু সাহায্য করতে বললেন। প্রথম দুজন তাদের আগের অবস্থার কথা অস্বীকার করে ছদ্মবেশী ফেরেশতাকে খালি হাতে বিদায় দিল। যার মাধ্যমে তাদের স্বার্থপরতার দিকটি ফুটে ওঠে।
উদ্দীপকেও আমরা দেখতে পাই হাজি সাহেব জাকাতের টাকা দিয়ে আবুলকে একটা রিক্সা ও কালামকে ভ্যানগাড়ি কিনে দিলে তারা স্বাবলম্বী হয়। কিছুদিন পর হাজি সাহেব তাদের পরীক্ষা করার জন্য এক ভিক্ষুককে পাঠালে আবুল ও কালাম কোনো সাহায্য করেনি। সুতরাং এখানেও স্বার্থপরতা ও অকৃতজ্ঞতার দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে।
'সততার পুরস্কার' গল্পের মূল শিক্ষা হলো সততা, পরোপকার ও নৈতিক মূল্যবোধ অর্জন যা উদ্দীপকে হাফিজের কাজের মধ্যে প্রতিফলিত হয়েছে।
'সততার পুরস্কার' গল্পে ফেরেশতার অনুগ্রহে অন্ধ ব্যক্তিটির চোখ ভালো হয়ে যায় এবং তার অবস্থার উন্নতির জন্য তাকে একটি গাভিন ছাগল দেয়। ধীরে ধীরে সে একটি ছাগল থেকে বহু ছাগলের মালিক হয়ে যায়। কিছুদিন পর তাকে পরীক্ষা করার জন্য ফেরেশতা বিপদগ্রস্ত এক বিদেশির ছদ্মবেশে হাজির হলেন। ফেরেশতা তার দুরবস্থার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে কিছু সাহায্য করতে বললেন। সে নির্দ্বিধায় ফেরেশতার ইচ্ছামতো সব কিছু দিতে রাজি হলো। আল্লাহ তার উপর খুশি হলেন ও তার সম্পদ তারই রয়ে গেল। তাই গল্পটির মূল বাণী হচ্ছে আল্লাহ মানুষকে পরীক্ষা করেন ও সৎ লোককে যথাযথ পুরস্কার দেন।
উদ্দীপকে আমরা দেখি যাকাতের টাকা থেকে হাফিজকে একটি সেলাই মেশিন কিনে দেওয়া হয়। কিছুদিন পর হাজি সাহেব তাকে পরীক্ষা নেওয়ার জন্য এক ভিক্ষুককে পাঠালে সে ভিক্ষুককে বিনা পয়সায় তার জামা সেলাই করে দেয়। সুতরাং তার মধ্যে সততা, পরোপকার ও নৈতিক মূল্যবোধ রয়েছে।
উপরের আলোচনা থেকে বলা যায়, হাফিজের কাজের মধ্যেই সততার পুরস্কার গল্পের মূল শিক্ষা নিহিত।
'সততার পুরস্কার' গল্পে কৃতজ্ঞ ব্যক্তি অন্ধ লোকটি।
ধবলরোগী ফেরেশতার কাছে তার রোগের কথা বলতে গিয়ে উক্ত কথাটি বলে।
আল্লাহর হুকুমে ফেরেশতা ধবলরোগীর কাছে গিয়ে জানতে চান সে কী সবচেয়ে ভালোবাসে। জবাবে সে বলে তার গায়ের ধবল রোগ যদি ভালো হয় তবে সে সবচেয়ে সুখী হবে। কারণ এই রোগকে সবাই খুব ঘৃণা করে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!