বঙ্গবন্ধু প্রদত্ত ৭ই মার্চের ভাষণটি ছিল বাঙালি জাতির কাছে ইতিহাস-ঐতিহ্যের স্মারক আর মুক্তির কবিতা যা 'আমি কিংবদন্তির কথা বলছি' কবিতার মূলভাবের সাথে সংগতিপূর্ণ।
আলোচ্য কবিতায় হাজার বছরের সমগ্র বাঙালি জাতির সংগ্রামের ইতিহাস, যুদ্ধ করে টিকে থাকা ও বিজয় লাভের গাঁথা উচ্চারিত হয়েছে। কবিতায় বারবার এসেছে মানবমুক্তির আকাঙ্ক্ষায় সোচ্চার হওয়ার কথা। এখানে 'কবিতা' শব্দটিকে ও সত্যকে অভেদরূপে কল্পনা করা হয়েছে।
উদ্দীপকে বলা হয়েছে, ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চের ভাষণে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাঙালি জাতিকে যেন মুক্তির কবিতা শুনিয়েছেন। বাঙালি জাতির ইতিহাস, ঐতিহ্য, শোষণ-বঞ্চনার কথা তুলে ধরে তিনি বাঙালি জাতিকে প্রতিবাদী আর সংগ্রামী হওয়ার আহ্বান জানান। রক্তের বিনিময়ে হলেও বাঙালি জাতিকে মুক্ত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
'আমি কিংবদন্তির কথা বলছি' কবিতায় কবি ইতিহাস ও ঐতিহ্যকে আশ্রয় করে মানবমুক্তির আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন। কিন্তু মুক্তির পূর্বশর্ত হলো সংগ্রাম। আর গণসূর্যের মঞ্চ কাঁপিয়ে সংগ্রামের ডাক দিয়েছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। সেসময় পাকিস্তানি শাসকদের দুঃশাসন এবং অত্যাচারে এ দেশবাসী হাঁপিয়ে উঠেছিল। আর তখন বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণেই সূচিত হয়েছিল আমাদের স্বাধীনতার স্বপ্ন ও মহান মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ার আহ্বান। তাই বলা যায়, ৭ই মার্চের ভাষণটি ছিল বাঙালি জাতির কাছে ইতিহাস-ঐতিহ্যের স্মারক আর মুক্তির কবিতা।
Related Question
View All১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!