ফয়সল সাহেব জাতিসংঘের মানবাধিকার সংস্থার প্রতিনিধি হয়ে বাংলাদেশে কাজ করছেন প্রায় এক বছর। এ এক বছরে তিনি বাংলাদেশের সমাজব্যবস্থায় জাতিসংঘের ঘোষিত মানবাধিকার লঙ্ঘন হতে দেখেছেন এবং উদ্বিগ্ন হয়ে সরকারকে একথা জানিয়েছেন যে, "যদি বাংলাদেশে পদে পদে জাতিসংঘের উদ্দেশ্য ও নীতিগুলো পদদলিত হয় তবে সদস্যপদ জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ কর্তৃক বাতিল হবে।" সর্বোপরি, ফয়সল সাহেব মনে করেন, বাংলাদেশে জাতিসংঘের উদ্দেশ্য ও নীতির পরিপূর্ণ বাস্তবায়ন সময়ের দাবি। 

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

জাতিসংঘ ১৯৪৮ সালের ১০ ডিসেম্বর মৌলিক মানবাধিকার সংক্রান্ত ঘোষণা দেয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
উত্তরঃ

বর্তমান বিশ্বের আন্তর্জাতিক সমাজকে যদি একটি জাতীয় রাষ্ট্রের সাথে কল্পনা করা যায় তবে সেক্ষেত্রে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদকে পার্লামেন্টের সাথে তুলনা করা যায়। এ পরিষদে বিশ্বের বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে আলোচনা করা হয় এবং উত্থাপিত বিষয়ের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। জাতিসংঘের সকল সদস্য নিয়ে সাধারণ পরিষদ গঠিত। এ পরিষদ জাতিসংঘের বিশেষ অধিবেশন আহ্বান করে যে সকল সদস্যরাষ্ট্রের অভ্যন্তরে জাতিসংঘের মানবাধিকার লঙ্ঘন হচ্ছে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের সিদ্ধান্ত নিতে পারে। এমনকি কোনো সদস্যরাষ্ট্রের সদস্যপদ বাতিল পর্যন্ত করার ক্ষমতা রাখে সাধারণ পরিষদ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
উত্তরঃ

জাতিসংঘের প্রতিনিধি হিসেবে ফয়সল সাহেব বিশেষভাবে দৃষ্টি রাখেন, বাংলাদেশে কোনো ক্ষেত্রে জাতিসংঘ ঘোষিত মানবাধিকার লঙ্ঘিত হচ্ছে কি না। তাই তিনি যে কর্মতৎপরতার সাথে জড়িত থাকেন তা নিচে তুলে ধরা হলো-

বন্ধনহীন অবস্থায় এবং সমমর্যাদা ও অধিকার নিয়ে সকল মানুষই জন্মগ্রহণ করে। সকল মানুষের রয়েছে বিবেক ও বুদ্ধি। তাই বাংলাদেশের নাগরিকবৃন্দ ভ্রাতৃত্বসুলভ মনোভাব নিয়ে একে অপরের সাথে আচরণ করার পরিবেশ পাচ্ছে কি না তা তিনি পর্যবেক্ষণ করেন। তিনি লক্ষ রাখেন, কোনো মানুষকেই রাজনৈতিক, সীমানাগত ও আন্তর্জাতিক মর্যাদার ভিত্তিতে কোনো যেন পার্থক্য করা না হয়। কারণ জাতি, গোত্র, বর্ণ, ধর্ম নির্বিশেষে প্রত্যেকেই সকল অধিকার সমভাবে ভোগ করবে এবং স্বাধিকারে স্বত্ববান থাকবে। বাংলাদেশের প্রত্যেক নাগরিকের জীবনধারণ, স্বাধীনতা ও ব্যক্তি নিরাপত্তার অধিকার রয়েছে। কাউকে নির্যাতন ও অবমাননাকর শাস্তিভোগে বাধ্য করা চলবে না। আইনের নিকট সকলেই সমান এবং কোনো রকম বৈষম্য ব্যতিরেকে সকলেরই আইনের দ্বারা সমভাবে রক্ষিত হওয়ার অধিকার রয়েছে। ফয়সল সাহেব এসব ব্যাপারে অত্যন্ত সজাগ। এছাড়া তিনি আরও যেসব বিষয়ে মনোনিবেশ করেন সেগুলোর মাঝে বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য হলো- কাউকে খেয়ালখুশিমতো গ্রেফতার,আটক অথবা নির্বাসিত করা যাবে না। কেউ কোনো দণ্ডনীয় অপরাধে অভিযুক্ত হলে তার আত্মপক্ষ সমর্থনের নিশ্চয়তা থাকবে এবং গণআদালত কর্তৃক আইন অনুযায়ী দোষী সাব্যস্ত না হওয়া পর্যন্ত নির্দোষ বলে বিবেচিত হওয়ার অধিকার রয়েছে। কাউকে তার ব্যক্তিগত গোপনীয়তা, পরিবার, বসতবাড়ি বা চিঠিপত্রের ব্যাপারে খেয়ালখুশিমতো হস্তক্ষেপ অথবা সম্মান ও সুনামের ওপর আক্রমণ করা চলবে না। রাষ্ট্রের সীমানার মধ্যে চলাচল ও বসতি স্থাপনের অধিকার প্রত্যেকেরই রয়েছে। নির্যাতন এড়ানোর জন্য প্রত্যেকেরই অপর দেশসমূহে আশ্রয় প্রার্থনা ও ভোগ করার অধিকার আছে। বিবাহের ব্যাপারে, বিবাহিত অবস্থায় এবং বিবাহ বিচ্ছেদের ব্যাপারে প্রত্যেকেরই সমঅধিকার রয়েছে। কাউকেই তার সম্পত্তি থেকে খেয়ালখুশিমতো বঞ্চিত করা চলবে না। প্রত্যেকেরই চিন্তা, বিবেক ও ধর্মের স্বাধীনতার অধিকার রয়েছে। প্রত্যেক বাংলাদেশি নাগরিকের মতামত প্রকাশের স্বাঁধিকার রয়েছে। প্রত্যেকের শান্তিপূর্ণভাবে সম্মিলিত হওয়ার অধিকার রয়েছে। প্রত্যক্ষভাবে অথবা অবাধে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মাধ্যমে নিজ দেশের সরকারে অংশগ্রহণের অধিকার প্রত্যেকেরই রয়েছে। ফয়সল সাহেব এসব বিষয়ে পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে জাতিসংঘে বাংলাদেশের ব্যাপারে রিপোর্ট পেশ করে থাকেন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
উত্তরঃ

ফয়সল সাহেব গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করেছেন যে অশিক্ষা, কুশিক্ষা, দারিদ্র্য ও ক্ষমতালিপ্সা বাংলাদেশে জাতিসংঘ ঘোষিত মানবাধিকারের পরিপূর্ণ বাস্তবায়নে বাধা সৃষ্টি করছে। ফলে বাংলাদেশে জাতিসংঘের উদ্দেশ্য ও নীতিসমূহের পরিপূর্ণ বাস্তবায়ন সম্ভব হচ্ছে না। অথচ কোনো রাষ্ট্র যদি পদে পদে জাতিসংঘের উদ্দেশ্য অবহেলা ও নীতিগুলো পদদলিত করে চলে, তাহলে তার সদস্যপদ নিরাপত্তা পরিষদের দ্বারা অনুমোদিত হয়ে সাধারণ পরিষদ কর্তৃক বাতিল হয়ে যাবে। তাই বাংলাদেশে জাতিসংঘের উদ্দেশ্য ও নীতির পরিপূর্ণ বাস্তবায়ন সময়ের দাবি। কেননা বিশ্ব আজ এগিয়ে চলেছে জাতিসংঘ কর্তৃক ঘোষিত নীতির পরিপূর্ণ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে।শান্তির প্রতি হুমকি রোধ এবং আক্রমণাত্মক প্রবণতা প্রতিরোধ করার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা জাতিসংঘের উদ্দেশ্য। বাংলাদেশের উচিত এর সমর্থন করা। তাছাড়া সকল মানুষের সমান অধিকারের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করার মাধ্যমে জাতিতে জাতিতে সম্প্রীতি ও সহযোগিতা জোরদার করা; অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক সমস্যা সমাধানের জন্য সকল জাতির মধ্যে সহযোগিতার সম্ভাব গড়ে তোলা; জাতি, ধর্ম, বর্ণ, ভাষা, নারী-পুরুষ নির্বিশেষে মানবিক মৌলিক অধিকার ও স্বাধীনতার প্রতি শ্রদ্ধা ও সম্মান প্রদর্শনের ভাব গড়ে তোলা; আন্তর্জাতিক আইনের সাহায্যে আন্তর্জাতিক বিরোধের শান্তিপূর্ণ সমাধান নিশ্চিত করা জাতিসংঘের উদ্দেশ্য। বাংলাদেশ এসব বিষয় বাস্তবায়নে সচেষ্ট হলে বাংলাদেশের সার্বিক দিক দিয়েই লাভবান হবে।

জাতিসংঘকে কোনো সময় আন্তর্জাতিক যুক্তরাষ্ট্র হিসেবে অভিহিত করা সংগত নয়। জাতিসংঘের সদস্য হিসেবে রাষ্ট্রসমূহ যে অধিকারের দাবিদার হবেন তা পালন করা হবে। তাদের কর্তব্য ও দায়িত্ববোধে উদ্বুদ্ধ হতে হবে। সদস্যরাষ্ট্রগুলো আন্তর্জাতিক সমস্যাসমূহ এমনভাবে সমাধান করবে যেন তাদের কাজের দ্বারা আন্তর্জাতিক শান্তি, নিরাপত্তা ও ন্যায়বোধ কোনোক্রমে বিঘ্নিত না হয় এবং কোনো জটিলতার সৃষ্টি না হয়। সদস্যরাষ্ট্রগুলো তাদের বৈদেশিক সম্বন্ধ নির্ণয়ে রাষ্ট্রীয় নীতি এমনভাবে প্রয়োগ করবে যেন অন্য কোনো রাষ্ট্রের সংহতি, নিরাপত্তা বা রাজনৈতিক স্বাধীনতা কোনোরূপে ক্ষুণ্ণ না হয়।

জাতিসংঘের সদস্যপদ তাদের জন্যই উন্মুক্ত যারা দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে স্বীকৃতপ্রাপ্ত হবে। সুতরাং দেখা যায়, বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক সমাজে ভালো অবস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে এবং বিশ্ব শান্তি ও অভ্যন্তরীণ উন্নয়নের লক্ষ্যে জাতিসংঘের উদ্দেশ্য ও নীতিসমূহের বাস্তবায়ন সময়ের দাবি। তা না হলে পিছিয়ে পড়তে হবে বাংলাদেশকে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
50
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
উত্তরঃ

প্রত্যেক রাষ্ট্রই এর প্রদত্ত অধিকারসমূহ দ্বারা পরিচিতি লাভকরে"- উক্তিটি করেছেন অধ্যাপক লাঙ্কি।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
337
উত্তরঃ

'মানুষ' হিসেবে প্রতিটি মানুষ যে অধিকার ভোগ করতে জন্মগতভাবে প্রত্যাশী তাই মানবাধিকার। মানুষের মূল্য ও মর্যাদার সাথে সংশ্লিষ্ট এ অধিকারগুলো মানুষ জন্মগতভাবে লাভ করে থাকে। অর্থাৎ আমরা মানুষ হিসেবে বাঁচতে প্রকৃতিগত ও সহজাত যে অধিকার প্রত্যাশা করি, তাই হলো মানবাধিকার। যেমন- জীবন ধারণের অধিকার, নিরাপত্তা লাভের অধিকার, নিষ্ঠুরতার শিকার না হওয়ার অধিকার, ন্যায়বিচার লাভের অধিকার ইত্যাদি।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
1k
উত্তরঃ

উদ্দীপকে অধিকার ও কর্তব্যের মধ্যকার সম্পর্ক ব্যাখ্যা করতে গিয়ে এগুলোর পারস্পরিক নির্ভরশীলতার কথা বলা হয়েছে।
অধিকার ও কর্তব্য নাগরিকতার দুটি দিক। নাগরিকদের যেমন অধিকার আছে, তেমনি কর্তব্যও পালন করতে হয়। অধিকার ও কর্তব্য পরস্পর পরিপূরক। এ দুটি যেন একই মুদ্রার দুটি দিকের ন্যায়। সামাজিক সচেতনতা থেকে এদের সৃষ্টি এবং সমাজের মধ্যেই এরা অর্থপূর্ণ হয়ে ওঠে। নাগরিকগণ নিজ নিজ অধিকারের বিনিময়ে রাষ্ট্রের প্রতি কর্তব্য পালন করে থাকে। এজন্যই লাস্কি বলেন, "আমার নিরাপদে থাকার অধিকার থাকলে অন্যের কর্তব্য হলো আমাকে অন্যায়ভাবে আক্রমণ না করা।" অধিকার বলতে যেমন কতকগুলো শর্তকে বুঝানো হয়, তেমনি তা পালনও দায়িত্ব। যেমন-ভোটদানের অধিকার বলতে ভোটাধিকার প্রয়োগের দায়িত্বকেও বোঝায়। কারও অধিকার বলতে যেমন তার কর্তব্যকেও বোঝায়, তেননি একজনের অধিকার বলতে অন্যের কর্তব্যকেও বোঝানো হয়। আমার সম্পত্তির ভোগের অধিকার আছে, এর অর্থ অন্যের সম্পত্তিতে অন্যায় হস্তক্ষেপ না করাও আমার দায়িত্ব।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
249
উত্তরঃ

কারও অধিকার বলতে যেমন তার কর্তব্যকে বোঝায়, তেমনি একজনের অধিকার বলতে অন্যের কর্তব্যকে বোঝায়। একজনের অধিকার ভোগ করা অন্যের কর্তব্য পালনের ওপর নির্ভরশীল। এজন্যই বলা হয়, অধিকারের মধ্যেই কর্তব্য নিহিত। যেমন- আমার বেঁচে থাকার যদি অধিকার থেকে থাকে, তবে আমার কর্তব্য হলো

অন্যের বেঁচে থাকার পথে কোনো বাধার সৃষ্টি না করা। অনুরূপভাবে অন্যের কর্তব্যও হলো আমাকে হত্যা না করা। অধিকার ও কর্তব্য একটি ছাড়া অন্যটি কল্পনা করা যায় না। সমাজের একজনের অধিকারের পরিধি অন্য সকলের কর্তব্যবোধ দ্বারা সীমাবদ্ধ। কারণ অধিকার যদি অবাধ ও সীমাহীন হয় তবে এ থেকে স্বেচ্ছাচারিতার জন্ম হবে। এতে সবল ব্যক্তি অধিকার ভোগ করবে; কিন্তু দুর্বল তার অধিকার থেকে বঞ্চিত হবে।
রাষ্ট্র নাগরিকদের অধিকার রক্ষা করবে। বিনিময়ে নাগরিকগণ রাষ্ট্রের প্রতি দায়িত্ব পালন করবে। নাগরিকের যা দায়িত্ব রাষ্ট্রের তা অধিকার আর রাষ্ট্রের যা দায়িত্ব নাগরিকের তা অধিকার। রাষ্ট্র নাগরিকের অধিকার উপভোগের নিশ্চয়তা দেয়। ফলে রাষ্ট্রের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় রাষ্ট্রকে এগিয়ে আসতে হয়। অর্থাৎ বলা যায়, অধিকার ও কর্তব্য নিবিড়ভাবে সম্পর্কযুক্ত। কার্ল মার্কস বলেছেন, "কর্তব্য ছাড়া কোনো অধিকার নেই আর অধিকার ছাড়া কোনো কর্তব্য নেই।” সুতরাং বলা যায়, অধিকারের মধ্যেই কর্তব্য নিহিত থাকে

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
219
উত্তরঃ

সাধারণভাবে যেকোনো বস্তু বা বিষয় সম্পর্কে জানার জন বিবরণকে তথ্য বলা হয়। তথ্য অধিকার আইনে তথ্যকে সুনির্দিষ্টভাে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, কোনো কর্তৃপক্ষের গঠন কাঠামো ও দাপ্তরিক কর্মকাণ্ড সংক্রান্ত যে কোনো স্মারক, বই, নকশ মানচিত্র, চুক্তি, তথ্য- উপাত্ত, আদেশ, বিজ্ঞপ্তি, দলিল, আলোকচিত্র অডিও, ভিডিও, যান্ত্রিকভাবে পঠনযোগ্য দলিলাদি এবং বৈশিষ্ট নির্বিশেষে যেকোনো তথ্যবহ বস্তু ইত্যাদিকে তথ্য বলা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
332
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews